রোববার   ১৯ মে ২০২৪

সর্বশেষ:
জাইকার উপদেষ্টা কমিটির সঙ্গে স্থানীয় সরকার মন্ত্রীর বৈঠক ‘অজান্তে মোবাইল ব্যালেন্স কেটে নিলে কঠোর ব্যবস্থা’ আওয়ামী লীগের যৌথ সভা শুক্রবার বিএনপির নির্বাচন বর্জনের রাজনীতি আত্মহননমূলক : পররাষ্ট্রমন্ত্রী ঢাকা পৌঁছেছেন ভারতের পররাষ্ট্র সচিব গণমাধ্যমের তথ্য প্রাপ্তির অধিকার নিশ্চিত করা হবে: প্রতিমন্ত্রী নির্বাচনে ভোটার উপস্থিতি ছিল সন্তোষজনক : ওবায়দুল কাদের রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে যুক্তরাজ্যের সহায়তা চেয়েছেন প্রধানমন্ত্রী
৯৫

৫০ বছরে দেশের সাফল্য চোখে পড়ার মতো

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: ১৯ এপ্রিল ২০২৪  

৫০ বছরে বাংলাদেশের সাফল্য চোখে পড়ার মতো বলে মন্তব্য করেছেন সিপিডির চেয়ারম্যান ড. রেহমান সোবহান। তিনি বলেন, এই সময়ে বাংলাদেশের বিভিন্ন সেক্টরে আর্থ-সামাজিক উত্তরণ ঘটেছে। বৃহস্পতিবার দেশের সবচেয়ে বড় বেসরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠান সেন্টার ফর পলিসি ডায়লগ (সিপিডি) আয়োজিত ‘ফিফটি ইয়ার্স অব বাংলাদেশ-ইকোনমি, পলিটিক্স, সোসাইটি অ্যান্ড কালচার’ শীর্ষক বইয়ের প্রকাশনা অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন তিনি। বইটি সম্পাদনা করেছেন সিপিডির চেয়ারম্যান ড. রেহমান সোবহান ও সম্মানীয় ফেলো অধ্যাপক ড. রওনক জাহান। 

ড. রেহমান সোবহান বলেন, এর আগে ১৯৯৬ সালে বাংলাদেশ নিয়ে এ রকম আরেকটি বই করা হয়েছিল। তখন ২৫ বছরের বাংলাদেশের অর্থনীতি নিয়ে এতটা উচ্চাশা ছিল না। সেখানে গার্মেন্টস সেক্টরে কতগুলো ভ্যালু অ্যাড হতে পারে সে বিষয়ে চিন্তা করা হয়নি। রেমিটেন্স নিয়ে এত চিন্তাভাবনা করা হয়নি। এখন পরবর্তী ২৫ বছরে এসব পার্থক্য খুঁজে বের করা হয়েছে।

বাংলাদেশের অর্থনীতি ভালো অবস্থায় রয়েছে। এ সময় বক্তারা বলেন, ৫০ বছরে বাংলাদেশের সাফল্য যেমন চোখে পড়ার মতো, তেমনি স্থায়ী দুর্নীতিও এগিয়েছে। উন্নতি আর দুর্নীতি দুটোই পাশাপাশি এগিয়েছে। সাফল্যের বিপরীতে প্রাতিষ্ঠানিক দুর্বলতা অনেক বেশি। বাংলাদেশের ৫০ বছর নিয়ে বইয়ের প্রকাশনা অনুষ্ঠানে বক্তারা আরও বলেন, দেশে সামষ্টিক ও ব্যক্তিগত উদ্যোগের মিলন হয়েছে।

সরকার ও বাজারের মধ্যে এক ধরনের মিথোজীবীতার সম্পর্ক তৈরি হয়েছে। এটাই উন্নয়নের চালিকা শক্তি। ফলে সম্পদ বা সুশাসনের অভাব দেশের উন্নয়নের পথে বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারেনি।

সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা হোসেন জিল্লুর বলেন, অর্থনৈতিক চালিকা শক্তির বাইরে আরও কিছু বিষয় দেশের উন্নয়নে প্রভাবকের ভূমিকা পালন করেছে। সেটা হলো মানুষের ব্যক্তিত্বের বিপ্লব; মানুষের মধ্যে শত প্রতিকূলতার মধ্যেও টিকে থাকা বা লড়াই করার যে প্রবণতা তৈরি হয়েছে, সেটা। এই প্রবণতার কারণে দেশের মানুষ এগিয়ে যাচ্ছে। কিন্তু এর মধ্যে দেশের উন্নয়নের জগতে বড় একটি পরিবর্তন ঘটে গেছে বলে মনে করেন হোসেন জিল্লুর রহমান। সেটা হলো অন্তর্ভুক্তিমূলক দূরদৃষ্টি থেকে বর্জনকামী দূরদৃষ্টি। সেজন্য তিনি মনে করেন, ভবিষ্যতে অর্থনৈতিক অ্যাজেন্ডা রাজনৈতিক অ্যাজেন্ডায় রূপান্তরিত হবে।

সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের সম্মানীয় ফেলো রওনক জাহান বলেন, এর আগে ১৯৯৬ সালে বাংলাদেশ নিয়ে এ রকম আরেকটি বই করা হয়েছিল। তখন ধারণা করা হয়েছিল, বাংলাদেশ রাজনৈতিকভাবে ভালো জায়গায় যাবে। তখন অর্থনীতি নিয়ে অতটা উচ্চাশা ছিল না। এখন রাজনীতি নিয়ে হতাশা তৈরি হয়েছে; বরং অর্থনীতি ভালো অবস্থায় আছে। তিনি আরও বলেন, পরিবর্তনের যেমন ভালো দিক আছে, তেমনি মন্দ দিকও আছে। সেটা হলো পরিবর্তনের জন্য মূল্য দিতে হয়।

বইটির বিভিন্ন অধ্যায় যাঁরা রচনা করেছেন, তাঁদের মধ্যে কেউ কেউ সশরীরে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। অনেকে বিভিন্ন দেশ থেকে অনলাইনে অনুষ্ঠানে অংশ নেন। বিশ্বব্যাংক গ্রুপের বেসরকারি খাতবিষয়ক সাবেক প্রধান সৈয়দ আখতার মাহমুদ অনলাইনে সংযুক্ত হয়ে বলেন, স্বাধীনতার পর দেশের শস্য উৎপাদন বেড়েছে; উন্নতি হয়েছে গ্রামীণ যোগাযোগব্যবস্থার; এসেছে রেমিটেন্স বা প্রবাসী আয়।

এগুলোর সম্মিলিত ফল হচ্ছে উন্নয়ন। সৈয়দ আখতার মাহমুদ আরও বলেন, দেশের উদ্যোক্তা ও বাজার, নীতিনির্ধারণ ও গবেষণা, আলোচনা ও সংলাপের পৃথক পৃথক জগৎ গড়ে উঠেছে। এসবের মধ্যে সমন্বয় ছিল বলে উন্নয়ন ত্বরান্বিত হয়েছে। সরকার যে সবকিছু করে দিয়েছে, তা নয়; বরং উদ্যোক্তারাও অনেক কিছু করেছেন। কিন্তু এখন এই সমন্বয় বিনষ্ট হচ্ছে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেন তিনি। আগে এ বিষয় যেভাবে কাজ করত, এখন সেভাবে করছে না বলে উল্লেখ করেন তিনি।

বইটির আরেকজন লেখক সিপিডির সম্মানীয় ফেলো মোস্তাফিজুর রহমান দ্বৈত উত্তরণের প্রসঙ্গে বলেন, দেশের যে আর্থসামাজিক উন্নয়ন হচ্ছে, এই উত্তরণ তারই প্রতিফলন। ২০১৫ সালে বাংলাদেশে নিম্ন-মধ্যম আয়ের দেশ হয়েছে এবং ২০২৬ সালে এলডিসি উত্তরণ হবে। এখন প্রশ্ন হচ্ছে, বাংলাদেশ মধ্যম আয় বা ঋণের ফাঁদে পড়ে কি না।

শ্রমঘন শিল্পের ওপর ভর করে এত দিন যে উন্নয়ন হয়েছে, সেখান থেকে পরবর্তী পর্যায়ে যেতে হবে। অর্থাৎ উচ্চ প্রযুক্তিভিত্তিক উৎপাদন ও রপ্তানিতে যেতে হবে। কিন্তু গত ১০ বছরে উচ্চ প্রযুক্তিতে উৎপাদিত পণ্য রপ্তানি এক শতাংশের মধ্যে আটকে আছে। যদিও ভিয়েতনাম এ ক্ষেত্রে অনেকটা এগিয়ে গেছে। বাংলাদেশের প্রাতিষ্ঠানিক দুর্বলতার মধ্যে অপ্রাতিষ্ঠানিক খাতের বিকাশ হলেও উন্নয়নের পরবর্তী ধাপে এটি আর সেভাবে কাজ করবে না বলে মনে করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক সেলিম রায়হান।

