শুক্রবার   ২২ অক্টোবর ২০২১

সর্বশেষ:
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোর বার্ষিক ছুটি ৭৫ দিন আগামী মার্চে ঢাকা উত্তর সিটির ভোটের ইঙ্গিত সিইসির আস্থা ভোটে টিকে গেলেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী থেরেসা মে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় পরিদর্শনে প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রপতির সঙ্গে নেপালের বিদায়ী রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন করতে ইসি প্রতিজ্ঞাবদ্ধ: নূরুল হুদা বারবার আসতে পারব না, যত খুশি সাজা দিন: খালেদা জিয়া ‘আকাশবীণার’ উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী ত্রিভুবনে আবারও বিমান দুর্ঘটনা ট্রেন-বাসের সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ২৫ ভুয়া ছবি দিয়ে অপপ্রচার চালাচ্ছে মিয়ানমার: প্রধানমন্ত্রী
১৮৭

মুন্সিগঞ্জের বাঁশ-বেতের পণ্য যাচ্ছে বিদেশে

ডেস্ক রিপোর্ট

প্রকাশিত: ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২১  

মুন্সিগঞ্জের সিরাজদীখান উপজেলার মধুপুর মনিপাড়া গ্রামের বাঁশ ও বেতের তৈরি সামগ্রী এখন বিদেশেও রফতানি হচ্ছে। ওই গ্রামের ৮০ টি পরিবার এ কাজে জড়িয়ে আছেন। শত বছর ধরে বংশ পরম্পরায় এ পেশা আঁকড়ে ধরে আছে পরিবারগুলো। সেখানে অন্তত সাড়ে ৪০০ নারী-পুরুষ শ্রমিক রয়েছেন। 

সরেজমিনে দেখা যায় ওই গ্রামের ঘরে ঘরে বাঁশ ও বেত দিয়ে নানা শো পিচ তৈরিতে ব্যস্ততার চিত্র দেখা গেছে। বেতের ঝুড়ি, বাস্কেট, পেপার বাস্কেট, ফলের ঝুঁড়ি, আয়নার গ্লাস ফ্রেম, বেতের লেমজার বাতি, বেতের মোড়া, ফুলের টপসহ বাঁশ ও বেতের সামগ্রী তৈরি করে থাকে। 

এখানকার সামগ্রী রাজধানীর এলিফ্যান্ট রোড ও ইস্কাটনের বাঁশ-বেতের সামগ্রীর দোকানগুলোতে বিক্রি করে থাকেন। সেখান থেকে দোকানিরা বিদেশেও রফতানি করে থাকেন। এখানকার বাঁশ ও বেতের পণ্য যাচ্ছে জাপান, সুইজারল্যান্ড, যুক্তরাষ্ট্র, কোরিয়া, মালয়েশিয়া ও সিঙ্গাপুরসহ বিভিন্ন দেশে। প্রতি মাসে এ গ্রাম থেকে বাঁশ ও বেতের তৈরি বিভিন্ন পণ্য বিক্রি হয়ে থাকে ৫০ থেকে ৬০ লাখ টাকা। 

মেসার্স মধুপুর কুটির শিল্পের মালিক সুভাষ দাস বলেন, বেত বাশের বিভিন্ন প্রকার জিনিস সম্পূর্ণ হাত দিয়ে তৈরি করে থাকি। কোনো ধরনের মেশিন দিয়ে তৈরি হয় না। এখানে বেঁতের ঝারবাতি, লেমসেট, ট্রে, সোফাসেট, ফুলদানী, মিরর, আয়নাসহ প্রায় ১০০ ডিজাইনের জিনিস তৈরি করে থাকি।  

বাঁশ বেতের তৈরি জিনিসপত্র দেশের বিভিন্ন নামিদামি ব্যান্ড আমাদের কাছ থেকে নিয়ে দেশের বাইরে রফতানি করছে। তারা আমাদের কাছ থেকে কম মূল্যে জিনিস ক্রয় করে উচ্চ মূল্যে বিক্রয় করছে। সরাসরি রফতানি করতে পারলে আমরা লাভবান হতাম। 

