বৃহস্পতিবার   ০৪ জুন ২০২০

ব্রেকিং:
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোর বার্ষিক ছুটি ৭৫ দিন আগামী মার্চে ঢাকা উত্তর সিটির ভোটের ইঙ্গিত সিইসির জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় পরিদর্শনে প্রধানমন্ত্রী আস্থা ভোটে টিকে গেলেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী থেরেসা মে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে নেপালের বিদায়ী রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ খালেদার অনুপস্থিতিতেই কারাগারে বিচার চলবে রব ও মান্নার বিয়ে যুক্তফ্রন্টে, পরকীয়া ঐক্যফ্রন্টে: মাহী এটা জোট নয়, ঘোট : তথ্যমন্ত্রী যুক্তরাষ্ট্রে রাজনৈতিক আশ্রয় পেলেন সিনহা আবারও সরকার গঠনে নৌকায় ভোট দেয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর পদ্মা সেতু প্রকল্পের নামফলক উন্মোচন করলেন প্রধানমন্ত্রী
১৯৯

সে নেই!

ডেস্ক রিপোর্ট

প্রকাশিত: ১২ সেপ্টেম্বর ২০১৯  

পৃথিবী থেকে চাঁদের দূরত্ব ৩৮৪,৪০০ কিলোমিটার। ভারতের চন্দ্রযান ২ প্রকল্প চাঁদে পৌঁছোনোর ২.১ কিলোমিটার আগে বিকল হয়ে যায়। তাহলে ইসরো যা বলছে, যে, এই প্রকল্প ৯০ থেকে ৯৫ শতাংশ সফল, এটা কি ঠিক? তাহলে কি মাত্র ৫ বা ১০ শতাংশ বাকি ছিল চূড়ান্ত সফল হওয়ার? শেষ ২.১ কিলোমিটার বিক্রমের সমগ্র যাত্রাপথের মাত্র ০.০০০৬ শতাংশ। সেটিই বাকি ছিল, সুতরাং ব্যর্থতার অনুপাতও কি ০.০০০৬ শতাংশ? ধরা যাক, তোমাকে ঢাকা থেকে ময়মনসিংহে গিয়ে একটি জায়গায় ১৪ দিন থেকে অত্যন্ত জরুরি কিছু কাজ করার দায়িত্ব দেওয়া হল। এখন তুমি যদি ময়মনসিংহে পৌঁছার আগে ত্রিশালের কাছে এসে পা ভেঙে বসে থাকো, ময়মনসিংহে যদি যেতেই না পারো, যে জায়গায় গিয়ে কাজ করার কথা, সে জায়গায় যেতেই না পারো, কাজটাই করতে না পারো, তাহলে তোমার প্রকল্প ৯০-৯৫ শতাংশ কী করে সফল হয়? তোমাকে যদি পাঠানো হতো ঢাকা থেকে ময়মনসিংহে শুধু ভ্রমণ করতে, তাহলে ত্রিশাল পর্যন্ত গিয়ে থেমে পড়লে বলা যেতে পারতো তুমি ৯০ বা ৯৫ ভাগ সফল। কিন্তু তোমাকে তো একটা কাজের জন্য পাঠানো হয়েছে, যে কাজটি তুমি করতেই পারোনি, সেই কাজ শুধু অনেকটা যাত্রা সম্পন্ন করেছো বলে ৯৫ ভাগ সফল এটা বলা মানুষকে বোকা বানানো ছাড়া আর কিছু নয়।

