বৃহস্পতিবার   ০১ অক্টোবর ২০২০

ব্রেকিং:
৫ মাস পর খুললো বিনোদনকেন্দ্র, দর্শনার্থীর উপস্থিতি কম ইউপি তথ্যসেবা কেন্দ্রের মাধ্যমে এনআইডি সেবা দেওয়ার উদ্যোগ বরিশালে পারিবারিক কৃষিতে সফলতা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোর বার্ষিক ছুটি ৭৫ দিন আগামী মার্চে ঢাকা উত্তর সিটির ভোটের ইঙ্গিত সিইসির জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় পরিদর্শনে প্রধানমন্ত্রী আস্থা ভোটে টিকে গেলেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী থেরেসা মে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে নেপালের বিদায়ী রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ খালেদার অনুপস্থিতিতেই কারাগারে বিচার চলবে রব ও মান্নার বিয়ে যুক্তফ্রন্টে, পরকীয়া ঐক্যফ্রন্টে: মাহী এটা জোট নয়, ঘোট : তথ্যমন্ত্রী যুক্তরাষ্ট্রে রাজনৈতিক আশ্রয় পেলেন সিনহা আবারও সরকার গঠনে নৌকায় ভোট দেয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর পদ্মা সেতু প্রকল্পের নামফলক উন্মোচন করলেন প্রধানমন্ত্রী
২৭১

৪ পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনায় উন্নত বাংলাদেশ বাস্তবায়নের রূপরেখা

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: ১২ সেপ্টেম্বর ২০২০  

স্বল্পোন্নত থেকে মধ্য আয়ের দেশ হওয়ার পথে এগিয়ে চলেছে বাংলাদেশ। তবে সরকারের লক্ষ্য ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত বাংলাদেশ গড়ে তোলা। সেই উন্নত বাংলাদেশে দারিদ্র্যের হার নেমে আসবে তিন শতাংশে। চরম দারিদ্র্যের হার হবে ১ শতাংশেরও কম। গ্রাম-শহরের বৈষম্য কমবে। ৮০ শতাংশ মানুষ শহুরে জীবনযাপনের সব সুবিধা পাবে। বাড়বে গড় আয়ু, মোট দেশজ উৎপাদন (জিডিপি)।

২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত এই বাংলাদেশ গড়ে তোলার কর্মপরিকল্পনা নির্ধারণের রূপরেখা চূড়ান্ত করেছে সরকার। সেই রূপরেখা অনুযায়ী অষ্টম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার মধ্য দিয়ে শুরু হবে এর বাস্তবায়ন। এমন আরও তিনটি, অর্থাৎ মোট চারটি পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার মধ্য দিয়ে তা চূড়ান্ত রূপ পাবে। চূড়ান্ত এই রূপরেখার শিরোনাম দেওয়া হয়েছে ‘রূপকল্প ২০৪১ বাস্তবায়নে রূপরেখা: বাংলাদেশের প্রেক্ষিত পরিকল্পনা ২০২১-২০৪১’। সম্প্রতি জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের (এনইসি) চেয়ারপাসন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এনইসি বৈঠকে এই পরিকল্পনাটি অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

পরিকল্পনা কমিশন সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হবে এই রূপরেখা তথা প্রেক্ষিত পরিকল্পনা। রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের এনইসি সম্মেলন কক্ষের এই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি থাকবেন পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করবেন পরিকল্পনাটি তৈরির দায়িত্বপ্রাপ্ত সাধারণ অর্থনীতি বিভাগের সদস্য (সিনিয়র সচিব) ড. শামসুল আলম। বিশেষ অতিথি থাকবেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম ও প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব ড. আহমেদ কায়কাউস।

সাধারণ অর্থনীতি বিভাগ (জিইডি) সূত্র জানায়, প্রেক্ষিত পরিকল্পনায় রয়েছে ১২টি অধ্যায়। এর মধ্যে যেমন শিল্প ও বাণিজ্য, কৃষি, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির মতো বিষয় রয়েছে, তেমনি রয়েছে সুশাসন, মানব উন্নয়ন, জলবায়ু পরিবর্তন ও পরিবেশের মতো বিষয়গুলোও। এর মধ্যে সামষ্টিক অর্থনৈতিক কাঠামো আছে, যাতে প্রতি অর্থবছরের অর্থনীতির সূচকগুলো লক্ষ্যমাত্রা বিস্তরিতভাবে দেওয়া হয়েছে। ২০২১ সাল পর্যন্ত বাস্তবায়নাধীন প্রথম প্রেক্ষিত পরিকল্পনা, তথা রূপকল্প ২০২১-এর ধারাবাহিকতায় ২০ বছর মেয়াদি দ্বিতীয় এই প্রেক্ষিত পরিকল্পনা প্রণয়ন করা হয়েছে।

