সোমবার   ১৩ জুলাই ২০২০

ব্রেকিং:
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোর বার্ষিক ছুটি ৭৫ দিন আগামী মার্চে ঢাকা উত্তর সিটির ভোটের ইঙ্গিত সিইসির জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় পরিদর্শনে প্রধানমন্ত্রী আস্থা ভোটে টিকে গেলেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী থেরেসা মে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে নেপালের বিদায়ী রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ খালেদার অনুপস্থিতিতেই কারাগারে বিচার চলবে রব ও মান্নার বিয়ে যুক্তফ্রন্টে, পরকীয়া ঐক্যফ্রন্টে: মাহী এটা জোট নয়, ঘোট : তথ্যমন্ত্রী যুক্তরাষ্ট্রে রাজনৈতিক আশ্রয় পেলেন সিনহা আবারও সরকার গঠনে নৌকায় ভোট দেয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর পদ্মা সেতু প্রকল্পের নামফলক উন্মোচন করলেন প্রধানমন্ত্রী
২৬৪

৪ জুন ১৯৫৭:প্রথম বাঙালি হিসাবে চা বোর্ডের চেয়ারম্যান হন বঙ্গবন্ধু

ডেস্ক নিউজ

প্রকাশিত: ৪ জুন ২০২০  

বাংলাদেশে চা শিল্পের বিকাশে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের অবদান অবিস্মরণীয়। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ৪ জুন ১৯৫৭ সাল হতে ২৩ অক্টোবর ১৯৫৮ সাল পর্যন্ত প্রথম বাঙালি হিসাবে চা বোর্ডের চেয়ারম্যান পদে অধিষ্ঠিত থেকে বাঙালি জাতিকে সম্মানিত করেন। তিনি ছিলেন চা বোর্ডের প্রথম বাঙালি চেয়ারম্যান।

বঙ্গবন্ধু চা শ্রমিকদের কল্যাণে অত্যন্ত মনোযোগী ছিলেন। স্বাধীন বাংলাদেশে চা শ্রমিকদের নাগরিকত্ব ও ভোটাধিকার প্রদান করেছিলেন তিনি। বঙ্গবন্ধু চা বোর্ডের চেয়ারম্যান থাকাকালীন চা চাষাবাদ, কারখানা উন্নয়ন, অবকাঠামো এবং শ্রমকল্যাণের ক্ষেত্রে চা শিল্পে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি সাধিত হয়।

বঙ্গবন্ধুর বলিষ্ঠ নেতৃত্ব এবং সময়োপযোগী কার্যকর উদ্যোগের ফলে চা’এর উৎপাদন এবং অভ্যন্তরীণ চাহিদা ও মূল্য বৃদ্ধির মাধ্যমে এ দেশের চা শিল্পের ব্যাপক উন্নতি সাধিত হয়। তাঁর অভিজ্ঞতা, দুরদর্শীতা ও দেশাত্ববোধের কারণে একাত্তরের স্বাধীনতা যুদ্ধকালীন সময়ে প্রায় ধ্বংসপ্রাপ্ত চা শিল্প পুনরায় নব-উদ্যমে যাত্রা শুরু করতে পেরেছিল।

বঙ্গবন্ধুর সরকার স্বাধীনতাত্তোর চা শিল্পের সুদৃঢ় অর্থনৈতিক ভিত্তি গড়ে তোলার জন্য চা বাগানগুলোর পুনর্বাসন, নতুন চা এলাকা সম্প্রসারণ, চা কারখানা আধুনিকীকরণ, গবেষণা ও প্রশিক্ষণ জোরদারকরণের লক্ষ্যে কয়েকটি সম্ভাব্য সমীক্ষা পরিচালনা করে। এ সময়ে চা শিল্পের পুনর্বাসন ও উন্নয়নে প্রয়োজনীয় কারিগরী সহায়তা প্রদানের জন্য বঙ্গবন্ধু কমনওয়েলথ সচিবালয়কে অনুরোধ জানান। চা শিল্পের অস্তিত্ব রক্ষায় বঙ্গবন্ধুর সরকার ১৯৭২-৭৪ সন পর্যন্ত চা উৎপাদনকারীদের নগদ ভর্তুকি প্রদান করার পাশাপাশি ভর্তুকি মূল্যে সার সরবরাহ করেন। চা কারখানাগুলো পুনর্বাসনের জন্য বঙ্গবন্ধু ‘ইন্ডাস্ট্রিয়াল ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক অব ইন্ডিয়া’ থেকে ৩০ লাখ ভারতীয় মুদ্রা মূল্যের ঋণ নিয়ে চা শিল্পের যন্ত্রপাতি আমদানি করেন। বঙ্গবন্ধু চা বাগান মালিকদেরকে ১০০ বিঘা পর্যন্ত জমির মালিকানা সংরক্ষণের অনুমতি প্রদান করেন।

