রোববার   ১৯ মে ২০২৪

সর্বশেষ:
জাইকার উপদেষ্টা কমিটির সঙ্গে স্থানীয় সরকার মন্ত্রীর বৈঠক ‘অজান্তে মোবাইল ব্যালেন্স কেটে নিলে কঠোর ব্যবস্থা’ আওয়ামী লীগের যৌথ সভা শুক্রবার বিএনপির নির্বাচন বর্জনের রাজনীতি আত্মহননমূলক : পররাষ্ট্রমন্ত্রী ঢাকা পৌঁছেছেন ভারতের পররাষ্ট্র সচিব গণমাধ্যমের তথ্য প্রাপ্তির অধিকার নিশ্চিত করা হবে: প্রতিমন্ত্রী নির্বাচনে ভোটার উপস্থিতি ছিল সন্তোষজনক : ওবায়দুল কাদের রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে যুক্তরাজ্যের সহায়তা চেয়েছেন প্রধানমন্ত্রী
৭০

সামাজিক নিরাপত্তাবেষ্টনীর আওতা বাড়ছে বাজেটে

ডেস্ক রিপোর্ট

প্রকাশিত: ১৩ মে ২০২৪  

আগামী (২০২৪-২৫) অর্থবছরে দেশের প্রায় ৫ কোটি মানুষকে সামাজিক নিরাপত্তাবেষ্টনীতে আনতে যাচ্ছে সরকার। সেই লক্ষ্যে বাড়ানো হচ্ছে সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির আওতা। বাজেটে বাড়ছে সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির বরাদ্দ। আগামী বাজেটে এ খাতের বরাদ্দ ৩ হাজার ৭২৮ কোটি বাড়িয়ে মোট ১ লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকা করা হচ্ছে বলে জানা গেছে।

দেশে ১৪ মাস ধরে মূল্যস্ফীতি ৯ শতাংশের ওপর অবস্থান করছে। বৈশ্বিক দীর্ঘমেয়াদি সংকট, অভ্যন্তরীণ উৎপাদন সীমাবদ্ধতা, ভোগ্যপণ্যের আমদানিনির্ভরতা, ডলারের দাম লাগামহীন বৃদ্ধি এবং সংকোচনমূলক মুদ্রানীতির বিরূপ প্রভাব পড়ছে সবশ্রেণির ক্রেতা-ভোক্তা তথা সাধারণের আয় এবং জীবন-জীবিকায়। এতে কমছে বিনিয়োগ, কমছে নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ। অথচ ক্রমশ বাড়ছে জীবনযাত্রার ব্যয়। বিভিন্ন সংস্থার গবেষণা তথ্য বলছে, এই বাস্তবতায় তাল মেলাতে মানুষের হিমহিম দশা। আগের থেকে দেড়-দুই গুণ বেশি খরচ করেও মানুষকে চাহিদার সঙ্গে আপস করতে হচ্ছে। এসবের দীর্ঘমেয়াদি ধাক্কা—অতিদারিদ্র্য ও দরিদ্র শ্রেণি তো বটেই, নিম্নমধ্যবিত্ত ও মধ্যবিত্ত শ্রেণিরও পারিবারিক ও সামাজিক ভিত্তি দুর্বল থেকে দুর্বলতর পর্যায়ে পৌঁছেছে। দেশে এই যখন পরিস্থিতি—ঠিক সেই মুহূর্ত সামনে

রেখে আগামী ৬ জুন জাতীয় সংসদে ২০২৪-২৫ অর্থবছরের জাতীয় বাজেট উপস্থাপন করতে যাচ্ছেন অর্থমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী।

অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগের দায়িত্বশীল কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, প্রস্তাবিত ওই বাজেটে অর্থমন্ত্রী লাগামহীন এই মূল্যস্ফীতির কশাঘাত মোকাবিলায় ৪ কোটি লাখ ৯১ লাখ ৪৪ হাজার মানুষকে সামাজিক নিরাপত্তাবেষ্টনীমূলক বিভিন্ন কর্মসূচিতে অন্তর্ভুক্ত করার পরিকল্পনা সাজিয়েছেন। চলতি ২০২৩-২৪ অর্থবছর সামাজিক নিরাপত্তা বলয়ের ১৩০টি কর্মসূচির আওতায় মোট ১ লাখ ২৬ হাজার ২৭২ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়। আগামী ২০২৪-২৫ অর্থবছরের বাজেটে এই বরাদ্দ ৩ হাজার ৭২৮ কোটি টাকা বাড়িয়ে মোট ১ লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকা করার প্রস্তাব দেবেন অর্থমন্ত্রী।