সাধারণ অর্থনীতি বিভাগ থেকে প্রণয়ন করা এই প্রেক্ষিত পরিকল্পনায় ২০৪১ সালে মানুষের প্রত্যাশিত গড় আয়ুষ্কাল ৮০ বছর ধরা হয়েছে। প্রেক্ষিত পরিকল্পনার প্রক্ষেপণে বলা হয়েছে, ২০৩১ সালে মোট দেশজ উৎপাদন (জিডিপি) প্রবৃদ্ধি দাঁড়াবে ৯ শতাংশে। সেটি আবার বাড়তে বাড়তে ২০৪১ সালে গিয়ে হবে ৯ দশমিক ৯ শতাংশ। একইসঙ্গে চরম দারিদ্র্যের হার ২০২০ সালে ৯ দশমিক ৪ শতাংশ থেকে কমে ২০৩১ সালে পৌঁছাবে ২ দশমিক ৩ শতাংশে। সেটি পরিকল্পনার শেষ বছর ২০৪১ সালে কমে দাঁড়াবে ১ শতাংশের নিচে। অন্যদিকে দারিদ্র্যের হার বর্তমান বছরের ১৮ দশমিক ৮ শতাংশ থেকে কমে ২০৩১ সালে দাঁড়াবে ৭ দশমিক শূন্য শতাংশে । পরিকল্পনার বাস্তবায়ন শেষে ২০৪১ সালে এ হার নেমে যাবে ৩ শতাংশের নিচে।

‘ভিশনারি দলিল’
প্রণয়নের দায়িত্বে থাকা সাধারণ অর্থনীতি বিভাগের সদস্য ড. শামসুল আলম দ্বিতীয় এই প্রেক্ষিত পরিকল্পনাকে অভিহিত করছেন ‘ভিশনারি দলিল’ হিসেবে। তিনি বলছেন, এই পরিকল্পনাটি মূলত একটি রূপরেখা। ২০৪১ সালে একটি উন্নত বাংলাদেশে রূপান্তরিত হতে গেলে আমরা কী কী অর্জন করতে চাই, তার বহিঃকাঠামোটি তুলে ধরা হয়েছে এই প্রেক্ষিত পরিকল্পনায়। এই রূপরেখা বা কাঠামোকে কেন্দ্র করেই অর্জনগুলো বাস্তবায়নের বিস্তারিত পরিকল্পনা প্রণয়ন করা হবে।

ড. শামসুল আলম বলেন, প্রেক্ষিত পরিকল্পনার মধ্যে বিস্তাতি সবকিছু আশা করা ঠিক নয়। এটি একটি দিক নির্দেশনামূলক দলিল। এর ওপর ভিত্তি করে চারটি পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা প্রণয়ন করা হবে। বিস্তারিত যা কিছু কৌশল, সেসব পরিকল্পনায় উল্লেখ থাকবে।

তিনি জানান, ২০ বছরের যে প্রেক্ষিত পরিকল্পনা, তা বাস্তবায়নের সূচনা হবে ২০২১ সালে। আর এই বছরটি অষ্টম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার (২০২০-২৫) অন্তর্ভুক্ত। ফলে এই পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা তৈরিতে সহায়তার জন্য একবছর আগেই প্রেক্ষিত পরিকল্পনা প্রণয়ন করা হয়েছে। পরবর্তী সময়ে নবম, দশম ও একাদশ পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা প্রণয়ন ও বাস্তবায়নের মধ্য দিয়ে দুই দশকের প্রেক্ষিত পরকল্পনা বাস্তবায়ন করা হবে, যার মাধ্যমে গড়ে উঠবে উন্নত-সমৃদ্ধ বাংলাদেশ।

আরও দুইটি কারণে দ্বিতীয় প্রেক্ষিত পরিকল্পনা বিশেষ তাৎপর্য বহন করে বলে মন্তব্য করছেন ড. শামসুল আলম। তিনি বলেন, বাংলাদেশ যদি ২০২১ সালে স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উত্তরণের শর্ত পূরণ করে, তাহলে ২০২৪ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে উন্নয়নশীল দেশে পরিণত হবে। দ্বিতীয়ত, ২০৩০ সালে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার (এসডিজি) বাস্তবায়ন পরিমাপ করা হবে। এই অর্জনগুলোকে বাস্তবে রূপ দেওয়ার ক্ষেত্রে প্রেক্ষিত পরিকল্পনা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

