শনিবার   ১৫ আগস্ট ২০২০

ব্রেকিং:
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোর বার্ষিক ছুটি ৭৫ দিন আগামী মার্চে ঢাকা উত্তর সিটির ভোটের ইঙ্গিত সিইসির জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় পরিদর্শনে প্রধানমন্ত্রী আস্থা ভোটে টিকে গেলেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী থেরেসা মে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে নেপালের বিদায়ী রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ খালেদার অনুপস্থিতিতেই কারাগারে বিচার চলবে রব ও মান্নার বিয়ে যুক্তফ্রন্টে, পরকীয়া ঐক্যফ্রন্টে: মাহী এটা জোট নয়, ঘোট : তথ্যমন্ত্রী যুক্তরাষ্ট্রে রাজনৈতিক আশ্রয় পেলেন সিনহা আবারও সরকার গঠনে নৌকায় ভোট দেয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর পদ্মা সেতু প্রকল্পের নামফলক উন্মোচন করলেন প্রধানমন্ত্রী
৩৭

স্বাধীনতার স্বপ্নদ্রষ্টার দৌহিত্র তথ্যপ্রযুক্তির রূপকার

মোসা. সেলিনা আকতার

প্রকাশিত: ২৭ জুলাই ২০২০  

‘তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তিতে, বাংলাদেশ গোটা বিশ্বে নেতৃত্ব দেবে’ সজীব ওয়াজেদ জয়। এমন আকাশচুম্বী স্বপ্ন যিনি দেখতে পারেন এবং একটি জাতিকে দেখাতে পারেন, তিনি সাধারণ কেউ নন, তিনি তো স্বপ্নদ্রষ্টা। অসাধারণ প্রতিভা সম্পন্ন, দূরদৃষ্টির অধিকারী, তথ্যপ্রযুক্তির বাঁশিওয়ালা, স্বাধীনতার মহান স্থপতি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের গর্বিত দৌহিত্র, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর তথ্যপ্রযুক্তিবিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়। আজ তার সুবর্ণ জন্ম জয়ন্তীতে বৃষ্টি স্নাত সবুজ প্রকৃতির সিক্ত শুভেচ্ছা।’৭১-এর মুক্তিযুদ্ধের ডামাডোলে আর শ্রাবণের বারিধারার ছন্দে যার জন্ম তার চারিত্রিক দৃঢ়তা থাকবে দুর্লভ এবং মনটা হবে শ্রাবণের সজীব প্রকৃতির মতো স্বচ্ছ ও প্রাণবন্ত। বাঙালি জাতির স্বাধীনতার স্বপ্নদ্রষ্টা মহান নেতা সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আজীবন লালিত স্বপ্ন ছিল বাংলার স্বাধীনতা ও বাঙালি জাতিসত্ত্বার প্রতিষ্ঠা। 

পরাধীনতার খাঁচায় বন্দি পাখি সুদূরের মুক্ত নীল আকাশে ডানা মেলার স্বপ্ন দেখার মতো, স্বাধীনতার স্বপ্ন ছিল পরাধীনতার শৃঙ্খলে বন্দি বাঙালিদের কাছে দুঃস্বপ্নের মতো। কিন্তু টুঙ্গীপাড়ায় দুরন্ত শৈশবে ডানপিঠে এক কিশোর সেই স্বপ্ন নিজে দেখেছিলেন এবং রাজনৈতিক দর্শন-ন্যায়, সাম্য, দেশপ্রেম ও সরলতার মধ্যে দিয়ে অর্জিত জনপ্রিয়তার তুঙ্গে গিয়ে সাধারণ জনগণকেও দেখাতে সক্ষম হয়েছিলেন, তাই তো তিনি মহান স্বাধীনতার স্থপতি, স্বাধীনতার স্বপ্নদ্রষ্টা। আধুনিক বিজ্ঞানের গবেষণা ও আবিষ্কার আজ সাফল্যের স্বর্ণশিখরে। কিন্তু কোনো বিজ্ঞানই পারেনি বংশগতিকে অস্বীকার করতে, জীন হলো বংশগতির ধারক ও বাহক। তাই তো স্বাধীনতার স্বপ্নদ্রষ্টার জীন বহন করে আজ তারই দৌহিত্র সজীব ওয়াজেদ জয় তরুণ প্রজন্মের তথ্যপ্রযুক্তির স্বপ্নদ্রষ্টা। 