চা বোর্ডের নিজস্ব ভবন নির্মাণের জন্য তদানীন্তন পাকিস্তান সরকার ঢাকার ১১১-১১৩ মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকায় ০.৩৭১২ একর জমি বরাদ্দ দেয়। বঙ্গবন্ধু চা বোর্ডের চেয়ারম্যান থাকাকালীন এ ভবনের নির্মাণ কাজ ত্বরান্বিত হয়। ১৯৫৯ সালে অফিস ভবনটির নির্মাণ কাজ শেষ হয়।

বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে চা বোর্ড চায়ের আবাদ ও সম্প্রসারণ কার্যক্রম আরো বেগবান করতে ১৯৫৮ সালে পাকিস্তান টি লাইসেন্সিং কমিটি বিলুপ্তির জন্য পাকিস্তান টি অ্যাক্ট ১৯৫০ এর ৭ নং ধারায় সংশোধন আনেন এবং কমিটির কার্যক্রম চা বোর্ডে ন্যস্ত করার ব্যবস্থা গ্রহণ করেন।

১৯৫৭ সালে চা বোর্ডের অধীন পাকিস্তান টি রিসার্চ স্টেশন (বর্তমানে বাংলাদেশ চা গবেষণা ইনস্টিটিউট) শ্রীমঙ্গলে প্রতিষ্ঠিত হয়। বঙ্গবন্ধুর সরাসরি হস্তক্ষেপ ও তৎপরতায় এ প্রতিষ্ঠানের নির্মাণ কাজ দ্রুততার সাথে সম্পন্ন হয়। চা শিল্পের উন্নয়নে নবগঠিত টি রিসার্চ স্টেশন সম্প্রসারণ, গবেষণা কার্যক্রম ত্বারান্বিত করা, লাইব্রেরি প্রতিষ্ঠা, নতুন যন্ত্রপাতি ক্রয়, বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তাদের জন্য আন্তর্জাতিকমানের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করার মাধ্যমে বঙ্গবন্ধু গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন। বঙ্গবন্ধুই তৎকালীন চা গবেষণা কেন্দ্রে একজন বাঙালি গবেষক যেন এ গবেষণা কেন্দ্রের প্রধান হতে পারেন, সে লক্ষ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মৃত্তিকা বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষক ড. কে. এ. হাসানকে চা গবেষণা কেন্দ্রে নিয়ে আসেন। পরবর্তীতে তিনিই উর্দুভাষী পাকিস্তানী পরিচালক ড. এফ. এইচ. আব্বাসীর স্থলাভিষিক্ত হন।

বঙ্গবন্ধু চা বোর্ডের চেয়ারম্যান থাকাকালীন চায়ের উৎপাদন ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পায়। ১৯৫৭-৫৮ এবং ১৯৫৮-৫৯ সালের বাৎসরিক রিপোর্ট পর্যালোচনা করে দেখা যায়, ১৯৫৭-৫৮ অর্থবছরে চায়ের একর প্রতি উৎপাদন ছিল ৬২১ পাউন্ড। ১৯৫৮-৫৯ অর্থবছরে একর প্রতি উৎপাদন ১২৪ পাউন্ড বৃদ্ধি পেয়ে ৭৪৫ পাউন্ডে দাঁড়ায়। উৎপাদন বৃদ্ধির পাশাপাশি চায়ের রপ্তানিও এ সময় বৃদ্ধি পায়। এ অঞ্চলের চা যুক্তরাজ্য, আয়ারল্যান্ড, পশ্চিম জার্মানী, বাহরাইন সহ বেশ কিছু দেশে রপ্তানি হতে থাকে। তৎকালীন চা বোর্ডের বার্ষিক প্রতিবেদনের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ১৯৫৭-৫৮ অর্থবছরে চা রপ্তানি করে আয় হয় ১৬ মিলিয়ন টাকা। ১৯৫৮-৫৯ অর্থবছরে ১১৭৩৬৮১২ পাউন্ড চা রপ্তানি করে আয় হয় ৩০ মিলিয়ন টাকা।