বিক্রম গেল কোথায়? খোঁজ চলছে। কেউ কেউ অনুমান করেছে বিক্রম হয়তো মুখ থুবড়ে পড়েছে চাঁদের মাটিতে, এন্টেনা মাটিতে গেঁথে গেছে। অথবা মুখ থুবড়ে পড়েনি, কিন্তু এন্টেনা নষ্ট হয়ে গেছে কোনও কারণে, তাই অরবিটারকে কিছু জানাতে পারছে না। হয়তো সোলার প্যানেল নষ্ট হয়ে গেছে, শক্তি নেই যোগাযোগের। কত কিছুই হতে পারে। চাঁদ থেকে মাত্র ৩৩৫ মিটার দূরে থাকার সময়ই ইসরোর সঙ্গে বিক্রমের সমস্ত যোগাযোগ বন্ধ হয়ে যায়। এর কারণ যা অনুমান করা হচ্ছে, তা হলো, আলতো করে মাটিতে পড়ার বদলে বিক্রম পড়েছে জোরে। জোরে পড়লে যা হয় ভেঙে যায়, ও নষ্ট হয়ে যায়। সম্ভবত তাই হয়েছে। তড়িৎচৌম্বক তরঙ্গের মাধ্যমে এখন চেষ্টা চলছে বিক্রমের সঙ্গে যোগাযোগ করার, অরবিটার থেকে ডাকা হচ্ছে বিক্রমকে, কিন্তু বিক্রম সাড়া দিচ্ছে না। বিক্রমের আয়ু মাত্র ১৪ দিন। ৩ দিন পার হয়ে গেছে। বাকি দিনগুলোয় যে সাড়া দেবে, এমন মনে হচ্ছে না। তাহলে মানতে কষ্ট হলেও এ কথা সত্য যে, দ্বিতীয় চন্দ্রযান প্রকল্প বিফলে গিয়েছে। ৯৭৮ কোটি টাকা মহাকাশে গেল। মহাসমুদ্রে যাওয়া আর মহাকাশে যাওয়া একই কথা।

এটা ঠিক, এই উপমহাদেশ থেকে একমাত্র ভারতেরই ক্ষমতা আছে মহাকাশে যান পাঠানোর। প্রতিবেশী কোনও দেশই এই যোগ্যতা অর্জন করেনি। ভারত আজ না পারলেও কাল পারবে। কিন্তু তারপরও প্রশ্ন থেকে যায়, যদি বিশ্বাসই করি মহাকাশে কোনও দেশভেদ নেই, তাহলে কেন মহাকাশের প্রকল্পগুলো সব দেশ মিলে করে না? আমেরিকার নাসা, রাশিয়ার রসকসমস, কানাডার সিএসএ, জাপানের জেএএক্সএ, ইউরোপের ইএসএ, চীনের সিএনএসএ, ভারতের ইসরো, সক্কলের তো পরস্পরকে সহযোগিতা করা উচিত, অথবা বিভিন্ন দেশের মহাকাশ বিজ্ঞানী একত্র হয়ে মহাকাশে যা আবিষ্কার করার করুন। জাতীয়তার অহংকার মহাকাশে যত কম খাটানো যায়, ততই মঙ্গল।
চন্দ্রযান ২ পৃথিবী ছাড়ার পর একটি কার্টুন ছাপা হয়েছিল ভারতের এক পত্রিকায়। ভারতের অনেক মানুষ ভুগছে খাবার জলের অভাবে। মাইলের পর মাইল পেরোতে হয় শুধু এক কলস জল আনার জন্য। জলের কোনও চিহ্ন নেই কিছু এলাকায়। সেই জলহীন খাঁ খাঁ প্রান্তরে দাঁড়িয়ে এক লোক বলছে ‘চাঁদে জল আছে কিনা দেখতে গেছে, তার চেয়ে এই জায়গাটায় দেখতে পারতো জল আছে কিনা’। গায়ে চাবুক পড়া মন্তব্য। তোমার দেশেই যখন মানুষ ভুগছে জলের অভাবে, তুমি চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে জল খুঁজতে গেছ প্রায় এক হাজার কোটি টাকা খরচ করে। এই টাকায় তো জলের অভাবে যারা ভুগছে তাদের জলের অভাব ঘুচতো। ভারতে বাহান্নো কোটির চেয়ে বেশি লোক খোলা মাঠে মলত্যাগ করে। প্রচুর রোগ বালাই অপরিষ্কার জল থেকে, আর অপরিচ্ছন্ন পরিবেশ থেকে আসে। সবার জন্য টয়লেটও বানিয়ে দেওয়া যেত ওই টাকায়।

