শুক্রবার   ০৭ আগস্ট ২০২০

ব্রেকিং:
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোর বার্ষিক ছুটি ৭৫ দিন আগামী মার্চে ঢাকা উত্তর সিটির ভোটের ইঙ্গিত সিইসির জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় পরিদর্শনে প্রধানমন্ত্রী আস্থা ভোটে টিকে গেলেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী থেরেসা মে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে নেপালের বিদায়ী রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ খালেদার অনুপস্থিতিতেই কারাগারে বিচার চলবে রব ও মান্নার বিয়ে যুক্তফ্রন্টে, পরকীয়া ঐক্যফ্রন্টে: মাহী এটা জোট নয়, ঘোট : তথ্যমন্ত্রী যুক্তরাষ্ট্রে রাজনৈতিক আশ্রয় পেলেন সিনহা আবারও সরকার গঠনে নৌকায় ভোট দেয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর পদ্মা সেতু প্রকল্পের নামফলক উন্মোচন করলেন প্রধানমন্ত্রী
২৮৮

যেভাবে ফিরিয়ে আনা হলো ২৩ প্রজাতির মাছ

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: ২৫ জুলাই ২০২০  

সরকারের বহুমুখী পদক্ষেপে দেশের জলাশয়গুলোতে গত এক যুগে মাছের উৎপাদন বেড়েছে দ্বিগুণের বেশি। এর ফলে মৎস্য উৎপাদন বৃদ্ধির ক্ষেত্রে বিশ্বে তৃতীয় থেকে দ্বিতীয় স্থানে উঠে এসেছে বাংলাদেশ। জানা গেছে, সরকারের নানাবিধ প্রকল্পের কারণে দেশে নদ-নদীর প্রাকৃতিক দূষণ অনেকাংশে হ্রাস পেয়েছে। ফলে কিছুটা হলেও ভারসাম্য ফিরেছে প্রকৃতিতে। এতে দেশে প্রাকৃতিক ও বাণিজ্যিক চাষ উভয়ভাবেই বেড়েছে মাছের উৎপাদন। এর ফলে, বাংলাদেশে গত এক দশকে 'বিলুপ্ত প্রায়' মুখ থেকে ফিরে এসেছে এমন দেশি মাছের সংখ্যা বেড়েছে।

জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা এফএও'র ২০২০ সালের বার্ষিক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই মুহূর্তে মিঠা পানির মাছের উৎপাদনে বাংলাদেশ বিশ্বে তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে। বছরে ৯ শতাংশ হারে বাড়ছে বাংলাদেশের মিঠা পানির মাছের উৎপাদন। এ হারে প্রথম স্থানে থাকা ইন্দোনেশিয়ায় ১২ শতাংশ হারে উৎপাদন বাড়ছে মিঠা পানির মাছের উৎপাদন।

সম্প্রতি প্রকাশিত 'দ্য স্টেট অব দ্য ওয়ার্ল্ড ফিশারিজ অ্যান্ড অ্যাকোয়াকালচার ২০২০' নামে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মিঠা পানির মাছের উৎপাদন বাড়ার ক্ষেত্রে বাংলাদেশ এখন বিশ্বে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে। সরকারি হিসাবে দেখা গেছে, বাংলাদেশে এখন প্রতি বছর প্রায় ৪৫ লাখ মেট্রিক টনের বেশি মাছ উৎপন্ন হচ্ছে। তবে এর বড় অংশটি ইলিশ। 

বাংলাদেশে দেশীয় মাছের প্রজাতির সংখ্যা প্রায় ৩০০। এর মধ্যে বিলুপ্তির পথে ১০০র বেশি দেশীয় মাছ থাকলেও সেগুলোকে আনুষ্ঠানিকভাবে বিলুপ্ত ঘোষণা করা হয়নি। প্রকৃতি সংরক্ষণ বিষয়ক আন্তর্জাতিক সংস্থা আইইউসিএন'এর এ সংক্রান্ত নিয়ম হচ্ছে, সর্বশেষ কোন একটি প্রজাতির মাছের দেখা পাবার পরবর্তী ২৫ বছরে যদি সেই প্রজাতির অস্তিত্বের কোন প্রমাণ না পাওয়া যায়, তাহলে সেটিকে বিলুপ্ত ঘোষণা করা হয়। যে কারণে বিলুপ্ত ঘোষণা না হলেও বহু দেশীয় মাছই এখন আর দেখা যায় না। তবে দেশের মৎস্য বিজ্ঞানীরা অনেক বিলুপ্ত প্রায় প্রজাতির দেশি মাছের আধুনিক চাষ পদ্ধতি উদ্ভাবন করতে সক্ষম হয়েছেন এবং চাষিরা সেগুলো উৎপাদন করে লাভবান হচ্ছেন বলে ওই মাছগুলো বিলুপ্তির হাত থেকে রক্ষা পেয়েছে।