১৯৭৫ সালের ১৫ আগষ্ট বঙ্গবন্ধু সপরিবারে নিহত হওয়ার সময় শিশু জয় জার্মানিতে ছিলেন বাবা-মায়ের সঙ্গে। পরে মায়ের সঙ্গে ভারতে থাকেন রাজনৈতিক আশ্রয়ে। তাই জয়ের শৈশব ও কৈশোর কাটে ভারতে। সেন্ট জোসেফ কলেজে পড়াশোনার পর যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিভার্সিটি অব টেক্সাস অ্যাট আর্লিংটন থেকে কম্পিউটার সায়েন্সে স্নাতক করেন। পরে তিনি হার্ভার্ড বিশ^বিদ্যালয় থেকে লোক প্রশাসনে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ক্রিস্টিন ওভারমায়ারকে বিয়ে করেন ২০০২ সালের ২৬ অক্টোবর তাদের একটি কন্যা সন্তানের জন্ম হয়েছে, যার নাম সোফিয়া রেহানা ওয়াজেদ। লেখাপড়া করা অবস্থায় রাজনীতির প্রতি অনুরক্ত থাকলেও জয় সক্রিয় রাজনীতিতে নাম লেখান ২০১০ সালে। 

১৯৯৬ সালে প্রথমবার ক্ষমতায় এসে আওয়ামী লীগ সরকারের প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার ঘোষণা দিয়েছিলেন। ২০০৮ সালে দ্বিতীয়বার ক্ষমতায় এলে শুরু হয়, সে স্বপ্ন বাস্তবে রূপ দেওয়ার কার্যক্রম। তার সুযোগ্য সন্তান প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয় এ কার্যক্রমকে এগিয়ে নিয়েছেন বহুদূর। প্রযুক্তির বিভিন্ন ক্ষেত্রে বাংলাদেশের উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি নতুন সম্ভাবনার দ্বার খুলে দিচ্ছে। যার মধ্যে আছে মোবাইল ফোনে গ্রাহক, অনলাইনে বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি সেবাপ্রাপ্তি, মোবাইল ব্যাংকিং এবং প্রযুক্তি খাত থেকে রফতানি আয়। সজীব ওয়াজেদ জয়ের গৃহীত বিভিন্ন পদক্ষেপের ফলশ্রুতিতে সিলিকন ভ্যালির বিনিয়োগ এসেছে বাংলাদেশে। বাংলাদেশ এখন ২০২১ সালের মধ্যে উচ্চ মধ্যম আয়ের দেশ এবং ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত রাষ্ট্রের কাতারে শামিল হতে সম্পূর্ন প্রস্তুত। আর এসব প্রস্তুতির পেছনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে তথ্য প্রযুক্তি। ডিজিটাল বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখা এবং সেই স্বপ্ন পূরণের পথে দুর্বার গতিতে আমাদের ছুটে চলা যার হাত ধরে তিনি সজীব ওয়াজেদ জয়। 