বর্তমানে অর্থনৈতিকভাবে আমরা খুবই দুর্বল। করোনায় মালামাল আটকে গেছে। কারখানায় নারী-পুরুষ মিলে ৬০ জনের বেশি কাজ করে। তাদের এক একজনের মাসিক বেতন সর্বনিম্ন ১২ হাজার টাকা। তাদেরও ঠিকমতো বেতন দিতে পারছি না। তাছাড়া দেশের বিভিন্ন এক্সপোট ব্যবসায়ীরা আমাদের অগ্রিম মালের অর্ডার দিয়ে থাকে। তারা বিভিন্ন দেশে এসব মালামাল পাঠিয়ে থাকে। অনেক অর্ডার আসে দিতে পারি না। সরকার আমাদের ঋণের ব্যবস্থা করে দিলে এ ব্যবসায় অনেকের ভাগ্যের চাকা ঘুরে যেতো।  

কারখানার মালিক পন্ডিত দাস বলেন, বেত সংকট। আর্থিক অবস্থাও তেমন না। সরকার সাহায্য সহযোগিতা করলে কিছুটা হলেও ভালোভাবে থাকতে পারতাম। আমাদের তৈরি পণ্য কনোসফো, কুর্দিজুডক্স, আর্সেনিহ্যান্ডিগ্রাফস, বিডিগ্রেশন, অনির্বান, সানটেজ, জাগরনীসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান দেশ ও দেশের বাহিরে পাঠিয়ে থাকে। কিন্তু আমারা যে পরিশ্রম করি সে অনুযায়ী পয়সা পাই না। আসলটা ওইসব প্রতিষ্ঠান পেয়ে থাকে। 

কুটির শিল্পি নির্মল দাস বলেন, কারখানায় ২০ জন লোক কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করছে। প্রতি মাসে আড়াই লাখ টাকা শুধু বেতনই দিতে হয়। করোনার কারণে খুব সমস্যায় আছি। অনেক জিনিস স্টক হয়ে গেছে। বিক্রী হচ্ছে না। বিক্রী না হলেও কর্মচারীর বেতন ঠিকই দিতে হচ্ছে। এতে খুব সমস্যায় আছি।

যতিন কুমার দাস বলেন, ৩৫ বছর ধরে এ কাজের সঙ্গে জড়িত। কারখানায় ৩০ জন নারী-পুরুষ কাজ করে। প্রতি মাসে আমার ৩ লাখ টাকা মাসিক বেতন দিতে হয় কর্মচারীদের। তাছাড়া পরিবারের সব সদস্য এ কাজের সঙ্গে জড়িত। আমাদের এসব মালামাল বিভিন্ন দেশে যায়। এছাড়া দেশেও প্রায় বিভিন্ন ব্র্যান্ড আমাদের কাছ থেকে মালামাল ক্রয় করে থাকে। কিছু ব্যবসায়ী রয়েছে আমাদের অর্ডার দিয়ে মালামাল নিয়ে বিভিন্ন দেশে পাঠিয়ে অধিক মুনাফা পেয়ে থাকে। তাদের তুলনায় আমরা যদি একটুও পেতাম তাহলে ভালোভাবে এ শিল্পটা ধরে রাখা যেতো। 

একজন নারী শ্রমিক পুস্প রানী দাস বলেন, ৫০ বছর ধরে এ কাজ করছি। এখন আমার ছেলে মেয়ে ও ছেলেবউ এ কাজ করে থাকে। পরিবারের কাজ শেষে বিভিন্ন ধরনের বেতের কাজ করি। আমাদের কাজ হচ্ছে বুনানো, চাপানো, পরিচ্ছন্নসহ আমরা হালকা কাজটাই করি। করোনার কারণে খুব সমস্যা হচ্ছে। মালামাল বিক্রি হলেই তো হাতে কাজ থাকে তা না হলে তো কাজ বন্ধ থাকে। কোনো মতে চলছে আর কি। 