এদিকে বাজেটীয় উদ্যোগে সরাসরি নগদ অর্থ তথা ভাতার উপকারভোগীর আওতা বাড়িয়ে ১ কোটি ৩৮ লাখ ৭৩ হাজার মানুষকে সামাজিক নিরাপত্তাবেষ্টনীমূলক বিভিন্ন কর্মসূচিতে অন্তর্ভুক্ত করা হচ্ছে। আর টিসিবির ভর্তুকি মূল্যের কার্যক্রম এবং ওএমএসসহ বিভিন্ন রকম খাদ্য সহায়তা ও কর্মসংস্থানমূলক কর্মসূচির আওতায় আসছে ৩ কোটি ৭২ লাখ ৯৭ হাজার মানুষ।

জানা গেছে, চলতি ২০২৩-২৪ অর্থবছর এই দুই কর্মসূচিতে মোট সুবিধাভোগী রয়েছেন ৪ কোটি ৭১ লাখ ১৭ হাজার ২০০ মানুষ। অর্থাৎ আগামী অর্থবছর সামাজিক নিরাপত্তাবেষ্টনীর বিভিন্ন কর্মসূচিতে আরও ২০ লাখ ২৬ হাজার ৮০০ জন যুক্ত করা হচ্ছে। এর মধ্যে বিভিন্ন ভাতা বা নগদ অর্থের আওতায় আসবে ১০ লাখ ২৬ হাজার ৮০০ জন। যারা সবাই অতিদরিদ্র। বাকি বাকি ১০ লাখ মানুষকে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির মুখে ওএমএসসহ বিভিন্ন খাদ্য সহায়তা কর্মসূচিতে যুক্ত করা হবে। চলতি অর্থবছরে খাদ্য নিরাপত্তা ও কর্মসংস্থান সৃষ্টিমূলক কর্মসূচির আওতায় ১৬ হাজার ৮১৪ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। আগামী অর্থবছরের বাজেটে এটা ১৮ হাজার কোটি টাকায় উন্নীত করার সিদ্ধান্ত হয়েছে।

এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে জ্যেষ্ঠ অর্থনীতিবিদ ও পল্লী কর্মসহায়ক ফাউন্ডেশনের সাবেক চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. কাজী খলীকুজ্জমান আহমেদ বলেন, প্রতিবছর বাজেট সামাজিক নিরাপত্তা খাতে বরাদ্দ বাড়ে এবং কিছু ক্ষেত্রে আওতা ও ভাতার পরিমাণও বাড়ে—এটা বর্তমান সরকারের একটা নিয়মিত দর্শন হয়ে উঠেছে। তবে আমি মনে করি, আগামী বাজেটে সবচেয়ে ভালো উদ্যোগ হবে যদি শেষ পর্যন্ত ওএমএসসহ বিভিন্ন খাদ্য সহায়তা কর্মসূচিতে নতুন অন্তর্ভুক্তির সংখ্যা ১০ লাখ বহাল থাকে। এতে দেশের অধিকাংশ অতিদরিদ্র ও দরিদ্র শ্রেণির মানুষের কাজের বিনিময়ে খাদ্য এবং অর্থ পাওয়ার একটা নিশ্চিত ক্ষেত্র তৈরি হবে, যা বর্তমান ঊর্ধ্বগতির মূল্যস্ফীতিতে জীবনযাপনে কিছুটা হলেও সহায়ক হবে।

আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) স্টাফ মিশন ৪৭০ কোটি ডলার ঋণের তৃতীয় কিস্তি ছাড়ে ১৮ দিনের ঢাকা সফর শেষে মিশন প্রধান ক্রিস পাপা জর্জিও সরকারের প্রতি পরামর্শ রেখেছেন, বৈশ্বিক সংকট, ডলারের দাম বৃদ্ধি, মুদ্রা বিনিময় হার বাজারভিত্তিক করা এবং অতিমাত্রার আমদানি নির্ভরতার কারণে আগামী দিনে ভোক্তার ওপর চাপ আরও বাড়বে। এটা সরকারকে সমালোচনার মুখে ফেলবে। তবে এর থেকে উত্তরণে সরকারের উচিত হবে ভিন্ন কোনো উপায়ে জনগণ ও ভোক্তাকে সহায়তা দেওয়া। সেক্ষেত্রে সামাজিক নিরাপত্তামূলক কর্মসূচি জোরদার একটা ফলপ্রসূ উদ্যোগ হতে পারে।

