শুক্রবার   ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২২

সর্বশেষ:
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোর বার্ষিক ছুটি ৭৫ দিন আগামী মার্চে ঢাকা উত্তর সিটির ভোটের ইঙ্গিত সিইসির আস্থা ভোটে টিকে গেলেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী থেরেসা মে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় পরিদর্শনে প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রপতির সঙ্গে নেপালের বিদায়ী রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন করতে ইসি প্রতিজ্ঞাবদ্ধ: নূরুল হুদা বারবার আসতে পারব না, যত খুশি সাজা দিন: খালেদা জিয়া ‘আকাশবীণার’ উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী ত্রিভুবনে আবারও বিমান দুর্ঘটনা ট্রেন-বাসের সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ২৫ ভুয়া ছবি দিয়ে অপপ্রচার চালাচ্ছে মিয়ানমার: প্রধানমন্ত্রী
২৯৩

বিশ্বের বৃহৎ সিরামিক পল্লি হবে বাংলাদেশে

ডেস্ক রিপোর্ট

প্রকাশিত: ২৯ ডিসেম্বর ২০২১  

তৈজসপত্রের বৈশ্বিক ও স্থানীয় বাজার ধরতে নতুন করে এ ব্যবসায় যুক্ত হয়েছে দেশের শীর্ষস্থানীয় শিল্পগোষ্ঠী আকিজ গ্রুপ। এ ব্যবসায় বিনিয়োগের কারণ ও বাজার সম্ভাবনা এবং আকিজ গ্রুপের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা ইত্যাদি বিষয়ে কথা বলেছেন প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক সেখ বশির উদ্দিন। সাক্ষাৎকার নিয়েছেন সুজয় মহাজন।

প্রথম আলো: আপনারা নতুন করে তৈজসপত্রের ব্যবসায় নেমেছেন। হঠাৎ করে এ ব্যবসায় নামার কারণ কী?

সেখ বশির উদ্দিন: ২০১২ সালে আমরা সিরামিক ব্যবসা শুরু করি। ওই সময় আমরা বাংলাদেশে সর্বোচ্চ উৎপাদনক্ষমতা নিয়ে কার্যক্রম শুরু করি। আমাদের উদ্দেশ্য ছিল সিরামিকের বাজারে আকিজের নামটি ভালোভাবে প্রতিষ্ঠিত করা। সিরামিকে সফলতার পর আমরা স্যানিটারিওয়্যারে বিনিয়োগ করি। সেখানেও বেশ ভালো সফলতা পেয়েছি। বাংলাদেশের একমাত্র কোম্পানি হিসেবে আকিজ দুবাই ও ইংল্যান্ডে ধারাবাহিকভাবে স্যানিটারিওয়্যার রপ্তানি করছে। এর মধ্যে একবার আমি জার্মানিতে একটি বড় ক্রেতাপ্রতিষ্ঠান ভিজিটে যাই। সেখানে গিয়ে রোজেন থাল নামের বিশ্বের নামকরা একটি তৈজসপত্রের কোম্পানির কারখানা পরিদর্শন করি। ওই কারখানায় গিয়ে দেখি তারা কাপ তৈরি করছে যন্ত্রে আর সেটির হাতল লাগাচ্ছে হাতে। তখন আমার মনে হলো, এ কাজে যদি জার্মান একটি কোম্পানি অধিক অর্থ ব্যয় করে করতে পারে, তাহলে বাংলাদেশ কেন পারবে না। তখনই মনে হয়েছে তৈজসপত্রের বৈশ্বিক বাজারে বাংলাদেশের একটি বিশাল সম্ভাবনা রয়েছে। সেই ভাবনা থেকেই আমাদের এ ব্যবসায় বিনিয়োগ।

প্রথম আলো: শুধু কি বৈশ্বিক বাজারের সম্ভাবনা থেকেই এ ব্যবসায় বিনিয়োগ? নাকি দেশের বাজারকেও বিবেচনায় নিয়েছিলেন।

