বৃহস্পতিবার   ২৪ অক্টোবর ২০১৯

ব্রেকিং:
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোর বার্ষিক ছুটি ৭৫ দিন আগামী মার্চে ঢাকা উত্তর সিটির ভোটের ইঙ্গিত সিইসির জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় পরিদর্শনে প্রধানমন্ত্রী আস্থা ভোটে টিকে গেলেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী থেরেসা মে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে নেপালের বিদায়ী রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ খালেদার অনুপস্থিতিতেই কারাগারে বিচার চলবে রব ও মান্নার বিয়ে যুক্তফ্রন্টে, পরকীয়া ঐক্যফ্রন্টে: মাহী এটা জোট নয়, ঘোট : তথ্যমন্ত্রী যুক্তরাষ্ট্রে রাজনৈতিক আশ্রয় পেলেন সিনহা আবারও সরকার গঠনে নৌকায় ভোট দেয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর পদ্মা সেতু প্রকল্পের নামফলক উন্মোচন করলেন প্রধানমন্ত্রী
৩৭

সেকেন্ড হোমধারীদের নাগরিকত্ব দেবে না মালয়েশিয়া

ডেস্ক রিপোর্ট

প্রকাশিত: ৪ অক্টোবর ২০১৯  

মালয়েশিয়ায় সেকেন্ড হোমধারীদের নাগরিকত্ব দেয়া হবে না। বললেন, দেশটির উপ-প্রধানমন্ত্রী ওয়ান আজিজাহ। সম্প্রতি তিনি জানিয়েছেন, বিগত সরকারের আমলে চালু হওয়া সেকেন্ড হোম আবেদনকারীদের শুধু ১০ বছরের ভিসা দেয়া হবে। মালয়েশিয়ার নাগরিকত্ব দেয়া হবে না।

সরকারের রাষ্ট্রীয় প্রোগ্রাম ‘মালয়েশিয়া মাই সেকেন্ড হোম’-এ বাংলাদেশের ব্যবসায়ী, সরকারের বিভিন্ন পর্যায়ের আমলা, রাজনীতিবিদ থেকে শুরু করে নানা পেশার চার হাজারের বেশি নাগরিক ইতোমধ্যে নাম লিখিয়েছেন মাই সেকেন্ড হোমে। এর মধ্যে অনেকে ব্যবসা-বাণিজ্যের পাশাপাশি স্থায়ীভাবে সপরিবারে বসবাস করছেন । কিন্তু যে স্বপ্ন নিয়ে মালয়েশিয়ায় ‘সেকেন্ড হোম’ করেছেন তা বাস্তবায়নের বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে বর্তমান মাহাথির মোহাম্মদের সরকার।

মালয়েশিয়ার মিনিস্ট্রি অ্যান্ড ট্যুরিজম আর্টস অ্যান্ড কালচারের ওয়েবসাইটের সর্বশেষ তথ্য (২০১৮ সালের জুন) অনুযায়ী, পৃথিবীর ১৩০টি দেশের ৪০ হাজার নাগরিক ‘মালয়েশিয়া মাই সেকেন্ড হোম (এমএম২এইচ)’র বাসিন্দা হয়েছেন। যারা দেশটিতে সেকেন্ড হোমের বাসিন্দা হয়েছেন তার মধ্যে প্রথম স্থানে রয়েছে চীনা ও দ্বিতীয় জাপানিরা। আর তালিকার তৃতীয় স্থানেই রয়েছে বাংলাদেশের নাম।

পরিসংখ্যান ঘেঁটে দেখা গেছে, ‘মালয়েশিয়া মাই সেকেন্ড হোমে’ চীনা ১১ হাজার ৮২০ জন, জাপানিজ চার হাজার ১৮ জন আর বাংলাদেশিন সংখ্যা চার হাজার ১৮ জন। এরপর যথাক্রমে ব্রিটেন দুই হাজার ৬০৮ জন, দক্ষিণ কোরিয়া দুই হাজার ৬৯ জন, সিঙ্গাপুর এক হাজার ৪২১ জন, ইরান এক হাজার ৩৮১ জন, তাইওয়ান এক হাজার ৩৪৭ জন, পাকিস্তান এক হাজার ১৭ এবং ভারতের এক হাজার আটজন।