শুরুতেই কম্পিউটারসহ সব আধুনিক যন্ত্রপাতির ওপর থেকে ট্যাক্স প্রত্যাহার করে নেয় সরকার, যাতে ডিজিটালাইজড করার সব ধরণের যন্ত্রপাতি জনগণের কাছে সহজলভ্য হয়। সেই ব্যবস্থা গ্রহণের সুফল আজ আমরা পাচ্ছি। প্রযুক্তিতে বাংলাদেশকে আরও উন্নত করতে ফাইভজি চালুর প্রস্তুতিসহ ডিজিটাল অবকাঠামো সম্প্রসারণে অগ্রণী ভূমিকা পালন করছে সজীব ওয়াজেদ জয়। প্রায় সাড়ে চার হাজার ইউনিয়নে ডিজিটাল সেন্টার পৌঁছে গেছে।  উৎক্ষেপণ করা হয়েছে স্যাটেলাইট বঙ্গবন্ধু-১। টেলিভিশন চ্যানেলগুলোর মাধ্যমে অনুষ্ঠান সম্প্রচার করছে। ২০১৫ সাল থেকে শুরু করা হয় মেশিন রিডেবল পাসপোর্ট। সরকারি হাসপাতালগুলোতে শুরু করা হয় টেলিমেডিসিন সেবা। বিদ্যুৎ বিল পরিশোধ এবং গণপরিবহণের টিকিট কাটতে আর লম্বা লাইনে দাঁড়াতে হচ্ছে না। শিক্ষার্থীদের মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুম ও ডিজিটাল ল্যাবের, ই-বুকের কার্যকর ব্যবহার নিশ্চিত করা হয়েছে। ভূমি অফিসগুলোতে চালু হয়েছে অটোমেশন। পেনশন নিশ্চিত করা হচ্ছে অনলাইনে। বাংলাদেশের প্রাথমিক স্তর থেকেই তথ্যপ্রযুক্তি বাধ্যতামূলক করতে হবে বলে জানিয়েছেন তথ্যপ্রযুক্তিবিষয়ক উপদেষ্টা। 

তিনি বলেন, প্রাথমিক লেবেলে শুধুমাত্র লেখা শেখানো বা তাদের হোমওয়ার্ক ট্যাবের মাধ্যমে করা যেতে পারে। শিশুরা এগুলো খুব দ্রুত শেখে। তবে এখানে আমাদের রিসোর্স একটি চ্যালেঞ্জ, স্বপ্লমূল্যে ট্যাবলেট ও কম্পিউটার দেশে তৈরি করার চেষ্টা করা হচ্ছে। আশা করছি, কয়েক বছরের মধ্যে এটা করা সম্ভব হবে। 

বেকারত্ব ছিল বাংলাদেশের তরুণদের জন্য অভিশাপ। সেই অভিশপ্ত জনশক্তিই এখন বাংলাদেশের সম্পদ। সজীব ওয়াজেদ জয় তথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহারের মাধ্যমে তরুণদের শিখিয়েছেন কিভাবে ঘরে বসেই টাকা উপার্জন করা যায়, উদ্যোক্তা হওয়া যায়। সুবিধে করে দেওয়া হলো এসব ফ্রিল্যান্সারদের জন্য সুলভমূল্যে বেশি গতির ইন্টারনেট।  সরকারি ও বেসরকারি পর্যায়ের সমন্বয়ে দক্ষ কয়েক লাখ শিক্ষিত তরুণকে বিনামূল্যে ট্রেনিং দিয়ে দক্ষ ফ্রিল্যান্সারে পরিণত করা হচ্ছে। সুদক্ষ পরিকল্পনা এবং সেই পরিকল্পনা বাস্তবায়নেই আজ বাংলাদেশ ফ্রিল্যান্সারদের দুনিয়ায় শক্ত অবস্থান করে নিতে পেরেছে। ডিজিটাল বাংলাদেশ বাস্তবায়নে বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট অনেকটা এগিয়ে দেয় বাংলাদেশকে। বাংলাদেশ এখন বিশ্বের এমন একটি অভিজাত ক্লাবের সদস্য যেখানে মাত্র ৫৬টি দেশের অবস্থান। তথ্যপ্রযুক্তি সেক্টরকে আরও শক্ত অবস্থানে নিয়ে যেতে দেশে তৈরি করা হচ্ছে হাইটেক পার্ক। তরুণ প্রযুক্তিবিদদের মিলনমেলা ঘটছে এসব হাইটেক পার্কে। এছাড়া বিশে^র সবচেয়ে বড় ওয়েব পোর্টাল তৈরি করেছে বাংলাদেশ, যেখানে যুক্ত রয়েছে পঁচিশ হাজারের বেশি ওয়েবসাইট। 

