মঙ্গলবার   ১৮ মে ২০২১

সর্বশেষ:
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোর বার্ষিক ছুটি ৭৫ দিন আগামী মার্চে ঢাকা উত্তর সিটির ভোটের ইঙ্গিত সিইসির আস্থা ভোটে টিকে গেলেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী থেরেসা মে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় পরিদর্শনে প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রপতির সঙ্গে নেপালের বিদায়ী রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন করতে ইসি প্রতিজ্ঞাবদ্ধ: নূরুল হুদা বারবার আসতে পারব না, যত খুশি সাজা দিন: খালেদা জিয়া ‘আকাশবীণার’ উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী ত্রিভুবনে আবারও বিমান দুর্ঘটনা ট্রেন-বাসের সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ২৫ ভুয়া ছবি দিয়ে অপপ্রচার চালাচ্ছে মিয়ানমার: প্রধানমন্ত্রী
১১৮

সাহসী ও দূরদর্শী রাষ্ট্রনায়ক শেখ হাসিনা

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: ২৭ এপ্রিল ২০২১  

১৯৭৫ সালের ১৫ই আগস্ট জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সপরিবারে নির্মমভাবে হত্যাকাণ্ডের শিকার হওয়ার পর অভিভাবকহীন বাংলাদেশের জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা অনিবার্য হয়ে ওঠেন নানা কারণে। জেনারেল জিয়ার স্বৈরাচারী শাসনের বিরুদ্ধে আন্দোলন-সংগ্রামে নেতৃত্বদানে এমনি একজন নেতার প্রয়োজন ছিল, যিনি প্রথমত, দলের ঐক্য এবং জেনারেল জিয়ার সামরিক স্বৈরাচারী সরকারের অত্যাচার-নির্যাতনের শিকার আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের মনোবল ফেরাতে পারবেন; দ্বিতীয়ত, স্বৈরাচারী শাসকের বিরুদ্ধে নেতৃত্বদানে সাহসী ও কৌশলী হবেন এবং তৃতীয়ত, নেতাকর্মীসহ মানুষের আস্থা অর্জন করতে পারবেন।

সর্বোপরি রাজনৈতিক বাস্তবতাকে বিবেচনায় নিয়ে ১৯৮১ সালের ১৪-১৬ ফেব্রুয়ারি আওয়ামী লীগের কাউন্সিলে জননেত্রী শেখ হাসিনার অনুপস্থিতিতে তাঁকে দলের সভাপতি করা হয়। যেকোনো বিচারে এটি ছিল একটি সুবিবেচনাপ্রসূত সিদ্ধান্ত। কারণ দলের সংকটকালে একমাত্র বঙ্গবন্ধুর সুযোগ্য উত্তরসূরির পক্ষেই দলকে সুসংগঠিত করে স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের জন্য প্রস্তুত করা সম্ভব।

দেশরত্ন শেখ হাসিনার মধ্যে নেতৃত্বদানের গুণাবলি পরিলক্ষিত হয়, যখন তিনি ছাত্র। মাত্র ১৯ বছর বয়সে তিনি ইডেন কলেজ ছাত্রসংসদের ভিপি নির্বাচিত হন। তাঁর নেতৃত্ব আরো বিকশিত হয় বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের নেতৃত্বদানকারী দল আওয়ামী লীগের হাল ধরার পর। মাত্র সাড়ে তিন বছরের শিশু রাষ্ট্রের জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর দেশ যখন অভিভাবকহীন, ঠিক তখন ১৯৮১ সালের ১৭ মে জননেত্রী শেখ হাসিনা দেশের মাটিতে ফিরে আসেন জীবনের হুমকি এবং ঝুঁকি মাথায় নিয়ে।

মাত্র ৩৪ বছর বয়সে অসীম সাহসিকতা নিয়ে আওয়ামী লীগের সভানেত্রীর দায়িত্ব নিলেন। বঙ্গবন্ধু, জাতীয় চার নেতাকে হারিয়ে নেতাকর্মীরা দিশাহারা, হাজার নেতাকর্মী জেলে, দলের মধ্যে বিভক্তি, এমনি এক সংকটময় মুহূর্তে দলের দায়িত্ব নিয়ে তিনি শুধু দলকে বাঁচাননি, দেশ ও জাতিকে বাঁচিয়েছেন। তিনি স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে আন্দোলনের জন্য জনমত তৈরি করেছেন। তীব্র আন্দোলন গড়ে তুলেছেন। নির্বাচনকে আন্দোলনের কৌশল হিসেবে গ্রহণ করেছেন। ১৯৮৬ সালে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিয়েছেন। সে নির্বাচন যদি সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হতো, সঠিক ফলাফল যদি প্রকাশ করা হতো জননেত্রী শেখ হাসিনা ১৯৮৬ সালেই প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হতে পারতেন। বিরোধী দলের নেতা হিসেবে সংসদে এবং রাজপথে তিনি তীব্র আন্দোলন গড়ে তোলেন। ৩৯ বছর বয়সে জননেত্রী শেখ হাসিনা হয়ে ওঠেন গণতান্ত্রিক আন্দোলনের প্রতীক।

