সোমবার   ১৮ জানুয়ারি ২০২১

সর্বশেষ:
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোর বার্ষিক ছুটি ৭৫ দিন আগামী মার্চে ঢাকা উত্তর সিটির ভোটের ইঙ্গিত সিইসির আস্থা ভোটে টিকে গেলেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী থেরেসা মে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় পরিদর্শনে প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রপতির সঙ্গে নেপালের বিদায়ী রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন করতে ইসি প্রতিজ্ঞাবদ্ধ: নূরুল হুদা বারবার আসতে পারব না, যত খুশি সাজা দিন: খালেদা জিয়া ‘আকাশবীণার’ উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী ত্রিভুবনে আবারও বিমান দুর্ঘটনা ট্রেন-বাসের সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ২৫ ভুয়া ছবি দিয়ে অপপ্রচার চালাচ্ছে মিয়ানমার: প্রধানমন্ত্রী
৫০

মানবাধিকারে ইউরোপকে পেছনে ফেলেছে বাংলাদেশ

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: ১৩ জানুয়ারি ২০২১  

আন্তর্জাতিক মিডিয়াগুলোর শরণার্থী বিষয়ক একটি খবর সারা বিশ্বের মানুষের বিবেককে নাড়া দিয়েছে। চারদিকে বরফ, ঠান্ডায় জমে যাওয়ার অবস্থা, তার মধ্যেই বসনিয়ার উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলীয় শহর বিহাকের পরিত্যক্ত বিভিন্ন ভবনে আশ্রয় নিয়েছেন শত শত শরণার্থী। তারা অপেক্ষায় আছেন হয়ত কোনো এক সময় সীমান্ত পেরিয়ে ইউরোপীয় ইউনিয়নের দেশ ক্রোয়েশিয়ায় ঢুকে পড়ার সুযোগ মিলে যাবে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পাশের দেশ মেক্সিকোর সীমান্তেও একই আবস্থা। শত শত শরণার্থী ওই দেশে প্রবেশের জন্য দিনের পর দিন সীমান্ত এলাকার বন জঙ্গলে লুকিয়ে থাকেন। কারণ আমেরিকা ও ইউরোপের দেশগুলো মুখে মানবাধিকারের কথা বললেও বাস্তবে বিপন্ন শরণার্থীদের আশ্রয় দেন না। পক্ষান্তরে বাংলাদেশ ১১ লাখ রোহিঙ্গা শরণার্থীদের আশ্রয় দিয়ে বিশ্বে মানবাধিকারের দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে।

মিয়ানমারের সেনাদের পরিকল্পিত আক্রমণে ২০১৭ সালের ২৫ আগস্ট থেকে ৭ লক্ষ রোহিঙ্গা উদ্বাস্তু প্রাণভয়ে বাংলাদেশে পালিয়ে আসতে বাধ্য হয়েছেন। এর আগেও এসেছেন আরো কয়েক লাখ। সব মিলিয়ে ১১ লাখ শরণার্থী বাংলাদেশে রয়েছে। শরণার্থীদের আশ্রয় দিতে কক্সবাজারে জেলার হাজার হাজার কোটি টাকার বন-পাহাড় নষ্ট করে রোহিঙ্গাদের থাকার ব্যবস্থা করেছে। ভাসানচরে শত কোটি টাকা খরচ করে রোহিঙ্গাদের থাকা খাওয়ার ব্যবস্থা করেছে। অথচ জাতিসংঘ, আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান রাইটস ওয়াচ, ইউরোপের দেশগুলো ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের রোহিঙ্গাদের ভাসানচরে নেয়ার বিরোধিতা করছেন। নিজেরা শরণার্থীদের নিজ দেশে প্রবেশ করতে দিচ্ছে না অথচ বাংলাদেশের শরণার্থীদের নিয়ে মায়াকান্না করছে।

আয়নালের কথা মনে আছে? শিশু আয়নাল সিরিয়ার যুদ্ধের সময় বাবার সঙ্গে জীবন বাঁচাতে ইউরোপ যাওয়ার চেষ্টা করেছিল। সাগরের তীরে মুখথুবড়ে পড়েছিল লালজামা পরা আয়নারের নিথর দেহ। আয়নালের সাগরে মারা যাওয়ার দৃশ্য আন্তর্জাতিক মিডিয়ায় প্রচার হওয়ায় তোলপাড় শুরু হয়। কিন্তু মিয়ানমার থেকে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গাদের তেমন পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হয়নি। বাংলাদেশের সরকার ও সাধারণ মানুষ বিপন্ন রোহিঙ্গাদের পাশে দাঁড়িয়েছে।