কমবে গ্রাম শহরের বৈষম্য
সরকারের নির্বাচনি ইশতেহারেই গ্রাম ও শহরের মধ্যে বৈষম্য কমানোর প্রতিশ্রুতি রয়েছে। বিষয়টিকে ব্যাপক গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে প্রেক্ষিত পরিকল্পনাতেও। বলা হয়েছে, শহরের সব সুবিধা পৌঁছে যাবে গ্রামে। মানুষকে আর যেকোনো প্রয়োজনে শহরে ছুটতে হবে না।

পরিকল্পনাতে বলা হয়েছে, ২০৪১ সালের মধ্যে দেশের ৮০ ভাগ মানুষ বাস করবে শহরে। তাই গ্রাম ও শহরের বৈষম্য আর থাকবে না। এর আগেই জাতীয় বাজেটে বিশেষ বরাদ্দের মাধ্যমেও গ্রামকে শহর বানানোর পরিকল্পনা বাস্তবায়ন শুরু হয়েছে। প্রেক্ষিত পরিকল্পনা বাস্তবায়নের প্রথম ধাপ ‘অষ্টম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা’তেও এই বিষয়টিতে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

আরও যেসব বিষয়ে গুরুত্ব
গ্রাম-শহরের বৈষম্যের পাশাপাশি সব ধরনের বৈষম্য দূর করার দিকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে প্রেক্ষিত পরিকল্পনায়। এছাড়া ধারাবাহিক জিডিপি প্রবৃদ্ধি অর্জন, দারিদ্র্য নিরসন, কর্মসংস্থান তৈরি, রফতানি বহুমুখীকরণ, বিনিময় হার ব্যবস্থাপনা, লেনদেনের ভারসাম্য রক্ষা এবং পুষ্টি ও খাদ্য নিরাপত্তার মতো বিষয়গুলোতে দেওয়া হয়েছে গুরুত্ব। এর বাইরেও টেকসই বিদ্যুৎ ও জ্বালানি, টেকসই প্রবৃদ্ধির জন্য পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তন ব্যবস্থাপনা এবং এলডিসি উত্তরণের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার প্রস্তুতিও থাকছে।

পরিকল্পনায় আরও যেসব বিষয় গুরুত্ব পেয়েছে সেগুলোর মধ্যে রয়েছে, দক্ষ মানবসম্পদ তৈরি, প্রযুক্তির সর্বোত্তম ব্যবহার, জ্বালানি খাতের উন্নয়ন, যোগাযোগ খাতের বিশেষ উন্নয়ন, তথ্য ও প্রযুক্তি থাতের উন্নয়ন, বহুত্ববাদী গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা এবং স্থানীয় সরকার শক্তিশালীকরণসহ বিভিন্ন বিষয়। অর্থাৎ উন্নত দেশে পরিণত হতে যা যা প্রয়োজন, তার প্রায় সবকিছুকেই স্থান দেওয়া হয়েছে পকিল্পনাটিতে।

আরও পড়ুন
অর্থনীতি বিভাগের সর্বাধিক পঠিত
  • শেখ হাসিনা যতবার ক্ষমতায় এসেছেন ততবার দেশের উন্নয়ন হয়েছে : শাওন

  • বিশ্ব প্রবীণ দিবস আজ

  • কুয়েতের আমিরের মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রীর শোক

  • নিউজিল্যান্ড-জার্মানিকে ছাড়িয়ে বাংলাদেশ

  • বিকাশ হ্যাকার চক্রের ৯ সদস্যকে গ্রেফতার করেছে ডিবি

  • প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা ম্যাজিকের মতো কাজ করছে

  • ডেনমার্কে বাংলাদেশের নতুন রাষ্ট্রদূত আল্লামা সিদ্দিকী

  • এমসি কলেজের সেই ঘটনাটি আমরা খতিয়ে দেখছি: শিক্ষামন্ত্রী

  • কুয়েতের আমিরের মৃত্যুতে বৃহস্পতিবার রাষ্ট্রীয় শোক

  • খাগড়াছড়িতে ধর্ষণ রোধে পদক্ষেপ জানতে চেয়ে ডিসিকে আইনি নোটিশ

  • ডিসেম্বর পর্যন্ত ঋণের কিস্তি না দিলেও খেলাপি নয়: অর্থমন্ত্রী

  • বাংলাদেশ থেকে আম-আনারস নিতে চায় তুরস্ক: কৃষিমন্ত্রী

  • ৫৭ হাজার শিক্ষক নিয়োগের উদ্যোগ

  • কভিড সংকট মোকাবিলায় প্রয়োজন সমন্বিত রোডম্যাপ

  • প্রকল্পের নথি বাংলায় তৈরি করতে নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

