মঙ্গলবার   ১৮ মে ২০২১

সর্বশেষ:
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোর বার্ষিক ছুটি ৭৫ দিন আগামী মার্চে ঢাকা উত্তর সিটির ভোটের ইঙ্গিত সিইসির আস্থা ভোটে টিকে গেলেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী থেরেসা মে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় পরিদর্শনে প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রপতির সঙ্গে নেপালের বিদায়ী রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন করতে ইসি প্রতিজ্ঞাবদ্ধ: নূরুল হুদা বারবার আসতে পারব না, যত খুশি সাজা দিন: খালেদা জিয়া ‘আকাশবীণার’ উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী ত্রিভুবনে আবারও বিমান দুর্ঘটনা ট্রেন-বাসের সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ২৫ ভুয়া ছবি দিয়ে অপপ্রচার চালাচ্ছে মিয়ানমার: প্রধানমন্ত্রী
৩৮৫

১০ মডেল গ্রামের মানুষ পাবে শহরের সব সুবিধা

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: ১৯ নভেম্বর ২০২০  

গ্রামের আয় বৃদ্ধি, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, অবকাঠামো উন্নয়নের মাধ্যমে উন্নত গ্রামীণ জীবন যাপনের সুযোগ এবং গ্রাম থেকে শহরমুখী স্রোত হ্রাস করতে ‘বঙ্গবন্ধু মডেল ভিলেজ’ প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এ প্রকল্পের আওতায় দেশের ১০টি গ্রামের মানুষ শহরের সব সুযোগ-সুবিধা পাবেন।

জানা গেছে, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষে তার প্রতি সর্বোচ্চ সম্মান প্রদর্শনের অংশ হিসেবে সমবায় অধিদফতর বঙ্গবন্ধুর সমবায় গ্রাম ধারণা ও বর্তমান সরকারের নির্বাচনী ইশতেহারের বিশেষ অঙ্গীকার ‘আমার গ্রাম-আমার শহর’ ধারণায় গ্রামের বৈশিষ্ট সমুন্নত রেখে ‘বঙ্গবন্ধু মডেল ভিলেজ’ প্রকল্পের প্রস্তাবনা তৈরি করেছে। এর মাধ্যমে গ্রামের বৈশিষ্ট সমুন্নত রেখে গ্রামীণ সম্পদের সুষ্ঠু ও সুষম ব্যবহার নিশ্চিত করা, গ্রামীণ কর্মসংস্থান সৃষ্টি, কৃষির আধুনিকায়ন ও যান্ত্রিকীকরণের মাধ্যমে উৎপাদন বৃদ্ধি, জৈব জ্বালানির ব্যবহার, যোগাযোগ ও বাজার অবকাঠামো সৃষ্টি, স্বাস্থ্য-শিক্ষার মানোন্নয়নের লক্ষ্যে কমিউনিটির সচেতনতা বৃদ্ধি, তথ্য প্রযুক্তিগত অবকাঠামো সৃষ্টির মাধ্যমে সকল সেবা সহজলভ্য করা হবে।

দেশের ১০ জেলার ১০ উপজেলার ১০ গ্রামের গড়ে পাঁচ হাজার জন করে মোট ৫০ হাজার মানুষ প্রকল্পটির উপকারভোগী হবেন। গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়া, ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা, টাঙ্গাইলের ধনবাড়ী, জামালপুরের মাদারগঞ্জ, কুমিল্লার মনোহরগঞ্জ, সুনামগঞ্জের দক্ষিণ সুনামগঞ্জ, যশোরের মনিরামপুর, রংপুরের মিঠাপুকুর, রাজশাহীর তানোর, বরিশালের গৌরনদী উপজেলায় এ প্রকল্প বাস্তবায়ন হবে।

