মঙ্গলবার   ০৭ জুলাই ২০২০

ব্রেকিং:
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোর বার্ষিক ছুটি ৭৫ দিন আগামী মার্চে ঢাকা উত্তর সিটির ভোটের ইঙ্গিত সিইসির জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় পরিদর্শনে প্রধানমন্ত্রী আস্থা ভোটে টিকে গেলেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী থেরেসা মে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে নেপালের বিদায়ী রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ খালেদার অনুপস্থিতিতেই কারাগারে বিচার চলবে রব ও মান্নার বিয়ে যুক্তফ্রন্টে, পরকীয়া ঐক্যফ্রন্টে: মাহী এটা জোট নয়, ঘোট : তথ্যমন্ত্রী যুক্তরাষ্ট্রে রাজনৈতিক আশ্রয় পেলেন সিনহা আবারও সরকার গঠনে নৌকায় ভোট দেয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর পদ্মা সেতু প্রকল্পের নামফলক উন্মোচন করলেন প্রধানমন্ত্রী
৪৪৯

শহিদ নূর হোসেন দিবস আজ, রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর বাণী

ডেস্ক নিউজ

প্রকাশিত: ১০ নভেম্বর ২০১৯  

ঐতিহাসিক শহিদ নূর হোসেন দিবস আজ রোববার (১০ নভেম্বর)। এবার নূর হোসেনের ৩২তম মৃত্যুবার্ষিকী। ১৯৮৭ সালের এই দিনে স্বৈরাচার এরশাদবিরোধী গণআন্দোলন চলাকালে রাজধানীর গুলিস্তানের জিরো পয়েন্ট এলাকায় (বর্তমান শহীদ নূর হোসেন স্কয়ার) পুলিশের গুলিতে শহিদ হন যুবলীগ নেতা নূর হোসেন।

সেদিন বুকে-পিঠে গণতন্ত্র মুক্তি পাক/স্বৈরাচার নিপাত যাক লিখে বিক্ষোভ প্রদর্শনকালে পুলিশ নূর হোসেনকে গুলি করে। ১৯৮৭ সালের ১০ নভেম্বর নূর হোসেন ছাড়াও যুবলীগের আরেক নেতা নুরুল হুদা বাবুল ও কিশোরগঞ্জের বাজিতপুরের ক্ষেতমজুর নেতা আমিনুল হুদা টিটো শহিদ হন। নূর হোসেনের আত্মদান স্বৈরাচারবিরোধী গণআন্দোলনে নতুন মাত্রা যোগ করে। তার আত্মাহুতির ধারাবাহিকতায় আন্দোলন আরও বেগবান হয়। অবশেষে ১৯৯০ সালের ৬ ডিসেম্বর স্বৈরশাসক এরশাদের পদত্যাগের মধ্য দিয়ে দেশে গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হয়। এর পর থেকে দিনটি গণতন্ত্র মুক্তি দিবস হিসেবেও পালিত হয়ে আসছে।

শহিদ নূর হোসেন দিবস উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পৃথক বাণী দিয়েছেন। এসব বাণীতে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা ও স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনের বীর শহিদ নূর হোসেনের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন এবং তার আত্মার মাগফিরাত কামনা করেছেন তারা।

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের এক বিবৃতিতে শহিদ নূর হোসেন দিবস যথাযোগ্য মর্যাদার সঙ্গে পালনের জন্য দলের সব শাখাসহ সর্বস্তরের জনগণের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেছেন, দিবসটি উপলক্ষে আওয়ামী লীগ রোববার সকাল সাড়ে ৯টায় শহীদ নূর হোসেন স্কয়ারে পুষ্পমাল্য অর্পণের মধ্য দিয়ে তার প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন ও বিশেষ মোনাজাত করবে।

এদিকে, জাতীয় পার্টি দিনটিকে গণতন্ত্র দিবস হিসেবে পালন করবে। ১৯৮৬ সালের ১০ নভেম্বর জাতির উদ্দেশে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান (প্রয়াত) ও সাবেক রাষ্ট্রপতি হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের ভাষণ দিয়ে সামরিক আইন প্রত্যাহারের ঘোষণা স্মরণে দিবসটি পালন করছেন তারা।

এছাড়া বিএনপি, ওয়ার্কার্স পার্টি, জাসদ, সিপিবি, জেএসডি, বাম গণতান্ত্রিক জোট, বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি, শহীদ নূর হোসেন সংসদ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ, বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোট, মোটরচালক লীগসহ বিভিন্ন দল ও সংগঠন শ্রদ্ধা নিবেদন, মিলাদ-দোয়া মাহফিল, আলোচনা সভাসহ বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্য দিয়ে দিবসটি পালন করবে।

