সোমবার   ২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৯

ব্রেকিং:
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোর বার্ষিক ছুটি ৭৫ দিন আগামী মার্চে ঢাকা উত্তর সিটির ভোটের ইঙ্গিত সিইসির জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় পরিদর্শনে প্রধানমন্ত্রী আস্থা ভোটে টিকে গেলেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী থেরেসা মে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে নেপালের বিদায়ী রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ খালেদার অনুপস্থিতিতেই কারাগারে বিচার চলবে রব ও মান্নার বিয়ে যুক্তফ্রন্টে, পরকীয়া ঐক্যফ্রন্টে: মাহী এটা জোট নয়, ঘোট : তথ্যমন্ত্রী যুক্তরাষ্ট্রে রাজনৈতিক আশ্রয় পেলেন সিনহা আবারও সরকার গঠনে নৌকায় ভোট দেয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর পদ্মা সেতু প্রকল্পের নামফলক উন্মোচন করলেন প্রধানমন্ত্রী
১৪৯

১১ লাখের বেশি রোহিঙ্গা একসঙ্গেই ঘরে ফিরে যাবে: সমাবেশে ঘোষণা

ডেস্ক নিউজ

প্রকাশিত: ২৫ আগস্ট ২০১৯  

মিয়ানমারের উগ্র মগের অমানবিক নির্যাতনের শিকার হয়ে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গারা দুই বছর পূর্তিতে সমাবেশ করেছে। সমাবেশে রোহিঙ্গা নেতারা বলেন, ভিটেবাড়ি পুনরুদ্ধার, আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা জোরদার ও নিরাপদ প্রত্যাবাসনের নিশ্চয়তা দেয়া হলে রোহিঙ্গারা মিয়ানমারে ফেরত যাবে। অন্যথায় তারা যাবে না।

তাদের দাবি, রোহিঙ্গা মুসলমানদের আগে নাগরিক হিসেবে স্বীকৃতি দিতে হবে মিয়ানমারকে। এরপর বাংলাদেশে আশ্রিত ১১ লাখের বেশি রোহিঙ্গা একসঙ্গেই ঘরে ফিরে যাবে। এ জন্য মিয়ানমার সরকারের সঙ্গে সংলাপে বসতেও রাজি আছেন বলে রোহিঙ্গা নেতারা জানান।

রোববার সকালে কুতুপালং শরণার্থী শিবিরে ৫ দফা দাবিতে রোহিঙ্গাদের এই সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। সমাবেশ শেষে নিরাপদে নিজভূমিতে ফিরতে বিশেষ মোনাজাত করা হয়।

রোহিঙ্গা সোসাইটির সভাপতি মাস্টার মুহিব উল্লাহর সভাপতিত্বে সমাবেশে বক্তব্য শেষে বিশেষ মোনাজাত করা হয়। মোনাজাত পরিচালনা করেন রোহিঙ্গা মাওলানা নুরুল ইসলাম।

মোনাজাতে মিয়ানমারে নিহত ও আহতদের জন্য দোয়া কামনা করা হয়। পাশাপাশি রোহিঙ্গারা যেন দ্রুত সময়ে মিয়ানমারে ফিরে যেতে পারে সে জন্য বিশেষ প্রার্থনা করে মোনাজাত করেন।

এ ছাড়াও বর্তমান সরকার রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দিয়ে যে মানবতা দেখিয়েছে তার জন্য কৃতজ্ঞতা জানানো হয়।

দেড় ঘণ্টার সমাবেশে বিভিন্ন ক্যাম্প থেকে লক্ষাধিক রোহিঙ্গা উপস্থিত হন। সকাল ৯টার আগেই বিভিন্ন শিবির থেকে বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে রোহিঙ্গারা দলে দলে মধুরছড়ার সমাবেশস্থলে জড়ো হন।

শুধু সমাবেশ নয়, একই সময়ে রোহিঙ্গা রিপোজি কমিশনের ব্যানারে কুতুপালং ডি-৫ ব্লকে করা হয়েছে মানববন্ধন ও দোয়া মাহফিল। ওখানেও প্রত্যাবাসনে যেতে রোহিঙ্গা পাঁচ দাবি উল্লেখ করা হয়েছে। তার মধ্যে রয়েছে- নাগরিকত্ব, মিয়ানমারে নিজেদের বসতভিটে ফেরত, ধর্ষণ ও গণহত্যার বিচার দাবি।

এ দিকে সমাবেশে রোহিঙ্গা নেতারা মিয়ানমারে রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর ওপর চালানো অমানবিক নির্যাতনের প্রতিবাদ জানান। একই সঙ্গে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে মিয়ানমারের ‘নাটক’ ক্ষোভ প্রকাশ করেন।

আরাকান রোহিঙ্গা সোসাইটি ফর হিউম্যান রাইটসের সাধারণ সম্পাদক ছৈয়দ উল্লাহ বলেন, আমরা শান্তিপূর্ণভাবে কর্মসূচি পালন করেছি। সমাবেশে মিয়ানমারে রোহিঙ্গাদের নিরাপদ প্রত্যাবাসনসহ পাঁচ দফা দাবি জানানো হয়েছে। এই পাঁচ দফা দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত প্রত্যাবাসন চাই না।