সজীব ওয়াজেদ জয় জানেন, আজকের দুনিয়ায় ‘ডাটা’ কতটা গুরুত্বপূর্ণ। তাই দেশের প্রতিটা মানুষের ডাটা ডিজিটালি সংরক্ষণের চিন্তা থেকেই বায়োমেট্রিক সিম রেজিষ্ট্রেশন সম্পন্ন করা হয়। জাতীয় পরিচয়পত্রকে করা হয় স্মার্ট। এই ডাটাগুলো থেকে তৈরি করা হয় সেন্ট্রাল ডাটাবেস। সেখান থেকে এখন সেবা প্রদানকারী সংস্থাগুলো যে কারো পরিচয় দ্রুত সহজেই নিশ্চিত হতে পারে। এসবই সম্ভব হয়েছে জয়ের পরিকল্পনা বাস্তবায়ন হওয়ায়।

আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তির যুগে আমরা নিম্ন মধ্যম আয়ের বাংলাদেশে বাস করেও তথ্যপ্রযুক্তিতে যে কতোটা অগ্রগামী তা বৈশি^ক করোনা সংক্রমণের এই সময়টাতে স্পষ্টভাবে উপলব্দি করতে পেরেছি। আমরা আজ ঘরে বসেই কতোটা ভয়াবহ এক যুদ্ধ পরিচালনা করে যাচ্ছি, থেমে নেই সভ্যতা, থেমে নেই অর্থনীতির চাকা, থেমে নেই বিজ্ঞানের নিত্যনতুন আবিষ্কার। থেমে নেই রাজনীতি, সভা, সমিতি আর বিশ^ব্যাপী কূটনৈতিক তৎপরতা। আমরা নিত্যপ্রয়োজনীয় চাহিদাগুলো সহজে এবং স্বাচ্ছন্দ্যে প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে মিটিয়ে নিচ্ছি বর্তমান সময়ে। আমরা যদি আমাদের মৌলিক চাহিদাগুলোর কথা একটু ভাবি, নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রবাদিসহ ঘরে ঘরে খাদ্যের যোগান দেওয়া হচ্ছে। অনলাইনে, চাষাবাদে ব্যবহৃত হচ্ছে আধুনিক প্রযুক্তি, অনলাইনে চলছে বস্ত্র শপিং, বাসস্থান নির্মানের উপকরণসহ নির্মাণ কৌশলে ব্যবহার করা হচ্ছে তথ্যপ্রযুক্তি। করোনা পরিস্থিতিতে শিক্ষা ব্যবস্থা চালু রাখার জন্য ব্যবহার করা হচ্ছে ফেসবুক, জুম, সংসদ টিভিসহ বিভিন্ন পেইজ ও অ্যাপস। চলছে ভার্চুয়াল পদ্ধতিতে আদালতসমূহে বিচারিক কার্যক্রম। করোনা মহামারির এই সময়টিতে সবচেয়ে যেটি বেশি প্রয়োজন কোভিড-১৯ রোগের শনাক্তকরণ নিশ্চিত হওয়া এবং প্রয়োজনীয় চিকিৎসাসেবা। এখানেও তথ্যপ্রযুক্তিই নিরাপদে পরম বন্ধুত্বের হাত বাড়িয়ে দিয়েছে। ঘরে বসে অনলাইনের মাধ্যমে কিছু প্রশ্নের জবাব দিয়ে আমরা জানতে পারছি করোনাভাইরাসে আমরা আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকিতে আছি কি-না। যদি ঝুঁকিতে থাকি, তাহলে কী কী করতে হবে তার পরামর্শও পাওয়া যাবে https : corona.gov.bd এই ওয়েবসাইটে। করোনার সব আপডেটও জানা যাবে। অনলাইনে স্বাস্থ্য পরামর্শ পেতে রয়েছে ‘হ্যালো ডাক্তার প্রো’ মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন বিভিন্ন পেইজে ফেসবুক লাইভে, অ্যাপস ব্যবহার করে চিকিৎসা দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা। প্লাজমা থেরাপি একটি কার্যকরী চিকিৎসা পদ্ধতি। আগ্রহী প্লাজমা দাতাদের নিয়ে ডাটাবেস তৈরি করতে শুরু হচ্ছে অনলাইন প্লাটফর্ম যাত্রা। এছাড়া তৈরি করা হচ্ছে ‘অক্সিজেন সিলিন্ডার’ সংগ্রহের জন্য অক্সিজেন সিলিন্ডার দাতা কিংবা সরবরাহের প্রতিষ্ঠানের ডাটাবেস। 