মালয়েশিয়া মাই সেকেন্ড হোম (এমএম২এইচ) প্রকল্পের বেনিফিশিয়ারি হিসেবে বাংলাদেশিদের অংশ সর্বোচ্চ ১০ শতাংশ বলে উল্লেখ করেছে ‘মাই এক্সপার্ট’ নামের একটি ওয়েবসাইট।

মালয়েশিয়া মাই সেকেন্ড হোমে আবেদনের ক্রাইটেরিয়ার মধ্যে উল্লেখ করা হয়েছে, যাদের বয়স ৫০ প্লাস (বেশি) তাদের জন্য লিকুইড এসেটের (রেডি ক্যাশ) পরিমাণ থাকতে হবে সাড়ে তিন লাখ মালয়েশিয়ান রিংগিত। বাংলাদেশি টাকায় ৭৩ লাখ টাকা। সঙ্গে মাসিক আয় দেখাতে হবে ১০ হাজার মালয়েশিয়ান রিংগিত।


অপরদিকে, আবেদনকারী যাদের বয়স ৫০-এর নিচে তাদের জন্য লিকুইড এসেট থাকতে হবে পাঁট লাখ মালয়েশিয়ান রিংগিত। ভিসা পারমিট পাওয়ার আগে যাদের বয়স ৫০-এর নিচে তাদের জন্য মালয়েশিয়ান ব্যাংকে তিন লাখ রিংগিত ফিক্সড ডিপোজিট জমা করতে হবে। আবেদনকারী এক বছর পর সেখান থেকে দেড় লাখ রিংগিত উত্তোলন করতে পারবে। তবে দ্বিতীয় বছরে অবশ্যই একই পরিমাণ ব্যালেন্স লেনদেনের পর জমা থাকতে হবে মালয়েশিয়া মাই সেকেন্ড হোম প্রোগ্রাম পর্যন্ত। আবেদনকারী ৫০-এর ওপরে হলে দেড় লাখ রিংগিত দিয়ে ব্যাংকে ফিক্সড ডিপোজিট রাখতে হবে। এ ক্ষেত্রে একবছর পর আবেদনকারী তার জমা রিংগিত থেকে ৫০ হাজার রিংগিত উত্তোলন করতে পারবে। এই তালিকার আবেদনকারীকে অবশ্যই এক লাখ রিংগিত ব্যাংকে ব্যালান্স টাকা জমা রাখতে হবে।

বাংলাদেশে রাজনৈতিক পটপরিবর্তন হলে নানা সমস্যার মুখে পড়তে পারেন-এমন আশঙ্কায় অনেকে সেকেন্ড হোম নিচ্ছেন মালয়েশিয়ায়। দেশটির শিক্ষা এবং যোগাযোগ ব্যবস্থা দেশের থেকে অনেক উন্নত, এ কারণে মালয়েশিয়ায় সেকেন্ড হোম প্রোগ্রামে আবেদনের হিড়িক পড়ে যায়। তবে সংশ্লিষ্টরা বলছেন, সেকেন্ড হোম করতে যে টাকার প্রয়োজন হয়, তা বাংলাদেশ থেকে কেউই বৈধ পথে নেননি।

এদিকে মালয়েশিয়ায় নিরাপত্তার অজুহাতে চলছে অবৈধভাবে অর্থপাচার। দেশটিতে সেকেন্ড হোমে বসবাসকারী অনেকের কাছেই ওপেন সিক্রেট এটি। বিষয়টি জানে বাংলাদেশ ফিন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিটও। তবুও থামছে না এ অর্থপাচার। তবে কী পরিমাণ অর্থ মালয়েশিয়ায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে তার সুনির্দিষ্ট কোনো হিসাব জানা যায়নি। তবে গড়ে ২০ লাখ টাকা ব্যয় ধরে দেখা গেছে, বাংলাদেশিরা নিয়ে গেছেন প্রায় আড়াই হাজার কোটি টাকা। এই টাকা কেবল সরকারকে দিতে হয়েছে। তবে একাধিক সূত্রে জানা গেছে, জনপ্রতি ১২ কোটি টাকা করে প্রায় ৪২ হাজার ৫৫২ কোটি টাকা সেকেন্ড হোমধারীরা মালয়েশিয়ায় অবৈধ পথে নিয়ে গেছেন।

