মঙ্গলবার   ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২০

ব্রেকিং:
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোর বার্ষিক ছুটি ৭৫ দিন আগামী মার্চে ঢাকা উত্তর সিটির ভোটের ইঙ্গিত সিইসির জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় পরিদর্শনে প্রধানমন্ত্রী আস্থা ভোটে টিকে গেলেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী থেরেসা মে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে নেপালের বিদায়ী রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ খালেদার অনুপস্থিতিতেই কারাগারে বিচার চলবে রব ও মান্নার বিয়ে যুক্তফ্রন্টে, পরকীয়া ঐক্যফ্রন্টে: মাহী এটা জোট নয়, ঘোট : তথ্যমন্ত্রী যুক্তরাষ্ট্রে রাজনৈতিক আশ্রয় পেলেন সিনহা আবারও সরকার গঠনে নৌকায় ভোট দেয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর পদ্মা সেতু প্রকল্পের নামফলক উন্মোচন করলেন প্রধানমন্ত্রী
২২৩

১১ লাখের বেশি রোহিঙ্গা একসঙ্গেই ঘরে ফিরে যাবে: সমাবেশে ঘোষণা

ডেস্ক নিউজ

প্রকাশিত: ২৫ আগস্ট ২০১৯  

মিয়ানমারের উগ্র মগের অমানবিক নির্যাতনের শিকার হয়ে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গারা দুই বছর পূর্তিতে সমাবেশ করেছে। সমাবেশে রোহিঙ্গা নেতারা বলেন, ভিটেবাড়ি পুনরুদ্ধার, আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা জোরদার ও নিরাপদ প্রত্যাবাসনের নিশ্চয়তা দেয়া হলে রোহিঙ্গারা মিয়ানমারে ফেরত যাবে। অন্যথায় তারা যাবে না।

তাদের দাবি, রোহিঙ্গা মুসলমানদের আগে নাগরিক হিসেবে স্বীকৃতি দিতে হবে মিয়ানমারকে। এরপর বাংলাদেশে আশ্রিত ১১ লাখের বেশি রোহিঙ্গা একসঙ্গেই ঘরে ফিরে যাবে। এ জন্য মিয়ানমার সরকারের সঙ্গে সংলাপে বসতেও রাজি আছেন বলে রোহিঙ্গা নেতারা জানান।

রোববার সকালে কুতুপালং শরণার্থী শিবিরে ৫ দফা দাবিতে রোহিঙ্গাদের এই সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। সমাবেশ শেষে নিরাপদে নিজভূমিতে ফিরতে বিশেষ মোনাজাত করা হয়।

রোহিঙ্গা সোসাইটির সভাপতি মাস্টার মুহিব উল্লাহর সভাপতিত্বে সমাবেশে বক্তব্য শেষে বিশেষ মোনাজাত করা হয়। মোনাজাত পরিচালনা করেন রোহিঙ্গা মাওলানা নুরুল ইসলাম।

মোনাজাতে মিয়ানমারে নিহত ও আহতদের জন্য দোয়া কামনা করা হয়। পাশাপাশি রোহিঙ্গারা যেন দ্রুত সময়ে মিয়ানমারে ফিরে যেতে পারে সে জন্য বিশেষ প্রার্থনা করে মোনাজাত করেন।

এ ছাড়াও বর্তমান সরকার রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দিয়ে যে মানবতা দেখিয়েছে তার জন্য কৃতজ্ঞতা জানানো হয়।

দেড় ঘণ্টার সমাবেশে বিভিন্ন ক্যাম্প থেকে লক্ষাধিক রোহিঙ্গা উপস্থিত হন। সকাল ৯টার আগেই বিভিন্ন শিবির থেকে বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে রোহিঙ্গারা দলে দলে মধুরছড়ার সমাবেশস্থলে জড়ো হন।

শুধু সমাবেশ নয়, একই সময়ে রোহিঙ্গা রিপোজি কমিশনের ব্যানারে কুতুপালং ডি-৫ ব্লকে করা হয়েছে মানববন্ধন ও দোয়া মাহফিল। ওখানেও প্রত্যাবাসনে যেতে রোহিঙ্গা পাঁচ দাবি উল্লেখ করা হয়েছে। তার মধ্যে রয়েছে- নাগরিকত্ব, মিয়ানমারে নিজেদের বসতভিটে ফেরত, ধর্ষণ ও গণহত্যার বিচার দাবি।

এ দিকে সমাবেশে রোহিঙ্গা নেতারা মিয়ানমারে রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর ওপর চালানো অমানবিক নির্যাতনের প্রতিবাদ জানান। একই সঙ্গে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে মিয়ানমারের ‘নাটক’ ক্ষোভ প্রকাশ করেন।

