মঙ্গলবার   ২৪ নভেম্বর ২০২০

সর্বশেষ:
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোর বার্ষিক ছুটি ৭৫ দিন আগামী মার্চে ঢাকা উত্তর সিটির ভোটের ইঙ্গিত সিইসির আস্থা ভোটে টিকে গেলেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী থেরেসা মে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় পরিদর্শনে প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রপতির সঙ্গে নেপালের বিদায়ী রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন করতে ইসি প্রতিজ্ঞাবদ্ধ: নূরুল হুদা বারবার আসতে পারব না, যত খুশি সাজা দিন: খালেদা জিয়া ‘আকাশবীণার’ উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী ত্রিভুবনে আবারও বিমান দুর্ঘটনা ট্রেন-বাসের সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ২৫ ভুয়া ছবি দিয়ে অপপ্রচার চালাচ্ছে মিয়ানমার: প্রধানমন্ত্রী
২০৪

স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে বিদেশে আখাউড়ার মাছ

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: ২১ অক্টোবর ২০২০  

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানের চাহিদা মিটিয়ে আখাউড়ার মাছ যাচ্ছে বিদেশেও। পুকুর, খাল, বিল, জলাশয় ও ফসলি জমিতে বাঁধ দিয়ে বাণিজ্যিকভাবে মাছ চাষ করে  বছরে ৪ হাজার ৫২১ দশমিক ২০ মেট্রিক টনের বেশি মাছ উৎপাদন করছে  স্থানীয় চাষিরা। ফলে স্থানীয় চাহিদা পুরণসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে সরবরাহ করার পাশপাশি বিদেশেও রফতানি করে লাভবান হচ্ছে মৎস্যচাষি ও ব্যবসায়ীরা।

উপজেলা মৎস্য সম্প্রসারণ অধিদফতর সূত্রে জানা যায়, উপজেলার ১০২ দশমিক ১১ বর্গ কিলোমিটার আয়তনের মধ্যে  ছোট বড় পুকুরসহ প্রজেক্ট রয়েছে ২ হাজার ৭৫টি, বিল ১৩টি, নদী ৩টি, খাল ৩টি, ও প্লাবণ ভূমি রয়েছে ৮টি। 

এ উপজেলায় মাছের চাহিদা রয়েছে ৩ হাজার ৪৯৮মেট্রিক টন। আর উৎপাদিত হচ্ছে ৪ হাজার ৫২১ দশমিক ২০ মেট্রিক টন মাছ । অতিরিক্ত থাকছে ১ হাজার ২৩ দশমিক ২০ মেট্রিক টন। দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে মাছ চাষের পরিধি। ওইসব চাষকৃত মাছের মধ্যে  রুই, কাতল, মৃগেল, পাঙ্গাস,মৃ গেল পুটি, স্বরপুটি, কার্প, তেলাপিয়া, বোয়াল, গ্রাসকাপ, নাইলোটিকা, শিং, মাগুর, কৈসহ বিভিন্ন প্রজাতির মাছ রয়েছে। 

প্রতিদিন ভোরে পৌর শহরের বড় বাজার মাছের আড়তে ৩০০-৩৫০ মণ বিভিন্ন প্রজাতির মাছ বিক্রি হয়। ওই জায়গায় পাইকার, ক্রেতা বিক্রেতাদের উপচে পড়া ভিড় লেগে থাকে। স্বল্প সময়ের মধ্যে ওইসব মাছ কেনা বেচা হয় বলে আড়ৎদাররা জানায়। 

রেলপথ ও সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থা ভালো থাকায় ব্রাহ্মণবাড়িয়া, ভৈবর, নরসিংদী, ঢাকা, কুমিল্লা, লাকসাম, ফেনী, চট্রগ্রাম, মাধবপুর, শায়েস্তাগঞ্জ, শ্রীমঙ্গল, সিলেটসহ দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে আসা পাইকার ও খুচরা বিক্রেতারা  এসে ওইসব মাছ ক্রয় করে  নিয়ে যায়। এ জন্য দূরের পাইকাররা রাতের মধ্যেই হাজির হন মাছ কেনার জন্য। তারপর ওইসব ব্যবসায়ীরা ট্রেন ও পণ্যবাহী ট্রাক, পিকআপ ভ্যান সিএনজি অটো রিকশার মাধ্যমে নিয়ে যান নিজ নিজ গন্ত্যব্যে। পাশাপাশি আখাউড়া স্থলবন্দর দিয়ে ও ভারতে  রফতানি হচ্ছে এখানকার মাছ। 

