সোমবার   ২৬ অক্টোবর ২০২০

সর্বশেষ:
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোর বার্ষিক ছুটি ৭৫ দিন আগামী মার্চে ঢাকা উত্তর সিটির ভোটের ইঙ্গিত সিইসির আস্থা ভোটে টিকে গেলেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী থেরেসা মে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় পরিদর্শনে প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রপতির সঙ্গে নেপালের বিদায়ী রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন করতে ইসি প্রতিজ্ঞাবদ্ধ: নূরুল হুদা বারবার আসতে পারব না, যত খুশি সাজা দিন: খালেদা জিয়া ‘আকাশবীণার’ উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী ত্রিভুবনে আবারও বিমান দুর্ঘটনা ট্রেন-বাসের সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ২৫ ভুয়া ছবি দিয়ে অপপ্রচার চালাচ্ছে মিয়ানমার: প্রধানমন্ত্রী
১৩৭

শিশুদের বন্ধু বঙ্গবন্ধু

ডেস্ক রিপোর্ট

প্রকাশিত: ১৬ অক্টোবর ২০২০  

কোনো ভালো মানুষের বর্ণনা দিতে গিয়ে আমরা বলে থাকি, লোকটা শিশুর মতো সরল। শিশু শত্রু-মিত্র সবাইকে ভালোবাসে, সবাইকে বিশ্বাস করে। কখনো সে মানুষের ভালোবাসা পায়, আবার কখনো প্রতারিত হয়। বঙ্গবন্ধুর সাথে শিশুদের মিল এখানেই যে, তিনিও শত্রু-মিত্র সব মানুষকে ভালোবাসতেন এবং সবাইকে নির্বিচারে বিশ্বাস করেছেন। শিশুদের মতো তিনিও মাঝে মাঝে মানুষের দ্বারা প্রতারিত হয়েছেন তবু তিনি শিশু মতো মানুষের ওপর বিশ্বাস হারাননি। শিশুরা সাধারণত একটু জেদী হয়, এ জন্য বাবা-মা বিব্রত হন। বঙ্গবন্ধুও জেদী ছিলেন, মানুষের কল্যাণের জন্য তাঁর এই জেদ তাঁকে সাফল্যের শিখরে নিয়ে গিয়েছিল।

শিশুরা স্বপ্নের জগতে বাস করে, আর স্বপ্ন বাস করে বঙ্গবন্ধুর জীবনে। বঙ্গবন্ধু তাঁর সারা জীবনের অভিজ্ঞতা, মেধা, জ্ঞান, অধ্যবসায়, পরিশ্রম ও শিক্ষা দিয়ে স্বপ্নকে জয় করেছেন। স্বপ্ন তাঁকে সাফল্যের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিয়েছে। একজন মানুষের জীবন তখনই সফল হয় যখন তিনি তাঁর লালিত স্বপ্নকে বাস্তবে রূপদান করেন। এই অর্থে বঙ্গবন্ধুর জীবন সফল।

শুধু বঙ্গবন্ধু নয়, পৃথিবীর প্রায় সব মহাপুরুষের চরিত্র শিশুর মতো সরল। তাঁরা শিশুকে ভালোবাসেন, শিশুরাও তাঁদের ভালোবাসেন। আমাদের মহানবী (স.) শিশুদের খুব ভালোবাসতেন। একদিন তিনি নামাজ পড়ার সময় সেজদায় যান, এ সময় তাঁর ছোট্ট নাতি তাঁর ঘাড়ে গিয়ে বসে। শিশু মনে কষ্ট পাবে বলে হজরত (স.) সেজদায় উপুড় হয়ে পড়ে রইলেন। শিশু নিজ ইচ্ছায় সরে না যাওয়া পর্যন্ত তিনি ওই অবস্থায় পড়ে রইলেন। আজ সারা বিশে^ ধর্মের নামে কত মারামারি, হানাহানি, কত রক্তপাত। আর হজরত (স.) ধর্মের ওপর শিশুর ইচ্ছাকে গুরুত্ব দিলেন।

ভারতের প্রথম প্রধানমন্ত্রী পণ্ডিত জওহরলাল নেহরু শিশুদের ভালোবাসতেন। শিশুরা তাঁকে ‘চাচা নেহরু’ বলতো। এ জন্য ভারতে নেহরুর জন্মদিন জাতীয় শিশু দিবস হিসেবে পালিত হয়। যেমন আমাদের দেশে বঙ্গবন্ধুর জন্মদিন ১৭ মার্চ জাতীয় শিশু দিবস হিসেবে পালিত হয়। এমনি আরো খোঁজ নিলে জানা যাবে মহামানবেরা সব সময় শিশুবান্ধব ছিলেন, শিশুপ্রিয় ছিলেন।

