রোববার   ১৯ মে ২০২৪

সর্বশেষ:
জাইকার উপদেষ্টা কমিটির সঙ্গে স্থানীয় সরকার মন্ত্রীর বৈঠক ‘অজান্তে মোবাইল ব্যালেন্স কেটে নিলে কঠোর ব্যবস্থা’ আওয়ামী লীগের যৌথ সভা শুক্রবার বিএনপির নির্বাচন বর্জনের রাজনীতি আত্মহননমূলক : পররাষ্ট্রমন্ত্রী ঢাকা পৌঁছেছেন ভারতের পররাষ্ট্র সচিব গণমাধ্যমের তথ্য প্রাপ্তির অধিকার নিশ্চিত করা হবে: প্রতিমন্ত্রী নির্বাচনে ভোটার উপস্থিতি ছিল সন্তোষজনক : ওবায়দুল কাদের রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে যুক্তরাজ্যের সহায়তা চেয়েছেন প্রধানমন্ত্রী
৯১৫

রোহিঙ্গা সঙ্কটের ৬ বছর: এখনো অনিশ্চিত প্রত্যাবাসন

ডেস্ক রিপোর্ট

প্রকাশিত: ২৫ আগস্ট ২০২৩  

নিউজ ডেস্ক : জ্বলন্ত ঘরবাড়ি আর প্রিয়জনের লাশ পেছনে ফেলে শরণার্থীদের সেই ঢলের পর ছয় বছরে একজন রোহিঙ্গাকেও মিয়ানমারে তাদের বাসভূমে ফেরত পাঠানো সম্ভব হয়নি। দীর্ঘ এই সময়ে বাংলাদেশেই জন্ম নিয়েছে এক লাখের বেশি রোহিঙ্গা শিশু; তাতে বাংলাদেশের ওপর তৈরি হয়েছে বাড়তি চাপ।

মিয়ানমারের সেনাবাহিনীর নির্যাতন থেকে বাংলাদেশ অভিমুখে রোহিঙ্গাদের সেই অনিশ্চিত যাত্রার ছয় বছর পূর্ণ হলো শুক্রবার। 

বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্য থেকে রোহিঙ্গা ঢলের শুরু হয়েছিল ২০১৭ সালের ২৫ অগাস্ট; এরপর কয়েক মাসের মধ্যে সাড়ে ৭ লাখ রোহিঙ্গা শরণার্থী কক্সবাজারের উখিয়া-টেকনাফে আশ্রয় নেয়। আগে থেকে ওই এলাকার ক্যাম্পে বসবাস করছিল আরও চার লাখ রোহিঙ্গা।

জাতিসংঘ সে সময় রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর ওপর এই হত্যা ও নির্যাতনকে চিহ্নিত করেছিল ‘জাতিগত নিধনের ধ্রুপদী উদাহরণ’ হিসেবে। যুক্তরাষ্ট্র সরকার চলতি বছরের মার্চে রোহিঙ্গাদের উপর চালানো ওই হত্যাযজ্ঞকে ‘জেনোসাইড’ হিসাবে বর্ণনা করেছে।

বাংলাদেশ সীমান্ত খুলে দেওয়ার পর থেকে কক্সবাজার ও উখিয়ার বিস্তীর্ণ এলাকাজুড়ে বাঁশ আর প্লাস্টিকের খুপড়ি ঘরে বসবাস শুরু করে রোহিঙ্গারা। উখিয়ার কুতুপালং পরিণত হয় বিশ্বের সবচেয়ে বড় শরণার্থী শিবিরে।

আন্তর্জাতিক চাপের মুখে ২০১৭ সালের শেষ দিকে রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নিতে রাজি হয় মিয়ানমারের অং সান সু চি সরকার। ওই বছর সেপ্টেম্বরে বাংলাদেশের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় চুক্তিতেও সই করে। পালিয়ে আসা রোহিঙ্গাদের পরিচয় নিশ্চিত হওয়াসহ বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা চলার এক পর্যায়ে ২০১৯ সালে দুই দফায় প্রত্যাবাসনের উদ্যোগ নেওয়া হয়। কিন্তু মিয়ানমার সরকারের প্রতিশ্রুতিতে রোহিঙ্গারা আস্থা রাখতে না পারায় সেই চেষ্টা ভেস্তে যায়।