এদিকে কম শ্রমে বেশি লাভ হওয়ায় মৎস্য চাষ করে স্থানীয় চাষিরা এক নীরব বিল্পব ঘটিয়েছে। এ উপজেলার শত শত যুবক অর্থনীতি উন্নয়নে মাছ চাষ যথেষ্ট ভূমিকা রাখছেন। সেই সঙ্গে এ চাষে পাল্টে যাচ্ছে তাদের ভাগ্যের চাকাও । 

স্থানীয় একাধিক মৎস্য চাষি জানায়, পৌর শহরের তারাগন, দেবগ্রাম, শান্তিনগর, খড়মপুর দুর্গাপুর, উপজেলার ধাতুর পহেলা, তুলাবাড়ি, কুসুমবাড়ি, টানুয়াপাড়া,হীরাপুর, বাউতলা, উমেদপুর, আজমপুর, মোগড়া,মনিয়ন্দ ধরখারসহ বিভিন্ন এলাকায় যুবকরা পুকুর হাল, বিল, জলাশয় ও ফসলি জমিতে বাঁধ দিয়ে মাছ চাষ করছেন। তাদের মধ্যে কেউ করছেন নিজস্ব পুকুরে, আবার কেউ করছেন বার্ষিক ইজারা আবার কেউ মৎস্য প্রকল্পের নামে সমিতি  গঠন করে করছেন এ চাষ। গত দু মাস ধরে পুরো দমে চলছে চাষকৃত মাছ স্থানীয় আড়ৎসহ বিভিন্ন স্থানে মাছ বিক্রি। 

আড়তদার মো. বাছির খান জানান, পৌর শহরসহ উপজেলার বিভিন্ন এলাকার মৎস্য চাষিরা তাদের উৎপাদিত বেশির ভাগ মাছ বিক্রি করতে এখানে নিয়ে আসেন। বড় বাজার এলাকায় ১৪ জন আড়তদার রয়েছে। দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে আসা কমপক্ষে দুশতাধিক পাইকার ও খুচরা বিক্রেতা এখান থেকে  নিয়মিত মাছ ক্রয় করছেন। 

তিনি বলেন, এখানে দৈনিক ৩০০-৩৫০ মণ বিভিন্ন প্রজাতির মাছ বিক্রি হয়। তাছাড়া এখানকার মাছ দামে অনেক কম পাওয়ায় অনেকে বিয়ে, জন্মদিন, অন্যান্য অনুষ্ঠানে অতিথি আপ্যায়নের জন্য মাছ কিনতে আসেন। তাছাড়া এখানকার উৎপাদিত মাছ ভারতেও রফতানি হচ্ছে। এই বাজারে কমপক্ষে ২০থেকে ২৫ প্রজাতির মাছ পাওয়া যায়। 

কুমিল্লা থেকে আসা পাইকার মো. হোসেন মিয়া বলেন, এখান থেকে প্রতিদিন ভোরে ৫-৬ মণের উপর বিভিন্ন প্রজাতির মাছ ক্রয় করে মিনি ট্রাকে করে নিয়ে তিনি নিয়মিত বিক্রি করছেন। এখানকার মাছের কদর রয়েছে বেশ ভালো। মাছ নিয়ে বাজারে বসে থাকতে হয় না। 

পাইকার মো. মনির বলেন, যোগাযোগ ব্যবস্থা ভালো থাকায় দীর্ঘ চার বছর ধরে এখান থেকে মাছ ক্রয় করে বিক্রি করছি। প্রতিদিন বিভিন্ন প্রজাতির ৪-৫ মণ মাছ কেনা হয়। বিক্রিতে ভালো লাভ হয় বলে জানায়। 

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সুরুজ মিয়া বলেন, রুই,কাতল, মৃগেল পুটি, কার্প জাতীয় ছোট বড় প্রায় ৪ মণ মাছ কেনা হয়। ওই মাছগুলো খুচরা ব্যবসায়ীদের কাছে বিক্রি করা হয়। 