গবেষকেরা বলছেন, 'বিলুপ্ত প্রায়' অবস্থা থেকে প্রাকৃতিক উপায়ে মাছের ফিরে আসার ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় অগ্রগতি হয়েছে হাওড় এলাকা এবং মেঘনা নদীর অববাহিকায়। এর বাইরে গবেষণার মাধ্যমে ফেরানো হয়েছে কিছু প্রজাতির মাছ, যেগুলো এখন বাণিজ্যিকভাবে চাষ করা হয়।

বাঘাইড় মাছ

বাঘাইড় মাছ

বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইন্সটিটিউটের মহাপরিচালক ইয়াহিয়া মাহমুদ বলেছেন, মোট ২৩ প্রজাতির মাছ পুনরায় ফিরিয়ে আনা হয়েছে, এগুলো হচ্ছে- পাবদা, গুলশা, টেংরা, শিং, মাগুর, গুজি আইড়, চিতল, ফলি, মহাশোল, বৈরালী, রাজপুঁটি, মেনি, বালাচাটা, গুতুম, কুঁচিয়া, ভাগনা, খলিশা, বাটা, দেশি সরপুঁটি, কালিবাউশ, কই,  গজার ও গনিয়া। 

এর বাইরে প্রাকৃতিক উপায়েও মাছের উৎপাদন বেড়েছে, মূলত হাওড় অঞ্চল এবং মেঘনা নদীর অববাহিকায়। ওইসব এলাকায় রিটা, আইড়, বাঘাইড়, নদীর পাঙ্গাস, শিলন, চিতল এবং দেশি সরপুঁটি মাছের সংখ্যা বহুগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে বলে জানিয়েছে বেসরকারি সংস্থা ওয়ার্ল্ড ফিস।

মৎস্য গবেষণা ইন্সটিটিউটের মহাপরিচালক ইয়াহিয়া মাহমুদ বলেছেন, প্রজনন ও চাষাবাদ কৌশল উদ্ভাবনের মাধ্যমে এই ২৩টি প্রজাতির মাছকে পুনরায় ফিরিয়ে আনা হয়েছে।

এখন আরো ৭টি প্রজাতি নিয়ে গবেষণা চলছে। তিনি জানিয়েছেন, বাংলাদেশে এই মুহূর্তে ৮০০ হ্যাচারিতে মাছের পোনা চাষ করা হয়, ২০০৮ সালে দেশে হ্যাচারির সংখ্যা ছিল ২৫ টির মতো। বাংলাদেশে গত কয়েক দশকে হাওড়-বাঁওড়, খাল, বিল, পুকুরসহ জলাশয়ের সংখ্যা বহুলাংশে সংকুচিত হয়ে গেছে। ফলে হারিয়ে যাচ্ছিল মিঠা পানির মাছের বহু প্রজাতি। ফলে গবেষণার মাধ্যমে সেগুলো আবার ফিরিয়ে আনার চেষ্টা শুরু হয়, যার ফল এখন বাজারে গেলে টের পাওয়া যায়। একেকটি মাছের প্রজাতি নিয়ে গবেষণায় সাফল্য পেতে অন্তত আড়াই থেকে তিন বছর সময় লেগেছে। পুনরায় ফিরিয়ে আনা মাছগুলো বাণিজ্যিকভাবে চাষাবাদ হচ্ছে।

বাণিজ্যিকভাবে চাষাবাদ হওয়া মাছের মধ্যে পুকুর ও ডোবার মত বদ্ধ জলাশয়ে ৫৭ শতাংশ মাছ উৎপাদন হচ্ছে। দেশে ৮ লাখ হেক্টর বদ্ধ জলাশয়ে মাছ চাষ হয়।