দারিদ্র্য আছে বলে বিজ্ঞানের আবিষ্কার পিছিয়ে থাকবে কেন? কিন্তু আবিষ্কারের দায়িত্ব নিজের কাঁধে না নিয়ে অন্য সবার সঙ্গে ভাগ করাই কি শ্রেয় নয়? রাশিয়ার ইউরি গ্যাগারিন প্রথম মহাকাশে ঘুরে আসার পর মহাকাশ জয় করার জন্য মরিয়া হয়ে উঠেছিল আমেরিকা। সেই অহংকারের প্রতিযোগিতায় এক এক করে আমেরিকার কত যে প্রতিভাবান নভোচারীকে দুর্ঘটনায় প্রাণ দিতে হয়েছে। রাশিয়া মহাকাশ ভ্রমণ করেছে, আমেরিকা না করলে অহংকার কোথায় থাকে! এই ‘ন্যাশনাল প্রাইড’ই এখন বড় সমস্যা। অন্য দেশে পারমাণবিক অস্ত্র আছে, আমারও চাই। অন্য দেশ চাঁদের মাটি পরীক্ষা করে চাঁদে জল আছে কিনা দেখতে গেছে, আমিও যাবো। এই শিশুতোষ অহংকার দিন দিন বাড়ছে। চীনে গণতন্ত্র নেই, মানুষের বাকস্বাধীনতা নেই, কিন্তু চীন বিজ্ঞানে বিশাল অগ্রগতি দেখাবে। ভারতইবা পিছিয়ে থাকবে কেন। ভারতে সবার অন্ন নেই, বস্ত্র নেই, বাসস্থান নেই, সবার শিক্ষা নেই, স্বাস্থ্য নেই। এগুলো ঘরের ব্যাপার, বাইরে থেকে দেখা যায় না। কিন্তু মহাকাশে ঘুড়ি ওড়ালে সকলে দেখতে পাবে। সকলকে দেখানোই কি মূল কথা? সকলে যেন হাততালি দেয়। হাততালি দিলেই কি গণতন্ত্র না থাকা, বাকস্বাধীনতা না থাকা, দারিদ্র্য থাকা, গৃহহীনতা, খাদ্যহীনতা, বস্ত্রহীনতা থাকার সব দোষ মানুষ ক্ষমা করে দেয়?

আমি বিজ্ঞানের পক্ষে। বিজ্ঞানের নতুন নতুন আবিষ্কারের পক্ষে। মানুষ প্রজাতিকে টিকিয়ে রাখতে হলে এই সৌর জগতের বাইরে কোনও গ্রহে মানুষকে চলে যেতে হবে। সৌর জগতের ভিতরে অন্য কোনও গ্রহে কী করে পাড়ি দেওয়া যায়, সে গবেষণা চলছে। সেই গবেষণা যেন দেশভিত্তিক না হয়। সব দেশ মিলে সেই গবেষণা করুক। সব দেশ মিলে রকেট ছাড়ুক। সব দেশ মিলেই সৌর জগতের বাইরে কোনও সৌর জগৎ আবিষ্কার করুক। সেই নতুন সৌর জগতে কী করে পাড়ি দেওয়া যায়, তা নিয়ে গবেষণা করুক। সায়েন্স ফিকশানকে সায়েন্স ফ্যাক্ট করার চেষ্টা চলুক। একা করলে যতটুকু সাফল্যের সম্ভাবনা, সবাই মিলে করলে সাফল্যের সম্ভাবনা তার চেয়ে নিশ্চয়ই বেশি। বিক্রম বা বীরত্ব একার মেধায় যত, তার চেয়ে বেশি সম্মিলিত মেধায়। কিন্তু মানুষ যদি হিংসে দ্বেষ অন্যায় অত্যাচার মারামারি খুনোখুনিতে ব্যস্ত, যদি দারিদ্র্য, হতাশা, লোভ, লালসা আর কুৎসিত করুণ মানবেতর জীবনকে সুখ-শান্তি, স্বাধীনতা, স্বাচ্ছন্দ্য, ভালোবাসা-মমতাময় জীবনে উত্তীর্ণ না করতে পারে, তবে কী প্রয়োজন এই প্রজাতিকে অন্য গ্রহে বা উপগ্রহে স্থানাস্তরিত করে টিকিয়ে রাখার? এই অক্ষম অপদার্থ অযোগ্য প্রজাতির তো বিলুপ্ত হয়ে যাওয়াই ভালো।