ভোট কারচুপির যে উদাহরণ জেনারেল জিয়া ও জেনারেল এরশাদ সৃষ্টি করেন এবং পরবর্তী সময়ে তাঁদের পদাঙ্ক অনুসরণ করে খালেদা জিয়ার সরকার। গণতন্ত্র ও ভোটের অধিকারের দাবিতে ১৯৯১ থেকে ১৯৯৬ সাল পর্যন্ত জননেত্রী শেখ হাসিনা তীব্র আন্দোলন গড়ে তোলেন। আন্দোলনের মুখে খালেদা জিয়া তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা প্রবর্তন করতে বাধ্য হয়। দীর্ঘ ২১ বছরের ভোট ও ভাতের অধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রাম শেষ পর্যন্ত সফল হয়। ১৯৯৬ সালের নির্বাচনে আওয়ামী লীগ জয়লাভ করে। ৪৯ বছর বয়সে জননেত্রী শেখ হাসিনা বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হন এবং দেশ পরিচালনা করেন। ২০০১ সালে বিএনপি-জামায়াত জোট ভোট কারচুপির মাধ্যমে আবার ক্ষমতাসীন হয়ে হত্যা, খুন, দুর্নীতিসহ দেশকে চরম নৈরাজ্যের পথে ঠেলে দেয়। তাদের অপশাসনের বিরুদ্ধে জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আন্দোলন গড়ে ওঠে। তাঁর দীর্ঘ আন্দোলন-সংগ্রামের জীবনে বহুবার কারাবরণ করেন। তাঁকে হত্যার জন্য দীর্ঘ ১৯ বার চেষ্টা করা হয়। তার পরও তিনি সন্ত্রাস, নৈরাজ্য, অন্যায় ও অপশাসনের কাছে নতি স্বীকার করেননি। এই আন্দোলনের ধারাবাহিকতায় ২০০৮ সালের ২৯ ডিসেম্বর নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ বিজয়ী হয়।

সেই থেকে দেশরত্ন শেখ হাসিনার নেতৃত্বে টানা তিন মেয়াদে আওয়ামী লীগ সরকার দেশ পরিচালনা করছে। তিনি তিনটি রূপকল্প—ভিশন ২০২১, ভিশন ২০৪১ এবং ডেল্টা প্ল্যান ২১০০ বাস্তবায়ন করছেন। স্বাধীনতার চার দশক পর যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করে তিনি দেশকে কলঙ্কমুক্ত করেছেন। বঙ্গবন্ধুর খুনিদের বিচার, জঙ্গিবাদ নিয়ন্ত্রণ, পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তিচুক্তি, আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের স্বীকৃতি, আশ্রয়হীন রোহিঙ্গা শরণার্থীদের আশ্রয়দান, ভারত ও মিয়ানমারের মধ্যে সমুদ্রসীমা বিরোধ নিষ্পত্তি, সমুদ্রবক্ষে বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব প্রতিষ্ঠার মধ্য দিয়ে ব্লু ইকোনমির নতুন দিগন্ত উন্মোচন, বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১-এর সফল উৎক্ষপণ, ফোরজি মোবাইল প্রযুক্তি ব্যবহারসহ নানা কর্মযজ্ঞ এবং দেশের আইসিটি খাতে বাস্তবমুখী ও কার্যকর বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ ও বাস্তবায়নের ফলে করোনাভাইরাস মোকাবেলায় বিশ্বদরবারে প্রশংসিত হয়েছেন।

আমরা যখন দেশরত্ন শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আন্দোলনের বিভিন্ন পর্বগুলোর বিশ্লেষণ করি, তখন সব কিছুই অসম্ভব মনে হয়। কিন্তু এই অসম্ভবকে সম্ভব করেছেন জননেত্রী শেখ হাসিনা। যেভাবে জাতির পিতা ২৩ বছর পাকিস্তানি স্বৈরশাসকদের বিরুদ্ধে সংগ্রাম করে মানুষের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক মুক্তি এনে দিয়েছিলেন। অসম্ভবকে সম্ভব করে হাজার বছরের পরাধীনতার গ্লানি থেকে মুক্ত করে বাঙালি জাতিকে স্বাধীনতার স্বাদ, স্বাধীন ভূখণ্ড উপহার দিয়েছিলেন। একই রকমভাবে বঙ্গবন্ধুকন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা বঙ্গবন্ধুর সেই অসমাপ্ত গণতন্ত্র এবং অর্থনৈতিক মুক্তির আন্দোলনকে সফল করে একটি দরিদ্র রাষ্ট্রকে মাত্র ১০ বছরের ব্যবধানে একটি নিম্নমধ্যম আয়ের রাষ্ট্রে পরিণত করেছেন। তিনি খাদ্য ঘাটতির দেশকে উদ্বৃত্ত খাদ্য উৎপাদনের দেশে পরিণত করেছেন এবং জাতীয় অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি (করোনাকালের আগে) ৮.২ শতাংশে উন্নীত করেছেন।

অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য বর্তমান বিশ্বের চালিকাশক্তি প্রযুক্তিকে তিনি হাতিয়ার হিসেবে বেছে নিয়েছেন। আজকের ডিজিটাল বাংলাদেশের রূপকার মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা।
তাঁরই নেতৃত্বে ডিজিটাল বাংলাদেশ বাস্তবায়নে সরকার কতটা সফল তার প্রমাণ করোনা মহামারিকালের কার্যক্রম। করোনাকালে অনলাইনে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, বিনোদন ও খাদ্যপণ্য পৌঁছে দেওয়া থেকে শুরু করে ভার্চুয়াল কোর্টসহ প্রায় সবই পরিচালনা করা হচ্ছে প্রযুক্তি ব্যবহার করে।

জননেত্রী শেখ হাসিনা রত্নগর্ভা। একজন সফল মা হিসেবে তিনি তাঁর দুই সন্তানকে আদর্শ মানুষ হিসেবে গড়ে তুলেছেন। তাঁর ছেলে আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন তথ্য-প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ সজীব ওয়াজেদ জয় ডিজিটাল বাংলাদেশের আর্কিটেক্ট। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্ব এবং সজীব ওয়াজেদ জয়ের সুপরামর্শ, সঠিক দিকনির্দেশনা ও তত্ত্বাবধানে আমরা আজ ডিজিটাল বাংলাদেশ বাস্তবায়নের দ্বারপ্রান্তে। তাঁর কন্যা সায়মা ওয়াজেদ হোসেন একজন মনোবিজ্ঞানী এবং অটিস্টিক বিষয়ে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার উপদেষ্টা। প্রতিবন্ধীদের কল্যাণে তাঁর কার্যক্রম আজ বিশ্বব্যাপী প্রশংসিত।

দেশ ও মানুষের প্রতি ভালোবাসার প্রবল আকর্ষণে জননেত্রী শেখ হাসিনা স্বদেশে ফিরে এসেছিলেন।

শোককে শক্তিতে রূপান্তরিত করে বাংলার মানুষের জীবনমানের উন্নয়ন ও তাদের অর্থনৈতিক মুক্তির জন্য নিরলস পরিশ্রম করছেন।
তিনি বিশ্বের বুকে বাংলাদেশকে এক অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গেছেন। তাঁর দূরদর্শী নেতৃত্ব ও অপরিসীম আত্মত্যাগের ফলেই বাংলাদেশ আজ বিশ্বের বুকে মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়েছে।
জয়তু শেখ হাসিনা।


লেখক : 

জুনাইদ আহ্‌মেদ পলক, এমপি

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী

আরও পড়ুন
জাতীয় বিভাগের সর্বাধিক পঠিত
  • ডিএসইর লেনদেন ১৫০০ কোটি টাকা ছাড়ালো

  • শেখ হাসিনা বাংলাদেশের জন্য অপরিহার্য: নাছিম

  • দূরপাল্লার যানবাহন চালুর বিষয়ে সিদ্ধান্ত সপ্তাহখানেক পর

  • দূরপাল্লার যানবাহন বন্ধ রাখতে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর প্রস্তাব

  • চারদিন পর আখাউড়া স্থলবন্দরে রপ্তানি শুরু

  • বঙ্গবন্ধুর নামে পিরোজপুরে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়

  • শিক্ষার্থীদের ভ্যাকসিন নিশ্চিতের পর খুলবে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান

  • চার দশক ধরে আ.লীগের সফল নেতৃত্বে শেখ হাসিনা

  • পারমাণবিক বোমা ছাড়া সব সূচকে পাকিস্তানের চেয়ে এগিয়ে বাংলাদেশ

  • সাগরে বসেই অনলাইনে মাছ বিক্রি করছেন জেলেরা

  • রাজনীতির সীমানা পেরিয়ে শেখ হাসিনা কালজয়ী রাষ্ট্রনায়ক

  • ফেরিতে গাদাগাদি, হিমশিমে বিআইডব্লিউটিসি

  • দেশে চীনের ‘সিনোফার্ম’ টিকা উৎপাদনে কাউকে অনুমতি দেয়া হয়নি

  • শেখ হাসিনা ফেরায় দেশের অগ্রযাত্রা হয়েছে

  • ইসরায়েলের নৃশংসতা অতীতের সকল বর্বরতাকে ছাড়িয়ে গেছে: তথ্যমন্ত্রী

  • শেখ হাসিনার প্রতি বাংলার জনগণের অসীম আস্থা

  • ফিলিস্তিন ইস্যু সমাধানে নিরাপত্তা পরিষদের প্রতি বাংলাদেশের আহ্বান

  • ঈদের পর প্রথম কার্যদিবসে ঊর্ধ্বমুখী শেয়ারবাজার

  • চট্টগ্রাম বিভাগে করোনায় ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে ত্রাণ বিতরণ অব্যাহত