বেসরকারি সংস্থা ওয়ার্ল্ড ফিসের কর্মকর্তা বলরাম মহালদার বলেছেন, দেশের হাওড় এবং উজানে প্রাকৃতিকভাবে গত এক দশকে মাছের উৎপাদন বহুলাংশে বৃদ্ধি পেয়েছে। এর কারণ হিসেবে তিনি বলেছেন, হাওড় এলাকায় জলাশয় ইজারা দেবার সরকারি পদ্ধতি বাতিল হবার কারণে এ অগ্রগতি হয়েছে।

তিনি জানান, ইজারা পদ্ধতি চালু থাকাকালে জলাশয়ের ব্যবহারকারীদের দায়িত্বজ্ঞানহীন কিছু আচরণ যেমন- মৌসুম শেষে জলাশয়টি পুরোপুরি সেচে ফেলা, রাসায়নিক ব্যবহার এসব কারণে মাছের প্রাকৃতিক আবাস ভীষণ ক্ষতিগ্রস্ত হত।

তিনি জানান, এখন নতুন নিয়মে কোন নির্দিষ্ট কম্যুনিটি একটি জলাশয়ের দায়িত্ব পায়, সেখানে মাছের আবাস ও উৎপাদন স্থিতিশীল রাখার জন্য সরকারের দেয়া নিয়মাবলী মানা হচ্ছে কিনা তা মনিটর করা হয়। এর ফলেই মাছের আবাসস্থল বা হ্যাবিটাট অটুট থাকছে, ফলে মাছের প্রজনন নির্বিঘ্নে হতে পারছে।

মহালদার জানান, এর বাইরে মাছের জন্য অভয়াশ্রম করা হয়েছে অনেক এলাকায়, হাওড় এলাকায় পুনরায় খনন করে মাছের আবাসস্থল ফেরানো হয়েছে কোন কোন এলাকায়। এছাড়া ইলিশ সংরক্ষণের জন্য বছরে কয়েকটি সময় যে মাছ ধরায় নিষেধাজ্ঞা দেয়া হয়, তার ফলে কেবল ইলিশই বাঁচে না। ওই একই আবাসস্থলে থাকা রিটা এবং আইড়ের মত মাছও সুরক্ষা পাচ্ছে। যেমন একটি নির্দিষ্ট সময় ইলিশ ডিম ছাড়ছে এবং বাচ্চা ফুটছে মানে প্রচুর জাটকা হচ্ছে, এই জাটকা আবার রিটা এবং আইড়ের প্রধান খাবার। কিন্তু ইলিশের উৎপাদন ব্যাপক হারে হচ্ছে বলে, রিটা এবং আইড় মাছের পেটে অনেক জাটকা চলে যাবার পরেও সব কটি মাছের উৎপাদন বাড়ছে।

ইলিশ গবেষক ও মৎস্য বিজ্ঞানী চাঁদপুর মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. আনিছুর রহমান বলেন, এ বছর নদীতে মাছের খাবার ভালো রয়েছে। সব স্থানের জলাশয়ে খাদ্য প্রচুর থাকায় ইলিশসহ সব মাছ দ্রুততার সঙ্গে বাড়ছে। করোনাসহ বিভিন্ন কারণে নদীর প্রাকৃতিক পরিবেশ উন্নত হওয়ায় এমনটি হয়েছে। এরকম দূষণমুক্ত পরিবেশ বহু বছর পরে লক্ষ্য করা গেছে। ইলিশ উৎপাদনে এ বছর পূর্বের সব রেকর্ড ভেঙে ঊর্ধ্বমুখী হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মৎস্যবিজ্ঞান বিভাগের প্রধান অধ্যাপক কানিজ ফাতেমা বলছেন, বর্তমানে মাছের উৎপাদন বৃদ্ধি নিঃসন্দেহে দেশীয় প্রোটিনের চাহিদা মেটাতে সাহায্য করছে। এই মুহূর্তে বাজারে যেসব মাছ পাওয়া যায় তার ৫৬ শতাংশই চাষের মাছ। ব্যাপক হারে চাষাবাদ হবার কারণে এসব মাছের দামও এখন সাধারণ মানুষের নাগালের মধ্যে, ফলে একদিকে দেশীয় উদ্যোক্তাদের যেমন কর্মসংস্থান হচ্ছে, তেমনি অর্থনীতির উন্নয়নও হচ্ছে।