তিনি বলেন, অপ্রাতিষ্ঠানিক খাতের বিষয়ে এত দিন এক ধরনের রাজনৈতিক ঐকমত্য ছিল, অর্থাৎ এটা চলতে দিতে হবে। কিন্তু তাঁর অভিযোগ, এলডিসি উত্তরণের পর বাংলাদেশ কি এফডিআই নির্ভর হবে, না কি অর্থনৈতিক অঞ্চলভিত্তিক উন্নয়ন করবে, তা নিয়ে ঐকমত্য নেই। সেলিম রায়হান আরও বলেন, দুর্নীতির ক্ষেত্রে দেশে এক ধরনের স্থিতিশীলতা আছে। এই চক্র ভাঙতে রাজনৈতিক সদিচ্ছা প্রয়োজন, তা না হলে সংস্কার হবে না; তা না হলে সরকারের রাজস্ব আদায়ের সক্ষমতাও বাড়বে না।

দেশের উন্নয়ন নিয়ে যখন কথা বলা হয়, তখন গড় সূচক নিয়ে কথা বলা হয়। এর মধ্য দিয়ে প্রকৃত চিত্র উঠে আসে না বলে মনে করেন অর্থনীতিবিদ এম এম আকাশ। তিনি বলেন, দেশে চরম দারিদ্র্য কমলেও বৈষম্য বাড়ছে। বিশ্বব্যাংকের সূত্রে তিনি বলেন, দেশে যেমন অসমতার হার সবচেয়ে বেশি, তেমনি ধনীদের ধন সঞ্চয়ের হারও অনেক বেশি। সে জন্য ধনী ও গরিবের সূচক পৃথকভাবে দেখার পরামর্শ দেন তিনি।

আরও পড়ুন
বাংলার উন্নয়ন বিভাগের সর্বাধিক পঠিত
  • জিয়াউর রহমান বাকশালের সদস্য হয়েছিলেন, দাবি ওবায়দুল কাদেরের

  • মূল্যস্ফীতি হ্রাসই লক্ষ্য

  • আম নিতে চায় রাশিয়া-চীন

  • ফের দুই দিনের হিট অ্যালার্ট জারি

  • উন্নয়ন রূপকল্পের অন্যতম পথিকৃৎ শেখ হাসিনা : ধর্মমন্ত্রী

  • ধর্মান্ধরা সমাজকে পিছিয়ে নিয়ে যাচ্ছে: ভূমিমন্ত্রী

  • অন্য দেশের সঙ্গে প্রদর্শনী বাড়ালে সাংস্কৃতিক সম্পর্ক জোরদার হয়

  • রাজধানীতে ‘কক্সবাজার এক্সপ্রেসের’ বগি বিচ্ছিন্ন

  • নির্বাচনের জন্য ট্যুরিস্ট ভিসাতে ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা দিলো ভারত

  • ৩০ ব্যাংকের এমডি যাচ্ছেন যুক্তরাষ্ট্রে

  • নোংরা পরিবেশে তৈরি হচ্ছিলো রাফসানের ব্লু ড্রিংকস

  • জার্মানিতে আবাসিক ভবনে বিস্ফোরণ, নিহত ৩

  • খারকিভে ‘কঠিন লড়াই’ চলছে: জেলেনস্কি

  • সব ধরনের জঙ্গি-সন্ত্রাসবাদ পুলিশের নিয়ন্ত্রণে: আইজিপি

  • জনগণের উন্নয়ন, মির্জা ফখরুলসহ বিএনপির সহ্য হচ্ছে না: আইনমন্ত্রী

  • রোহিঙ্গা ক্যাম্পের মূর্তিমান আতঙ্ক সন্ত্রাসী গোষ্ঠী আরসা: র‌্যাব

  • বাংলাদেশের গ্রামের অর্থনীতি পাল্টে গেছে : প্রধানমন্ত্রী

  • ৬ তারিখে বাজেট দেব, বাস্তবায়নও করব : প্রধানমন্ত্রী

  • চৌদ্দগ্রামে যাত্রীবাহী বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ৫ জনের মৃত্যু