মুন্সিগঞ্জ জেলা বিসিক কার্যালয়ের উপ-ব্যবস্থাপক মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ বলেন,  বিসিক ৪% সুদে ঋণ বিতরণ করছে। ব্যবসায়ীরা যদি গ্রুপ ভিত্তিক আবেদন করে তা হলে ভালো একটি ঋণ পাবে। কারখানার মালিকরা তৈরিকৃত পণ্য বিসিক শিল্প নগরীর অনলাইন পেইজে পোস্ট করলে ভালো লাভবান হতে পারবেন। 

সিরাজদিখানের ইউএনও সৈয়দ ফয়েজুল বলেন, করোনায় হাতের কাজ গুলো থমকে গেছে। এতে তারা আর্থিক সংকটে পড়ে গেছেন। আমরা তাদের বিভিন্নভাবে সাহায্য সহযোগিতা করে আসছি। বাংলাদেশ সরকার ব্যাংক, এনজিওসহ বিভিন্ন সংস্থার মাধ্যমে ঋণ দিয়ে থাকে। কারুপণ্যের কাজগুলো ধরে রাখতে আমাদের মাধ্যমে তাদের সহযোগিতা করা হবে।

আরও পড়ুন
দেশের খবর বিভাগের সর্বাধিক পঠিত
  • পুলিশের সহায়তায় হারিয়ে যাওয়া শিশুটি ফিরলো পরিবারে

  • বীর মুক্তিযোদ্ধাদের চিকিৎসা: বারডেমের সঙ্গে এমওইউ নবায়ন

  • জয়পুরহাটকে বাল্যবিয়ে মুক্ত করতে চায় ‘এক ঘণ্টার এসপি’ মাহিরা

  • শাহজালাল বিমানবন্দরের রাডার ক্রয়ে চুক্তি স্বাক্ষর

  • ওয়াকওয়ে হবে ঢাকার সব খালের পাড়ে

  • প্রতিটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে হবে শেখ রাসেল বুক কর্নার

  • ৪২৮ কোটি টাকায় পুলিশের জন্য কেনা হচ্ছে ২টি অত্যাধুনিক হেলিকপ্টার

  • মাগুরায় রোপা আমনের ব্যাপক ফলন

  • বিনা-১৭ ধানে কৃষকের হাসি

  • স্বাস্থ্য খাতে শিগগিরই পৌনে ৫ লাখ নিয়োগ

  • বজ্রপাতে মৃত্যু ঠেকাতে ৪৭৬ কোটি টাকার প্রকল্প হচ্ছে

  • দেশে এলো সিনোফার্মের আরও ৫৫ লাখ ডোজ টিকা

  • ‘এশিয়ার উইমেন অ্যাওয়ার্ড’ পেলেন সামিটের শারমিন জামান

  • এক যুগে বদলে গেছে বাংলাদেশ

  • ‘কুমিল্লার ঘটনার মূলহোতাকে ইন্ধনদাতারা লুকিয়ে রাখতে পারে’

  • অন্য ধর্মকে হেয় করতে কোরআন অবমাননা করা হয়েছে

  • পদ্মা ও মেঘনা নামে দুটি বিভাগ হবে: প্রধানমন্ত্রী

  • কুমিল্লার ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্তদের ঘরবাড়ি করে দেবে সরকার

  • বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ উইকেটের বিশ্বরেকর্ড সাকিবের

  • রেকর্ডগড়া জয়ে সুপার টুয়েলভে বাংলাদেশ

  • মালয়েশিয়ায় ১৭২ বাংলাদেশি আটক

  • শিশুদের দাঁতে যেসব সমস্যা দেখা দেয়, কী করবেন?  