আরাকান রোহিঙ্গা সোসাইটি ফর হিউম্যান রাইটসের সাধারণ সম্পাদক ছৈয়দ উল্লাহ বলেন, আমরা শান্তিপূর্ণভাবে কর্মসূচি পালন করেছি। সমাবেশে মিয়ানমারে রোহিঙ্গাদের নিরাপদ প্রত্যাবাসনসহ পাঁচ দফা দাবি জানানো হয়েছে। এই পাঁচ দফা দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত প্রত্যাবাসন চাই না।

সমাবেশে উপস্থিত রোহিঙ্গাদের উদ্দেশে নেতারা বলেন, ‘আমাদের সব সময় ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। আমাদের যদি মিয়ানমারে ফিরে যেতে হয়, একসঙ্গে যাব, একসঙ্গে সীমান্ত পার হব। রোহিঙ্গা মুসলমানদের নাগরিক হিসেবে স্বীকার করে নিতে হবে মিয়ানমারকে। সঙ্গে রাখাইনে ফেলে আসা ভিটেমাটিও ফিরিয়ে দিতে হবে। তাহলেই প্রত্যাবাসন সফল হবে।’

রোহিঙ্গা নেতা মুহিব উল্লাহ বলেন, ‘আমরা বাংলাদেশের পূর্ণ সমর্থন নিয়ে নিজ দেশ মিয়ানমারে ফিরতে চাই। নাগরিকত্ব, স্বাধীনতা ও মর্যাদার সঙ্গে বসবাসের নিশ্চয়তা পেলে শিবিরের সব রোহিঙ্গা ফিরে যাবে। এ জন্য আমরা মিয়ানমারের সঙ্গে সংলাপে বসতেও রাজি।’

তিনি বলেন, রোহিঙ্গা নির্যাতনের বিচারসহ মিয়ানমারে রোহিঙ্গাদের নাগরিকত্ব নিশ্চিত, ভিটেবাড়ি পুনরুদ্ধার, আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা জোরদার ও নিরাপদ প্রত্যাবাসনের নিশ্চয়তা দেয়া হলে রোহিঙ্গারা মিয়ানমারে ফেরত যাবে। অন্যথায় যাবে না।

রোহিঙ্গাদের মহাসমাবেশ ঘিরে নেয়া হয়েছিল কঠোর নিরাপত্তাব্যবস্থা। মধুরছড়া আশ্রয় শিবিরের ইনচার্জ মাইন উদ্দিন বলেন, সমাবেশ ঘিরে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছিল। পুলিশের পাশাপাশি সেনাবাহিনী, বিজিবি, আনসার তৎপর ছিল।

উখিয়া থানার ওসি আবুল মনসুর জানান, সকাল থেকে প্রায় দেড় ঘণ্টার মতো শান্তিপূর্ণভাবে এ সমাবেশ করে আশ্রিত রোহিঙ্গারা।

উল্লেখ্য, ২০১৭ সালের ২৫ আগস্টের পরে বাংলাদেশে পালিয়ে আসে সাড়ে ৭ লাখ রোহিঙ্গা। আগে থেকে আশ্রিত আরও ৪ লাখের কাছাকাছি রোহিঙ্গা রয়েছে কক্সবাজারে। সব মিলিয়ে বর্তমানে ১১ লক্ষাধিক রোহিঙ্গা অবস্থান করছেন উখিয়া-টেকনাফে।
 

দেশের খবর বিভাগের সর্বাধিক পঠিত
  • মেগা সড়কের প্রথম ধাপের ৫৫ ভাগ কাজ শেষ

  • বিশ্বের ১৯৫ দেশে উদযাপন হবে মুজিববর্ষ

  • দারিদ্র্য জয় করেছেন তিস্তাপাড়ের মানুষ

  • গাজীপুরে বর্জ্য থেকে উৎপাদন হবে জৈব সার

  • উপবৃত্তির আওতায় ১০ লাখ শিক্ষার্থী পাবে ২৯২ কোটি টাকা

  • বাংলাদেশের মানুষের মাথাপিছু আয় দাঁড়াবে ১২,৫০০ ডলারে

  • ডা: শাহাদাতই চসিকে বিএনপির মেয়র প্রার্থী

  • ঢাকার দুই সিটি করপোরেশন নির্বাচন ছিল ‘শান্তিপূর্ণ’

  • শোকাবহ পিলখানা ট্র্যাজেডি দিবস আজ

  • মুশফিকের ডাবল সেঞ্চুরিতে বাংলাদেশের রানের পাহাড়

  • তৃতীয় দ্বি-শতকে দেশ সেরা মুশফিক

  • ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিশ্ববিদ্যালয়’ এর চূড়ান্ত অনুমোদন

  • চলতি বছরের জুলাইয়ে ঢাকা-সিলেট ছয় লেনের কাজ শুরু

  • মেগা সড়কের প্রথম ধাপের ৫৫ ভাগ কাজ শেষ

  • মাকে বাঁচাতে অর্ধেক লিভার দিলো ছেলে

  • বাংলাদেশি ৬ বছরের এই শিশুর সঙ্গে ‘অবিচার’ করছে অস্ট্রেলিয়া!