জানতে চাইলে রাষ্ট্রবিজ্ঞানী ড. নুরুল আমিন ব্যাপারী বলেন, বাংলাদেশে আইনের শাসন দুর্বল, জনগণের ভোটের অধিকার নেই এটা সত্য। কিন্তু মানবাধিকার রক্ষা ও মানবিকতায় বাংলাদেশ ইউরোপেকে পিছনে ফেলে দিয়েছে। 

জানা যায়, এশিয়া, মধ্যপ্রাচ্য আর উত্তর আফ্রিকার শরণার্থীদের বড় অংশ ইউরোপে গিয়ে বাঁচার চেষ্টা করছে। ইউরোপের ধনী দেশগুলোতে পৌঁছানোর চেষ্টায় তারা ২০১৮ সালের পর থেকে বসনিয়া হয়ে সীমান্ত পার হওয়ার ‘ট্রানজিট রুট’ ব্যবহার করছে। ইউরোপের দেশগুলো বিপন্ন মানুষকে যায়গা দিতে চাচ্ছে না। ফলে ইউরোপের সীমান্ত পার হওয়া ক্রমশ কঠিন হয়ে উঠেছে শরণার্থীদের জন্য। আর জাতিগত দ্বন্দে বিভক্ত দারিদ্র্যপীড়িত বসনিয়া সরকারের এই সঙ্কট সামাল দেয়ার মতো অবস্থা নেই। ফলে বহু মানুষের জন্য সেখানে আশ্রয়ের ব্যবস্থাও করা যায়নি।

রয়টার্সের খবরে শরণার্থীরা বলেছেন, ৬ মাস ধরে খোলা আকাশের নিচে কেউ বাসের মধ্যে বসবাস করছি। এখানে আমাদের দেখার কেউ নেই। এ জায়গা মোটেও নিরাপদ না। যারা সাহায্য করার নাম করে আমাদের এখানে আসে, তারা আমাদের জিনিসপত্র নিয়ে যায়, তারপর সেসব জিনিস বিহাকের শরণার্থী ক্যাম্পে, নয়ত অন্য কোথাও বিক্রি করে দেয়। এখানে আমাদের আর কিছুই নেই, প্লিজ, আমাদের সাহায্য করুন।

খবরে বলা হয়, এ মুহ‚র্তে বিভিন্ন দেশের আট হাজারের মতো শরণার্থী বসনিয়ায় আশ্রয় নিয়ে আছেন। তাদের মধ্যে সাড়ে ছয় হাজারের ঠাঁই হয়েছে রাজধানী সারাজেভো এবং ক্রোয়েশিয়া সীমান্ত লাগোয়া বসনিয়ার উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলীয় বিভিন্ন ক্যাম্পে। ইউরোপীয় ইউনিয়নের পররাষ্ট্র বিষয়ক প্রধান জোসেপ বোরেল গত সোমবার বসনিয়ার প্রেসিডেন্টের দায়িত্বে থাকা সার্ব নেতা মিলোরাদ দোদিকের সঙ্গে টেলিফোনে এ চিত্র তুলে ধরেন। তিনি শরণার্থীদের আরো বেশি মানবিক সহায়তা দিতে আরো বেশি আশ্রয়কেন্দ্র খোলার কথা বলেন। 

তিনি জানান, শরণার্থীদের একটি বড় অংশ এসেছে বিভিন্ন মুসলমান প্রধান দেশ থেকে। বসনিয়ার সার্ব ও ক্রোয়েট অধ্যুষিত এলাকা তাদের আশ্রয় দিতে রাজি নয়। বোরেলের অফিসের এক বিবৃতিতে বলা হয়, এই শরণার্থীদের মানবিক সহায়তা দিতে ব্যর্থ হলে তা বসনিয়া-হার্জেগোভিনার ভাবমূর্তির জন্য ভালো কিছু হবে না।

বাইরে তুষারপাত হচ্ছে, অথচ তাদের অনেকের পায়ে দেখা গেল কেবল প্লাস্টিকের স্লিপার। পরিত্যক্ত ওই ভবনের নোঙরা কংক্রিটের মেঝের ওপরই তাদের ঘুমাতে হয়। শাহবাজ খান নামে আফগানিস্তানের এক নাগরিক (শরণার্র্র্থী) বললেন, জীবন এখানে বড়ই কঠিন।