  • ঈদ শেষে রাজধানীতে ফিরছে কর্মমুখী মানুষ

  • লিফট সম্বলিত পাঁচটি ফুটওভার ব্রিজ নির্মিত হবে: মেয়র আতিক

  • খুলনা বিভাগে সরকারি ত্রাণ ও আর্থিক সহায়তা পেল ৯ লাখ পরিবার

  • খাদ্য উৎপাদন বৃদ্ধি করতে সংশ্লিষ্টদের আহ্বান কৃষিমন্ত্রীর

  • শেখ হাসিনার ৪০তম স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস আজ

  • ব্যান্ডউইথ রপ্তানিতে সৌদির সাথে সাবমেরিন ক্যাবল কোম্পানির চুক্তি

  • ‘শেখ হাসিনার হাত ধরেই বদলে যাওয়া বাংলাদেশের অগ্রযাত্রা’

  • শেখ হাসিনার আগমন সমৃদ্ধ বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠায় তাৎপর্যপূর্ণ

  • ফিলিস্তিনে বঙ্গবন্ধুর নামে রোড, শেখ হাসিনার নামে বাড়ি

  • স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস: শেখ হাসিনার সফল নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ

  • বিজ্ঞান চর্চার নিরন্তর সাধক

  • করোনা সংকট জয় করে দেশ উন্নয়নের পথে এগিয়ে যাবে

  • স্বাস্থ্যবিধি মেনে ঈদের পাঁচ জামাত বায়তুল মোকাররমে  

  • লকডাউন আরো সাতদিন বাড়ছে

  • ঈদ কবে, জানা যাবে বুধবার

  • হাওর অঞ্চলে বোরো উৎপাদনে ঝুঁকি কমাবে বিনাধান

  • বুধবারও খোলা থাকবে সরকারি অফিস

  • এসপির ঈদ উপহার-খাবার পেয়ে কাঁদলেন সেই বৃদ্ধা

  • রাশিয়া থেকে আসবে এক কোটি ডোজ ভ্যাকসিন

  • ঢাকায় পৌঁছাল চীনের উপহারের পাঁচ লাখ টিকা

  • চাঁদ দেখা যায়নি, সৌদি আরবে ঈদ বৃহস্পতিবার

  • ঈদে ছুটি নেননি পদ্মাসেতু প্রকল্পের প্রকৌশলী-শ্রমিকরা

  • চীন থেকে আরও ডোজ আনার চেষ্টা চলছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

  • হাওরের শতভাগ বোরো ধান কাটা শেষ: কৃষিমন্ত্রী

  • চীনা রাষ্ট্রদূত আগ বাড়িয়ে কথা বলেছেন: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

  • আল-আকসা মসজিদে হামলায় প্রধানমন্ত্রীর নিন্দা

  • দুধের ভালো দামে চওড়া হাসি খামারিদের মুখে

  • লকডাউন আরো সাতদিন বাড়তে পারে: জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী

  • দূরপাল্লার বাস চলাচল নিয়ে যা বললেন জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী

  • তিস্তায়ও আগ্রহী চীন

  • ব্রডব্যান্ড সংযোগের আওতায় আসছে সাড়ে ৪ হাজার ইউনিয়ন পরিষদ

  •  ‘যে কোনো দুর্যোগকে আ. লীগ সব সময় মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে’

  • করোনা সংকট মোকাবেলায় সরকারের অক্সিজেন প্রস্তুতি

  • জাতীয় সংসদের বাজেট অধিবেশন ২ জুন

  • কনস্টেবলকে সততার পুরস্কার দিলেন এসপি

  • মুঠোফোনে প্রধানমন্ত্রীর ঈদ শুভেচ্ছা

  • স্বপ্নের মেট্রো রেলের সফল পরীক্ষা যাত্রা

  • ঈদের আগে বিকাশ-নগদে ঘণ্টায় ২০০ কোটি টাকার লেনদেন

  • বৃহস্পতিবার থেকে ঈদের ছুটি শুরু, বুধবার শেষ কর্মদিবস

  • বিশ্বের যেকোনো প্রান্ত থেকে এখন বিটিভি দেখা যাবে অ্যাপে

  • লকডাউনে বিচারিক ক্ষমতা পাচ্ছে পুলিশ