লেখক : নির্বাসিত লেখিকা।

মতামত বিভাগের সর্বাধিক পঠিত
  • ‘প্রধানমন্ত্রী চান মেট্রোরেল প্রজেক্টের কাজের গতি আরও বাড়াতে’

  • চীন থেকে করোনা মেডিকেল টিম আসছে ৮ জুন

  • চট্টগ্রামে করোনাকালে অনন্য এক ছাত্রলীগ নেতার গল্প

  • সমুদ্র সম্পদের টেকসই ব্যবহারে প্রধানমন্ত্রীর তিন দফা প্রস্তাব

  • ৪ জুন ১৯৫৭:প্রথম বাঙালি হিসাবে চা বোর্ডের চেয়ারম্যান হন বঙ্গবন্ধু

  • সর্বোচ্চ রিজার্ভ: বিদেশি মুদ্রা সঞ্চয়ন ৩৪ বিলিয়ন ডলার ছাড়ালো

  • ‘মহামারীতেও কিভাবে আমরা লক্ষ মানুষকে নিরাপদ রেখেছি’

  • জীবাণু-প্রাকৃতিক দুর্যোগ প্রতিরোধে নিরন্তর চেষ্টায় প্রধানমন্ত্রী

  • মহামারীর মধ্যে ঘূর্ণিঝড় মোকাবেলা নিয়ে যা বললেন প্রধানমন্ত্রী

  • ‘ডিএনসিসির ৩৬টি ওয়ার্ডে হবে স্যাটেলাইট অগ্নি নির্বাপণ স্টেশন’

  • ‘সংকটকে শেখ হাসিনার সরকার সম্ভাবনায় রূপ দিতে কাজ করে যাচ্ছে’

  • স্বপ্নের মেট্রোরেলের প্রথম পর্যায়ের ৭২ শতাংশ দৃশ্যমান

  • নতুন করে আরো ১১টি ট্রেন চালু

  • করোনার জন্য বরাদ্দ ১৬ হাজার কোটি টাকা

  • প্রবাসী পুনর্বাসনে ৭০০ কোটি টাকার তহবিল

  • করোনা সংকটে ৩১০০ কোটি টাকা দিচ্ছে ইইউ

  • সব বাধা অতিক্রম করে দেশ এগিয়ে যাবে : প্রধানমন্ত্রী

  • ডিএসসিসিতে দুর্নীতির লেশমাত্র রাখবো না: মেয়র তাপস 

  • উপজেলা পর্যায়েও টিসিবির পণ্য বিক্রির নির্দেশ হাইকোর্টের

  • জনগণ ও জনপ্রতিনিধিদের উদ্দেশ্যে প্রধানমন্ত্রীর পাঁচ নির্দেশনা

  • জীবাণু শঙ্কা-প্রাকৃতিক দুর্যোগ প্রতিরোধের চেষ্টায় প্রধানমন্ত্রী

  • স্বাস্থ্যবিমার আওতায় আসছেন ঢাবি’র সব শিক্ষার্থী

  • লিচুতে ভাগ্যবদল, ফুটপাত থেকে বাড়ি-গাড়ির মালিক

  • এশিয়া সেরা বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়াম

  • ইউনাইটেডে পাঁচ মৃত্যুর ঘটনায় ১৪ জুনের মধ্যে প্রতিবেদন

  • করোনার প্রথম ওষুধ প্রস্তুত দাবি রাশিয়ার

  • লকডাউনের মধ্যেও দেশের মূল্যস্ফীতি ভালো অবস্থানে রয়েছে

  • ‘বাজারের চাইতে এবার বাড়ি থেকেই বেশি ধান বেচাকেনা হচ্ছে’