বসনিয়ার শরণার্থী ক্যাম্পগুলো পরিচালনার দায়িত্বে থাকা আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা (আইওএম) বলেছে, তাদের ভ্রাম্যমাণ টিম বিহাক সীমান্তের কাছে নব্বইয়ের দশকের যুদ্ধে বিধ্বস্ত ও পরিত্যক্ত বিভিন্ন ভবনে আশ্রয় নিয়ে থাকা হাজার খানেক শরণার্থীকে সাহায্য দেয়ার চেষ্টা করে যাচ্ছে। তবে তাদের নিয়মিত খাবার দেয়া যাচ্ছে না। সেখানে চিকিৎসা সেবারও সুযোগ নেই বলে জানিয়েছেন আইওএম এর ক্যাম্প ম্যানেজার ও সমন্বয়ক নাতাশা ওমেরোভিক। মূলত গত সপ্তাহে ২৬ কিলোমিটার দূরে লিপা সামার ক্যাম্পে আগুন লাগিয়ে দেয়া হলে প্রায় ৯০০ শরণার্থী এই শীতের মধ্যে আশ্রয়হীন হয়ে পড়েন।

বিপন্ন মানুষের পাশে দাঁড়ানোর ক্ষেত্রে বাংলাদেশের চিত্র অন্যরকম। ১৯৬২ সালে বার্মাতে সেনা শাসনের শুরুর পর থেকেই রোহিঙ্গাদের ওপর নানা প্রকার অত্যাচার অব্যাহত থাকে। ১৯৭৪ সালের জাতীয় নির্বাচনে রোহিঙ্গাদেরকে ভোটাধিকার দেয়া হয়নি। ১৯৭৮ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে প্রায় ২ লক্ষাধিক রোহিঙ্গা রাখাইন থেকে বাংলাদেশে পালিয়ে আসেন বর্মী সেনাদের বর্বর হামলার কারণে। তাদের বাংলাদেশ আশ্রয় দেয়। ১৯৮২ সালে মিয়ানমারের সরকারিভাবে রোহিঙ্গাদের নাগরিকত্ব হরণ করা হয় এবং রোহিঙ্গারা একটি রাষ্ট্রহীন গোষ্ঠীতে পরিণত হন। তখন থেকেই রোহিঙ্গারা বাংলাদেশে অনায়াসে প্রবেশ করে জীবন যাপন করছে বিনা বাধায়।

‘হিউম্যান রাইটস ওয়াচ’ অত্যাধুনিক স্যাটেলাইট তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণ করে প্রমাণ করতে সক্ষম হয়েছে যে ২০১৭ সালে রাখাইনে মাত্র দুই মাসের ব্যবধানে প্রায় ৩০০ রোহিঙ্গা গ্রাম আগুনে জ্বালিয়ে পুড়িয়ে দেয়া হয়েছে। যা আধুনিক যুগের সংঘঠিত সংখ্যালঘু আক্রমণ এবং জাতিগত নিধনের এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে। প্রাণে বাঁচিয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নিতে গিয়ে শত শত রোহিঙ্গা শিশু এবং নারী নাফ নদীতে ডুবে মারা গিয়েছেন। শুধুমাত্র মিয়ানমারেই প্রায় ১০ হাজার রোহিঙ্গা প্রাণ হারিয়েছেন।

জাতিগতভাবে মুসলিম হওয়াতে বৌদ্ধ সংখ্যাগরিষ্ঠ মিয়ানমারের রাখাইন প্রদেশে রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠী শুধুমাত্র যে মিয়ানমার- সেনা বাহিনীর হাতে নিগৃহীত হয়েছে তাই নয়; বরং বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বী সমাজের একটি শ্রেণী থেকেও রোহিঙ্গারা গণহত্যা, ধর্ষণ, নির্যাতন এবং আক্রমণের শিকার হয়েছেন। সেই রোহিঙ্গাদের পাশে দাঁড়িয়েছে বাংলাদেশ। অথচ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের ধনীদেশগুলো মুখে মানবাধিকারের কথা বলে থাকেন। বাংলাদেশ ও ইউরোপের মধ্যে এই পার্থক্য পরিষ্কার হয়ে উঠেছে।

আরও পড়ুন
জাতীয় বিভাগের সর্বাধিক পঠিত
  • আরো ৩ দিন শৈত্যপ্রবাহ থাকবে

  • মাঘের শুরুতেই সারাদেশে বৃষ্টির সম্ভাবনা

  • ২০২১ আমার ক্যারিয়ারের জন্য অনেক গুরুত্বপূর্ণঃ আশিক খান চৌধুরী

  • এবার সিদ্ধ চালের আমদানি শুল্ক কমল

  • বিদ্যুৎ প্রকল্প বাড়িয়েছে মাতারবাড়ির জমির দাম

  • মাতারবাড়িতে গভীর সমুদ্রবন্দর স্থাপন সহজ করেছে বিদ্যুৎ প্রকল্প

  • মোদির ঢাকা সফর চূড়ান্তে দিল্লি যাচ্ছেন পররাষ্ট্র সচিব

  • করোনা ভ্যাকসিনঃ কোন ধাপে কারা টিকা পাবেন?