আগামী অর্থবছরের বাজেটে সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির আওতায় অন্যান্য উদ্যোগের মধ্যে কিছু কিছু ক্ষেত্রে উপকারভোগী বাড়ানোর পাশাপাশি তাদের জন্য সরাসরি নগদ অর্থ তথা ভাতার পরিমাণও বাড়ানো হচ্ছে। এর মধ্যে বয়স্ক ভাতাভোগীর আওতা বাড়িয়ে নতুন যুক্ত করা হচ্ছে আরও দুই লাখ প্রবীণকে। এক্ষেত্রে সাধারণ প্রবীণদের ভাতা আগের মতো ৬০০ টাকা অপরিবর্তিত রাখা হলেও ৯০ বছরের প্রবীণ ও ভাতাভুক্ত সব জনগোষ্ঠীর ভাতার পরিমাণ ৬০০ থেকে বাড়িয়ে ১০০০ টাকায় উন্নীত করা হচ্ছে। অর্থাৎ এই শ্রেণির বয়স্ক ব্যক্তিদের ভাতা বাড়ছে ৪০০ টাকা। সব মিলিয়ে আগামী অর্থবছর এই কর্মসূচির আওতায় দেশের ৬০ লাখ মানুষকে সুবিধা দেওয়া হবে।

এ ছাড়া বাড়ছে বিধবা ও স্বামী নিগৃহীতদের ক্ষেত্রে ভাতাভোগীর সংখ্যা। অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্র জানিয়েছে, আগামী বাজেটে বিধবা ও স্বামী নিগৃহীতদের ভাতাভোগীর সংখ্যা বাড়ছে ২ লাখ ৬০ হাজার ৮০০ জন। এই হিসাবে আগামী অর্থবছর এ কর্মসূচিতে মোট সুবিধা পাবেন ২৭ লাখ ৭৫ হাজার জন। তবে তাদের ভাতার পরিমাণ চলতি বছরের মতো ৫৫০ টাকাই অপরিবর্তিত থাকছে।

মা ও শিশু সহায়তা কর্মসূচির ক্ষেত্রে ভাতার পরিমাণ আগের মতোই রেখে উপকারভোগী বাড়ানো হচ্ছে নতুন করে আরও ২ লাখ ৬০ হাজার ৮০০ জন। বর্তমানে ১৩ লাখ ৪ জন এ সুবিধা পাচ্ছেন। এর ফলে আগামী বাজেটের মাধ্যমে এ কর্মসূচিতে সরাসরি ভাতা সহায়তা পাবেন ১৫ লাখ ৬৪ হাজার মা ও শিশু। এ ছাড়া প্রতিবন্ধী ভাতাভোগীও বাড়ছে। আগামী বাজেটে এ সংখ্যা ৩ লাখ ৩৪ হাজার জন বাড়িয়ে মোট ৩২ লাখ ৩৪ হাজার জনে উন্নীত করা হচ্ছে। বাদ যাচ্ছে না দেশ স্বাধীন করার কারিগর মুক্তিযোদ্ধারাও। বর্তমানে তারা ২০ হাজার টাকা করে প্রতিমাসে ভাতা পাচ্ছেন। আগামী বাজেটে ভাতাভোগী সংখ্যা অপরিবর্তিত রেখে মুক্তিযোদ্ধা ভাতা আরও ৫ হাজার টাকা বাড়ানোর প্রাথমিক সিদ্ধান্ত নিয়েছে অর্থ মন্ত্রণালয়। বর্তমানে ২ লাখ ১৯ হাজার বীর মুক্তিযোদ্ধার ভাতা হিসেবে ৫ হাজার ১৭৬ কোটি ৭১ লাখ টাকা বরাদ্দ রয়েছে। আগামী অর্থবছরের জুলাই থেকে প্রতি মাসে ২৫ হাজার টাকা করে সম্মানী ভাতা পাবেন ওই সংখ্যক মুক্তিযোদ্ধা।

এ ছাড়া তৃতীয় লিঙ্গ, বেদে ও অনগ্রসর জনগোষ্ঠীর আরও ১২ হাজার ২২৯ জন নতুন করে আগামী বাজেটের মাধ্যমে ভাতা সুবিধার আওতায় ভিড়ছে। সব মিলিয়ে এ খাতে সরকার আগামী অর্থবছর থেকে ৭৭ হাজার ২২৯ জনকে বর্তমান হারে ভাতা প্রদান করবে।

এর বাইরে ক্যান্সার, কিডনি, লিভার সিরোসিস, স্ট্রোকে পক্ষাঘাতগ্রস্ত ও জন্মগত হৃদরোগীদের জন্য আর্থিক সহায়তা কার্যক্রমও চলমান থাকবে আগামী অর্থবছরের বাজেটে। এ খাতে ৫০ কোটি টাকা বরাদ্দ বাড়িয়ে আরও ২০ হাজার রোগীকে সহায়তা দেওয়ার পরিকল্পনা রাখা হচ্ছে।

বেসরকারি আর্থিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান পলিসি রিসার্চ ইনস্টিটিউটের নির্বাহী পরিচালক ড. আহসান এইচ মনসুর বলেন, বর্তমান প্রেক্ষাপট এবং আগামীর শঙ্কা বিবেচনা করলে দেশের মানুষকে স্বস্তি দেওয়ার মতো কার্যকর উদ্যোগ হতে পারে সামাজিক নিরাপত্তামূলক কর্মসূচির আওতা এবং ভাতার পরিমাণ বাড়ানো। সেক্ষেত্রে অন্যান্য ব্যয় কিছুটা কাটছাঁট করে সরকারের উচিত হবে এ খাতে ব্যয় আরও বাড়ানো। একইভাবে যে অর্থ যে কর্মসূচিগুলোয় বরাদ্দ রাখা হবে, সেগুলো যাতে প্রকৃত উপকারভোগী পায়, তার ব্যবস্থা নিশ্চিত করা।

২০২২-২৩ অর্থবছরে সামাজিক নিরাপত্তায় বরাদ্দ দেওয়া হয়েছিল ১ লাখ ১৩ হাজার ৫৭৬ কোটি টাকা। তারও আগে ২০২১-২২ অর্থবছরে সামাজিক নিরাপত্তায় ব্যয় ধরা হয় ৯৫ হাজার কোটি টাকার বেশি।

আরও পড়ুন
অর্থনীতি বিভাগের সর্বাধিক পঠিত
  • জিয়াউর রহমান বাকশালের সদস্য হয়েছিলেন, দাবি ওবায়দুল কাদেরের

  • মূল্যস্ফীতি হ্রাসই লক্ষ্য

  • আম নিতে চায় রাশিয়া-চীন

  • ফের দুই দিনের হিট অ্যালার্ট জারি

  • উন্নয়ন রূপকল্পের অন্যতম পথিকৃৎ শেখ হাসিনা : ধর্মমন্ত্রী

  • ধর্মান্ধরা সমাজকে পিছিয়ে নিয়ে যাচ্ছে: ভূমিমন্ত্রী

  • অন্য দেশের সঙ্গে প্রদর্শনী বাড়ালে সাংস্কৃতিক সম্পর্ক জোরদার হয়

  • রাজধানীতে ‘কক্সবাজার এক্সপ্রেসের’ বগি বিচ্ছিন্ন

  • নির্বাচনের জন্য ট্যুরিস্ট ভিসাতে ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা দিলো ভারত

  • ৩০ ব্যাংকের এমডি যাচ্ছেন যুক্তরাষ্ট্রে

  • নোংরা পরিবেশে তৈরি হচ্ছিলো রাফসানের ব্লু ড্রিংকস

  • জার্মানিতে আবাসিক ভবনে বিস্ফোরণ, নিহত ৩

  • খারকিভে ‘কঠিন লড়াই’ চলছে: জেলেনস্কি

  • সব ধরনের জঙ্গি-সন্ত্রাসবাদ পুলিশের নিয়ন্ত্রণে: আইজিপি

  • জনগণের উন্নয়ন, মির্জা ফখরুলসহ বিএনপির সহ্য হচ্ছে না: আইনমন্ত্রী

  • রোহিঙ্গা ক্যাম্পের মূর্তিমান আতঙ্ক সন্ত্রাসী গোষ্ঠী আরসা: র‌্যাব

  • বাংলাদেশের গ্রামের অর্থনীতি পাল্টে গেছে : প্রধানমন্ত্রী

  • ৬ তারিখে বাজেট দেব, বাস্তবায়নও করব : প্রধানমন্ত্রী

  • চৌদ্দগ্রামে যাত্রীবাহী বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ৫ জনের মৃত্যু