jagonews24

সমবায় অধিদফতরের কর্মকর্তারা জানান, এ প্রকল্পটির মাধ্যমে গ্রামীণ অবকাঠামোতে কিছু ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে। এর ফলে আদর্শমানের উন্নত গ্রাম প্রতিষ্ঠা, গ্রামীণ অতি দারিদ্র্যের হার ৬ শতাংশে নামিয়ে আনা, গ্রামের সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, শিক্ষিত, সচেতন ও দায়িত্বশীল নাগরিক সৃষ্টি, গ্রামের সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও অর্থনৈতিক জাগরণ সৃষ্টি হবে। আর উপজেলা পর্যায়ের সকল দফতরের সরকারি সেবা গ্রামে পৌঁছে দিয়ে সেখানকার জনগণকে উদ্বুদ্ধ করা হবে। প্রকল্প কার্যক্রমে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করানোর লক্ষ্যে সংসদ সদস্য, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, উপজেলার বিভিন্ন দফতর ও উপকারভোগীদের সমন্বয়ে বিভিন্ন কমিটি কাজ করবে।

প্রকল্পের নানাবিধ উদ্যোগ
এ প্রকল্পে গ্রামের কৃষি জমির সর্বোচ্চ ব্যবহার, মানবশ্রমকে যন্ত্রের মাধ্যমে প্রতিস্থাপন, উৎপাদন বৃদ্ধি, পোস্ট হারভেস্ট লোকসান কমানো, পানিসাশ্রয়ী প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে পানির অপচয়রোধ ইত্যাদি বিষয়ে প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ প্রদান করা হবে। এ লক্ষ্যে সরবরাহ করা হবে কৃষি যন্ত্রপাতি। প্রাথমিকভাবে প্রতি গ্রামে ৩০০ জন কৃষককে প্রশিক্ষণ প্রদান করা হবে। আর প্রতিটি গ্রামের জন্য কৃষি যন্ত্রপাতি কেনা হবে। বেকার যুবকদের কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও মাছের উৎপাদন বৃদ্ধি এবং আধুনিক ও মানসম্মত মাছ চাষের শ্রেষ্ঠ অনুশীলনের জন্য গ্রামে দুইটি প্রদর্শনী পুকুর তৈরি করা হবে।

সারা বছরের আয় নিশ্চিত করার লক্ষ্যে অফফার্ম কার্যক্রম হিসেবে গরু, ছাগল ও হাঁস-মুরগি পালনের মাধ্যমে মাংস ও দুগ্ধ উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে আধুনিক ও মানসম্মত খামার ব্যবস্থাপনার কৌশলের ওপর গ্রামের নারী ও বেকার যুবকদের প্রশিক্ষণ দেয়া হবে। এ লক্ষ্যে গ্রামে প্রদর্শনী খামারে শ্রেষ্ঠ অনুশীলনের জন্য একটি মধ্যম আকৃতির খামার তৈরি করা হবে। এছাড়া প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত জনবলের চাহিদার আলোকে ব্যক্তি পর্যায়ে চাহিদার ভিত্তিতে সর্বোচ্চ ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত বিনাসুদে ঋণ দেয়া হবে, ৩ শতাংশ সার্ভিস চার্জসহ সেই ঋণ ফেরত দিতে হবে। ঋণ গ্রহণের তিন মাস পর থেকে ঋণের কিস্তি পরিশোধ শুরু হবে। এছাড়া কৃষিপণ্য প্রক্রিয়াকরণ, খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ এবং উদ্যোক্তা উন্নয়ন ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ দুই লাখ টাকা পর্যন্ত ঋণ প্রদান করা হবে। ৩ শতাংশ সার্ভিস চার্জসহ ওই ঋণ ফেরত দিতে হবে। এক্ষেত্রে ঋণ গ্রহণের ছয় মাস পর থেকে ঋণের কিস্তি পরিশোধ শুরু হবে।

jagonews24

বঙ্গবন্ধুর আদর্শের সমবায় সমিতি গঠন
এ প্রকল্পে নির্বাচিত গ্রামের সকল শ্রেণী-পেশার জনগণকে অন্তর্ভুক্ত করে গ্রাম সমবায় সমিতি গঠন করা হবে। সমিতিকে কেন্দ্র করে কার্যক্রম পরিচালনার জন্য বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা সম্বলিত কমিউনিটি ভবন নির্মাণ করা হবে। কমিউনিটি ভবনে বঙ্গবন্ধু পাঠাগার ও বঙ্গবন্ধু কর্নার, কমিউনিটি হল, সমিতির অফিস, সভাকক্ষ, কম্পিউটার কেন্দ্র ও ডিজিটাল সেন্টার, স্বাস্থ্য সেবা প্রদান কেন্দ্র, বিভিন্ন কৃষি যন্ত্রপাতি রাখার গোডাউন, সংরক্ষণাগার, প্রক্রিয়াকরণ কেন্দ্র এবং প্রয়োজনীয় অন্যান্য সুযোগ সৃষ্টি করা হবে।