  • দেশকে এগিয়ে নিতে অর্থনীতিবিদদের সহযোগিতা চান প্রধানমন্ত্রী

  • ১৭ মে বাংলাদেশের মানুষের হৃদয়ে গাঁথা থাকবে : আইনমন্ত্রী

  • শেখ হাসিনা গণতন্ত্রকামী মানুষের নেতা : খাদ্যমন্ত্রী

  • টানা ৫ দিন বেনাপোল দিয়ে আমদানি-রপ্তানি বন্ধ

  • দুধ দিয়ে গোসল করানো হলো নাবিক সাব্বিরকে

  • রোহিঙ্গা ক্যাম্পের মূর্তিমান আতঙ্ক সন্ত্রাসী গোষ্ঠী আরসা : র‌্যাব

  • শনিবার থেকে বৃষ্টি হতে পারে

  • শেখ হাসিনাকে অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রীর অভিনন্দন

  • ইসরায়েলি হামলায় এখন পর্যন্ত ৩৫ হাজারের বেশি ফিলিস্তিনি নিহত

  • বেদনানাশক নিয়ে খেলবেন তাসকিন

  • শাহরুখ-অমিতাভদের বিরুদ্ধে মামলার আবেদন খারিজ

  • লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে বেশি বোরো উৎপাদন

  • অতীত ভুলে সামনে তাকাতে চায় যুক্তরাষ্ট্র

  • এসএসসিতে গড় পাসের হার ৮৩.০৪ শতাংশ

  • ফেল করেছে বলে গালমন্দ করবেন না : অভিভাবকদের প্রধানমন্ত্রী

  • অবৈধ অভিবাসী প্রত্যাবাসনে বাংলাদেশকে ‘নিরাপদ’ ঘোষণা ইতালির

  • ‘স্বচ্ছতা নিশ্চিতে ইলেকট্রনিক সরকারি ক্রয় চালু’

  • কূটনৈতিক মিশন খুলতে সম্মত বাংলাদেশ-আয়ারল্যান্ড

  • ঘরে বসেই হজযাত্রীরা পাবে প্রাক-নিবন্ধন রিফান্ডের টাকা

  • ডাবের পানির বিকল্প হিসেবে যে পানীয় পান করতে পারেন

  • জিপিএ-৫ ও পাসের হারে এগিয়ে মেয়েরা

  • ডেঙ্গু ঠেকাতে এবার মাস্টারপ্ল্যান

  • সামাজিক নিরাপত্তাবেষ্টনীর আওতা বাড়ছে বাজেটে

  • কিশোর গ্যাংয়ে জড়ানোর কারণ খুঁজতে হবে : শেখ হাসিনা

  • জুন-জুলাইয়ে হতে পারে প্রধানমন্ত্রীর তিন গুরুত্বপূর্ণ সফর

  • ‘ধানের ন্যায্য মূল্য নিশ্চিত করতে কৃষক অ্যাপ চালু করা হয়েছে’

  • নিউ ইয়র্ক বাংলা বইমেলায় দশ হাজার নতুন বই

  • ‘মা দিবসে মাকে দেওয়া আমার শ্রেষ্ঠ উপহার জিপিএ-৫’

  • পায়রা বন্দরে প্রথমবারের মতো ভিড়লো বিদেশি জাহাজ

  • ম্যাংগো স্পেশাল ট্রেন এবার চলবে পদ্মা সেতু দিয়ে

  • ‘ডোনাল্ড লু সম্পর্ক এগিয়ে নিতে বাংলাদেশ সফরে আসছেন’

  • বিশ্বাসের ঘাটতি হটিয়ে সম্পর্ক দৃঢ় করতে চায় যুক্তরাষ্ট্র

  • ইলিশের মণ লাখ টাকা

  • নভেম্বর-ডিসেম্বরে ওয়েস্ট ইন্ডিজে সফরে যাবে বাংলাদেশ

  • কোরবানির চামড়ার ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করবে সরকার

  • ‘বিএনপি যে কখন তাবিজ-দোয়ার ওপর ভর করে সেটিই প্রশ্ন’

  • ‘জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় বাংলাদেশের পাশে থাকবে যুক্তরাষ্ট্র’

  • ১৭ মে : জননেত্রীর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন এবং দেশের অগ্রযাত্রা

  • এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের ভাতা বাড়ানোর প্রক্রিয়া শুরু

  • ‘বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক আরও ঘনিষ্ঠ করতে চায় যুক্তরাষ্ট্র’

  • ‘নারীবান্ধব শিক্ষানীতির কারণে মেয়েরা পাসের হারে এগিয়ে’