  • কৃষিতে বিশ্বের নতুন আতঙ্ক পঙ্গপাল, ঝুঁকিতে বাংলাদেশও

  • প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী পাচ্ছে মালয়েশিয়া!

  • ৭৬ বছর পর সন্ধান মিলল বিধ্বস্ত হওয়া ৩ বিমানের

  • করোনাভাইরাসে আক্রান্ত ৬ বাংলাদেশির অবস্থা অপরিবর্তিত

  • নরসিংদীর পাপিয়ার ১৫ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর

  • মুজিব বর্ষে বাংলাদেশ-শ্রীলঙ্কার শিল্পীদের চিত্র প্রদর্শনী

  • সালমান শাহ আত্মহত্যা করেছে: পিবিআই

  • এবার পদত্যাগ করলেন মাহাথির

  • যে ৫ কারণে আত্মহত্যা করে সালমান শাহ 

  • দেশের প্রথম পাতাল মেট্রো রুটের নির্মাণ ডিসেম্বরে

  • রাজবাড়ীতে অসহায়দের মাঝে চেক বিতরণ

  • ২০২২ সাল থেকে প্রাথমিকে চালু হচ্ছে প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষা

  • চলতি বছরেই হচ্ছে ন্যাশনাল প্রোডাক্টিভিটি মাস্টারপ্ল্যান

  • সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ে ডিজিটাল সেবা চালু

  • একুশ শিখিয়েছে মাথা নত না করতে: প্রধানমন্ত্রী 

  • এবার চার কিলোমিটার দৃশ্যমান হচ্ছে পদ্মাসেতু

  • ৬০ দিনের মধ্যে সব কারখানায় ব্রেস্ট ফিডিং কর্নার করার নির্দেশ

  • মিয়ানমার থেকে এলো ১৪শ’মেট্রিক টন পেঁয়াজ

  • শ্রদ্ধার জন্য প্রস্তুত শহীদ মিনার

  • রাজশাহীতে বছরে ৪০০ কোটি টাকার কলা উৎপাদন

  • আসছে স্বর্ণ ও রৌপ্য মুদ্রা, সঙ্গে ২০০ টাকার নোট

  • ২০ গুণীজনকে একুশে পদক দিলেন প্রধানমন্ত্রী

  • সোমবার থেকে সারাদেশে বজ্রবৃষ্টি

  • পুলিশ কর্মকর্তার উদ্যোগে দৌলতদিয়ায় আরেক যৌনকর্মীর জানাজা

  • আমি সশস্ত্র বাহিনীকে উন্নত করতে চাই: প্রধানমন্ত্রী

  • রেজিমেন্টাল কালার প্রাপ্তি বিরল সম্মান, বলেছেন সেনাপ্রধান

  • চলন্ত ট্যাক্সি থেকে ছুঁড়ে ফেলা হল ৮ মাসের শিশু, বাঁচাল পুলিশ

  • উল্টা পাল্টা জোকসের মোড়ক উন্মোচন

  • বাংলাদেশ অর্থনৈতিকভাবে সিঙ্গাপুর থেকেও শক্তিশালী: প্রধানমন্ত্রী

  • ২০২৩ সালের মধ্যেই সব প্রাথমিক স্কুলে মিড ডে মিল

  • রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে বঙ্গবন্ধু পাঠাগার ও রিলিফ ভাস্কর্য উন্মোচন

  • রংপুরে গ্লাডিওলাস চাষে কৃষকের ভাগ্য পরিবর্তন

  • এবার ঘরে বসে পুরনো পণ্য কেনা-বেচার সাইট ‘সোয়্যাপ’ চালু

  • দেশে নিয়মিত শুরু হলো লিভার প্রতিস্থাপন

  • প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ: ৪১ জেলায় আসছে সুখবর

  • মুজিববর্ষ উপলক্ষে ‘ন্যাশনাল বিচ ক্লিনআপ’ কর্মসূচি ২৫ ফেব্রুয়ারি

  • এবার মুজিববর্ষের আয়োজনে যোগ দিতে মার্চে আসছেন মোদি

  • মংলা বন্দরের জন্য ৬ হাজার কোটি টাকার প্রকল্প

  • আসন্ন সেচ মৌসুমে লোডশেডিংয়ের কোনো শঙ্কা নেই

  • দেশের প্রথম পাতাল মেট্রো রুটের নির্মাণ ডিসেম্বরে

  • মুজিববর্ষে ১৪ হাজার অসচ্ছল মুক্তিযোদ্ধাদের দেওয়া হবে বাড়ি

  • নারী উদ্যোক্তাদের ১৫ কোটি টাকা ঋণ দেবে এসএমই ফাউন্ডেশন

  • মাকে বাঁচাতে অর্ধেক লিভার দিলো ছেলে

  • সব উপজেলায় বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী বিদ্যালয় হবে: সমাজকল্যাণ মন্ত্রী