সেকেন্ড হোমধারীদের অর্থপাচার ও করফাঁকির বিষয়টি খতিয়ে দেখতে সরকারিভাবে মালয়েশিয়ায় যোগাযোগ অব্যাহত রাখলেও সঠিক কোনো সুরাহা হয়নি এখনও। ২০১৫ সালের শেষের দিকে বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সেল নিয়ে একটি কমিটিও করা হয়েছিল। ওই কমিটির কার্যপরিধি সংক্রান্ত আদেশে বলা হয়েছিল, আয়কর না দিয়ে যারা অবৈধভাবে অপ্রদর্শিত অর্থ বিদেশে পাচার বা সেকেন্ড হোম নির্মাণ করেছেন তাদের তালিকা প্রস্তুত ও ব্যবস্থা নেয়ার জন্য কর্মকৌশল নির্ধারণ করা হয়েছে। এ ছাড়া তিন সদস্যের বিশেষ টিম সেকেন্ড হোম নেয়া ব্যক্তিদের সম্পর্কে অনুসন্ধানও চালিয়েছিল।

জানা গেছে, এ ধরনের সুবিধা পেতে মালয়েশিয়ার ব্যাংকে মোটা অঙ্কের অর্থ জমা রাখতে হলেও এদেশের সুযোগ গ্রহণকারীদের সংখ্যা দিনে দিনে বেড়েই চলেছে।

এখন বিভিন্ন অনলাইনে ও সামাজিক মাধ্যমে এ নিয়ে বিজ্ঞাপন দেয়া হচ্ছে। অনেক বাংলাদেশিও ব্যক্তিগতভাবে এই কাজের সঙ্গে যুক্ত। এরা ব্যবসায়ী, দুর্নীতিবাজ আমলা ও রাজনীতিবিদদের টার্গেট করে সেকেন্ড হোমে বিনিয়োগে উৎসাহিত করছেন।

মালয়েশিয়ার সরকারি হিসাব মতে, দেশটিতে সেকেন্ড হোম গড়েছেন চার হাজার ১৮ জন বাংলাদেশি। অবশ্য সেকেন্ড হোমের বাসিন্দারা জানিয়েছেন, মালয়েশিয়ায় সেকেন্ড হোম গড়েছেন এমন বাংলাদেশির সংখ্যা ১০ হাজারেরও বেশি।

দেশের রাজনীতিবিদ, ব্যবসায়ী ও আমলারা মালয়েশিয়ার সেকেন্ড হোমের বাসিন্দা হয়েছেন। অনুসন্ধানে জানা গেছে, মালয়েশিয়ার বিভিন্ন অঞ্চলে ১০-১৫ হাজার বাংলাদেশি বসবাস করছেন। আরও প্রায় পাঁচ হাজার ব্যক্তি সেকেন্ড হোমের আবেদন করে অপেক্ষায় রয়েছেন। অনেকেই বলছেন, মালয়েশিয়া টাকার উৎস নিয়ে প্রশ্ন না করায় বাংলাদেশিরা এই সুযোগ নিচ্ছেন।

এদিকে মালয়েশিয়াতে কয়েক হাজার বাংলাদেশি রেস্তোরাঁর ব্যবসা গড়েছেন। ওই দেশে বাংলাদেশি ব্যবসায়ীদের পাঁচতারকা হোটেল ব্যবসা, গার্মেন্ট কারখানা, ওষুধ শিল্পসহ নানা খাতে বিপুল বিনিয়োগ রয়েছে। অনেকে রাজধানী কুয়ালালামপুরসহ বড় বড় শপিংমলে দোকানও কিনেছেন।

