বুধবার   ০৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৩

সর্বশেষ:
রোকেয়া পদক পাচ্ছেন ৫ নারী আবারও শ্বাসরুদ্ধকর জয়, ৭ বছর পর ভারতের বিপক্ষে সিরিজ বাংলাদেশের একশ’ প্রভাবশালী নারীর তালিকায় বাংলাদেশের ছোঁয়া দেশের দ্বিতীয় ডিজিটাল পল্লি হবে শরীয়তপুরের ডামুড্যায় প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব হলেন তোফাজ্জল হোসেন মিয়া
৪৮

শাইখুল হাদিস জাকারিয়া (রহ.)-এর জীবন ও কর্ম

অনলাইন ডেস্ক:

প্রকাশিত: ১৫ জানুয়ারি ২০২৩  

শায়খুল হাদিস জাকারিয়া (রহ.) ছিলেন বিংশ শতাব্দীর ক্ষণজন্মা আলেমদের অন্যতম। ভারতবর্ষে হাদিস ও ফিকহ চর্চায় উজ্জ্বল তারকা ছিলেন তিনি। তাবলিগ জামাতের প্রতিষ্ঠাতা মাওলানা ইলিয়াস (রহ.) ছিলেন তাঁর আপন চাচা। মাওলানা জাকারিয়া (রহ.) মুসলিম বিশ্বে বহুল পঠিত ‘ফাজায়েলে আমাল’সহ হাদিসের বেশ কয়েকটি ব্যাখ্যাগ্রন্থ লিখেছেন। ফাজায়েলে আমালের মতো গ্রন্থ রচনা করায় তাঁকে তাবলিগের নেসাবপ্রণেতা বা পাঠক্রম রচয়িতা বলা হয়।

জন্ম ও পড়াশোনা : মুহাম্মদ জাকারিয়া ১৮৯৮ সালে ভারতের উত্তরপ্রদেশের কান্দলায় সম্ভ্রান্ত দ্বিনি পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতা বিখ্যাত মুহাদ্দিস মাওলানা মুহাম্মদ ইয়াহিয়া (রহ.)। বাবার নিবিড় পর্যবেক্ষণ ও কঠোর বিধি-নিষেধের মধ্যে বেড়ে ওঠেন তিনি। দ্বিনদারি, ইলমচর্চাসহ ইবাদত-বন্দেগিতে নিমগ্নতা ছিল সম্ভ্রান্ত এই বংশের প্রধান বৈশিষ্ট্য। শৈশবেই পবিত্র কোরআন হিফজ করা ছিল তাঁর পারিবারিক ঐতিহ্য। শৈশবে বাবার অনুশাসন ও পড়াশোনা নিয়ে আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ ‘আপবিতি’-কে বিস্তারিত বিবরণ তুলে ধরেছেন। গাঙ্গুহে পিতার মাদরাসায় ১০ বছর প্রাথমিক পাঠ গ্রহণ করে ১৯১০ সালে তিনি মাজাহিরুল উলুম সাহারানপুর মাদরাসায় ভর্তি হন। এখানে পাঁচ বছর থাকা অবস্থায় দরসে নিজামির সব কিতাব তিনি পড়ে ফেলেন। এ সময় পিতার তত্ত্বাবধানে হাদিসের প্রসিদ্ধ ছয়টি গ্রন্থ পড়েন। পাশাপাশি জগদ্বিখ্যাত মুহাদ্দিস মাওলানা খলিল আহমেদ সাহারানপুরি (রহ.), মাওলানা ইলিয়াস (রহ), মাওলানা জাফর আহমদ উসমানি (রহ.)-এর কাছেও হাদিসের গ্রন্থগুলোর পাঠ গ্রহণ করেন।

কর্মজীবন : ১৩৩৫ হিজরি মোতাবেক ১৯১৫ সালে সাহারানপুর মাদরাসায় পড়শোনা শেষ করে সেখানেই শিক্ষক হিসেবে যোগ দেন। শিক্ষকদের মধ্যে তিনিই ছিলেন সবচেয়ে কম বয়সী। ১৩৮৮ হিজরি মোতাবেক ১৯৬৮ সাল পর্যন্ত দীর্ঘ ৫৩ বছর তিনি শিক্ষকতা করেন। এই সময় তিনি কোনো পারিশ্রমিক গ্রহণ করেননি।

জ্ঞান সাধনার উপমা : মাওলানা জাকারিয়া (রহ.) ছিলেন ইলম অর্জনের উপমাতুল্য ব্যক্তিত্ব। মাত্র এক-দুই ঘণ্টা ঘুমিয়ে রাত-দিন ইলমচর্চায় ব্যস্ত থাকতেন তিনি। তা ছাড়া সময়ের যথাযথ ব্যবহারে তিনি খুবই যত্নশীল ছিলেন। তিনি খেলাধুলা, আনন্দ-বিনোদন বা এই ধরনের কর্মকাণ্ড থেকে বিরত থাকতেন। তবে তিনি কাব্য প্রতিযোগিতায় ছিলেন অপ্রতিদ্বন্দ্বী।