মৎস্য চাষী টিপু চৌধুরী বলেন, ৩টি প্রজেক্ট ৩টি পুকুর বার্ষিক ও অর্ধ বাষিক ইজারা  নিয়ে দেশীয় পদ্ধতিতে বিভিন্ন প্রজাতির মাছ চাষ করা হয়। তিনি মূলত শখের বসে মাছ চাষ শুরু করলেও বর্তমানে বাণিজ্যিকভাবে চিন্তা করছেন। এখন পুরোদমে মাছ বিক্রি তার শুরু হয়েছে। দৈনিক গড়ে ১০-১২ মণ মাছ বিক্রি হয়।

উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা মো. আব্দুস সালাম বলেন, এ উপজেলায় বাণিজ্যিকভাবে মাছ চাষে এক নীরব বিল্পব ঘটে চলছে। মৎস্য চাষে এলাকার শত শত যুবকদের যেমন বেকারত্ব দূর হয়েছে পাশাপাশি শতশ ত লোকের কর্মও  সৃষ্টি হয়েছে। মাছ চাষের উৎপাদন বৃদ্ধিতে সব সময় পরামর্শ দেয়া হচ্ছে। দিন দিন মাছের উৎপাদন বৃদ্ধি পাচ্ছে। 

তিনি আরো বলেন, এ উপজেলায় অনেক জমি পরিত্যক্ত অবস্থায় বছরের পর বছর পড়ে আছে। এগুলো মাছ চাষের আওতায় আনা গেলে এবং উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহার করতে পারলে দেশের অর্থনীতিতে বৈপ্লবিক পরিবর্তন আনা সম্ভব।

জাতীয় বিভাগের সর্বাধিক পঠিত
  • সিঙ্গাপুরের চেয়েও শক্তিশালী বাংলাদেশের অর্থনীতি 

  • ঢাকাকে আধুনিক করতে বিশেষ পরিকল্পনা

  • ‘বঙ্গবন্ধু শিল্পনগরে ১৫ লাখ কর্মসংস্থান হবে’

  • বিমানের বহরে যুক্ত হচ্ছে ‘ধ্রুবতারা’, নাম দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী

  • বেকার যুবকদের মডেল কুষ্টিয়ার হাফিজুল

  • হেলথ আইডি কার্ড স্বাস্থ্যসেবায় আরেক মাইলফলক : স্বাস্থ্যমন্ত্রী

  • ট্রেনে সংযোজন হচ্ছে বায়ো-টয়লেট, বাঁচবে অর্থ-পরিবেশ

  • জন্মের পরই ইউনিক আইডি পাবে শিশু 

  • সরকারি মেডিকেল কলেজে ২৮২টি আসন বাড়ছে

  • পাঁচ দশকে ১০৫ ধানের জাত উদ্ভাবন করেছে ব্রি

  • পদ্মা সেতুর পৌনে ৬ কিলোমিটার দৃশ্যমান

  • ফায়ার সার্ভিসের সক্ষমতা বাড়াতে সব উপজেলায় ফায়ার স্টেশন

  • আন্তর্জাতিক পুরস্কার পেল আইসিটি বিভাগের আইডিয়া প্রকল্প

  • এক মাসে মোবাইল সংযোগ বাড়লো সাড়ে ৯ লাখ

  • সেতু নির্মাণে দুঃখ ঘুচলো মাইনীমুখ বাসিন্দাদের

  • আমনে রঙিন কৃষকের মাঠ

  • বদলে যাচ্ছে বুড়িগঙ্গা ও তুরাগ, নির্মাণ হচ্ছে ডিজিটাল ওয়াকওয়ে

  • কালিগঙ্গা নদীর উপরে সেতু নির্মাণ কাজ এগিয়ে চলেছে

  • রাজধানীবাসীর চাহিদা মেটাচ্ছে যশলদিয়া পানি শোধনাগার

  • চমেকে ১০০ শয্যার পূর্ণাঙ্গ ক্যান্সার চিকিৎসা সেন্টার হচ্ছে 

  • মেট্রোরেল প্রকল্পের প্রথম অংশের কাজ এখন দৃশ্যমান

  • রোহিঙ্গা সংকট সমাধানের লক্ষ্যে জাতিসংঘে রেজুলেশান পাস

  • এক বছরে ই-কমার্স লেনদেন বেড়েছে ১০৮ শতাংশ

  • বিশ্বসেরা বিজ্ঞানীদের তালিকায় জাবি অধ্যাপক ইব্রাহিম খলিল 

  • গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়নে সরকারের বৃহৎ পরিকল্পনা 