এছাড়া অনেকে স্বর্ণ, খেলনা, তৈরি পোশাকের ব্যবসা করছেন। এদের কেউই বৈধভাবে অর্থ স্থানান্তর করেননি। বাংলাদেশ ব্যাংকের অনুমোদন ছাড়াই তারা মালয়েশিয়াতে টাকা নিয়ে গেছেন। অনেকে বিপুল পরিমাণ অর্থ বিনিয়োগ করেছেন কৃষি খাতসহ বিভিন্ন খাতে।

এ বিষয়ে আন্তর্জাতিক ইসলামি বিশ্ববিদ্যালয় মালয়েশিয়ার (আইআইইউএম) প্রফেসর এস এম আব্দুল কুদ্দুছ বলেন, বাংলাদেশের সরকারকে এই বিষয়টি অনুধাবন করতে হবে-কেন নিজের দেশ ছেড়ে অন্য দেশে বসবাস করতে যাচ্ছে মানুষ। আর মালয়েশিয়া আমাদের জন্য যা করতে পারছে, আমরা কেন তা পারছি না। তিনি উল্লেখ করেন, বাংলাদেশ কবে অন্য দেশের মানুষের সেকেন্ড হোম হবে, সেদিকে নজর দেয়া উচিত।

সেকেন্ড হোমের বিষয়ে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন প্রবীণ প্রবাসী কমিউনিটি নেতা বলেন, জীবনের নিরাপত্তা ও বিনিয়োগের নিরাপত্তা ছাড়াও মালয়েশিয়ার শিক্ষা এবং যোগাযোগ ব্যবস্থাও বাংলাদেশিদের সেকেন্ড হোম বানানোর অন্যতম কারণ। ওই দেশে বাংলাদেশি রাজনীতিবিদরাই বেশি সেকেন্ড হোম বানিয়েছেন। এর পরেই আছেন ব্যবসায়ীরা। তবে সেকেন্ড হোম করতে যে টাকার প্রয়োজন হয়, তা বাংলাদেশ থেকে কেউই বৈধ পথে নেননি।

প্রবাস বিভাগের সর্বাধিক পঠিত
  • ‘বিশ্ব পোলিও দিবস’ আজ

  • জামালপুর থেকে অনলাইন ক্যাসিনোর ৫ সদস্য আটক

  • পাকিস্তান সফরে যশোরের মেয়ে নারী ক্রিকেট দলের মেঘলা

  • ম্যাজিস্ট্রেটের ওপর জেলেদের হামলা, পুলিশসহ ১২ জন আহত

  • ইতিহাসের অপেক্ষায় মৌসুমী

  • মিষ্টি দোকান থেকে বেরিয়ে এলো লক্ষ লক্ষ তেলাপোকা!