শুরুর দিকে রোহিঙ্গাদের উপর নির্যাতন নিয়ে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় ব্যাপক উদ্বেগ দেখিয়েছিল। তবে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে তাতে ভাটা পড়েছে। বাংলাদেশের মানুষ প্রথমে রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দেয়ার পক্ষে থাকলেও সেই প্রতিক্রিয়ায় পরিবর্তন এসেছে। সেই সহানুভূতি আর মানুষের মধ্যে কাজ করছে না। রোহিঙ্গাদের কারণে সংকট বৃদ্ধি পাওয়ায় মানুষও অধৈর্য্য হয়ে পড়ছে। বর্তমানে স্বাভাবিক এবং নিরাপদ প্রত্যাবাসনের কোনো সম্ভাবনা দেখা যাচ্ছে না। বিভিন্ন কারণে এই প্রক্রিয়া থেমে আছে। পাশাপাশি কক্সবাজারের ঘিঞ্জি ক্যম্পগুলোতে সহিংসতা লেগেই আছে। 

রোহিঙ্গারা এখন অস্ত্র, মাদক চোরাচালন, মানব পাচারসহ বিভিন্ন অপরাধে জড়িয়ে পড়েছে। আর আধিপত্য বিস্তার নিয়ে নিজেদের মধ্যে সংঘাতে জড়িয়ে হত্যা করছে একে অপরকে। 

২০১৭ সালের ২৫ অগাস্ট থেকে ২০২২ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ১৩২টি হত্যাকাণ্ড ঘটেছে। এর মধ্যে শেষ সাত মাসে ঘটেছে ৩২টি খুন। নিজ দেশে নিপীড়িত রোহিঙ্গাদের প্রতি সদয় হয়ে তাদের আশ্রয় দিলেও এখন তারা বাংলাদেশ এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তার জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে।

তবে রোহিঙ্গারা নিজেদের বাড়ি ফিরতে চায়। মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে ফিরে গিয়ে আবার নতুন করে সব সাজাতে চায়। কিন্তু মিয়ানমারের জান্তা সরকার রোহিঙ্গাদের ফেরত নিতে আগ্রহী নয়। গত ৫ বছরে তাদের ট্র্যাক রেকর্ড তা-ই বলছে। 

আন্তর্জাতিক বিচারিক আদালত মিয়ানমারের বিরুদ্ধে অভিযোগ আমলে নিয়ে অন্তর্বর্তী রায় দিলেও দেশটি তাতে গা করছে না। বস্তুত মিয়ানমার এক চরম স্বেচ্ছাচারী রাষ্ট্রে পরিণত হয়েছে, তারা আন্তর্জাতিক রীতিনীতির ধার ধারছে না। এক ধরনের অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে। এ অনিশ্চয়তা থেকে বিশ্বনেতারাই পারে- রোহিঙ্গাদের মাতৃভূমিতে ফিরে যাওয়ার স্বাদ মেটাতে, বাংলাদেশের বুক থেকে লক্ষ রোহিঙ্গার বোঝা নামাতে।

আরও পড়ুন
জাতীয় বিভাগের সর্বাধিক পঠিত
  • জিয়াউর রহমান বাকশালের সদস্য হয়েছিলেন, দাবি ওবায়দুল কাদেরের

  • মূল্যস্ফীতি হ্রাসই লক্ষ্য

  • আম নিতে চায় রাশিয়া-চীন

  • ফের দুই দিনের হিট অ্যালার্ট জারি

  • উন্নয়ন রূপকল্পের অন্যতম পথিকৃৎ শেখ হাসিনা : ধর্মমন্ত্রী

  • ধর্মান্ধরা সমাজকে পিছিয়ে নিয়ে যাচ্ছে: ভূমিমন্ত্রী

  • অন্য দেশের সঙ্গে প্রদর্শনী বাড়ালে সাংস্কৃতিক সম্পর্ক জোরদার হয়

  • রাজধানীতে ‘কক্সবাজার এক্সপ্রেসের’ বগি বিচ্ছিন্ন

  • নির্বাচনের জন্য ট্যুরিস্ট ভিসাতে ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা দিলো ভারত

  • ৩০ ব্যাংকের এমডি যাচ্ছেন যুক্তরাষ্ট্রে

  • নোংরা পরিবেশে তৈরি হচ্ছিলো রাফসানের ব্লু ড্রিংকস

  • জার্মানিতে আবাসিক ভবনে বিস্ফোরণ, নিহত ৩

  • খারকিভে ‘কঠিন লড়াই’ চলছে: জেলেনস্কি

  • সব ধরনের জঙ্গি-সন্ত্রাসবাদ পুলিশের নিয়ন্ত্রণে: আইজিপি

  • জনগণের উন্নয়ন, মির্জা ফখরুলসহ বিএনপির সহ্য হচ্ছে না: আইনমন্ত্রী

  • রোহিঙ্গা ক্যাম্পের মূর্তিমান আতঙ্ক সন্ত্রাসী গোষ্ঠী আরসা: র‌্যাব

  • বাংলাদেশের গ্রামের অর্থনীতি পাল্টে গেছে : প্রধানমন্ত্রী

  • ৬ তারিখে বাজেট দেব, বাস্তবায়নও করব : প্রধানমন্ত্রী

  • চৌদ্দগ্রামে যাত্রীবাহী বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ৫ জনের মৃত্যু