এখন এই দেশীয় প্রজাতির মাছের প্রত্যাবর্তন টিকিয়ে রাখা এবং আরো নতুন নতুন প্রজাতি ফিরিয়ে আনার চেষ্টা অব্যাহত রাখতে হবে বলে তিনি মনে করেন। আর সেজন্য গবেষণা আরো বাড়াতে হবে।

এদিকে, সরকারের প্রচেষ্টায় ভারত ও মিয়ানমারের সঙ্গে শান্তিপূর্ণভাবে বঙ্গোপসাগরের ১ লাখ ১৮ হাজার ৮১৩ বর্গকিলোমিটার সামুদ্রিক সম্পদের ওপর বাংলাদেশের নিরঙ্কুশ অধিকার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। এ সুযোগ কাজে লাগিয়ে বর্তমান উৎপাদন দ্বিগুণ করার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। ৪৭৫ প্রজাতির সামুদ্রিক মাছের মধ্যে মাত্র ২৫-৩০ প্রজাতির মাছ ও চিংড়ি–কাঁকড়া বাণিজ্যিকভাবে আহরণ করছে জেলেরা। সরকার সঠিক ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে উৎপাদন বাড়াতে প্রচেষ্টা চালাচ্ছে।

তথ্যসূত্র: বিবিসি বাংলা ও ডেইলি বাংলাদেশ

আরও পড়ুন
জাতীয় বিভাগের সর্বাধিক পঠিত
  • প্রথম দর্শনেই বঙ্গবন্ধুকে শিক্ষক হিসেবে গ্রহণ করলাম

  • ইয়ুথ ডেভেলপমেন্ট ইনডেক্স চূড়ান্ত

  • শেখ ফজিলাতুন্নেছার জন্মদিনে দেয়া হবে সেলাই মেশিন

  • করোনা রোগীর সহায়তায় বিমান বাহিনীর জরুরি পরিবহন সেবা

  • স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের আরো দুইজন অতিরিক্ত সচিবকে বদলি