শিশুর মতো বঙ্গবন্ধুর চরিত্রে জেদ থাকলেও তিনি কখনো বাবা-মাকে বিব্রত করেননি। এই জেদ তিনি ভালো কাজে ব্যবহার করেছিলেন।

১৯৪৯ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারীরা তাদের বিভিন্ন দাবি-দাওয়া আদায়ের জন্য আন্দোলন শুরু করে। বঙ্গবন্ধুসহ আরো কয়েকজন ছাত্র এই আন্দোলনকে সমর্থন করেন। এই অপরাধে বিশ^বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ বঙ্গবন্ধুসহ আন্দোলনে অংশগ্রহণকারী সব ছাত্র নেতাকে শাস্তিস্বরূপ অর্থ জরিমানা করে। বঙ্গবন্ধু ছাড়া সব ছাত্র জরিমানা দিয়ে শাস্তি থেকে রেহাই পায়। বঙ্গবন্ধু জরিমানা দিলেন না। তাঁর এক কথা, আন্দোলনে অংশগ্রহণ করে তিনি কোনো অপরাধ করেননি। সুতরাং জরিমানা দিতে দিবেন না। অন্যায়ের কাছে মাথা নত করবেন না। বিশ^বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ তাঁকে এই জেদের জন্য বিশ^বিদ্যালয় থেকে বহিষ্কার করে।
 
এই জেদ আমরা লক্ষ্য করি বিদ্যাসাগরের চরিত্রে, নেতাজী সুভাষ চন্দ্র বসুর চরিত্রে। বিদ্যাসাগরের জেদের ফলে হিন্দু সমাজের বিধবারা হাজার বছরের বঞ্চনা ও অভিশাপ থেকে মুক্তিলাভ করে স্বাভাবিক মানুষের জীবন ফিরে পায়। সুভাষ বসুও তেমনি ভারতকে বিদেশি শাসন, শোষণ থেকে মুক্ত করার জন্য জাপানের সাহায্যে ভারত আক্রমণ করে। কিন্তু দুর্ভগ্যের বিষয় বিশ^যুদ্ধে জাপান মিত্রশক্তির হাতে পরাজিত হবার ফলে সুভাষ আর এগুতে পারেননি। যুদ্ধক্ষেত্রেই তাঁর মৃত্যু হয়। তবু তিনি শত্রুর সঙ্গে আপস করেননি। এই জেদ, এই আপসহীন চরিত্র আমরা দেখতে পাই বঙ্গবন্ধুর চরিত্রে, বিদ্যাসাগরের চরিত্রে, নেতাজীর চরিত্রে।

ভালো কাজের জন্য জেদ না করলে বড় কিছু অর্জিত হয় না। আমরা হজরত (স.)-এর চরিত্র বিশ্লেষণ করলে দেখতে পাই তিনি সব সময় সত্যের পথে, ন্যায়ের পথে অবিচল ছিলেন। শত অত্যাচার, নির্যাতন সহ্য করেও সত্য পথ ত্যাগ করেননি। তাই আজ সারা বিশ্বে ইসলাম ধর্ম সত্যের ধর্ম হিসেবে সমাদৃত। কবি রবীন্দ্রনাথ বলেছেন, ‘সত্য যে কঠিন, তাই কঠিনেরে ভালোবাসিলাম।’

মানুষের প্রতি গভীর ভালোবাসা এবং মানুষের দুঃখ কষ্ট দূর করার চেষ্টা বঙ্গবন্ধুর ছোটবেলা থেকেই অভ্যাস ছিল। শৈশবে আমরা দেখতে পাই, বঙ্গবন্ধু তাঁর গরিব সহপাঠীদের প্রতি গভীর সহানু ভূতিশীল ছিলেন। বন্ধুকে ছাতা দিয়ে তিনি বৃষ্টিতে ভিজে বাড়ি ফিরেছেন। এমনি উদাহরণ তাঁর জীবনে অসংখ্য। মানুষের সার্বিক মুক্তির লক্ষ্যে বঙ্গবন্ধু রাজনীতিতে অংশগ্রহণ করেন। যৌবনের শুরুতে তিনি বুঝতে পেরেছিলেন, পরাধীনতার দৈন্যই আমাদের যত দুঃখ-কষ্টের কারণ। তাই তিনি বড়দের সাথে ইংরেজবিরোধী আন্দোলনে অংশগ্রহণ করেন। দীর্ঘ সংগ্রামের পর ইংরেজ বিতাড়িত হবার পর আমরা স্বাধীনতা লাভ করি। পাকিস্তান অর্জিত হয়। ঢাকার মাটিতে যেদিন পাকিস্তান রাষ্ট্রের জনক মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ উর্দুকে পাকিস্তানের একমাত্র রাষ্ট্রভাষা ঘোষণা করেন, সেদিনই বঙ্গবন্ধু পাকিস্তানি শাসক গোষ্ঠীর আসল চেহারা দেখতে পান- বাঙালি জাতি যে দ্বিতীয়বারের মতো পরাধীনতার শৃঙ্খলে আবদ্ধ হতে যাচ্ছে এই উপলব্ধি তাঁর হয়। পাকিস্তানি শাসক গোষ্ঠী ধর্মের দোহাই দিয়ে বাঙালিদের শোষণ শুরু করে। এ দেশের সম্পদ পশ্চিম পাকিস্তানে পাচার করে পশ্চিম পাকিস্তানকে সমৃদ্ধ করে তোলে। চাকরি-বাকরি, ব্যবসা-বাণিজ্যসহ সব ক্ষেত্রে দুই অংশের মধ্যে দুস্তর ব্যবধান গড়ে উঠতে থাকে। পশ্চিম পাকিস্তানিদের পূর্ব পাকিস্তান থেকে বিতাড়নের কঠোর সংগ্রামে বঙ্গবন্ধু নেমে পড়েন। দীর্ঘ ১৪ বছর তিনি কারাগারে জীবন কাটান। শুরু হয় একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধ। বঙ্গবন্ধুকে পশ্চিম পাকিস্তানের কারাগারে আটক রেখে হত্যার প্রস্তুতি নেয়া হয়। বঙ্গবন্ধু তবুও তাঁর দাবিতে অটল ছিলেন। মৃত্যু ভয়কে উপেক্ষা করেছিলেন। দীর্ঘ নয় মাসের সশস্ত্র সংগ্রামের ফলে স্বাধীন বাংলাদেশ অর্জিত হয়। ত্রিশ লাখ মানুষ প্রাণ হারায়, তিন লাখ মা-বোনের সম্ভ্রম নষ্ট হয়। সারা দেশ আগুনে পুড়ে ছারখার হয়।

বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের পর দেশে শুরু হয় তাঁর নেতৃত্বে জাতি গঠনের কাজ। বাঙালি জাতি যাতে বিশে^র দরবারে মাথা তুলে দাঁড়াতে না পারে সে জন্য তাঁকে সপরিবারে হত্যা করা হয়, জেলে বঙ্গবন্ধুর দীর্ঘদিনের ঘনিষ্ঠ সহযোদ্ধা জাতীয় চার নেতা- সৈয়দ নজরুল ইসলাম, তাজউদ্দীন আহমদ, ক্যাপ্টেন মনসুর আলী আর কামারুজ্জামানকে হত্যা করা হয়।

দেশে শুরু হয় স্বৈরশাসকদের দীর্ঘ রাজত্বকাল। দেশ আবার গভীর অন্ধকারে নিমজ্জিত হয়- এভাবে চলে প্রায় পঁচিশ বছর। এ সময়টাকে বলা যেতে পারে বাংলাদেশের ইতিহাসের অন্ধকার যুগ।

জাতি গঠনে নেমে বঙ্গবন্ধু বুঝেছিলেন, শুধু প্রবীণদের দিয়ে নয়, নবীনদেরও কাজে লাগাতে হবে। তিনি বুঝেছিলেন, দেশের আগামী দিনের নাগরিক আজকের শিশুদের স্বার্থ সংরক্ষণের দরকার। আগামী দিনে তারাই জাতিকে নেতৃত্ব দেবে। সুতরাং তাদের আদর্শ নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে হবে। শিশু মনে দেশপ্রেমের আগুন জ¦ালাতে না পারলে কোনো শিশু সুষ্ঠু নাগরিক হিসেবে গড়ে উঠবে না। (তাঁর এ কথার সত্যতা মেলে বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর স্বৈরশাসনের আমলে যেসব শিশুর জন্ম হয়, তাদের দেশপ্রেমে উজ্জীবিত করার কোনো চেষ্টা হয়নি। তাদের পাঠ্যপুস্তকে বিকৃত ইতিহাস পড়ানো হয়। তারা যেন বীর বাঙালির উত্তরাধিকার তা ভুলিয়ে দেয়া হয়। যার ফলে পরবর্তীকালে যেসব শিশু বেড়ে ওঠে, তারা হয়ে ওঠে মুক্তিযুদ্ধের চেতনাবিহীন পরগাছা। তাদের চিন্তা-চেতনায় দেশ এবং দেশের মানুষের কোনো স্থান থাকে না।)

ভাষা আন্দোলন থেকে শুরু করে আমাদের মুক্তিযুদ্ধ পর্যন্ত দেশের প্রতিটি গণতান্ত্রিক ও রাজনৈতিক আন্দোলনে শিশুদের সক্রিয় ভ‚মিকা ছিল। এই শিশুদের সার্বিক মুক্তির লক্ষ্যে বঙ্গবন্ধু ১৯৭৪ সালে শিশু আইন প্রণয়ন করেন। পরবর্তীকালে তারই আলোকে বাংলাদেশ শিশু একাডেমি, শিশু হাসপাতাল ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় গঠিত হয়। এছাড়া শিশুদের জন্য আরো নানা কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়।

ছোটবেলায় বঙ্গবন্ধুর নাম ছিল খোকা। আচরণে তিনি খোকাদের মতোই সরল, নিষ্পাপ ও জেদী ছিলেন। শিশুদের মতোই মানুষকে ভালোবাসতেন, শত্রু-মিত্র সবাইকে বিশ্বাস করতেন। যার ফলে মৃত্যু তাঁর অনিবার্য হয়ে উঠেছিল। তিনি চলে গেলেন না ফেরার দেশে।

এত বড় নেতা হয়েও, এত ব্যস্ততা সত্তে¡ও বঙ্গবন্ধু কখনো তার শিশুপুত্র রাসেলকে আদর করতে ভোলেননি। কোথাও যেতে তিনি রাসেলকে সঙ্গে নিয়ে যেতেন। শিশু রাসেলও তাঁকে খুব ভালোবাসতো।

বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা তাঁর ‘আমাদের ছোট্ট রাসেল সোনা’ গ্রন্থে লিখেছেন, রাসেল আব্বাকে ছায়ার মতো অনুসরণ করতো। আব্বাকে মোটেই ছাড়তে চাইতো না।

শেখ হাসিনা আরো লিখেছেন, ‘রাসেলের সব থেকে আনন্দের দিন এলো যেদিন আব্বা ফিরে এলেন। এক মুহূর্ত যেন আব্বাকে কাছ ছাড়া করতে চাইতো না। সব সময় আব্বার পাশে ঘুরে বেড়াতো।’

জাতীয় বিভাগের সর্বাধিক পঠিত
  • সেনাপ্রধানের ফেসবুক অ্যাকাউন্ট নেই: আইএসপিআর

  • দুর্নীতির বিরুদ্ধে রিপোর্ট সরকারকে ব্যবস্থা নিতে সহায়তা করে

  • ‌‘দুর্নীতির বীজ বপন করে গেছে ৭৫ পরবর্তী অবৈধ সরকারগুলো’

  • দক্ষিণ এশিয়ার নতুন ধনী ‘বাংলাদেশ’

  • নারীর নিরাপত্তা নিশ্চিতে সচেষ্ট বাংলাদেশ

  • ব্যবসার প্রসারে বড় ভূমিকা রাখবে প্রযুক্তি

  • পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রথম চুল্লি দেশে

  • এগিয়ে চলছে মেট্রোরেল

  • সরকারি পরিষেবার অর্থ জমা উন্মুক্ত হচ্ছে সব ব্যাংকে

  • দু-তিন বছরে সড়কে বৈপ্লবিক পরিবর্তন আসবে

  • ৪০০ কুমির রপ্তানি করবে বাংলাদেশ

  • ঘুরে দাঁড়াচ্ছে পর্যটন খাত

  • ‘তলাবিহীন ঝুড়ি’ থেকে শক্তিশালী অর্থনীতির দেশ বাংলাদেশ

  • বদলে যাচ্ছে পিছিয়ে পড়া অঞ্চলের শিক্ষার চিত্র

  • নকিয়া বাংলাদেশে কারখানা স্থাপন করতে আগ্রহী

  • করোনাকালে ক্ষুদ্র শিল্পকে বাঁচাতে এগিয়ে এসেছে সরকার

  • পদ্মা সেতুর ৫ কিলোমিটারের বেশি দৃশ্যমান

  • দক্ষিণ এশিয়ার অর্থনীতিতে নতুন নেতা হতে যাচ্ছে বাংলাদেশ

  • জাতীয় গো-প্রজনন কেন্দ্রে চার দশকে উৎপাদন ১৪ লাখ গরু

  • তাঁতিদের দক্ষতা বৃদ্ধিতে হচ্ছে ফ্যাশন ডিজাইন ইনস্টিটিউট

  • অঞ্চলভিত্তিক পেঁয়াজ চাষ করবে সরকার

  • টিকা কিনতে বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ

  • এবার শীতের তীব্রতা কম হবে

  • ২০৩০ সালের মধ্যে সড়কে মৃত্যু ৫০ শতাংশ কমানো হবে

  • ‘দুই-তিন বছরে বাংলাদেশের সড়কে বৈপ্লবিক পরিবর্তন হবে’