গ্রামে যেসব পরিবর্তন আসবে
এ প্রকল্প বাস্তবায়নের মাধ্যমে গ্রামের প্রতি ইঞ্চি জমি আবাদের আওতায় আসবে অর্থাৎ এক ইঞ্চি জমিও অনাবাদি থাকবে না। রাস্তার ধার, নদীর পাড়, মাঠ এবং বাড়ির আঙিনায় আবাদ করা হবে। কোনো পুকুর মাছ চাষহীন থাকবে না। যৌথপদ্ধতিতে চাষাবাদ হবে। কৃষিতে যন্ত্রের ব্যবহারের প্রচলন থাকবে। পরিবেশবান্ধব ও পানি সাশ্রয়ী সেচ ব্যবস্থা থাকবে। কীটনাশক ও রাসায়নিক সারের পরিমিত ব্যবহার থাকবে এবং জৈব বালাইনাশকের ব্যবহার অনুশীলন করা হবে। কৃষি বহুমুখীকরণ চর্চা থাকবে। কৃষিপণ্যের বাজার নেটওয়ার্ক থাকবে। ফসলের সময়ের বাইরে (অফ-সিজন) কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে পশুপালন, ক্ষুদ্র ব্যবসা ও কুটির পণ্য উৎপাদন ব্যবস্থা থাকবে।

এছাড়া গ্রামীণ অতি দারিদ্র্য ৬ শতাংশে নেমে আসবে। গ্রামে অপরাধ প্রবণতা উল্লেখযোগ্য হারে কমবে। থাকবে না মাদক গ্রহণকারী ও মাদক কারবারি। নিষিদ্ধ থাকবে বাল্যবিয়ে ও যৌতুক প্রথা। বিরোধ নিষ্পত্তি করা হবে সালিশ-মীমাংসার মাধ্যমে। কমে যাবে মামলা-মোকদ্দমার হার। গ্রামের লোক পাবে শতভাগ চিকিৎসা সুবিধা। স্কুলে ভর্তির হার শতভাগ এবং ঝরে পড়ার হার কমবে উল্লেখযোগ্য হারে। নারীর প্রতি সহিংসতা থাকবে না। কোনো শিশু ও নারী পুষ্টিহীন থাকবে না। থাকবে ঘরে ঘরে বিদ্যুতের ব্যবস্থা। গ্রামের জনগণ তথ্যপ্রযুক্তিগত সুবিধা লাভ করবে। জনগোষ্ঠী উজ্জীবিত থাকবে বঙ্গবন্ধু ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনায়। অসাম্প্রদায়িক চেতনায় উদ্ধুদ্ধকরণের মাধ্যমে সামাজিক সংহতি ফিরিয়ে আনা হবে। পরিবেশ সুরক্ষায় কার্যক্রম গ্রহণের মাধ্যমে শতভাগ পরিবেশবান্ধব গ্রাম হিসেবে আবির্ভূত হবে প্রকল্পভুক্ত ১০ গ্রাম।