  • ‘শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে বাচ্চাদের মৃত্যুর ঝুঁকিতে ফেলা যাবে না’

  • ‘করোনার সময়েও আমরা চেষ্টা করেছি অর্থনীতির চাকা সচল রাখতে’

  • ‘দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় আমরা সদা-প্রস্তুত ও দৃঢ় সংকল্পবদ্ধ’

  • জানুয়ারির মধ্যেই কাজ শুরু

  • সারা বিশ্বে ছড়িয়ে পড়েছে সশস্ত্র বাহিনীর কর্মদক্ষতা: প্রধানমন্ত্রী

  • দৃশ্যমান হলো পদ্মা সেতুর পৌনে ৬ কিলোমিটার

  • ডিসেম্বরের মধ্যে বসবে পদ্মা সেতুর বাকি ৪ স্প্যান

  • ভ্যাকসিনে সুখবর বাংলাদেশে, প্রতি ডোজ ৩৯৯ টাকা 

  • ১৬ ডিসেম্বর চিলাহাটি-হলদিবাড়ি লাইনে রেল চলাচল শুরু: রেল মন্ত্রী

  • বুড়িগঙ্গা-তুরাগ তীরে নির্মাণ হচ্ছে ডিজিটাল ওয়াকওয়ে

  • ৮টি এলএনজি ভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মিত হচ্ছে

  • ১০ মডেল গ্রামের মানুষ পাবে শহরের সব সুবিধা

  • জুড়ীতে ৪ কোটি টাকায় নির্মাণ হচ্ছে বৃন্দারঘাট ব্রিজ

  • দুই শতাধিক নতুন জাতের ধানের উদ্ভাবক স্বর্ণপদকপ্রাপ্ত নূর

  • নেপালের বিপক্ষে সিরিজ জয় বাংলাদেশের

  • ভ্যাকসিনের জন্য ১০০০ কোটি টাকা বুকিং দিয়েছে বাংলাদেশ

  • গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়নে সরকারের বৃহৎ পরিকল্পনা 

  • হাঁস পালন করে স্বাবলম্বী দোহারের রেনু বেগম

  • এশিয়ার ‘আউটস্ট্যান্ডিং লিডার’ পুরস্কার পেলেন আজিজ খান

  • মেট্রোরেল প্রকল্পের প্রথম অংশের কাজ এখন দৃশ্যমান

  • চুয়াডাঙ্গায় ১৩ কোটি টাকা ব্যয়ে নিরাপদ পানির পাম্প চালু  

  • বিশ্বের সেরা ২০ নারী ক্রিকেটারের একজন মুর্শিদা

  • কটন কাগজে আসছে নতুন ১০ টাকার নোট

  • কুমির চাষে সম্ভাবনা দেখছে বাংলাদেশ

  • আটটি এলএনজি ভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র হচ্ছে

  • অ্যান্টিবায়োটিকের যথেচ্ছ ব্যবহারের ঝুঁকি মারাত্মক : প্রধানমন্ত্রী

  • সাকিবকে হত্যার হুমকিদাতা গ্রেপ্তার

  • এক বছরে ই-কমার্স লেনদেন বেড়েছে ১০৮ শতাংশ

  • সুফিয়া কামালের আদর্শ বাঙালি নারীর প্রেরণার উৎস : প্রধানমন্ত্রী

  • রাত আটটার মধ্যে দোকান-পাট বন্ধের আহ্বান

  • প্রত্যেক উপজেলায় ফায়ার স্টেশন হচ্ছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

  • এশিয়ার সেরা ১০ ফুটবলারের তালিকায় বাংলাদেশের সাদ

  • নাটোরে মাস্ক না পরায় ৪০ জন আটক

  • আমরা যে ধর্মেরই হই না কেন সবাই বাঙালি: জয়

  • ‘দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় আমরা সদা-প্রস্তুত ও দৃঢ় সংকল্পবদ্ধ’