রচনাবলি : মাওলানা জাকারিয়া (রহ.) হাদিস ও ফিকহ চর্চার পাশাপাশি কিছু অনবদ্য গ্রন্থ রচনা করেন। ছাত্র অবস্থায় তিনি তিন খণ্ডের ‘আলফিয়াতুল হাদিস’-সহ ৩০টির বেশি গ্রন্থ রচনা করেন। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য কয়েকটি হলো, তাবলিগ জামাতের বহুল পঠিত ফাজায়েলে আমাল, মুয়াত্তা মালিকের ব্যাখ্যাগ্রন্থ আওজাজুল মাসালিক (আরবি), শামায়েলে তিরমিজি-এর ব্যাখ্যাগ্রন্থ খাসায়েলে নবুওয়াহ (উর্দু), লামিউদ দারারি আলা জামিউল বুখারি, হাজ্জাতুল উইদা ওয়া ওমরাতিন নবি ইত্যাদি।

পারিবারিক জীবন : পিতার মৃত্যুর পর অসুস্থ মায়ের শেষ ইচ্ছা পূরণ করে মাওলানা রউফুল হাসানের মেয়ের সঙ্গে মাওলানা জাকারিয়া (রহ.)-এর বিয়ে হয়। বিয়ের পর ১৩৩৫ হিজরিতে তাঁর মায়ের মৃত্যু হয়। এরপর ১৩৫৫ হিজরিতে দীর্ঘদিন সংসারিক জীবনযাপনের পর তাঁর স্ত্রী মারা যান। এরপর ১৩৫৬ হিজরিতে চাচা মাওলানা ইলিয়াস (রহ.)-এর মেয়ে ইউসুফ (রহ.)-এর বোন আতিয়্যাহর সঙ্গে দ্বিতীয় বিয়ে হয়। 

মদিনায় গমন : ১৩৩৮ হিজরিতে মাওলানা খলিল আহমদ সাহারানপুরি (রহ.)-এর সফরসঙ্গী হয়ে প্রথমবার হজ পালন করেন। এরপর আরো অনেকবার তিনি পবিত্র হজ পালন করেন। সর্বশেষ তিনি ১৪০২ হিজরি মোতাবেক ১৯৮২ সালে মদিনায় এসে মৃত্যু পর্যন্ত সেখানেই অবস্থান করেন। 

ইন্তেকাল : ১৯৮২ সালের ২৮ মে সৌদি আরবের মদিনা নগরীতে ইন্তেকাল করেন। সেখানের জান্নাতুল বাকিতে নিজ শিক্ষক ও পীর আল্লামা খলিল আহমদ সাহরানপুরি (রহ.)-এর পাশে দাফন করা হয়। তাঁর জানাজা পড়ান মসজিদ-ই-নববীর ইমাম আবদুল্লাহ জাহিম।

সূত্র : সাইয়েদ আবুল হাসান নদবি (রহ.) লিখিত ‘মুহাম্মদ জাকারিয়া আল-কান্দলবি ওয়া মাআসিরুহু আল-ইলমিয়্যাহ’
 

ইসলাম বিভাগের সর্বাধিক পঠিত
  • লালমনিরহাটে ‘বাংলা ইশারা ভাষা’ দিবস পালিত

  • নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে বিনিয়োগে আগ্রহী চীন

  • সাতদিনে বইমেলায় ৫৩৫ নতুন বই

  • ভুটানের জালে ৫ গোল দিয়ে ফাইনালে বাংলাদেশের মেয়েরা

  • পদ্মাপাড়ে ‘সমুদ্র বিলাস’

  • রেলপথ মন্ত্রণালয়ের সম্মাননা পেলেন ড. অরূপরতন চৌধুরী

  • বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে নবনিযুক্ত জাপানের রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য

  • পাঁচ খাতে দক্ষ শ্রমিক নেবে সৌদি আরব

  • পাহাড়ে সৌর বিদ্যুতের সেচ প্রকল্পে উপকৃত বান্দরবানের কৃষকেরা

  • হজের নিবন্ধন শুরু ৮ ফেব্রুয়ারি

  • উত্তরাঞ্চলে চা উৎপাদনের রেকর্ড

  • নওগাঁয় মাশরুম চাষে সাফল্য

  • তুরস্কে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য হটলাইন চালু

  • এইচএসসির ফল প্রকাশ ৮ ফেব্রুয়ারি

  • ভোলার চরফ্যাশনে বিষমুক্ত সবজি চাষ হচ্ছে

  • তিস্তার চরে পেঁয়াজের বাম্পার ফলনের স্বপ্ন দেখছেন কৃষকরা

  • ফুলচাষেই লাভবান নওগাঁর চাষিরা

  • অক্টোবরে উদ্বোধন হবে শাহজালাল আন্তঃ বিমানবন্দরে তৃতীয় টার্মিনাল

  • পরীক্ষামূলকভাবে চালু হলো নাগরিক ভূমিসেবা কেন্দ্র

  • ১ মাসের ব্যবধানে আরিফিন শুভ`র চোখ ধাঁধানো পরিবর্তন

  • তুরস্কের পাশে দাঁড়াল বাংলাদেশ! যাচ্ছে উদ্ধারকারী দল।

  • তুরস্ক যেন এক মৃত্যুপুরী! বেড়ে চলেছে মৃতের সংখ্যা!