  • চাল আমদানির অনুমতি দিলো সরকার

  • ক্রয় আদেশ ফিরছে, পোশাক খাতে স্বস্তি

  • দেয়াল চিত্রে বঙ্গবন্ধুর সংগ্রাম ও বাংলাদেশের স্বাধীনতা

  • করোনা সংকটেও বিনিয়োগের সুযোগ আছে: প্রধানমন্ত্রী

  • করোনায় ধাক্কার পাশাপাশি সুযোগও সৃষ্টি হয়েছে : প্রধানমন্ত্রী

  • কোভিড-১৯ নমুনা সংগ্রহ ও টেস্ট বৃদ্ধিতে আসছে নতুন কর্মপরিকল্পনা

  • শেখ কামালের জন্মদিনে বরগুনায় মেধাবীদের শিক্ষা সহায়তা

  • লেবাননে খাদ্য ও মেডিকেল সামগ্রীসহ মেডিকেল টিম পাঠাচ্ছে বাংলাদেশ

  • করোনা মোকাবিলায় বাংলাদেশকে ৩২ কোটি ডলার ঋণ সহায়তা দেবে জাপান

  • রাঙামাটিতে বহুল প্রত্যাশিত পিসিআর ল্যাবের উদ্বোধন

  • শ্রদ্ধা আর ভালোবাসায় শেখ কামালকে স্মরণ

  • কৃষির উন্নয়ন হলে অর্থনীতির চাকা গতি পাবে: কৃষিমন্ত্রী

  • সোশ্যাল মিডিয়ায় অস্থিরতা ছড়ালে ব্যবস্থা: তথ্যমন্ত্রী

  • শেখ হাসিনাকে জাপান প্রধানমন্ত্রীর ফোন

  • আলোকিত হচ্ছে মেঘনার বিচ্ছিন্ন দ্বীপ নুনেরটেক

  • বরিশালে কীটনাশক বিহীন ধান চাষে সাফল্য

  • সঙ্কট কাটিয়ে ঘুরে দাঁড়াচ্ছে পোশাক খাত

  • টেকনাফের প্রত্যাহারকৃত ওসি প্রদীপ গ্রেফতার

  • করোনাকালে বাংলাদেশে বিনিয়োগের সুযোগ তৈরি হয়েছে: প্রধানমন্ত্রী 

  • পণ্য রপ্তানিতে চট্টগ্রাম বন্দরে নতুন রেকর্ড

  • কবিগুরুর প্রয়াণ দিবস আজ

  • ৩১ আগস্ট রায়হান কবিরকে দেশে পাঠাবে মালয়েশিয়া

  • উদ্যোক্তা তৈরিতে ব্যাংকগুলোকে এগিয়ে আসার আহ্বান কৃষিমন্ত্রীর

  • ‘ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দুতে থেকেও শেখ কামাল ছিলেন অতি সাধারণ’

  • কক্সবাজার থেকে সাতক্ষীরা পর্যন্ত হচ্ছে সুপার ড্রাইভওয়ে

  • বাংলাদেশ-ভারত অর্থনৈতিক সহযোগিতার ক্ষেত্রে নতুন মাইলফলক

  • বিশ্ব-গণমাধ্যম এবং রাষ্ট্রনায়কদের চোখে বঙ্গবন্ধু

  • মানব পাচার রোধে বাংলাদেশের পদক্ষেপের প্রশংসা

  • ইলিশ আহরণে ছাড়াবে রেকর্ড, অপেক্ষা আর দু-একদিন

  • ৬৫ হাজার প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শুরু হচ্ছে মিড-ডে মিল কার্যক্রম

  • পণ্য রপ্তানিতে চট্টগ্রাম বন্দরে নতুন রেকর্ড

  • কর্ণফুলী টানেলের বাম সারির কাজ সম্পন্ন

  • শিমুলিয়ায় আরেকটি ফেরিঘাট হবে

  • দেশের ইতিহাসের সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স জুলাইয়ে

  • তুলার উৎপাদন বাড়াতে ৬৪ কোটি টাকার প্রকল্প

  • বন্যার্তদের পাশে দাঁড়াতে বিত্তবানদের প্রতি আহ্বান রাষ্ট্রপতির

  • হবিগঞ্জে লেবুর বাম্পার ফলন হয়েছে

  • সিনহা রাশেদ খানের মাকে প্রধানমন্ত্রীর ফোন, বিচারের আশ্বাস

  • বরিশালে ইলিশে রেকর্ড, চিংড়িতে সম্ভাবনা

  • জরুরি প্রয়োজন ছাড়া রাত ১০টার পর বাইরে না যাওয়ার নির্দেশনা

  • বাঁধ সুরক্ষায় কক্সবাজার থেকে সাতক্ষীরা পর্যন্ত সুপার ড্রাইভওয়ে

  • পাটের বাম্পার ফলন কৃষকের মুখে সোনালী হাসি

  • বঙ্গবন্ধুকে দাবায়ে রাখা যায়নি

  • অনলাইনে কোরবানির পশু বিক্রির রেকর্ড

  • ‘ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দুতে থেকেও অতি সাধারণ ছিলেন শেখ কামাল’

  • সরকার দুর্গতদের পাশে আছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

  • ঈদের পর সচল হচ্ছে অর্থনীতির সব চাকা

  • কোরবানির বর্জ্য অপসারণে নগরবাসীর স্বস্তি

  • বৈরুতে বিস্ফোরণে এক বাংলাদেশি নিহত

  • রেমিট্যান্সের পর রফতানি বাণিজ্যে ফিরেছে সুদিন

  • কোরবানি বর্জ্যমুক্ত ঘোষণা করলো ডিএনসিসি

  • সৌদি আরবে বাংলাদেশিদের জন্য জরুরি দুই ঘোষণা

  • বঙ্গবন্ধুর নাম ভাঙিয়ে চাঁদাবাজি করলে ছাড় নয়: কাদের

  • করোনা রোগীদের বাড়ি বাড়ি ফল নিয়ে যাচ্ছে ছাত্রলীগ

  • বন্যায় এ পর্যন্ত ৯ হাজার ২২১ টন চাল বিতরণ করেছে সরকার