jagonews24

এ প্রকল্পের বিষয়ে পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী স্বপন ভট্টাচার্য্য বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী বলেছেন—গ্রামকে শহরের পর্যায়ের নাগরিক সুবিধা দেয়া হবে। আমাদের মূল কথা হলো, বঙ্গবন্ধুর যে ভাবনা ছিলে, সেটিকে লক্ষ্য করে আমাদের নির্বাচনী ইশতেহার ছিল, আমরা গ্রামকে উন্নত শহরের সুবিধাগুলো দেবো। সেটিকে মাথায় রেখে আমরা একটি টিম করে দিয়েছি, তারা এগুলো তৈরি করে আমাদের কাছে নিয়ে আসবে। প্রথমে যে ১০ গ্রাম পাইলট প্রকল্পের আওতাভুক্ত হবে, সেখানে শহরের সুবিধাগুলো গ্রামে বসে পাবে। যেমন শিক্ষার জন্য স্কুলগুলো মানসম্পন্ন হবে, ইন্টারনেট সংযোগ দিয়ে দেবো, যেন তারা আউটসোর্সিংয়ের কাজ করতে পারে। প্রতিটি বাড়িতে সেনিটারি ব্যবস্থা করে দেবো, শতভাগ বিদ্যুৎ দেবো (যেটি এখনো অনেকক্ষেত্রে আছে), কমিউনিটি সেন্টার হবে, যেখানে বসে গ্রামের লোকরা উন্নয়ন নিয়ে আলোচনা করবে। এমন অনেক সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করা হবে।’

ধাপে ধাপে মডেল গ্রামের সংখ্যা বাড়বে কি-না জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘এটা তো পাইলট প্রজেক্ট, প্রধানমন্ত্রী এর কার্যক্রম দেখে যদি সন্তুষ্ট হন তখন সেটি বাড়তে পারে। প্রধানমন্ত্রী আমাদের বলেছেন যে, প্রাথমিকভাবে এই ১০টি প্রকল্প মন দিয়ে করতে হবে এবং এগুলো যদি ফলপ্রসূ হয়, তাহলে আস্তে আস্তে আমরা সব গ্রামকে এ পর্যায়ে নিয়ে আসব।’

দেশের খবর বিভাগের সর্বাধিক পঠিত
  • ডিএসইর লেনদেন ১৫০০ কোটি টাকা ছাড়ালো

  • শেখ হাসিনা বাংলাদেশের জন্য অপরিহার্য: নাছিম

  • দূরপাল্লার যানবাহন চালুর বিষয়ে সিদ্ধান্ত সপ্তাহখানেক পর

  • দূরপাল্লার যানবাহন বন্ধ রাখতে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর প্রস্তাব

  • চারদিন পর আখাউড়া স্থলবন্দরে রপ্তানি শুরু

  • বঙ্গবন্ধুর নামে পিরোজপুরে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়

  • শিক্ষার্থীদের ভ্যাকসিন নিশ্চিতের পর খুলবে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান

  • চার দশক ধরে আ.লীগের সফল নেতৃত্বে শেখ হাসিনা

  • পারমাণবিক বোমা ছাড়া সব সূচকে পাকিস্তানের চেয়ে এগিয়ে বাংলাদেশ

  • সাগরে বসেই অনলাইনে মাছ বিক্রি করছেন জেলেরা

  • রাজনীতির সীমানা পেরিয়ে শেখ হাসিনা কালজয়ী রাষ্ট্রনায়ক

  • ফেরিতে গাদাগাদি, হিমশিমে বিআইডব্লিউটিসি

  • দেশে চীনের ‘সিনোফার্ম’ টিকা উৎপাদনে কাউকে অনুমতি দেয়া হয়নি

  • শেখ হাসিনা ফেরায় দেশের অগ্রযাত্রা হয়েছে

  • ইসরায়েলের নৃশংসতা অতীতের সকল বর্বরতাকে ছাড়িয়ে গেছে: তথ্যমন্ত্রী

  • শেখ হাসিনার প্রতি বাংলার জনগণের অসীম আস্থা

  • ফিলিস্তিন ইস্যু সমাধানে নিরাপত্তা পরিষদের প্রতি বাংলাদেশের আহ্বান

  • ঈদের পর প্রথম কার্যদিবসে ঊর্ধ্বমুখী শেয়ারবাজার

  • চট্টগ্রাম বিভাগে করোনায় ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে ত্রাণ বিতরণ অব্যাহত