জানা গেছে, নূর হোসেন হোসেন গাড়ি চালনার প্রশিক্ষণ নিয়ে ঢাকা মিনিবাস সমিতি চালিত বাসের সুপারভাইজার হিসেবে কাজ করেছেন বেশ কিছুদিন। তাঁর বাবা মজিবর রহমান কাঞ্চন মিয়া ছিলেন বেবি ট্যাক্সি (এখন যা সিএনজিতে চলে) চালক, মা গৃহিণী মরিয়ম বেগম। নূর হোসেনের জন্ম ১৯৬১ সালে ঢাকার নারিন্দায়। তাঁরা ছিলেন ছয় ভাই-বোন, নূর হোসেন ছিলেন তৃতীয়। তাঁর পৈতৃক বাড়ি ছিল পিরোজপুর জেলার মঠবাড়িয়া উপজেলার সাপলেজা ইউনিয়নের ঝাটিবুনিয়া গ্রামে। স্বাধীনতার পরে গ্রাম থেকে ঢাকার বনগ্রাম রোডে নূর হোসেনের মা-বাবা বসবাস শুরু করেন।

নূর হোসেন প্রাথমিক শিক্ষা লাভ করেন বনগ্রামের রাধাসুন্দরী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে। ঢাকার গ্র্যাজুয়েট উচ্চ বিদ্যালয়ে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত পড়াশোনা করে সেখানে আর পড়তে পারেননি, জীবন-জীবিকার জন্য মোটর ড্রাইভিং প্রশিক্ষণ নেন, কিছুদিন কাজ করেন মোটর মেকানিক হিসেবে। তবে কাজের ফাঁকে নিজ উদ্যোগে নূর হোসেন সদরঘাটের কলেজিয়েট নৈশ বিদ্যালয় থেকে এসএসসি পাস করেন। বনগ্রাম রোডের ছোট একটি কক্ষে সব ভাই-বোনের জায়গা না হওয়ায় নূর হোসেন রাত কাটাতেন মতিঝিলের ডিআইটি ভবনের মসজিদের পাশের একটি ছোট্ট ঘরে।

নূর হোসেন নিয়মিত স্বৈরাচারবিরোধী কর্মসূচিগুলোতে অংশ নিতেন। ১০ নভেম্বর ১৯৮৭ ছিল তিন জোটের (আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে আটদলীয় জোট, বিএনপির নেতৃত্বে সাতদলীয় জোট, জাসদের নেতৃত্বে পাঁচদলীয় জোট) ঢাকা অবরোধ কর্মসূচি। ভোট ডাকাতির সংসদ বাতিল করে দলনিরপেক্ষ সরকারের অধীনে সর্বাগ্রে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দাবিতে অবরোধ ডাকা হয়েছিল।

এরশাদ সরকার অবরোধ কর্মসূচির আগের দিন থেকেই ঢাকার সঙ্গে সব যানবাহনের যোগাযোগ বন্ধ করে কার্যত ঢাকাকে অবরুদ্ধ করে রেখেছিল, ১৪৪ ধারা জারি করা হয়েছিল। প্রতিবাদী নূর হোসেন পরিকল্পনা করেন কিভাবে অভিনব উপায়ে অবরোধে অংশ নেওয়া যায়!

নূর হোসেন বুকে-পিঠে আন্দোলনের স্লোগান লেখার সিদ্ধান্ত নিলেন। নূর হোসেনের পূর্বপরিচিত ইকরাম হোসেনের ব্যানার ও সাইন বোর্ড আঁকার দোকান ছিল মতিঝিল বিসিআইসি ভবনের পাশে। অবরোধের আগের দিন নূর হোসেন ইকরামের কাছে আসেন তাঁর বুকে-পিঠে স্লোগান লিখে দেওয়ার অদ্ভুত অনুরোধ নিয়ে। এর দুই দিন আগে ইকরামের কাছে এসে নূর হোসেন তাঁকে প্রস্তুত থাকতে বলেছিলেন, কিন্তু কাজের ধরনটা তখন বলেননি।

সাদা রং নিয়ে যখন ইকরামকে তাঁর সঙ্গে যেতে বললেন নূর হোসেন, তখন ইকরাম ভেবেছিলেন হয়তো কোথাও কোনো রঙের কাজ করতে হবে। কিন্তু যখন নূর হোসেন তাঁর নিজের জামা খুলে বুকে-পিঠে আন্দোলনের স্লোগান লিখে দিতে বললেন তখন প্রথম ইকরাম অবাক হলেন, পরে পেলেন পুলিশের ভয়। কারণ স্লোগানটি ছিল—‘গণতন্ত্র মুক্তি পাক, স্বৈরাচার নিপাত যাক’।