এভাবে আমরা বর্তমান কঠিন পরিস্থিতিতেও  পারিবারিক, সামাজিক ও রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছি খুব সহজেই। আর এমনটা সত্যিই সম্ভব হয়েছে আওয়ামী লীগের ২০০৮ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ইশতেহারে ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার শ্লোগান যুক্ত হওয়ার কারণে। আর এ শ্লোগানটির নেপথ্যে ছিলেন তথ্যপ্রযুক্তির স্বপ্নদ্রষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়। ডিজিটাল বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখা এবং সেই স্বপ্ন পূরণের পথে দুর্বার গতিতে আমাদের ছুটে চলা তার হাত ধরেই। ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়ে বর্তমান সরকারের গৃহীত রূপকল্প ভিশন ২০২১ এবং ভিশন ২০৪১ তথ্যপ্রযুক্তি খাতকে করেছে আরও গতিশীল ও সম্ভাবনাময়। তথ্যপ্রযুক্তি উপদেষ্টা বলেন, ভবিষ্যতে মোবাইল সুপার কম্পিউটিং, চালকবিহীন গাড়ী, কৃত্রিম বুদ্ধিমান রোবট, নিউরো প্রযুক্তির ব্রেন, জেনেটিক এডিটিং দেখতে পাব। প্রযুক্তির এসব সুযোগকে কাজে লাগিয়ে আমাদের উন্নয়নের নতুন নতুন দিগন্ত উম্নোচন করতে হবে। বাংলাদেশের তথ্যপ্রযুক্তি খাতের উন্নয়ণের গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখার স্বীকৃতিস্বরূপ সজীব ওয়াজেদ জয় ২০১৮ সালে সম্মানজনক ‘আইসিটি ফর ডেভেলভমেন্ট’ পুরস্কার অর্জন করেন। বাংলাদেশ থেকে প্রথম কোনো ব্যক্তি হিসেবে ২০১৭ সালে তিনি ওয়াল্ড ইকোনোমিক ফোরাম কর্তৃক ‘গ্লোবাল ইয়াং লিডার’ হিসেবে নির্বাচিত হন।

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্নের ‘সোনার বাংলা’ বাস্তবায়নের ভীত ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মাণে তিনি (জয়) কৃতিত্ব দেখিয়েছে। মা হিসেবে প্রকৃতপক্ষে আমার ছেলে তার কাজের জন্য স্বীকৃত পাচ্ছে/পুরস্কার পাওয়াতে আমি গর্বিত। পুরস্কার গ্রহণের পর তারুণ্যের অনুপ্রেরণার শক্তি জয় বলেন, আমি এই পুরস্কার লাভ করায় খুবই সম্মানিত বোধ করছি। ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মাণের অপার সম্ভাবনাময় শক্তি দেশের সব তরুণদের উদ্দেশ্যে এই পুরস্কার তিনি উৎসর্গ করেন।  