  • দেশকে এগিয়ে নিতে অর্থনীতিবিদদের সহযোগিতা চান প্রধানমন্ত্রী

  • ১৭ মে বাংলাদেশের মানুষের হৃদয়ে গাঁথা থাকবে : আইনমন্ত্রী

  • শেখ হাসিনা গণতন্ত্রকামী মানুষের নেতা : খাদ্যমন্ত্রী

  • টানা ৫ দিন বেনাপোল দিয়ে আমদানি-রপ্তানি বন্ধ

  • দুধ দিয়ে গোসল করানো হলো নাবিক সাব্বিরকে

  • রোহিঙ্গা ক্যাম্পের মূর্তিমান আতঙ্ক সন্ত্রাসী গোষ্ঠী আরসা : র‌্যাব

  • শনিবার থেকে বৃষ্টি হতে পারে

  • শেখ হাসিনাকে অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রীর অভিনন্দন

  • ইসরায়েলি হামলায় এখন পর্যন্ত ৩৫ হাজারের বেশি ফিলিস্তিনি নিহত

  • বেদনানাশক নিয়ে খেলবেন তাসকিন

  • শাহরুখ-অমিতাভদের বিরুদ্ধে মামলার আবেদন খারিজ

  • লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে বেশি বোরো উৎপাদন

  • অতীত ভুলে সামনে তাকাতে চায় যুক্তরাষ্ট্র

  • এসএসসিতে গড় পাসের হার ৮৩.০৪ শতাংশ

  • ফেল করেছে বলে গালমন্দ করবেন না : অভিভাবকদের প্রধানমন্ত্রী

  • অবৈধ অভিবাসী প্রত্যাবাসনে বাংলাদেশকে ‘নিরাপদ’ ঘোষণা ইতালির

  • ‘স্বচ্ছতা নিশ্চিতে ইলেকট্রনিক সরকারি ক্রয় চালু’

  • কূটনৈতিক মিশন খুলতে সম্মত বাংলাদেশ-আয়ারল্যান্ড

  • ঘরে বসেই হজযাত্রীরা পাবে প্রাক-নিবন্ধন রিফান্ডের টাকা

  • ডাবের পানির বিকল্প হিসেবে যে পানীয় পান করতে পারেন

  • জিপিএ-৫ ও পাসের হারে এগিয়ে মেয়েরা

  • ডেঙ্গু ঠেকাতে এবার মাস্টারপ্ল্যান

  • সামাজিক নিরাপত্তাবেষ্টনীর আওতা বাড়ছে বাজেটে

  • কিশোর গ্যাংয়ে জড়ানোর কারণ খুঁজতে হবে : শেখ হাসিনা

  • জুন-জুলাইয়ে হতে পারে প্রধানমন্ত্রীর তিন গুরুত্বপূর্ণ সফর

  • ‘ধানের ন্যায্য মূল্য নিশ্চিত করতে কৃষক অ্যাপ চালু করা হয়েছে’

  • নিউ ইয়র্ক বাংলা বইমেলায় দশ হাজার নতুন বই

  • ‘মা দিবসে মাকে দেওয়া আমার শ্রেষ্ঠ উপহার জিপিএ-৫’

  • পায়রা বন্দরে প্রথমবারের মতো ভিড়লো বিদেশি জাহাজ

  • ম্যাংগো স্পেশাল ট্রেন এবার চলবে পদ্মা সেতু দিয়ে

  • ‘ডোনাল্ড লু সম্পর্ক এগিয়ে নিতে বাংলাদেশ সফরে আসছেন’

  • বিশ্বাসের ঘাটতি হটিয়ে সম্পর্ক দৃঢ় করতে চায় যুক্তরাষ্ট্র

  • ইলিশের মণ লাখ টাকা

  • নভেম্বর-ডিসেম্বরে ওয়েস্ট ইন্ডিজে সফরে যাবে বাংলাদেশ

  • কোরবানির চামড়ার ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করবে সরকার

  • ‘বিএনপি যে কখন তাবিজ-দোয়ার ওপর ভর করে সেটিই প্রশ্ন’

  • ‘জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় বাংলাদেশের পাশে থাকবে যুক্তরাষ্ট্র’

  • ১৭ মে : জননেত্রীর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন এবং দেশের অগ্রযাত্রা

  • এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের ভাতা বাড়ানোর প্রক্রিয়া শুরু

  • ‘বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক আরও ঘনিষ্ঠ করতে চায় যুক্তরাষ্ট্র’

  • ‘নারীবান্ধব শিক্ষানীতির কারণে মেয়েরা পাসের হারে এগিয়ে’