  • ‘রোগীদের স্বাস্থ্যসেবা দিতে অবহেলা করলে ব্যবস্থা নেয়া হবে’

  • দুর্নীতিকে আমি প্রশ্রয় দেব না, বললেন মেয়র তাপস

  • প্রধানমন্ত্রী আমার জন্য হাসপাতালে কেবিন বুকড দিয়েছেন: জাফরুল্লাহ

  • ইভারম্যাকটিন, ডক্সিসাইক্লিন ব্যবহারে করোনা মুক্তির হার বেড়েছে

  • আম্ফান-কাল বৈশাখীর ক্ষতিতেও পূরণ হবে বোরোর লক্ষ্যমাত্রা

  • প্রধানমন্ত্রীকে ফোন করে জাতিসংঘ মহাসচিবের শুভেচ্ছা

  • অফিস-কারখানায় ১৩ দফা স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার নির্দেশ

  • নিজের করোনা পজিটিভ রিপোর্টে নিজেই স্বাক্ষর করেন ডা. শাকিল!

  • মসলা মিশ্রিত হালকা গরম পানিতে উপকৃত হচ্ছেন করোনা রোগীরা

  • করোনা শনাক্তে দেশেই তৈরি হলো ‘ভিটিএম কিট’

  • প্রত্যেক জেলা হাসপাতালে আইসিইউ নিশ্চিতের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

  • করোনাকালীন সংকটেও কৃষির সাফল্য

  • শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধের সময়সীমা বাড়ল

  • জুন মাসেই প্রাথমিকের শিক্ষার্থীরা পাবে জামা-জুতা কেনার টাকা

  • বিএনপি’র চিন্তাধারা একপেশে: তথ্যমন্ত্রী

  • সীমিত পরিসরে গণপরিবহন চলার ব্যাপারে প্রধানমন্ত্রীর সম্মতি

  • যেকোনো সঙ্কটে আত্মবিশ্বাসটাই সবচেয়ে বড়: প্রধানমন্ত্রী

  • ১২ লাখ যুবককে আত্মকর্মী তৈরির উদ্যোগ নিয়েছে সরকার

  • ডিএনসিসিতে বিনামূল্যে ডেঙ্গু পরীক্ষা, জানা যাবে তাৎক্ষণিক ফল

  • বঙ্গবন্ধুর ছবিযুক্ত ডাকটিকিট অবমুক্ত করল জাতিসংঘ

  • চট্টগ্রামের হাটহাজারীতে দুর্যোগ সহনীয় ঘর পেল ১৬ পরিবার

  • শান্তিরক্ষীদের অবদান দেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করেছে: প্রধানমন্ত্রী

  • যতদিন না করোনা সংকট কাটবে, আমি পাশে থাকবো: প্রধানমন্ত্রী

  • মৃতের জানাজায় কেউ আসেনি, এসেছিল ‘মানবিক পুলিশ’

  • করোনাকালে জরুরি সাহায্য পেতে ফোন করুন

  • ৬ কোটি মানুষের কাছে পৌঁছেছে সরকারি ত্রাণ

  • দৃশ্যমান হলো পদ্মাসেতুর সাড়ে ৪ কি.মি.

  • স্পটে কাউকে পাওয়া না গেলে ধরে নেবেন তার চাকরি নেই: তাপস

  • প্রথমবারের মতো শান্তিরক্ষীদের বহন করল বাংলাদেশ বিমান

  • উন্নত ও মানসম্মত চিকিৎসায় ১১১৯ পুলিশ সদস্যের করোনা জয় 

  • অর্ধেক যাত্রী নিয়ে আগের ভাড়ায়ই চলবে ট্রেন

  • এবার স্বতন্ত্র ইবতেদায়ি মাদ্রাসা জাতীয়করণের উদ্যোগ