ইকরাম কিছুতেই নূর হোসেনের গায়ে স্লোগানটি লিখে দিতে চাইছিলেন না। কারণ এরই মধ্যে এরশাদ সরকার অবরোধকে বেআইনি ঘোষণা করে ১৪৪ ধারা জারি করেছে। নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে মিছিল করা, তা-ও আবার বুকে-পিঠে স্লোগান লেখা! নির্ঘাত পুলিশ স্লোগানকে টার্গেট করে গুলি করবে! নূর হোসেনের জোরাজুরিতে ইকরাম বুকে-পিঠে স্লোগান লিখতে বাধ্য হলেন। নূর হোসেন মিছিলে গেলেন।

ইকরাম যে আশঙ্কা করেছিলেন তা-ই ঘটল। শুধু ইকরাম কেন? বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে যারাই নূর হোসেনকে খালি গায়ে দেখেছেন, তারাই তাকে দ্রুত জামা পরে বুকে-পিঠে লেখা স্লোগান ঢেকে রাখতে বলেছেন। জননেত্রী শেখ হাসিনার গাড়ির কাছে যখন নূর হোসেন আশীর্বাদ নিতে আসেন, তখন তিনিও তাঁকে জামা পরে নিতে বলেছিলেন। স্বৈরাচারের পুলিশ প্রতিবাদী যুবকের গায়ে লেখা শিল্পিত স্লোগানের জবাব দিল লেখা টার্গেট করে গুলির মাধ্যমে।

গুলিবিদ্ধ নূর হোসেনকে যখন তাঁর বন্ধুরা ধরাধরি করে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজের জরুরি বিভাগে নিয়ে যাচ্ছিলেন, পুলিশ সেই রিকশা থামিয়ে নূর হোসেনকে অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে যায়। চিকিৎসার কোনো ব্যবস্থা পুলিশ করেছে কি না জানা যায়নি। সম্ভবত অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে বা হৃৎপিণ্ড বিদীর্ণ করা বুলেটে নূর হোসেনের মৃত্যু ঘটে। কবি শামসুর রাহমানের ভাষায়—‘বুক তার বাংলাদেশের হৃদয়’।

শোকে বিহ্বল নূর হোসেনের মা-বাবা পুলিশ নিয়ন্ত্রণ কক্ষে গিয়ে ছেলের খোঁজ করেন। পুলিশ কোনো কিছুই জানায়নি। আজিমপুর কবরস্থানসহ বিভিন্ন কবরস্থান ঘুরে মা-বাবা জুরাইন কবরস্থানে আসেন।

এখানে কবরস্থানের শ্রমিকরা বলেন, যে একটি লাশের গায়ে পেইন্টের রঙে বাংলায় লেখা ছিল। লাশ গোসলের সময় তারা কেরোসিন তেল দিয়ে ঘসে ঘসে তা ওঠানোর চেষ্টা করেও পারেননি। এভাবেই নূর হোসেনের কবরটি চিহ্নিত হয়।

পুলিশ ওই দিন অনেক লাশ সরিয়ে ফেলে। এক স্কুলছাত্রের লাশ আমরা কয়েকজন পুলিশকে ফাঁকি দিয়ে প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ে নিয়ে আসি। প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের তদানীন্তন ছাত্রলীগ (বৈজ্ঞানিক সমাজতন্ত্র) নেতা এনামুল, মঞ্জুর প্রমুখ কিশোর ছেলের লাশটি প্রথমে ইউকসু ভবনে রাখেন। কোনো ব্যক্তি খোঁজখবর নিতে আসেন কি না তার অপেক্ষা করি আমরা। ছেলেটির পিঠে স্কুলের ব্যাগ ছিল। কয়েকটি ছবি তুলেও রাখা হয়।

এরই মধ্যে কারফিউ শুরু হয়ে যায়। তখন আমরা প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের জিমনেসিয়ামের পেছনে অজানা কিশোরটিকে দাফন করি। খোঁজ পেয়ে কয়েক দিন পরে পুলিশ পোস্টমর্টেমের কথা বলে লাশটি নিয়ে যায়। কোন পরিবারের ছেলে ছিল সেটি আর জানা যায়নি। ওই স্থানে প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ একটি স্মৃতিস্তম্ভ তৈরি করেছিল। সম্ভবত সেটি এখনো আছে। ওই সময় সরকারি বাহিনীর গুলিতে প্রতিবাদীরা নিহত হন সারা দেশেই। যুবলীগ নেতা নুরুল হুদা বাবুল, সিপিবির ক্ষেতমজুর নেতা কিশোরগঞ্জের বাজিতপুরের আমিনুল হুদা টিটো ওই সময় শহিদ হন।