  • যে কারণে নাম পরিবর্তন চায় ফেসবুক

  • ইমিউনিটি বাড়াতে খান আমলা জুস

  • দেড় বছর পর
    বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে সশরীরে ক্লাস

  • `মাস্ট উইন` ম্যাচে ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশ

  • সৌরভের বায়োপিকে দাদার চরিত্রে অভিনয় করবেন কে?

  • ডিআইজি হয়ে পুলিশ কর্মকর্তাদের নিয়ে বৈঠক করলেন আফসানা

  • বিদায়বেলায় সুসজ্জিত গাড়িতে বাড়ি গেলেন কনস্টেবল দলিলুর

  • কনস্টেবল নিয়োগ: যোগ্য প্রার্থীদের ক্ষেত্রে সদরদপ্তরের নির্দেশনা

  • চলতি মাসেই পায়রা সেতু উদ্বোধন

  • ১০ মেগাপ্রকল্পে রূপ পাচ্ছে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা

  • দুষ্কৃতকারী যে ধর্মেরই হোক, কঠোর ব্যবস্থা: র‍্যাব প্রধান

  • ইসলামে সব ধর্মের স্বাধীনতার কথা বলা হয়েছে: প্রধানমন্ত্রী

  • ফাতেমা জাতের ধানে বিঘায় ফলন ৫০ মণ

  • প্রতি ইঞ্চি জমিতে আবাদ করুন, খাদ্য অপচয় কমান: প্রধানমন্ত্রী

  • ইউরোপের তিন দেশে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী

  • আত্মবিশ্বাস-আত্মমর্যাদা নিয়ে গড়ে উঠুক শিশুরা: প্রধানমন্ত্রী

  • ‌‘গ্যাস বেচতে রাজি না হওয়ায় ২০০১ সালে ক্ষমতায় আসতে পারিনি’

  • করোনাকালে ১৬০০ ভার্চুয়াল সভায় অংশ নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী

  • বৈশ্বিক আইনের শাসনে এগিয়েছে বাংলাদেশ

  • দিনে ৪০ হাজার শিক্ষার্থীকে টিকা দেয়া হবে

  • আগামী বুধবার বন্ধ থাকবে সব ব্যাংক

  • জনগণকে হাসিমুখে সেবা দিতে হবে: জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী

  • ১০০৭ ইউপিতে ২৮ নভেম্বর ভোট

  • কাঠমিস্ত্রি মোস্তাকিম রাবি ভর্তি পরীক্ষায় প্রথম

  • যাত্রাবাড়ী-ডেমরা মহাসড়ক
    ২০২২ সালে শেষ হবে চারলেনের কাজ

  • কুমিল্লার পূজামণ্ডপের ঘটনা নিয়ে অপপ্রচার, যুবক গ্রেফতার

  • ‘প্রথম পদ্মাসেতুর উদ্বোধনের পরই দ্বিতীয় পদ্মাসেতু নির্মাণ শুরু’

  • ২০৩০ সালের মধ্যে উন্নত নাগরিক সেবা নিশ্চিত করা যাবে: মেয়র তাপস

  • ৬০০ কোটিতে ৩২০ কোরিয়ান এসি বাস কিনবে সরকার

  • বঙ্গবন্ধু ও মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস প্রদর্শন হবে ট্রেনে

  • স্কুলশিক্ষার্থীদের গণটিকা শুরু ৩০ অক্টোবর

  • বদলে যাচ্ছে মোংলা বন্দর, গতি ফিরছে বাণিজ্যে

  • আজ থেকে স্কুলশিক্ষার্থীদের পরীক্ষামূলক টিকাদান

  • ব্রেন টিউমারের লক্ষণ ও চিকিৎসা

  • দুর্গম চরে বিদ্যুতের আলোতে ৪০ হাজার পরিবারের মুখে নির্মল হাসি

  • সরকারের উদ্যোগের ফলে ২০০ বছর পর নদীতে ভাসছে নৌকা, এসেছে মাছ

  • আমরা নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা দিয়ে যাচ্ছি: ডিএমপি কমিশনার

  • চায়ের রাজ্যে ট্যুরিস্ট বাস