সমাবেশে উপস্থিত রোহিঙ্গাদের উদ্দেশে নেতারা বলেন, ‘আমাদের সব সময় ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। আমাদের যদি মিয়ানমারে ফিরে যেতে হয়, একসঙ্গে যাব, একসঙ্গে সীমান্ত পার হব। রোহিঙ্গা মুসলমানদের নাগরিক হিসেবে স্বীকার করে নিতে হবে মিয়ানমারকে। সঙ্গে রাখাইনে ফেলে আসা ভিটেমাটিও ফিরিয়ে দিতে হবে। তাহলেই প্রত্যাবাসন সফল হবে।’

রোহিঙ্গা নেতা মুহিব উল্লাহ বলেন, ‘আমরা বাংলাদেশের পূর্ণ সমর্থন নিয়ে নিজ দেশ মিয়ানমারে ফিরতে চাই। নাগরিকত্ব, স্বাধীনতা ও মর্যাদার সঙ্গে বসবাসের নিশ্চয়তা পেলে শিবিরের সব রোহিঙ্গা ফিরে যাবে। এ জন্য আমরা মিয়ানমারের সঙ্গে সংলাপে বসতেও রাজি।’

তিনি বলেন, রোহিঙ্গা নির্যাতনের বিচারসহ মিয়ানমারে রোহিঙ্গাদের নাগরিকত্ব নিশ্চিত, ভিটেবাড়ি পুনরুদ্ধার, আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা জোরদার ও নিরাপদ প্রত্যাবাসনের নিশ্চয়তা দেয়া হলে রোহিঙ্গারা মিয়ানমারে ফেরত যাবে। অন্যথায় যাবে না।

রোহিঙ্গাদের মহাসমাবেশ ঘিরে নেয়া হয়েছিল কঠোর নিরাপত্তাব্যবস্থা। মধুরছড়া আশ্রয় শিবিরের ইনচার্জ মাইন উদ্দিন বলেন, সমাবেশ ঘিরে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছিল। পুলিশের পাশাপাশি সেনাবাহিনী, বিজিবি, আনসার তৎপর ছিল।

উখিয়া থানার ওসি আবুল মনসুর জানান, সকাল থেকে প্রায় দেড় ঘণ্টার মতো শান্তিপূর্ণভাবে এ সমাবেশ করে আশ্রিত রোহিঙ্গারা।

উল্লেখ্য, ২০১৭ সালের ২৫ আগস্টের পরে বাংলাদেশে পালিয়ে আসে সাড়ে ৭ লাখ রোহিঙ্গা। আগে থেকে আশ্রিত আরও ৪ লাখের কাছাকাছি রোহিঙ্গা রয়েছে কক্সবাজারে। সব মিলিয়ে বর্তমানে ১১ লক্ষাধিক রোহিঙ্গা অবস্থান করছেন উখিয়া-টেকনাফে।
 

দেশের খবর বিভাগের সর্বাধিক পঠিত
  • মিসরে বিক্ষোভ দমাতে ব্যাপক ধরপাকড়

  • চীন পুরো বিশ্বের জন্য হুমকি: ট্রাম্প

  • তেল হামলার ‘উচিত জবাব’ দেবে সৌদি আরব

  • বাংলাদেশিকে ক্ষতিপূরণ দিচ্ছে সৌদি সরকার

  • নাটোরে অপকর্মের অভিযোগে মহিলালীগ নেত্রী শিল্পি বহিষ্কার

  • এফডিসিতে আবার নির্বাচনী হাওয়া

  • ভারতের দুর্বলতার সুযোগ নিল দক্ষিণ আফ্রিকা

  • সারদা কেলেঙ্কারির সাবেক তদন্তপ্রধান রাজীব ‘নিরুদ্দেশ’

  • বাচ্চাকে মারধর করায় দলবল নিয়ে থানায় হনুমান

  • জাতিসংঘ মহাসচিব ও মোদীর সঙ্গে বৈঠক করবেন প্রধানমন্ত্রী

  • গুলশানের স্পা সেন্টারে পুলিশের অভিযান

  • ক্যাসিনোর অধিকাংশ স্টাফ বান্দরবানের, বয়স ১৯ থেকে ২৩

  • ৪ ক্লাবে অভিযানে মিলল টাকা ও মাদকসহ ক্যাসিনোর বিপুল সরঞ্জাম

  • মানবাধিকার কমিশনের নতুন চেয়ারম্যান নাছিমা বেগম

  • টেন্ডারবাজ, চাঁদাবাজ ও দখলবাজদের রক্ষা নেই: সেতুমন্ত্রী

  • চট্টগ্রামে ১৪ হাজার পিস ইয়াবাসহ মাদক ব্যবসায়ী আটক

  • জলবায়ুর প্রভাব মোকাবেলায় বাংলাদেশকে সহায়তা দেবে ব্রিটেন

  • দেশের উন্নয়নে শেখ হাসিনার বিকল্প নেই: গণপূর্তমন্ত্রী 

  • প্রধানমন্ত্রীর দূরদর্শী নেতৃত্বেই দেশ উন্নয়নশীল রাষ্ট্রে উন্নীত

  • নারী চা শ্রমিকদের জন্য সরকারের ১৭ কোটি টাকার প্রকল্প

  • ‘প্রধানমন্ত্রীর কৃষি ভাবনা দেশের কৃষিকে অনন্য উচ্চতায় নিয়ে যাবে’