প্রকৃতপক্ষে প্রতিটি মানুষই স্বপ্নচারী। আমাদের মতো সজীব ওয়াজেদ জয়ও একজন স্বপ্নচারী মানুষ। তবে ব্যতিক্রমটা হলো এখানে যে, তিনি শুধু স্বপ্ন দেখেনই না, নিরলস পরিশ্রম করে সেই স্বপ্নকে আমাদের হাত দিয়ে স্পর্শ করার সুযোগ করিয়ে দিতে পারেন,  তাই তিনি স্বপ্নের ফেরিওয়ালা। তিনি বাঙালি জাতির তথ্যপ্রযুক্তির স্বপ্নদ্রষ্টা। স্বপ্নাতুর এই মানুষটির শুভ জন্মদিনে ফুলেল শুভেচ্ছা ও পরম করুণাময়ের কাছে অশেষ দোয়া।

লেখক : সহকারী অধ্যাপক, উদ্ভিদবিজ্ঞান
পটুয়াখালী সরকারি কলেজ, পটুয়াখালী

মতামত বিভাগের সর্বাধিক পঠিত
  • বৃত্তি পাচ্ছে এসএসসি’র সাড়ে ২৫ হাজার শিক্ষার্থী

  • কোটি মানুষের হৃদয়ে রয়েছে বঙ্গবন্ধু

  • টুঙ্গিপাড়ার খোকা থেকে বাঙালির মুক্তির মহানায়ক

  • বাবার লাশ আর সাদা হাতাকাটা গেঞ্জিই একমাত্র স্মৃতি: তাপস

  • পদ্মা রেল প্রকল্পে দেশে স্লিপার ফ্যাক্টরি চালু করেছে সিআরইসি

  • কর্মসংস্থানের জন্য ৭৫০ কোটি টাকা বরাদ্দ

  • চামড়া রপ্তানিতে ঈর্ষণীয় সাফল্য

  • বনানীতে ১৫ আগস্টের শহীদদের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা

  • মুর্তজা বশীরের অবদান ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে অনুপ্রেরণা জোগাবে

  • চিত্রশিল্পী মুর্তজা বশীর আর নেই

  • বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা

  • সাম্প্রদায়িকতা ও বঙ্গবন্ধুর রাষ্ট্রচিন্তা

  • বঙ্গবন্ধু আগামী প্রজন্মের অনুপ্রেরণার উৎস: ইউনেস্কো

  • ইতিহাসের জঘন্যতম হত্যাকাণ্ড

  • বাংলাদেশের অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধার হবে দ্রুত

  • অবশেষে সাড়ে তিন লাখ শিক্ষকের বেতন বৈষম্য নিরসন  

  • তিস্তাপাড় ঘিরে সরকারের মহাপরিকল্পনা 

  • ঋণ নিয়ে আত্মসাতের মামলায় এস কে সিনহার বিচার শুরু 

  • স্নাতক পর্যায়ের অসচ্ছল শিক্ষার্থীদের জন্য উপবৃত্তি 

  • কর্মসংস্থানের জন্য রাষ্ট্রায়ত্ত ৩ ব্যাংককে ৭৫০ কোটি টাকা বরাদ্দ

  • ব্যক্তি স্বার্থে শোক দিবসের পরিবেশ যেন নষ্ট না হয় : কাদের

  • ২০২২ সালের মধ্যে ৮ বিভাগে ক্যান্সার হাসপাতাল হবে 

  • উন্নয়ন প্রকল্পে বাড়তি অস্বাভাবিক খরচ মানা হবে না

  • দিল্লিতে আমাদের নামও পরিবর্তন করতে হয়েছিল : শেখ রেহানা 

  • ‘বঙ্গবন্ধু হত্যার কুশীলবদের মুখোশ উন্মোচনে কমিশন গঠন প্রয়োজন’ 

  • ‘বঙ্গবন্ধুর পলাতক ৫ খুনিকে ফিরিয়ে আনার প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে’