  • ভেজাল ওষুধ উৎপাদন বিক্রিতে যাবজ্জীবন

  • প্রেসক্রিপশন ছাড়া ওষুধ বিক্রি করলে ২০ হাজার টাকা জরিমানা

  • জানুয়ারিতে মূল্যস্ফীতি কমে ৮.৫৭ শতাংশ

  • ১১৬১ কোটি টাকার দুর্নীতি : বিমানের ২৩ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে দুদকের

  • ফ্লাইওভারের দেওয়াল লিখন ও পোস্টার সরানোর নির্দেশ

  • তুরস্ক-সিরিয়ায় ভূমিকম্পে হতাহতের ঘটনায় রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী

  • বায়ু ও শব্দদূষণের দায়ে ১৬ যানবাহন ও ১২ প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা

  • ‘মুজিব হানড্রেড সং’র মোড়ক উন্মোচন করলেন প্রধানমন্ত্রী

  • নতুন শিক্ষাব্যবস্থার যুগে বাংলাদেশ

  • আদানির বিদ্যুৎ আসছে মার্চে

  • মামলায় সরকারি সাক্ষীদের খরচ দেয়ার নির্দেশ

  • রামপালে জুনের মধ্যে দ্বিতীয় ইউনিটে উৎপাদন শুরু

  • ‘একুশ’ বাঙালির প্রথম পরিচয়

  • সমন্বিত ট্র্যাফিক ব্যবস্থাপনা চালুর পরিকল্পনা করছে সরকার

  • ‘স্মার্ট জাতি গঠনই আমাদের পরবর্তী লক্ষ্য’

  • স্পিকারের সাথে নর্ডিক রাষ্ট্রগুলোর রাষ্ট্রদূতদের সৌজন্য সাক্ষাৎ

  • জাহাজ রফতানিতে নবদিগন্ত

  • রাজস্ব আয় আরও বাড়ানোর পদক্ষেপ নিতে হবে : প্রধানমন্ত্রী

  • বাংলাদেশ একটি সফল উন্নয়নের গল্প: বিশ্ব ব্যাংক

  • জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিগ্রি তৃতীয় বর্ষের ফল প্রকাশ

  • জিডিপিতে আমরা মালয়েশিয়া-সিঙ্গাপুরকে পেছনে ফেলেছি : তথ্যমন্ত্রী

  • ধামরাইয়ে কৃষকদের মাঝে ঋণ বিতরণ

  • খুলনায় ১০৭ প্রতিষ্ঠানের পতিত জমিতে ফসলের ঝিলিক

  • বাংলাদেশের জন্য ৪৭০ কোটি মার্কিন ডলার ঋণ অনুমোদন করেছে আইএমএফ

  • পর্দা উঠলো অমর একুশে গ্রন্থ মেলার

  • দেশের প্রথম পাতাল রেলের নির্মাণকাজ উদ্বোধন ২ ফেব্রুয়ারি

  • জানুয়ারিতে ৫১৪ কোটি ডলারের পণ্য রপ্তানি

  • মেট্রোরেলে টিকিট বেচে আয় আড়াই কোটি টাকা

  • পাতাল রেলের যুগে বাংলাদেশ

  • উন্নয়নের নতুন মুকুট পাতালরেলের আদ্যোপান্ত

  • ঢাকায় আর্জেন্টিনার দূতাবাস চালু হচ্ছে ২৭ ফেব্রুয়ারি

  • প্রাথমিক বিদ্যালয়ে আরও সাড়ে ৭ হাজার শিক্ষক নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি আসছে

  • প্রথমবারের মতো ১২০ কিমি মিসাইল ফায়ারিং এর যুগে বাংলাদেশ

  • ২০২৬ সালেই চালু হবে মাতারবাড়ী গভীর সমুদ্র বন্দর : নৌ প্রতিমন্ত্রী

  • রিজার্ভ চুরি: সাক্ষ্য দিতে ফিলিপাইনে বাংলাদেশের কর্মকর্তারা

  • ২৭ দিনে রেমিট্যান্স এলো ১৮ হাজার কোটি টাকা

  • চীনকে পেছনে ফেলে পোশাক রপ্তানিতে শীর্ষে বাংলাদেশ

  • জানুয়ারিতে রপ্তানি আয় বেড়েছে ৫.৮৯%