  • ঈদ শেষে রাজধানীতে ফিরছে কর্মমুখী মানুষ

  • লিফট সম্বলিত পাঁচটি ফুটওভার ব্রিজ নির্মিত হবে: মেয়র আতিক

  • খুলনা বিভাগে সরকারি ত্রাণ ও আর্থিক সহায়তা পেল ৯ লাখ পরিবার

  • খাদ্য উৎপাদন বৃদ্ধি করতে সংশ্লিষ্টদের আহ্বান কৃষিমন্ত্রীর

  • শেখ হাসিনার ৪০তম স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস আজ

  • ব্যান্ডউইথ রপ্তানিতে সৌদির সাথে সাবমেরিন ক্যাবল কোম্পানির চুক্তি

  • ‘শেখ হাসিনার হাত ধরেই বদলে যাওয়া বাংলাদেশের অগ্রযাত্রা’

  • শেখ হাসিনার আগমন সমৃদ্ধ বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠায় তাৎপর্যপূর্ণ

  • ফিলিস্তিনে বঙ্গবন্ধুর নামে রোড, শেখ হাসিনার নামে বাড়ি

  • স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস: শেখ হাসিনার সফল নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ

  • বিজ্ঞান চর্চার নিরন্তর সাধক

  • করোনা সংকট জয় করে দেশ উন্নয়নের পথে এগিয়ে যাবে

  • স্বাস্থ্যবিধি মেনে ঈদের পাঁচ জামাত বায়তুল মোকাররমে  

  • লকডাউন আরো সাতদিন বাড়ছে

  • ঈদ কবে, জানা যাবে বুধবার

  • হাওর অঞ্চলে বোরো উৎপাদনে ঝুঁকি কমাবে বিনাধান

  • বুধবারও খোলা থাকবে সরকারি অফিস

  • এসপির ঈদ উপহার-খাবার পেয়ে কাঁদলেন সেই বৃদ্ধা

  • রাশিয়া থেকে আসবে এক কোটি ডোজ ভ্যাকসিন

  • ঢাকায় পৌঁছাল চীনের উপহারের পাঁচ লাখ টিকা

  • চাঁদ দেখা যায়নি, সৌদি আরবে ঈদ বৃহস্পতিবার

  • ঈদে ছুটি নেননি পদ্মাসেতু প্রকল্পের প্রকৌশলী-শ্রমিকরা

  • চীন থেকে আরও ডোজ আনার চেষ্টা চলছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

  • হাওরের শতভাগ বোরো ধান কাটা শেষ: কৃষিমন্ত্রী

  • চীনা রাষ্ট্রদূত আগ বাড়িয়ে কথা বলেছেন: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

  • আল-আকসা মসজিদে হামলায় প্রধানমন্ত্রীর নিন্দা

  • দুধের ভালো দামে চওড়া হাসি খামারিদের মুখে

  • লকডাউন আরো সাতদিন বাড়তে পারে: জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী

  • দূরপাল্লার বাস চলাচল নিয়ে যা বললেন জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী

  • তিস্তায়ও আগ্রহী চীন

  • ব্রডব্যান্ড সংযোগের আওতায় আসছে সাড়ে ৪ হাজার ইউনিয়ন পরিষদ

  •  ‘যে কোনো দুর্যোগকে আ. লীগ সব সময় মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে’

  • করোনা সংকট মোকাবেলায় সরকারের অক্সিজেন প্রস্তুতি

  • জাতীয় সংসদের বাজেট অধিবেশন ২ জুন

  • কনস্টেবলকে সততার পুরস্কার দিলেন এসপি

  • মুঠোফোনে প্রধানমন্ত্রীর ঈদ শুভেচ্ছা

  • স্বপ্নের মেট্রো রেলের সফল পরীক্ষা যাত্রা

  • ঈদের আগে বিকাশ-নগদে ঘণ্টায় ২০০ কোটি টাকার লেনদেন

  • বৃহস্পতিবার থেকে ঈদের ছুটি শুরু, বুধবার শেষ কর্মদিবস

  • বিশ্বের যেকোনো প্রান্ত থেকে এখন বিটিভি দেখা যাবে অ্যাপে

  • লকডাউনে বিচারিক ক্ষমতা পাচ্ছে পুলিশ