সেখ বশির উদ্দিন: শুধু বিদেশের বাজার নয়, এ খাতে বিনিয়োগের আগে আমরা দেশের বাজারকে বিবেচনায় নিয়েছি। বাংলাদেশের প্রথম তৈজসপত্রের কারখানা তাজমা চালু হয়েছিল পঞ্চাশের দশকে। এরপর আশির দশকে এ খাতে বিপ্লব ঘটায় মুন্নু সিরামিক। ২০০০ সালের দিকে ফার সিরামিক বাজারে আসে। আমরা দেখেছি তৈজসপত্রের উৎপাদনব্যবস্থাটি মূলত আধুনিক যন্ত্রপাতি ও নন্দনশৈলীর ওপর নির্ভরশীল। এসব বিবেচনায় নিয়ে দেশের বাজারের সম্ভাবনা যাচাই করতে গিয়ে দেখলাম, এ শিল্পে একসময় যাঁরা নেতৃত্ব দিয়েছেন, তাঁরা এখন আর খুব বেশি সক্রিয় নেই। ফলে যে শূন্যতা বিরাজ করছে, সেটিকে কাজে লাগিয়ে আমরা আমাদের অভিজ্ঞতাকে পুঁজি করে এ খাতে বিনিয়োগের সিদ্ধান্ত নিই।

প্রথম আলো: নতুন এ কারখানায় বিনিয়োগের পরিমাণ কত? কত লোকের কর্মসংস্থান হয়েছে?

সেখ বশির উদ্দিন: ময়মনসিংহের ত্রিশালে ২৫ একর জায়গার ওপর নতুন এ কারখানা গড়ে তুলেছি আমরা। ২০১৮ সালে এটির কাজ শুরু হয়। গ্যাস–সংযোগ না পাওয়ায় উৎপাদনে যেতে আমাদের কিছুটা সময় লেগেছে। এ পর্যন্ত বিনিয়োগ দাঁড়িয়েছে ৩০০ কোটি টাকার মতো। ধীরে ধীরে এটির উৎপাদনক্ষমতা বাড়ানো হবে। বর্তমানে কারখানাটির প্রতিদিনের উৎপাদন সক্ষমতা ৫৫ হাজার পিস। আগামী সাত–আট মাসের মধ্যে এ সক্ষমতা বাড়িয়ে ১ লাখ ২৫ হাজার পিসে উন্নীত করা হবে। তখন এ শিল্পে মোট কর্মসংস্থান বেড়ে দাঁড়াবে তিন হাজারে। ত্রিশালে যেখানে তৈজসপত্রের কারখানাটি অবস্থিত, সেখানে ১৫০ একর জায়গা নিয়ে আমাদের পুরো সিরামিক শিল্প গড়ে তুলছি। যেভাবে সেখানে কারখানা সম্প্রসারণ করা হচ্ছে, তাতে আগামী কয়েক বছরের মধ্যে এটি হবে বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ সিরামিক পল্লি।

প্রথম আলো: তৈজসপত্র ছাড়া আর কোন কোন খাতে বিনিয়োগ করেছেন?

সেখ বশির উদ্দিন: আমরা হবিগঞ্জে ৯০ একর জায়গার ওপর নতুন একটি ফ্লোট গ্লাস কারখানা করছি। আশা করছি ২০২৪ সাল নাগাদ এ কারখানায় উৎপাদন শুরু করতে পারব। এ ছাড়া আমরা সিরামিক শিল্পের কাঁচামাল দেশে তৈরির চেষ্টা করছি। বর্তমানে আমরা এ শিল্পের কাঁচামাল ইংল্যান্ড, স্পেন, জাপান, তুরস্ক, নিউজিল্যান্ডসহ বিভিন্ন দেশ থেকে আমদানি করে থাকি। আগামী ২০২৪–২৫ সালের মধ্যে আমরা আমাদের সিরামিক শিল্প এলাকায় সাত–আট হাজার লোকের কর্মসংস্থান তৈরি করতে চাই। বর্তমানে সেখানে ছয় হাজারের মতো লোকের কর্মসংস্থান হয়েছে।

বিশ্বের বৃহৎ সিরামিক পল্লি হবে বাংলাদেশে 
প্রথম আলো: আপনি বলছিলেন, তৈজসপত্রের নতুন কারখানায় সবচেয়ে আধুনিক যন্ত্রপাতি ও দক্ষ লোকের সম্মিলন ঘটিয়েছেন। তাতে পণ্যের উৎপাদন খরচ বেড়ে যাবে না? সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে দাম থাকবে তো?