বঙ্গবন্ধুর সময় চা বাগানের উন্নয়ন ও উন্নত জাতের চা উদ্ভাবনে বেশ কিছু উদ্যোগ নেওয়া হয়। চায়ের উচ্চতর ফলন নিশ্চিতকরণ, সর্বোচ্চ গুণগতমান অর্জন ও রোগবালাই দমনে বিশেষ কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়। আর এ লক্ষ্যে বঙ্গবন্ধুর নির্দেশে চট্টগ্রামের কর্ণফুলি এবং সিলেটের ভাড়াউড়া চা বাগানে ‘রেসিস্টেন্ট ক্লোন’ জাতের চারা লাগানোর ব্যবস্থা নেওয়া হয়। প্রথমে ক্লোন এবং পরবর্তীতে ক্লোন থেকে ক্লোনাল সীডবাড়ি তৈরির উদ্যোগ নেয়া হয়। উল্লেখ্য ভারতের টোকলাইতে ১৯৪৯ সালে ক্লোন উদ্ভাবন করা হলেও বঙ্গবন্ধুর আগে পাকিস্তানে এ উদ্যোগটি কেউ গ্রহণ করেননি।

বঙ্গবন্ধু টি অ্যাক্ট এ সংশোধনীর মাধ্যমে চা বোর্ডের কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের জন্য কন্ট্রিবিউটরী প্রভিডেন্ট ফান্ড (CPF) চালু করেছিলেন-যা এখনও চালু রয়েছে। এছাড়া তার প্রচেষ্টায় বোর্ডে সরাসরি নিয়োগপ্রাপ্ত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের গ্রাচুয়েটি প্রদানসহ অন্যান্য সুবিধা চালু হয়।

আরও পড়ুন
জাতীয় বিভাগের সর্বাধিক পঠিত
  • করোনা মোকাবিলায় ২ লাখ ১১ হাজার মেট্রিক টন চাল বরাদ্দ

  • একনেকে প্রকল্প: অর্ধেক দামে মিলবে কৃষি যন্ত্রপাতি 

  • ঈদে সরকারি চাল পাচ্ছে ১ কোটি পরিবার

  • যমুনা গ্রুপের চেয়ারম্যান নুরুল ইসলাম বাবুল আর নেই

  • পাকিস্তানে জঙ্গিদের সঙ্গে সংঘর্ষে ৪ সৈন্য নিহত

  • নমুনা সংগ্রহ ও পরীক্ষা কেন কমেছে, ব্যাখ্যা স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের

  • করোনা: ইউরোপ-আমেরিকা যা পারেনি, শেখ হাসিনা তা পেরেছেন

  • ডা. সাবরিনা ৩ দিনের রিমান্ডে

  • করোনা মোকাবিলায় মানবিক ছাত্রলীগ

  • স্বাভাবিক গতি ফিরছে ছয় মেগা প্রকল্পে

  • সরকারি কাজে ই-নথি ব্যবহারে গতি এসেছে

  • বঙ্গকন্যা ব্যবসায়ীদের যে সুযোগ-সুবিধা দিয়েছেন, অন্যকেউ তা দেয়নি

  • প্রধানমন্ত্রীর সাথে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করে করোনা যুদ্ধে জয়ী হতে হবে

  • করোনার লাগাম এখনো টেনে ধরা সম্ভব: ডব্লিউএইচও

  • এবারো ঈদগাহে ঈদের জামাত নয়

  • বিদেশ যেতে বাধ্যতামূলক হলো করোনা নেগেটিভ সার্টিফিকেট

  • ঈদ নিয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সভায় যেসব সিদ্ধান্ত

  • অর্থবছর শুরুর নয়দিনেই ৭৫ কোটি ডলার রেমিটেন্স

  • ১৬ জুলাই কোটি বৃক্ষরোপণের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী

  • বিএনপি দুর্নীতিকে আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি দিয়েছে : কাদের

  • আমিরাতে যেতে নির্ধারিত ল্যাবেই করোনা টেস্ট

  • জেকেজির প্রতারণা : ডা. সাবরিনা পুলিশ হেফাজতে

  • জয়া-ঐশ্বরিয়া-আরাধ্যা করোনা নেগেটিভ

  • দাম্মাম থেকে ফিরলেন ৪১২ বাংলাদেশি

  • স্কুল-কলেজে আশ্রয়কেন্দ্র করার নির্দেশ

  • হালদায় পোনা উৎপাদনে এবার রেকর্ড সাফল্য

  • বন্যা মোকাবিলায় মাঠে ডিসিরা

  • ইতালি ফেরত ১৪৭ বাংলাদেশি হজ ক্যাম্পে কোয়ারেন্টিনে

  • মদনে প্রাকৃতিক গ্যাসের সন্ধান

  • চামড়া কিনতে ব্যবসায়ীদের অগ্রাধিকার ভিত্তিতে ঋণ দেয়ার নির্দেশ

  • আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বঙ্গকন্যার যত স্বীকৃতি

  • ১ আগস্ট ঈদ হলে বেশি বোনাস

  • আমন বীজে নগদ ভর্তুকি ও বিনামূল্যে সেচ সুবিধা দিচ্ছে সরকার

  • পুরোদমে চলছে সব মেগা প্রকল্পের কাজ

  • উপবৃত্তির ৪৩৯ কোটি টাকা পাচ্ছে শিক্ষার্থীরা

  • ‘করোনায় মারা যাওয়া প্রবাসীর পরিবারকে ৩ লাখ টাকা অনুদান’

  • প্রাকৃতিক দুর্যোগে মানবিক সহায়তা হিসেবে ১০,৯০০ টন চাল বরাদ্দ

  • ১৬ বছর বয়সীরাও পাবে এনআইডি কার্ড

  • করোনা সংকটেও রপ্তানি বেড়েছে ১৬ পণ্যে

  • বাবা বলতেন যখন আমি থাকব না তখন পড়িস: শেখ হাসিনা

  • বড় নিয়োগ আসছে প্রাথমিকে

  • ভরা মৌসুমের শুরুতেই জেলেদের জালে ঝাঁকে ঝাঁকে ইলিশ

  • বঙ্গবন্ধুর আদর্শের সৈনিকরাই মাঠে গিয়ে কাজ করে: প্রধানমন্ত্রী 

  • বাংলাদেশে করোনার প্রকোপ কমে আসছে: জনস হপকিন্স বিশ্ববিদ্যালয়

  • স্বাভাবিক গতি ফিরছে ছয় মেগা প্রকল্পে

  • মাইক্রোসফটের পুরস্কার পেলেন বাংলাদেশি দুই গবেষক

  • ও‌সিদের ক‌ঠোর বার্তা দি‌লেন আই‌জি‌পি

  • এবার দেশেই তৈরি প্রাইভেটকার!

  • ট্রেনে মাত্র ১৫০০ টাকায় গরু আনা যাবে ঢাকায়

  • করোনা মোকাবিলায় মানবিক ছাত্রলীগ

  • করোনা জয় করেই বাংলাদেশ এগিয়ে যাবে : প্রধানমন্ত্রী

  • উপবৃত্তির ৪৩৯ কোটি টাকা পাচ্ছে শিক্ষার্থীরা

  • একনেকে ২৭৪৪ কোটি টাকার ৯ প্রকল্প অনুমোদন

  • সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যাডভোকেট সাহারা খাতুন আর নেই

  • সাহারা খাতুনের মরদেহ দেশে পৌঁছেছে, জানাজা সকাল ১১টায়

  • সাত দিনে কমেছে ১১ পণ্যের দাম

  • অতিরিক্ত দুই মাসের বেতন পাবেন ডাক্তার-স্বাস্থ্যকর্মীরা

  • কল করলেই মিলবে বিনামূল্যের অক্সিজেন সেবা

  • স্কুল-কলেজে আশ্রয়কেন্দ্র করার নির্দেশ

  • মৌসুমের শুরুতেই জেলেদের জালে ঝাঁকে ঝাঁকে ইলিশ