নূর হোসেনসহ অজানাসংখ্যক মানুষকে হত্যার প্রতিবাদে ও এরশাদের পদত্যাগের দাবিতে ১১-১২ নভেম্বর পালিত হয় দেশব্যাপী হরতাল। এর পরও লাগাতার হরতাল-অবরোধ চলতে থাকে। আন্দোলনে এবারেই ছাত্রদের ছাপিয়ে শ্রমিক ও পেশাজীবী সংগঠনগুলো সংগঠিতভাবে অংশগ্রহণ করে। ১৯৮৭ সালে শ্রমিক-পেশাজীবীদের অংশগ্রহণ এত সংগঠিত ছিল যে পরবর্তী সময়ে ১৯৯০ সালেও এত সংগঠিত অংশগ্রহণ ছিল না।

তবে ১৯৯০ সালে নতুন মাত্রা যোগ করে বাংলাদেশ মেডিক্যাল অ্যাসোসিয়েশনের নেতৃত্বে চিকিৎসকদের সংগঠিত আন্দোলন, যা ডা. শামসুল আলম খান মিলনের হত্যাকাণ্ডে চূড়ান্ত গণবিস্ফোরণে রূপ নেয়। আন্দোলনে আরেকটি মাত্রা যোগ হয় শেষ পর্যায়ে ৩ ডিসেম্বর ১৯৯০ সচিবালয় থেকে কর্মকর্তাদের রাজপথে বেরিয়ে চিকিৎসক-ছাত্র-জনতার মিছিলে যোগদান। এ ঘটনা এরশাদের অবৈধ শাসনের কফিনে শেষ পেরেক ঠুকে দেয়। পরদিন ৪ ডিসেম্বর এরশাদ পদত্যাগের ঘোষণা দেন।

এরশাদ পতনের পরে শহীদ নূর হোসেনের চতুর্থ মৃত্যুবার্ষিকীতে তার স্মরণে দুই টাকা মূল্যের ডাকটিকিট প্রকাশিত হয়। যে স্থানে নূর হোসেন গুলিবিদ্ধ হয়েছিলেন সেটা ছিল ঢাকা মহানগরের শূন্য বিন্দু (জিরো পয়েন্ট)। শহিদের নামে তার নামকরণ হয় নূর হোসেন চত্বর।

আরও পড়ুন
জাতীয় বিভাগের সর্বাধিক পঠিত
  • করোনা আক্রান্ত মাশরাফির স্ত্রী

  • বন্যপ্রাণী ধ্বংস করতে থাকলে আরও মহামারি হবে: জাতিসংঘ

  • করোনা সংকটেও রপ্তানি বেড়েছে ১৬ পণ্যে

  • গানে স্মরণীয় হয়ে থাকবেন এন্ড্রু কিশোর: প্রধানমন্ত্রী

  • রোহিঙ্গাদের চাল পাঠিয়ে পাশে থাকার আশ্বাস দিল চীন

  • প্রাকৃতিক দুর্যোগে মানবিক সহায়তা হিসেবে ১০,৯০০ টন চাল বরাদ্দ

  • সিলেট সীমান্তে হত্যা বন্ধে বিজিবির সমন্বিত উদ্যোগ

  • ‘সম্ভাব্য খাদ্য সংকট’ মোকাবিলায় প্রস্তুতির কথা বললেন কৃষিমন্ত্রী

  • সিলেটে বিনামূল্যে বাসায় পৌঁছাবে অক্সিজেন সেবা

  • ভরা মৌসুমের শুরুতেই জেলেদের জালে ঝাঁকে ঝাঁকে ইলিশ

  • উপবৃত্তির ৪৩৯ কোটি টাকা পাচ্ছে শিক্ষার্থীরা

  • দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য ১১ হাজার টন চাল, সোয়া ২ কোটি টাকা