  • মৌসুমী জয়ী হলে পদত্যাগ করবেন সবাই

  • রণবীর-আলিয়ার বিয়ে ২২ জানুয়ারি

  • বাগাতিপাড়ায় পিকআপের তাণ্ডবে আহত ১০

  • নভেম্বরে শুরু হচ্ছে ঢাকা ফোকফেস্ট

  • সাভারে সাংবাদিক পরিচয়ে চাঁদাবাজি, আটক ২

  • ভয়ঙ্কর ধর্ষণের শিকার চলচ্চিত্র পরিচালক

  • মা হলেন নায়িকা রুমানা

  • এবার ফোকফেস্ট মাতাবেন ২ শতাধিক শিল্পী

  • ডিভোর্স লেটার পাননি বলে জানালেন অভিনেতা সিদ্দিক

  • বিসিসিআইর সিংহাসনে সৌরভ গাঙ্গুলি

  • জয়ে ফিরেছে ভারতের মোহনবাগান

  • দুর্দান্ত জয়ে ধারাবাহিক চট্টগ্রাম আবাহনী

  • প্রধানমন্ত্রীর উপপ্রেস সচিব আশরাফুল আলম খোকনের আজ জন্মদিন

  • জাতিসংঘ দিবস আজ

  • অবশেষে কার্যকর হচ্ছে সড়ক পরিবহন আইন

  • আপত্তিকর অবস্থায় আটক সেই পুলিশ কর্মকর্তা প্রত্যাহার

  • আপাতত আমরা খুশি, বললেন সাকিব

  • নুসরাত হত্যার রায় আজ

  • অতিরিক্ত সচিব হলেন ১৫৬ কর্মকর্তা

  • প্রথম ‘মিস ইউনিভার্স বাংলাদেশ’ হলেন শিলা

  • সাকিবদের সব দাবি মেনে নিয়েছে বিসিবি

  • কক্সবাজারের ডিসির বিরুদ্ধে দুপুরে মামলা, বিকালে খারিজ

  • দ. আফ্রিকায় ডাকাতের দেয়া আগুনে শিবচরের যুবকের মৃত্যু

  • জাতিসংঘ দফতরের সামনে গায়ে আগুন

  • আজ ‘কুড়িগ্রাম এক্সপ্রেস’ ও ১৩টি সেতু উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী

  • মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষায় দেশসেরা রংপুরের রাগীব নূর

  • অনলাইনে সরকারি সেবা দিতে ‘একপে’, ‘একসেবা’ ও ‘একশপ’-এর যাত্রা শুরু

  • ২০১৯ সালে বিশ্বে তৃতীয় সর্বোচ্চ প্রবৃদ্ধি বাংলাদেশে: আইএমএফ

  • বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ১৫৭ পরিবার পেল অর্থ সহায়তা ও বীজ

  • এক মিনিটেই ‘নগদ’ হিসাব

  • ২৮৪ কোটি টাকা ব্যয়ে ঝুঁকিপূর্ণ শিশুশ্রম নিরসন প্রকল্প গ্রহণ 

  • পর্যটন শিল্প বিকাশে অবদান রাখবে পটিয়া বাইপাস সড়ক

  • ভুলতা উড়ালসড়কের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

  • প্রকাশ পেল ‌‌‘আহাদ ফাহিম’ এর গান ‘আমি মিথ্যে বলিনি’ এর ভিডিও

  • দ্রুত এগুচ্ছে ৬ লেনের মাতামুহুরী সেতুর নির্মাণকাজ

  • দেশকে শীর্ষ পঞ্চাশে নেওয়ার লক্ষ্য জয়ের

  • ‘সাড়ে ২২ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন হচ্ছে’

  • ‘সবচেয়ে সুবিধাজনক অবস্থায় বাংলাদেশের অর্থনীতি’

  • আগামী প্রজন্মকে পরিচ্ছন্ন হয়ে ওঠার আহ্বান স্থানীয় সরকারমন্ত্রীর

  • নতুন ঘর পাবেন ১৫ হাজার মুক্তিযোদ্ধাঃ  মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী

  • নদীর ভাঙন রোধে কাজ করছে সরকার: পানি সম্পদ উপমন্ত্রী

  • ২০১৮-১৯ অর্থবছরে সরকারের যত অর্জন

  • ‘চরের মানুষ পাকা রাস্তা,পড়ালেখার জন্য স্কুল-মাদ্রাসা পেয়েছে’

  • ডিজিটাল বাংলাদেশ এখন স্বপ্ন নয় বাস্তবঃ জয়

  • মুসলিমবান্ধব পর্যটন বিকাশে বাংলাদেশ আদর্শ: পর্যটন প্রতিমন্ত্রী

  • যানজট নিরসনে ঢাকায় আরও ২টি মেট্রোরেলের প্রকল্প অনুমোদন

  • রাজধানীর কারওয়ান বাজারে ১৬৫ ভাসমান স্থাপনা উচ্ছেদ

  • যুবলীগ চেয়ারম্যানকে অব্যাহতি, চয়ন আহ্বায়ক ও হারুন সদস্য সচিব

  • ‘‌আমাকে কবর থেকে বের করো, এখানে ভীষণ অন্ধকার’‌

  • মুন্সিগঞ্জের ১৩ সেতুর উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

  • ক্যাসিনো সংশ্নিষ্টতা পেলেই আইনি ব্যবস্থা: তথ্যমন্ত্রী

  • এক বাঘিনীর জন্য দুই বাঘের তুমুল লড়াই

  • বরিশালে ৪শ কেজি অবৈধ পলিথিনসহ আটক ২

  • এমপিওভুক্তি: অগ্রাধিকার পাবে প্রত্যন্ত অঞ্চল: শিক্ষামন্ত্রী