  • সীমান্ত হত্যা শূন্যে নামাতে সম্মত বাংলাদেশ-ভারত

  • বিকল্প দেশ থেকে পেঁয়াজ আসা শুরু

  • সৌরবিদ্যুৎ খাতে কর্মসংস্থানে বাংলাদেশ বিশ্বে পঞ্চম

  • চালের দাম নির্ধারণ করে দিলো সরকার

  • সারাদেশে কলেজগুলোতে বহিরাগত প্রবেশ নিষেধ

  • রায়ে সন্তুষ্ট রিফাতের বাবা

  • সৌদিতে সপ্তাহে ২০টি ফ্লাইট যাবে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

  • রিফাত হত্যা মামলায় মিন্নিসহ ৬ জনের ফাঁসি

  • রাজধানীতে ঝুলন্ত তার অপসারণে মাঠে নামছে ডিএনসিসি

  • জানুয়ারিতে ২৪ কোটি বই বিতরণ করবে সরকার

  • রশিদের ঘূর্ণিতে জয়রথ থেমে গেলো দিল্লির

  • ওয়েব সিরিজে চমক এবার শবনম ফারিয়া

  • জাপানি তারকা অভিনেত্রীর আত্মহত্যা

  • কোভিড-১৯ মোকাবিলায় জাতিসংঘে প্রধানমন্ত্রীর ৬ দফা প্রস্তাব

  • রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন নিশ্চিতে বাংলাদেশের পাশে থাকবে ওআইসি

  • নোয়াখালী জেলা আ. লীগের প্রস্তাবিত কমিটিতে বিএনপি-জামায়াত!

  • ৫৪ হাজার রোহিঙ্গাকে বাংলাদেশে পাঠাবে না সৌদি: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

  • ভাসানচরে আধুনিক জীবনের সব সুবিধা পাবেন রোহিঙ্গারা

  • কেনার আগে মোবাইলের বৈধতা যাচাইয়ের পরামর্শ বিটিআরসির

  • পিরোজপুরে তৈরি হচ্ছে বিশ্বমানের ক্রিকেট ব্যাট

  • তিস্তায় পাল্টে যাবে জীবন

  • প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে পায়রা নদীর ওপর নির্মিত হবে সেতু

  • রোহিঙ্গাদের ভাসানচরে স্থানান্তর নিয়ে প্রোপাগান্ডা করছে একটি মহল

  • গোয়াইনঘাটে ৩০ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মাণ হচ্ছে ৮টি আশ্রয় কেন্দ্র

  • পেঁয়াজ উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণ হওয়ার পথে বাংলাদেশ

  • মোংলাকে আধুনিক বন্দরে রূপ দিতে বাস্তবায়ন হবে ১০ প্রকল্প

  • সেফটিপিনের চেইন তৈরি করে গিনেস বুকে স্থান পেলো পার্থ দেব

  • উদ্বোধনের অপেক্ষায় দেশের সর্ববৃহৎ সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্প

  • ইস্পাত শিল্পে কর্মসংস্থান হলো তিন লাখ মানুষের

  • ন্যাশনাল সার্ভিস কর্মসূচিতে প্রশিক্ষণ নিয়েছেন ২২ লাখের বেশি মানুষ

  • ‘বিশ্বের ৮০ দেশে সফটওয়্যার রফতানি করছে বাংলাদেশ’

  • নতুন কারা মহাপরিদর্শক হলেন ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোমিনুর রহমান

  • দেশের সব মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে হবে ডিজিটাল একাডেমি

  • পেঁয়াজ আমদানিতে শুল্ক প্রত্যাহার, প্রজ্ঞাপন জারি

  • পায়রা নদীর ওপর নির্মিত হবে ‘শেখ হাসিনা পায়রা ব্রিজ’

  • আমন ধানের ক্ষেতে সবুজের হাসি

  • গৃহহীনদের খুঁজে খুঁজে ঘর করে দেবে সরকার : জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী

  • তিস্তা নদী খননের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার

  • ইকামার মেয়াদ বাড়িয়েছে সৌদি সরকার

  • ‘পরিকল্পিত উপায়ে দেশব্যাপী রাস্তা নির্মাণে মাস্টারপ্ল্যান হবে’

  • ১ অক্টোবর থেকে সৌদিতে ফ্লাইটের অনুমতি পেল বিমান

  • আমন ধানে স্বপ্ন দেখছেন কৃষক

  • ঢাকা-মাওয়া-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে বদলেছে দুই পাড়

  • প্রতিকূলতায়ও বাড়তি বিনিয়োগ আকর্ষণ করবে বাংলাদেশ

  • করোনা মোকাবিলায় দিনরাত কাজ করে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী