শুক্রবার   ২৯ মে ২০২০

ব্রেকিং:
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোর বার্ষিক ছুটি ৭৫ দিন আগামী মার্চে ঢাকা উত্তর সিটির ভোটের ইঙ্গিত সিইসির জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় পরিদর্শনে প্রধানমন্ত্রী আস্থা ভোটে টিকে গেলেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী থেরেসা মে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে নেপালের বিদায়ী রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ খালেদার অনুপস্থিতিতেই কারাগারে বিচার চলবে রব ও মান্নার বিয়ে যুক্তফ্রন্টে, পরকীয়া ঐক্যফ্রন্টে: মাহী এটা জোট নয়, ঘোট : তথ্যমন্ত্রী যুক্তরাষ্ট্রে রাজনৈতিক আশ্রয় পেলেন সিনহা আবারও সরকার গঠনে নৌকায় ভোট দেয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর পদ্মা সেতু প্রকল্পের নামফলক উন্মোচন করলেন প্রধানমন্ত্রী
১১৮১

শিক্ষাগত যোগ্যতায় হবে প্রাইমারি স্কুলের কমিটি

ডেস্ক নিউজ

প্রকাশিত: ২ নভেম্বর ২০১৯  

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের স্কুল ম্যানেজিং কমিটিতে (এসএমসি) আমূল পরিবর্তন আনছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। সভাপতিসহ ১১ সদস্যবিশিষ্ট এসএমসির দায়িত্ব ও কর্তব্য নির্ধারণ করে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ব্যবস্থাপনা কমিটি গঠনের নীতিমালা চূড়ান্ত করা হয়েছে। আগামী সপ্তাহে এ-সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে বলে মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে।

সূত্র জানায়, নীতিমালায় সভাপতির শিক্ষাগত যোগ্যতা হিসেবে সর্বনিম্ন স্নাতক (অনার্স) পাস নির্ধারণ করা হয়েছে। রাজনৈতিক বিবেচনায় মনোনীত বিদ্যোৎসাহী সদস্যদেরকেও এসএসসি পাস হতে হবে। তবে অভিভাবক প্রতিনিধিসহ অন্য ক্যাটাগরির সদ্যসদের শিক্ষাগত যোগ্যতা নির্ধারণ করা হয়নি। তবে দেশের প্রত্যন্ত এলাকার স্কুলের এসএমসি গঠনে স্নাতক পাস সভাপতি পাওয়া নিয়ে শঙ্কা রয়েছে। কারণ এসএমসির ১১ সদস্যের ভোটেই সভাপতি নির্বাচিত হবেন।

জানতে চাইলে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী মো. জাকির হোসেন বলেন, ‘সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের গুণগতমান নিশ্চিত করতে এসএমসিতে বড় পরিবর্তন আনার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। শিক্ষিত ও যোগ্য লোককে এ কমিটির প্রধান করা হবে। যে কারণে সভাপতির শিক্ষাগত যোগ্যতা স্নাতক নির্ধারণ করা হয়েছে। বিদ্যোৎসাহী সদস্য হতে হলেও এসএসসি পাস হতে হবে। অবশ্যই তাদের সন্তানকে স্কুলে পড়তে হবে। কারণ নিজের সন্তান স্কুলে না পড়লে প্রতিষ্ঠানের প্রতি তার দরদ থাকে না। স্কুলের প্রতি যাতে তার দরদ থাকে, স্কুলের উন্নয়নের কথা ভাবে, কেউ যেন স্কুল নিয়ে বাণিজ্য করতে না পারে, সেজন্য এসএমসি গঠনে ব্যাপক পরিবর্তন আনা হচ্ছে।’

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের তৈরি করা এ-সংক্রান্ত নতুন প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, ‘১১ সদস্যবিশিষ্ট এসএমসি গঠিত হবে। তাতে স্কুলের প্রধান শিক্ষক বা ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক সচিবের দায়িত্ব পালন করবেন। সংশ্লিষ্ট এলাকার এমপির সুপারিশে স্কুলে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীদের অভিভাবকদের মধ্য থেকে একজন বিদ্যোৎসাহী নারী ও একজন পুরুষ সদস্য মনোনয়ন দেবেন প্রধান শিক্ষক। তবে তাদের অবশ্যই এসএসসি পাস হতে হবে। বিদ্যালয়ের জমিদাতা বা তাদের উত্তরাধিকারীদের মধ্য থেকে একজন সদস্য মনোনীত হবেন। জমিদাতারা নিজেরা প্রতিনিধি মনোনীত করতে না পারলে উপজেলা শিক্ষা কমিটি নির্ধারণ করে দেবে।

সংশ্লিষ্ট স্কুলের নিকটবর্তী সরকারি-বেসরকারি হাইস্কুলের একজন শিক্ষক কমিটির সদস্য মনোনীত হবেন। ওই হাইস্কুলের প্রধান শিক্ষক তা নির্ধারণ করে দেবেন। স্কুলের শিক্ষকদের মধ্য থেকে একজন শিক্ষক প্রতিনিধি নির্বাচিত হবেন। শিক্ষার্থীদের অভিভাবকদের ভোটে দুজন নারী ও দুজন পুরুষ সদস্য নির্বাচিত হবেন। স্কুলটি ইউনিয়ন বা পৌরসভার যে ওয়ার্ডে অবস্থিত সেখানকার ইউপি সদস্য বা কাউন্সিলর পদাধিকার বলে সদস্য মনোনীত হবেন। এ ১১ জনের ভোটে সভাপতি ও সহ-সভাপতি নির্বাচিত হবেন। সভাপতিকে অবশ্যই স্নাতক ডিগ্রিধারী হতে হবে। একই স্কুলে টানা দুবারের বেশি কোনো ব্যক্তি সভাপতি হতে পারবেন না। কমিটির সদস্যরা সভাপতিকে লিখিতভাবে না জানিয়ে টানা তিনটি সভায় অনুপস্থিত থাকলে সদস্য পদ বাতিল হবে। কমিটির মেয়াদ হবে তিন বছর। কোনো কারণে নির্ধারিত সময়ে কমিটি গঠনে ব্যর্থ হলে ছয় মাসের জন্য অ্যাডহক কমিটি গঠন করতে হবে। অ্যাডহক কমিটির সভাপতি হবেন সংশ্লিষ্ট ক্লাস্টারের দায়িত্বপ্রাপ্ত উপজেলা সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা।

এ বিষয়ে কথা হয় বাংলাদেশ প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক সমাজের সভাপতি এবং যশোর অভয়নগর উপজেলার আড়পাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক তপন কুমার মণ্ডলের সঙ্গে। কমিটিতে সভাপতির স্নাতক পাস নিয়ে তিনি দ্বিমত পোষণ করেন। এতে করে অনেক স্কুলে সভাপতি নির্বাচন করা কঠিন হবে বলে তিনি মনে করেন। এর কারণ ব্যাখ্যা করতে গিয়ে তিনি বলেন, ‘আমাদের দেশে গ্র্যাজুয়েটের সংখ্যা বাড়েনি। সভাপতি যিনি হন তাকে স্বচ্ছ ও উদার মানসিকতার শিক্ষাবান্ধব হতে হয়। দেখা গেল ডিগ্রি পাস না কিন্তু নীতি-নৈতিকতাসম্পন্ন ব্যক্তি এসএমসির সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। নীতিমালার শর্তের কারণে তিনি সভাপতি হতে পারবেন না।’

তিনি আরও বলেন, ‘শিক্ষকরা সভাপতি হতে পারবেন না। চারজন অভিভাবক প্রতিনিধি ও ইউপি সদস্য বা কাউন্সিলর অশিক্ষিত হতে পারেন। দুজন বিদ্যোৎসাহী সদস্যের শিক্ষাগত যোগ্যতা এসএসসি পাস নির্ধারণ করা হয়েছে। সে ক্ষেত্রে এসএমসি গঠন করাই তো সম্ভব হবে না।’

কমিটির দায়িত্ব ও কর্তব্য
প্রতি বছর মে, আগস্ট ও ডিসেম্বর মাসের ৩০ তারিখের মধ্যে স্কুল ব্যবস্থাপনা, শিক্ষার্থী উপস্থিতি ও শিক্ষকদের দায়িত্ব পালনের ওপর প্রতিবেদন উপজেলা বা থানা শিক্ষা কর্মকর্তার কাছে দিতে হবে এসএমসিকে। শিক্ষার্থীদের শারীরিক শাস্তি বন্ধ নিশ্চিত করতে হবে। শিক্ষার্থীদের সততা, নৈতিক শিক্ষা প্রদানে ভূমিকা রাখতে হবে। কমিটির সকল সদস্যকে প্রতি মাসের শেষ কর্মদিবসে ক্লাস শেষে অন্তত এক ঘণ্টা শিক্ষার্থীদের অভিযোগ ও সুপারিশ শুনতে হবে। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে উপজেলা শিক্ষা কমিটির কাছে প্রতিবেদন দিতে হবে।

কমিটি স্কুলের সার্বিক উন্নয়নে জনগণের কাছ থেকে জমি, ভবন, আসবাবপত্র, যন্ত্রপাতি, শিখন ও শেখানো সামগ্রী, শিক্ষা উপকরণ, নগদ অর্থ নিতে পারবে। দানকারীদের নাম প্রধান শিক্ষকের রুমের বোর্ডে প্রদর্শন করতে হবে। ভবন নির্মাণে স্কুলের খেলার মাঠ ও অন্যান্য স্থাপনা যাতে ক্ষতিগ্রস্ত না হয় সে বিষয়ে উপজেলা বা থানা প্রকৌশলীর প্রত্যায়ন নিতে হবে।

কমিটির সদস্যদের স্কুলের শিখন-শেখানো পরিবেশ সম্পর্কিত অবস্থা বিশ্লেষণ এবং সমস্যা চিহ্নিত করতে হবে। স্থানীয় জনগণের কাছ থেকে স্কুলের উন্নয়নে তহবিল সংগ্রহ করতে হবে। স্কুলের ক্যাচমেন্ট (আশপাশের নির্ধারিত এলাকা) এলাকার সকল শিশুকে স্কুলে ভর্তি ও গুণগত শিক্ষা নিশ্চিত করতে এসএমসিকে শিশু জরিপে সহায়তা করতে হবে। বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশু চিহ্নিতকরণ ও ভর্তিসহ তাদের সহযোগিতা করতে হবে। তাদের চাহিদা কর্তৃপক্ষকে জানাতে হবে। একীভূত শিক্ষা কার্যক্রম বাস্তবায়নে প্রাপ্ত অর্থ সঠিকভাবে খরচ নিশ্চিত করতে হবে। এসএমসি সদস্যদের প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষাসামগ্রী ক্রয়সহ সার্বিক তদারকি করতে হবে। স্কুলের অবকাঠামো নির্মাণ ও সংস্কারে এসএমসি তিন লাখ টাকা পর্যন্ত খরচ করতে পারবে। তবে উপজেলা শিক্ষা কমিটির অনুমোদন নিতে হবে। স্থানীয়দের অনুদানের মাধ্যমে নির্মাণকাজে এ শর্ত কার্যকর হবে না।

স্কুলের ক্যাচমেন্ট এলাকার প্রাথমিক স্তরে ঝরে পড়া শিশুদের শনাক্ত করতে হবে। তাদের দ্বিতীয় দফায় শিক্ষা কার্যক্রমে সুযোগ দিতে হবে। ঝরে পড়া শিশুর অভিভাবকদের দ্বিতীয়বার শিক্ষা চালিয়ে নিতে উদ্বুদ্ধ করতে হবে। এ-সংক্রান্ত কার্যক্রম পরিচালনায় শিক্ষক নির্বাচনে সহায়তা দিতে হবে। শিক্ষকদের প্রশিক্ষণে শিক্ষক যাচাই করবে এসএমসি। এছাড়া স্কুলে সকল প্রশিক্ষণ ও সাব ক্লাস্টারের কার্যক্রম পরিচালনায় সহায়তা করতে হবে। দুর্যোগকালীন সময়ে পাঠদান কার্যক্রম পরিচালনা, শিক্ষার্থী, অভিভাবক, শিক্ষকদের সতর্ক এবং দুর্যোগকালীন প্রস্তুতি ও পরবর্তীতে করণীয় নির্ধারণ করবে এসএমসি।

এসএমসির ১১ সদস্যের মধ্যে শিক্ষক ছাড়া অন্যদের পর্যায়ক্রমে চারজনকে প্রতি মাসে অন্তত ছয়দিন স্কুলের কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করতে হবে। এ-সংক্রান্ত প্রতিবেদন এসএমসির মাসিক সভায় উপস্থাপন করতে হবে। ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর শিশুদের স্কুলে ভর্তি ও নিয়মিত উপস্থিত নিশ্চিত করতে তিন সদস্যের কমিটি গঠন করে তদারকি করতে হবে।

এসএমসি অনুমোদনের পরবর্তী তিন বছর দায়িত্ব পালন করবে। মেয়াদ শেষ হওয়ার ছয় মাস আগে প্রধান শিক্ষক পরবর্তী কমিটি গঠনের উদ্যোগ নেবেন। সরকারি আদেশ অমান্য, দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ, আর্থিক অনিয়ম এবং যেকোনো শৃঙ্খলা পরিপন্থী কারণে এসএমসি বাতিল করে আইনি ব্যবস্থা নিতে পারবে সংশ্লিষ্ট এলাকার শিক্ষা কর্মকর্তা। এ প্রজ্ঞাপন জারির আগে গঠিত এসএমসি পূর্ণ মেয়াদ শেষ করতে পারবে। তবে প্রজ্ঞাপনটি পার্বত্য তিন জেলার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে না।

আরও পড়ুন
শিক্ষা বিভাগের সর্বাধিক পঠিত
  • ছয় দিনে ১০ হাজার বেশি রোগী শনাক্ত, মৃত্যু শতাধিক

  • ৫ লাখেরও বেশি পরিবারকে ত্রাণ দিয়েছে ডিএনসিসি

  • রোববার থেকে শেয়ারবাজারে লেনদেন চালু 

  • গণপরিবহন চালু সরকারের ইতিবাচক সিদ্ধান্ত: সেতুমন্ত্রী

  • ‘প্রধানমন্ত্রী ইতিহাসের বৃহত্তম ত্রাণ কার্যক্রম পরিচালনা করছেন’

  • বেড়িবাঁধ মেরামতে ১০০ কোটি টাকার প্রকল্প নেওয়া হচ্ছে: প্রতিমন্ত্রী

  • কোন অবস্থায় ভুলেও হ্যান্ড স্যানিটাইজার ব্যবহার করা যাবে না?

  • বাড়িতে বসে কোভিড-১৯ চিকিৎসায় যে ছয়টি বিষয় মনে রাখবেন

  • জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে গেলেন বিমান বাহিনীর ১২৫ সদস্য

  • রেলওয়ে হাসপাতালে সুরক্ষা সামগ্রী দিলো যুক্তরাষ্ট্র

  • যতদিন না করোনা সংকট কাটবে, আমি পাশে থাকবো: প্রধানমন্ত্রী

  • ভুল শুধরে দিলেন প্রধানমন্ত্রী

  • শক্ত হাতে সামাল দিচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

  • প্রশাসনে শুরু হয়েছে শেখ হাসিনার শুদ্ধি অভিযান

  • সাত হাজার পরিবার পাচ্ছে বেজা`র উপহার

  • ‘ইভেরা টুয়েলভ’ সেবনে ১১ পুলিশ সদস্যের পাঁচদিনেই করোনা নেগেটিভ!

  • ‘ডাকযোগে’ আম লিচু পৌঁছে যাবে বিভিন্ন বাজারে

  • প্রাথমিকের শিক্ষার্থীরা ঘরে বসেই পরীক্ষা দেবে, চিন্তা সরকারের 

  • আফ্রিকায় শ্রমবাজারের নতুন সম্ভাবনা দেখছে বাংলাদেশ

  • বাসায় টেলিমেডিসিন সেবা নিচ্ছেন করোনা রোগীরা: স্বাস্থ্য অধিদপ্তর

  • করোনা ও অন্য রোগীদের আলাদা চিকিৎসা দেয়ার নির্দেশ

  • স্বাস্থ্যবিধি মেনে ফ্লাইট চালুর প্রস্তুতি

  • সংক্রমণ ঝুঁকিমুক্ত বিশেষ চিকিৎসা বুথ তৈরি, চাহিদাও প্রচুর

  • আরও ২ হাজার চিকিৎসক নেওয়ার পরিকল্পনা

  • দুর্গম খাসিয়া পুঞ্জিতে প্রধানমন্ত্রীর উপহার নিয়ে ইউএনও

  • অফিস-কারখানায় ১৩ দফা স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার নির্দেশ

  • ৩১ মে থেকে সীমিত পরিসরে চলবে বাস, ট্রেন, লঞ্চ

  • রাজধানীর চারপাশে হচ্ছে ৬ স্যাটেলাইট সিটি

  • স্বাস্থ্যবিধি মেনেই চলছে রূপপুর পরমাণু বিদ্যুৎ প্রকল্পের কাজ

  • ৬ কোটি মানুষের কাছে পৌঁছেছে সরকারি ত্রাণ

  • স্বাস্থ্যমন্ত্রীর কাছে করোনার ওষুধ হস্তান্তর, মিলবে বিনামূল্যে

  • প্রধানমন্ত্রী আমার জন্য হাসপাতালে কেবিন বুকড দিয়েছেন: জাফরুল্লাহ

  • বঙ্গবন্ধুর জুলিও কুরি শান্তি পুরস্কার প্রাপ্তির ৪৭তম বার্ষিকী আজ

  • রপ্তানি আয়ে চামড়াকে ছাড়িয়ে দ্বিতীয় স্থানে উঠে এসেছে পাট খাত

  • ঘরোয়া পদ্ধতিতে করোনা দমনে ড. বিজন শীলের ৬ পরামর্শ

  • যুক্তরাষ্ট্রে পিপিই রপ্তানি শুরু করলো বাংলাদেশ

  • ২৫ মে, কাজী নজরুল ইসলামের ১২১ তম জন্মদিন

  • সহজে ব্যবহারযোগ্য ভেন্টিলেটর উদ্ভাবন করল মেরিন একাডেমি

  • ২১ দিনে রেকর্ড ১১২ কোটি ১০ লাখ ডলার পাঠিয়েছে প্রবাসীরা

  • প্রধানমন্ত্রী কাল জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেবেন

  • বেকারদের আত্মকর্মসংস্থান সৃষ্টিতে ৭ হাজার কোটি টাকার প্রকল্প

  • করোনার চিকিৎসায় এসকেএফের রেমডেসিভির সরবরাহ শুরু

  • আরো ১০৬ পুলিশ সদস্য সুস্থ

  • করোনাকালীন সংকটেও কৃষির সাফল্য

  • ‘আমরা এক সঙ্গে করোনাকালীন খারাপ পরিস্থিতি পার করতে পারবো’

  • শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধের সময়সীমা বাড়ল

  • করোনা শনাক্তে দেশেই তৈরি হলো ‘ভিটিএম কিট’

  • চলতি মাসেই দৃশ্যমান হবে পদ্মাসেতুর সাড়ে ৪ কিলোমিটার

  • তিন বিষয়ে সর্বোচ্চ গুরুত্বের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

  • পৌর কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ২৫ কোটি টাকা দিলেন প্রধানমন্ত্রী

  • ‘প্রধানমন্ত্রীর ঈদ উপহার’ পৌঁছে দিচ্ছে ‘নগদ’

  • জনগণ ঐক্যবদ্ধ থাকলে মহামারি উতরানো কোনো কঠিন কাজ নয়

  • প্রধানমন্ত্রীর টাকা পেয়ে রং মিস্ত্রি রেনুর মুখে বিশ্বজয়ের হাসি!

  • সামাজিক দূরত্ব মেনে লাইনে দাঁড়িয়ে বাজার করলেন শিক্ষামন্ত্রী

  • রপ্তানি আয়ে দ্বিতীয় অবস্থানে পাট খাত

  • চট্টগ্রামে ইমাম-মুয়াজ্জিন-পুরোহিত পেলেন পুলিশের উপহার

  • সীমিত পরিসরে গণপরিবহন চলার ব্যাপারে প্রধানমন্ত্রীর সম্মতি

  • করোনা সচেতনতায় ভুয়া স্বাস্থ্য পরামর্শ এড়িয়ে চলার টিপস

  • বিশ্বমানের পিপিই উৎপাদনকারী দেশের তালিকায় বাংলাদেশ

  • গুগলের ডাক পেলেন বাংলাদেশের অনিক