  • প্রধানমন্ত্রীর দুর্নীতিবিরোধী অবস্থান দেশ-বিদেশে প্রশংসিত: কাদের

  • ফেরত পাঠানো রোগীদের মৃত্যুর বিষয়ে তদন্তের নির্দেশ হাইকোর্টের

  • আন্তর্জাতিক ফ্লাইটে ফের নিষেধাজ্ঞা, কার্যকর রাত ১২টার পর থেকেই

  • শিক্ষার্থীদের জন্য বিনামূল্যে ইন্টারনেটের ইঙ্গিত শিক্ষামন্ত্রীর

  • অপরাধ দমনে জিরো টলারেন্সে পুলিশ: খাদ্যমন্ত্রী

  • পুরোদমে চলছে সব মেগা প্রকল্পের কাজ

  • পুরোদমে চলছে সব মেগা প্রকল্পের কাজ

  • ঢাকায় হচ্ছে সাইবার থানা

  • একনেকে ২৭৪৪ কোটি টাকার ৯ প্রকল্প অনুমোদন

  • দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তায় ১০ হাজার টন চাল বরাদ্দ

  • ১০ টাকায় ব্যাংক হিসাব খুলেও নেয়া যাবে অর্থ সহায়তা

  • এবার ঈদে বাড়বে না ট্রেন, বাসের সিদ্ধান্ত পরে

  • ১০৫ দিন পর খুলল বেনাপোল বন্দর

  • অবকাঠামো উন্নয়নে ঋণে সুদের হার কমল

  • জঙ্গী নির্মূলে বিশ্বে রোল মডেল বাংলাদেশ

  • সাত দিনে কমেছে ১১ পণ্যের দাম

  • শিক্ষার্থীদের বিনামূল্যে ইন্টারনেট দেয়ার উদ্যোগ

  • বিএসএমএমইউ করোনা সেন্টারে ভর্তি ৪০ রোগী

  • নারীর ক্ষমতায়ন রেকর্ডে বাংলাদেশ

  • পানির নিচে ১৩ ঘণ্টা যেভাবে বেঁচে ছিলেন সুমন

  • রেমিট্যান্স ১৮ বিলিয়ন ডলার ছাড়াল 

  • বাংলাদেশিদের গড় আয়ু বেড়েছে

  • ব্রিটেনে বর্ষসেরা চিকিৎসক নির্বাচিত বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত ফারজানা

  • মুজিববর্ষে বেকারদের জন্য আসছে ‘বঙ্গবন্ধু যুব ঋণ’ প্রকল্প

  • ঢাকার কাছেই অর্থনৈতিক অঞ্চল, কারখানা যাবে নবাবগঞ্জ

  • পাটকল শ্রমিকদের শতভাগ পাওনা পরিশোধের সিদ্ধান্ত 

  • ‘সব বয়সেই কারিগরির ডিপ্লোমায় ভর্তি হওয়া যাবে’

  • ১ আগস্ট ঈদ হলে বেশি বোনাস

  • বাংলাদেশের ছয় তরুণ ডায়না অ্যাওয়ার্ডে ভূষিত

  • বুধবার থেকে বাড়ছে দোকানপাট খোলা রাখার সময়

  • লকডাউন নিয়ে নতুন সিদ্ধান্ত নিল সরকার

  • করোনা দুর্দিনের সারথি কৃষি

  • করোনার স্থবিরতাকে আশির্বাদে পরিণত করেছে বাংলাদেশ: আরব নিউজ

  • মাস্ক পিপিই রপ্তানিতে নতুন সম্ভাবনায় বাংলাদেশ 

  • সরকারি উদ্যোগে মাছ চাষ, প্রত্যেক চাষী পাবেন ৩৫ হাজার টাকা

  • প্রথমবারের মত বৈধভাবে দেশে স্বর্ণ আমদানি, কমবে দাম

  • পটুয়াখালীতে নির্মিত হচ্ছে দৃষ্টিনন্দন ১২ সেতু

  • দেশে করোনার ভ্যাকসিন আবিষ্কারের ঘোষণা 

  • পাটের বহুমুখী ব্যবহারে বিশেষ নজর দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী

  • করোনা মোকাবিলায় বহির্বিশ্বে প্রশংসিত শেখ হাসিনা

  • কমলো জমি ও ফ্ল্যাট নিবন্ধন ফি 

  • রাজধানীর কাছেই হচ্ছে বড় অর্থনৈতিক অঞ্চল

  • ঢাকার চারপাশের নদী দখলমুক্তে শিগগিরই অভিযান

  • ৯৯৯৯ জন গর্ভবতী মাকে স্বাস্থ্যসেবা সেনাবাহিনীর

  • আলু চাষে পাকিস্তান ভারত চীনকে টপকাল বাংলাদেশ

  • বাংলাদেশে করোনার ভ্যাকসিন আবিষ্কারের দাবি

  • সেলাই মেশিন চালিয়ে ছেলেকে দেশসেরা বিসিএস ক্যাডার বানালেন মা

  • জমির রেজিস্ট্রেশন ফি কমল