  • ‘২০৩০ সালের মধ্যে ছয় লেনের মেট্রোরেল নির্মাণের পরিকল্পনা সরকারের’

  • ‘ফ্রান্স-বাংলাদেশে বিনিয়োগ বাড়াতে কাজ করা হচ্ছে’

  • ভাল ফলন ও দাম পাচ্ছেন লেবু চাষিরা

  • বাজার সিন্ডিকেট ভাঙতে সরকার কাজ করছে

  • করোনাকালেও থেমে নেই কৃষকের উৎপাদন

  • নিউইয়র্কের সর্বোচ্চ সম্মাননা পেলেন বিশ্বের সবচেয়ে খুদে বিজ্ঞানী

  • মুক্তিযোদ্ধা ভাতা বাড়িয়ে ২০ হাজার করার প্রস্তাব

  • জিডিপিতে ১.২ শতাংশ প্রবৃদ্ধি আনবে পদ্মা সেতু: চীন

  • মাটির নিচ দিয়ে তার নেওয়া শুরু হবে সোমবার: তাপস

  • পদ্মায় বসলো ৩৩তম স্প্যান, দৃশ্যমান ৫ কিলোমিটার 

  • দক্ষিণ এশিয়ার নতুন অর্থনৈতিক নেতা বাংলাদেশ: দ্য ডিপ্লোম্যাট

  • সামুদ্রিক মাছ ‘বাংলাদেশিয়াস’ বৈশ্বিক তালিকায় অন্তর্ভুক্ত

  • পার্বত্য চট্টগ্রামের ২৮টি পাড়াকেন্দ্র ডিজিটাল হচ্ছে

  • বদলে যাচ্ছে ঢাকাসহ সব বিমানবন্দরের চেহারা

  • টিসিবি ২৫ টাকায় আলু বিক্রি শুরু করবে বুধবার

  • ‘মাধ্যমিকে বার্ষিক পরীক্ষা ছাড়াই ওপরের ক্লাসে উন্নীত করা হবে’

  • রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের চুল্লি রাশিয়া থেকে দেশে পৌঁছেছে

  • ডিজিটাল মানচিত্রে পোশাক কারখানা

  • জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হচ্ছে ১০০ কোটি ঘনফুট গ্যাস

  • স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে বিদেশে আখাউড়ার মাছ

  • উত্তরে দৃশ্যমান মেট্রোরেল

  • দেশের সবচেয়ে বড় সৌর বিদ্যুৎ কেন্দ্রে উৎপাদন শিগগিরই

  • ‘দুই-তিন বছরে বাংলাদেশের সড়কে বৈপ্লবিক পরিবর্তন হবে’

  • নিরাপদ সড়ক নিশ্চিতে সবকিছু করে যাচ্ছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী

  • রাজশাহীতে চালু হচ্ছে নৌবন্দর

  • পরিচ্ছন্ন নারায়ণগঞ্জ গড়তে ৩০১ কোটি টাকা

  • এবার গারো পাহাড়ে চা চাষের উদ্যোগ

  • করোনার মধ্যেই ঘুরে দাঁড়িয়েছে বাংলাদেশের অধিকাংশ সূচক

  • নারীদের দক্ষতা বাড়ানোর পরামর্শ

  • সরকারি তৎপরতায় ঘুরে দাঁড়াচ্ছে পোলট্রি শিল্প

  • একনেকে ১৬৬৮ কোটি খরচে ৪ প্রকল্প অনুমোদন

  • ব্যারিস্টার রফিক-উল হকের মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রীর শোক

  • ওসমানী বিমানবন্দরের আয়তন বাড়ছে তিনগুণ

  • ‘আমরা ভাগ্যবান শেখ হাসিনার মতো একজন দক্ষ নেত্রী পেয়েছি’ 

  • রোহিঙ্গাদের জন্য আরো ৩৫ কোটি ডলার অনুদান ঘোষণা