  • ‘সোনার বাংলা’ প্রতিষ্ঠায় বঙ্গবন্ধুর শিক্ষাভাবনা

  • বঙ্গবন্ধুর সমান উচ্চতার নেতা বিশ্বে বিরল

  • তোমরাই আমার সব থেকে আপন : এতিমদের প্রতি প্রধানমন্ত্রী

  • আজ জাতীয় শোক দিবস

  • বাস্তবায়নের পথে ব-দ্বীপ স্বপ্ন

  • তৈরি পোশাক রপ্তানিতে ২য় অবস্থান ধরে রেখেছে বাংলাদেশ

  • দুর্গম ৩১ দ্বীপে উচ্চগতির ইন্টারনেট দিচ্ছে বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট 

  • ২৫৪ টাকায় করোনার ডোজ পাবে বাংলাদেশ

  • ফোরলেন হচ্ছে যশোর-ঝিনাইদহ সড়ক, উপকৃত হবে ২ কোটি মানুষ

  • রেলে চড়ে পণ্য যাবে নেপালে

  • পুঁজিবাজারে গতি ফিরেছে, ঘুরে দাঁড়াচ্ছে দেশের অর্থনীতি

  • উত্তরের কৃষকদের স্বপ্ন দেখাচ্ছে ‘সোনালি আঁশ’

  • অন্যের টিকিট নিয়ে ট্রেন ভ্রমণ করলেই কারাদণ্ড

  • করোনাকালেও আমদানি বাণিজ্যে রেকর্ড

  • দেড় লাখ কৃষককে সোয়া ১০ কোটি টাকা প্রণোদনা দিবে সরকার 

  • প্রথমবার ২ কোটি টন উৎপাদন ছাড়ালো বোরো

  • দীর্ঘস্থায়ী বন্যা মোকাবিলায় প্রস্তুতির নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

  • ‘একজন দক্ষ সামরিক কর্মকর্তা ছিলেন মেজর (অব.) সিনহা’

  • তার যাবে মাটির নিচে, আসছে ২০ হাজার কোটি টাকার প্রকল্প

  • বিদ্যুৎ ব্যবস্থা উন্নয়নে সরকারের দেড় হাজার কোটি টাকার প্রকল্প

  • রেমিট্যান্স পাঠানোয় শীর্ষে সৌদি প্রবাসীরা

  • বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনে যাচ্ছে সরকার

  • স্বাস্থ্যখাতের দুর্নীতি দূর করতে সরকার কঠোর: হানিফ

  • বাগেরহাটে শসার বাম্পার ফলন, দামও ভালো

  • সুন্দরবনে মধু ও মোমের উৎপাদন বেড়েছে

  • শেখ হাসিনার দেওয়া পাকাঘর পেলো আত্রাইয়ের ১৮ গৃহহীন পরিবার 

  • তিস্তা নদীর দুই পাড় ঘিরে স্থায়ী উন্নয়নের মহাপরিকল্পনা

  • বঙ্গবন্ধু হাইটেক সিটিতে কর্মসংস্থান হচ্ছে দুই হাজার মানুষের

  • ইলিশে সরগরম মাছের আড়তগুলো

  • করোনা ভ্যাকসিন: বাংলাদেশসহ ৯২ দেশের জন্য সুসংবাদ

  • পটুয়াখালীতে সাবমেরিন ক্যাবলে ত্রুটি, ইন্টারনেটে ধীরগতি

  • ঢাকার যানজট কমাতে তৈরি হচ্ছে ১০ ইউটার্ন ও ২২ ইউলুপ

  • ফজিলাতুন্নেছা মুজিব ছিলেন বঙ্গবন্ধুর বিশ্বস্ত সহচর: প্রধানমন্ত্রী

  • বঙ্গবন্ধু শিল্প নগরীকে ৫০ কোটি ডলার দিচ্ছে বিশ্বব‌্যাংক