  • সরকারের প্রচেষ্টায় মাছের মোট উৎপাদন ৪২ দশমিক ৭৭ লাখ টন

  • প্রধানমন্ত্রী মুক্তিযোদ্ধাদের সঠিক মূল্যায়ন করেছেন:গণপূর্তমন্ত্রী

  • ঢাকা-খুলনা মহাসড়কে রডবোঝাই ট্রাকে বাসের ধাক্কা, নিহত ৪

  • সিংহের মুখোমুখি আলিয়া

  • যে কারণে শরীরকে ৪৫ ডিগ্রি কোণ করে শূন্যে ‘ভাসাতে’ পারতেন মাইকেল

  • জীবনের জন্য বড় এক অনুপ্রেরণা মাশরাফি : মাসাকাদজা

  • নারায়ণগঞ্জ আওয়ামী লীগে জি কে শামীমের অস্তিত্ব নেই

  • হাতিরঝিলে লেকে ভেসে উঠলো মরদেহ

  • হলুদ ইয়াবাসহ কলাবাগান ক্রীড়াচক্রের সভাপতি আটক

  • নতুন কর্মসংস্থান তৈরির জন্য স্টার্টআপ আইডিয়া চালু

  • এবার যুবলীগের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর কঠোর হুঁশিয়ারি

  • এ পি জে আব্দুল কালাম স্মৃতি পুরস্কারে ভূষিত শেখ হাসিনা

  • সরকারের প্রচেষ্টায় মাছের মোট উৎপাদন ৪২ দশমিক ৭৭ লাখ টন

  • দ্রুতগতিতে এগিয়ে যাচ্ছে মেট্রোরেলের কাজ

  • বাংলাদেশে বিনিয়োগ বাড়াতে আগ্রহী জাপান

  • ‘প্রধানমন্ত্রীর কৃষি ভাবনা দেশের কৃষিকে অনন্য উচ্চতায় নিয়ে যাবে’

  • কোটি নাগরিক পেয়েছেন ই-নামজারির সেবা : ভূমিমন্ত্রী

  • প্রধানমন্ত্রীর ৩৭ আন্তর্জাতিক পদক অর্জন

  • রাজধানীর যানজট নিরসনে বৃত্তাকার রেলপথ

  • শিগগিরই হাতিরঝিলের আদলে ওয়াটার ট্রান্সপোর্ট চালু 

  • রাজধানীতে সাড়ে ৭ কোটি টাকার নকল ওষুধ জব্দ

  • বিএসটিআইর অভিযান, মামলা চার প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে

  • ১০ কোটি নাগরিকের এনআইডি ভেরিফায়েড : পলক

  • শেখ হাসিনা: দ্য মাদার অব হিউম্যানিটি শিরোনামে ডিপ্লোম্যাটে কভার

  • প্রতিরাতে তার পকেটে ঢোকে ৪০ লাখ টাকারও বেশি!

  • রিফাত শরীফ হত্যাকাণ্ডের আরেকটি নতুন ভিডিও পাওয়া গেছে

  • প্রধানমন্ত্রী মুক্তিযোদ্ধাদের সঠিক মূল্যায়ন করেছেন:গণপূর্তমন্ত্রী

  • পুঁজিবাজারে আমরা শতভাগ আস্থা অর্জন করতে চাই:অর্থমন্ত্রী

  • ৮০ একর জমিতে হবে সিলেট মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়

  • মৌলভীবাজারে ৩ প্রতিষ্ঠানকে ১৮ হাজার টাকা জরিমানা

  • চালু হচ্ছে আনিসুলের ১১ ইউটার্ন

  • কোনো ক্যাসিনো চলতে দেয়া হবে নাঃ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

  • বিশ্বে এখন মাদ্রাসা শিক্ষার রোল মডেল বাংলাদেশ

  • রাজধানীতে মাদকবিরোধী অভিযানে আটক ৬৭

  • সম্প্রীতির দেশ হিসেবে বিশ্বে পরিচিতি পেয়েছে বাংলাদেশ 

  • যুক্তরাষ্ট্র সফরে দুটি সম্মাননা পাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী

  • স্থলবন্দর গুলোকে আরো গতিশীল করার নির্দেশ:নৌ প্রতিমন্ত্রী

  • রাব্বানীর সিন্ডিকেট নিয়ে মুখ খুললেন সাবেক ছাত্রলীগ নেত্রী

  • ৯৯৯-এ কল, ধর্ষণ থেকে রক্ষা পেল কলেজছাত্রী