সেখ বশির উদ্দিন: আমরা যখন কোনো পণ্য তৈরি করি, তখন দামের চেয়েও আমাদের কাছে প্রধান বিবেচ্য থাকে পণ্যের গুণগত মান। আমরা এমনভাবে পণ্য তৈরি করি, যাতে তার বাজারমূল্যের চেয়ে নান্দনিক মূল্য অনেক বেশি থাকে। যেটিকে আমরা বলি, ‘দামের চেয়ে দামি’। এ ছাড়া আমরা বিপুল পরিমাণ পণ্য তৈরি করি বলে উৎপাদন খরচ কমে আসে। ক্রেতা বা গ্রাহকদের আমরা এটুকু আশ্বস্ত করতে পারি, আমাদের পণ্য কিনে কারও মনে হবে না দাম বেশি।

প্রথম আলো: রপ্তানি ও দেশীয় বাজার মিলিয়ে বছরে কী পরিমাণ পণ্য বিক্রির পরিকল্পনা করেছেন?

সেখ বশির উদ্দিন: আমরা দেখেছি, বাংলাদেশ থেকে বছরে গড়ে ৫০০ কোটি টাকার তৈজসপত্র রপ্তানি হয়। আশা করছি, সেখানে আমাদের প্রতিষ্ঠান বছরে ২০০ কোটি টাকার পণ্য রপ্তানি করতে পারবে। পাশাপাশি দেশের বাজারেও বছরে ২০০ কোটি টাকার পণ্য বিক্রির পরিকল্পনা করছি। এ জন্য আমরা এ খাতের সেরা সব মানুষকে আমাদের সঙ্গে যুক্ত করেছি।

আরও পড়ুন
সাক্ষাৎকার বিভাগের সর্বাধিক পঠিত
  • করোনাসহ ১২ ধরনের ভ্যাকসিন তৈরি হবে গোপালগঞ্জে

  • শেখ হাসিনা দেশের নারী ক্ষমতায়নের অগ্রদূত: স্পিকার

  • আপাতত পরিবর্তন হচ্ছে না অফিস সময়

  • ধর্ম নিরপেক্ষতা সমুন্নত রাখতে শেখ হাসিনাই ‘একমাত্র ভরসা’

  • করোনায় কমেছে মৃত্যু, শনাক্ত আরো সাড়ে ৩ লাখ

  • ঢাকাসহ ১৫ জেলায় ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝড়ের আশঙ্কা 

  • জীবনধারণের সহায়ক সামগ্রী পেলেন ভাসানচরের রোহিঙ্গারা

  • ইউটিউব দেখে ব্ল্যাক কুইন তরমুজ চাষে সফল মোফাজ্জল

  • এক মাছের দাম ২৭ লাখ টাকা!

  • স‌লেমানের সোলার পাম্পে চিন্তামুক্ত হাজা‌রো কৃষ‌ক

  • বিশ্ব পর্যটন দিবস আজ

  • শিশু-কিশোরদের জন্য লার্নিং প্লাটফর্ম ‘হাসিনা অ্যান্ড ফ্রেন্ডস’

  • যুক্তরাষ্ট্রে পোশাক রপ্তানি বেড়েছে প্রায় সাড়ে ৫৪ শতাংশ

  • প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিনে বগুড়া জেলা আ.লীগের আনন্দ র‌্যালী

  • সাফ জয়ী পাহাড়ের ৫ কন্যাকে দেয়া হবে গণসংবর্ধনা

  • শরীয়তপুরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা`র ৭৬তম জন্মদিন উদযাপন

  • ‘শেখ হাসিনা আলোকিত বাংলাদেশ গড়ার কারিগর’

  • শেখ হাসিনা জন্মেছিলেন বলেই গৌরবের ইতিহাস রচনা করেছে বাংলাদেশ

  • ঢাকার উন্মুক্ত বর্জ্য ৩০ শতাংশে নামিয়ে আনা হয়েছে : মেয়র তাপস

  • ‘বিএনপি লাঠির সঙ্গে পতাকা বেধে রাস্তায় নামলে জবাব দেওয়া হবে’ 

  • মালয়েশিয়ার সঙ্গে দ্রুত এফটিএ করতে আগ্রহী বাংলাদেশ: অর্থমন্ত্রী

  • প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ছাত্রনেতা থেকে আজ বিশ্বনেতা: তথ্যমন্ত্রী