  • দেশকে এগিয়ে নিতে অর্থনীতিবিদদের সহযোগিতা চান প্রধানমন্ত্রী

  • ১৭ মে বাংলাদেশের মানুষের হৃদয়ে গাঁথা থাকবে : আইনমন্ত্রী

  • শেখ হাসিনা গণতন্ত্রকামী মানুষের নেতা : খাদ্যমন্ত্রী

  • টানা ৫ দিন বেনাপোল দিয়ে আমদানি-রপ্তানি বন্ধ

  • দুধ দিয়ে গোসল করানো হলো নাবিক সাব্বিরকে

  • রোহিঙ্গা ক্যাম্পের মূর্তিমান আতঙ্ক সন্ত্রাসী গোষ্ঠী আরসা : র‌্যাব

  • শনিবার থেকে বৃষ্টি হতে পারে

  • শেখ হাসিনাকে অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রীর অভিনন্দন

  • ইসরায়েলি হামলায় এখন পর্যন্ত ৩৫ হাজারের বেশি ফিলিস্তিনি নিহত

  • বেদনানাশক নিয়ে খেলবেন তাসকিন

  • শাহরুখ-অমিতাভদের বিরুদ্ধে মামলার আবেদন খারিজ

  • লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে বেশি বোরো উৎপাদন

  • অতীত ভুলে সামনে তাকাতে চায় যুক্তরাষ্ট্র

  • এসএসসিতে গড় পাসের হার ৮৩.০৪ শতাংশ

  • ফেল করেছে বলে গালমন্দ করবেন না : অভিভাবকদের প্রধানমন্ত্রী

  • অবৈধ অভিবাসী প্রত্যাবাসনে বাংলাদেশকে ‘নিরাপদ’ ঘোষণা ইতালির

  • ‘স্বচ্ছতা নিশ্চিতে ইলেকট্রনিক সরকারি ক্রয় চালু’

  • কূটনৈতিক মিশন খুলতে সম্মত বাংলাদেশ-আয়ারল্যান্ড

  • ঘরে বসেই হজযাত্রীরা পাবে প্রাক-নিবন্ধন রিফান্ডের টাকা

  • ডাবের পানির বিকল্প হিসেবে যে পানীয় পান করতে পারেন

  • জিপিএ-৫ ও পাসের হারে এগিয়ে মেয়েরা

  • ডেঙ্গু ঠেকাতে এবার মাস্টারপ্ল্যান

  • সামাজিক নিরাপত্তাবেষ্টনীর আওতা বাড়ছে বাজেটে

  • কিশোর গ্যাংয়ে জড়ানোর কারণ খুঁজতে হবে : শেখ হাসিনা

  • জুন-জুলাইয়ে হতে পারে প্রধানমন্ত্রীর তিন গুরুত্বপূর্ণ সফর

  • ‘ধানের ন্যায্য মূল্য নিশ্চিত করতে কৃষক অ্যাপ চালু করা হয়েছে’

  • নিউ ইয়র্ক বাংলা বইমেলায় দশ হাজার নতুন বই

  • ‘মা দিবসে মাকে দেওয়া আমার শ্রেষ্ঠ উপহার জিপিএ-৫’

  • পায়রা বন্দরে প্রথমবারের মতো ভিড়লো বিদেশি জাহাজ

  • ম্যাংগো স্পেশাল ট্রেন এবার চলবে পদ্মা সেতু দিয়ে

  • ‘ডোনাল্ড লু সম্পর্ক এগিয়ে নিতে বাংলাদেশ সফরে আসছেন’

  • বিশ্বাসের ঘাটতি হটিয়ে সম্পর্ক দৃঢ় করতে চায় যুক্তরাষ্ট্র

  • ইলিশের মণ লাখ টাকা

  • নভেম্বর-ডিসেম্বরে ওয়েস্ট ইন্ডিজে সফরে যাবে বাংলাদেশ

  • কোরবানির চামড়ার ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করবে সরকার

  • ‘বিএনপি যে কখন তাবিজ-দোয়ার ওপর ভর করে সেটিই প্রশ্ন’

  • ‘জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় বাংলাদেশের পাশে থাকবে যুক্তরাষ্ট্র’

  • ১৭ মে : জননেত্রীর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন এবং দেশের অগ্রযাত্রা

  • এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের ভাতা বাড়ানোর প্রক্রিয়া শুরু

  • ‘বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক আরও ঘনিষ্ঠ করতে চায় যুক্তরাষ্ট্র’

  • ‘নারীবান্ধব শিক্ষানীতির কারণে মেয়েরা পাসের হারে এগিয়ে’