  • ‘শিশু-কিশোরদেরকে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস জানতে হবে’

  • যুক্তরাষ্ট্রে পোশাক রপ্তানি বেড়েছে ৫৪.৪৩ শতাংশ

  • প্রধানমন্ত্রীর ৭৬তম জন্মদিন উদযাপনে ৭৬ হাজার বৃক্ষ রোপণ

  • ‘শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশে মৌলিক অধিকার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে’

  • শেখ হাসিনার জন্মবার্ষিকীতে স্মারক ডাকটিকিট ও আলোকচিত্র প্রদর্শনী 

  • ‘জলবায়ুর চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় প্রধানমন্ত্রী বিশ্বে রোল মডেল’

  • ‘গণতান্ত্রিক সমাজ নির্মাণের ভিত মজবুত করবে তথ্য অধিকার’

  • বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ, নারায়ণগঞ্জে হচ্ছে ৬ মেগাওয়াট কেন্দ্র

  • প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিনে পদ্মা সেতু নিয়ে লিখবে শিক্ষার্থীরা

  • অ্যাফিডেভিট ছাড়াই পাসপোর্টের নাম-বয়স সংশোধন

  • শিশু সুরক্ষা বাড়াতে ৬ হাজার সমাজকর্মী নিয়োগ দেবে সরকার

  • যানজট নিরসনে রাজধানীতে নামছে স্কুলবাস

  • ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সবুজ মাল্টা চাষে বাম্পার ফলন

  • আসছে নতুন চমক :  যমুনায় বঙ্গবন্ধু রেল সেতু

  • সেনাবাহিনীতে যুক্ত হলো নতুন সামরিক বিমান

  • ই-টিকেটিংয়ে সাফল্য ২৫ টাকার ভাড়া নামলো ১৩ টাকায়

  • আলোর মুখ দেখছে পৃথিবীর দীর্ঘতম মেরিনড্রাইভ

  • ভূমি অপরাধ নিয়ন্ত্রণে চালু হচ্ছে ডিজিটাল কেস সিস্টেম

  • পরিত্যক্ত প্লাস্টিক বোতল দিয়ে ‘বোতল বাড়ি’

  • পাহাড়ে উৎপাদিত বিলাতি ধনে পাতার সুনাম সর্বত্র

  • পদ্মা সেতুর তিন মাস ; দক্ষিণাঞ্চলে আমূল পরির্বতন

  • চিনি ও পাম তেলের দাম বেঁধে দিল সরকার 

  • থাইল্যান্ডকে হারিয়ে বিশ্বকাপে বাংলাদেশ

  • অক্টোবরে খুলছে কর্ণফুলী টানেলের একাংশ 

  • রাজধানীর বাসে পরীক্ষামূলক ই-টিকেট চালু

  • সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের বিনা মূল্যে পদ্মা সেতু দেখাবে বিপিসি

  • রোহিঙ্গাদের জন্য ১৭০ মিলিয়ন ডলার দিচ্ছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র 

  • ৬ মাসে ৫ লাখ বাংলাদেশিকে ভিসা দিয়েছে সৌদি দূতাবাস

  • অস্কারে যাচ্ছে ‘হাওয়া’

  • শেখ রাসেল জুনিয়র দাবা প্রতিযোগিতা শুরু

  • ২২ দিনে রেমিট্যান্স এলো ১৩ হাজার কোটি টাকা

  • চট্টগ্রামে বীরকন্যা প্রীতিলতার নামে সড়কের নামকরণ

  • চট্টগ্রাম বন্দরের রাজস্ব আয় ৩৫৮৫ কোটি টাকা

  • বিএডিসির বীজআলু উৎপাদনের খামারে এবার আউশ ধান

  • ‘বীরদর্পে দেশকে এগিয়ে নিচ্ছেন শেখ হাসিনা’

  • পাটের আঁশ ছাড়িয়ে ৩৬ হাজার নারীর বাড়তি আয় 

  • বরেন্দ্র এলাকায় সেচ দিতে ২৫০ কোটি টাকার প্রকল্প

  • নারীদের হাতের তৈরি দড়ির পণ্য যাচ্ছে বিভিন্ন দেশে