  • করোনা মোকাবিলায় ২৭০০ কোটি টাকার দুই প্যাকেজ অনুমোদন

  • বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে এগিয়ে যাওয়ার এক যুগ

  • বইমেলা হবে মাঠেই 

  • পাহাড়বাসীর দুর্ভোগ লাঘবে বিকল্প সড়ক নির্মাণে নেমেছে সেনাবাহিনী

  • করোনা মহামারির মাঝেও দেশের সর্বোচ্চ রেমিট্যান্সের রেকর্ড

  • রফতানিমুখী শিল্পখাতের আধুনিকায়নে হাজার কোটির তহবিল

  • জুলাই-ডিসেম্বরে রেমিটেন্স বেড়েছে ৩৮ শতাংশ

  • জনগণের কাছে সরকারি সেবা পৌঁছানোই ডিজিটাল বাংলাদেশের মূল দর্শন

  • গাইবান্ধায় ৮৪৬ ভূমিহীন পরিবার পাচ্ছে শেখ হাসিনার উপহার

  • সম্মিলিতভাবে কাজ করলে দারিদ্র্য থাকবে না: প্রধানমন্ত্রী

  • সবুজ শিল্পবিপ্লব, কর্মসংস্থান হবে ১৫ লাখ

  • বঙ্গভ্যাক্সের ট্রায়ালের অনুমতি চেয়ে আবেদন গ্লোব বায়োটেকের

  • শেখ হাসিনার সাহসী নেতৃত্বে উন্নয়ন ও অগ্রযাত্রার বিজয় হয়েছে: কাদের

  • করোনা মোকাবিলায় সরকারের আরো ২ হাজার ৭০০ কোটি টাকার প্রণোদনা 

  • শেখ হাসিনার মতো অতীতে কেউ এত উন্নয়ন করেননি: প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী

  • শিশুরা যেন চলচ্চিত্র থেকে অনুপ্রেরণা পায়: প্রধানমন্ত্রী

  • বাইডেনের শপথ কেন্দ্র করে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে সতর্কতা

  • চলচ্চিত্রের স্বর্ণালী দিন ফেরাতে বিশেষ তহবিল গঠন: তথ্যমন্ত্রী

  • বইমেলার তারিখ নির্ধারণ হয়নি: প্রতিমন্ত্রী

  • জঙ্গিবাদের মূলোৎপাটন করা হবে: আইজিপি

  • চলচ্চিত্রকে বিশ্ব দরবারে নিয়ে যেতে হবে: প্রধানমন্ত্রী 

  • বিজয়ীরা নিলেন জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার

  • রাজধানীতে যানজট নিরসনে নির্মাণ হচ্ছে ১৫টি ‘রেডিয়াল রোড’ 

  • করোনার টিকা আসছে ২৫ জানুয়ারির মধ্যে

  • বিদেশে রপ্তানি হচ্ছে যশোরের বাঁধাকপি 

  • দেশে মাসে ২৫ লাখ মানুষকে টিকা দেওয়ার পরিকল্পনা সরকারের

  • দেশের প্রথম মহাকাশ অবলোকন কেন্দ্র ফরিদপুরে

  • মুজিববর্ষে দেশের কোনো মানুষ গৃহহীন থাকবে না: প্রধানমন্ত্রী 

  • বিমান বহরে যুক্ত হচ্ছে নতুন ২টি উড়োজাহাজ

  • ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের জন্য নতুন তহবিল

  • দেশের লবণশিল্পকে আরও সমৃদ্ধ করতে স্বল্পসুদে ঋণ দিচ্ছে সরকার

  • মাত্র এক যুগেই দেশকে বদলে দিয়েছে সরকার

  • করোনা প্রতিরোধী নাকের স্প্রে তৈরি করলো বাংলাদেশি বিজ্ঞানীরা

  • বঙ্গবন্ধুর প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব গ্রহণ উপলক্ষে স্মারক ডাকটিকিট

  • ২০২৩ সালেই উৎপাদনে আসছে পটুয়াখালী তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র

  • বঙ্গবন্ধুর নামে ৪ দেশে ৫ স্কুল প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ

  • দেশের প্রথম সম্পূর্ণ স্বয়ংক্রিয় দুগ্ধ খামার রংপুরে

  • বাহরাইন দূতাবাসের বঙ্গবন্ধু কর্নার উদ্বোধন

  • ভাঙ্গায় হচ্ছে দেশের প্রথম মহাকাশ অবলোকন কেন্দ্র

  • একটি সিদ্ধান্তই বাংলাদেশের ভাবমূর্তি পরিবর্তন করে দিয়েছে

  • বারোমাসী আম বাগান করে স্বাবলম্বী গাইবান্ধার তিন তরুণ

  • মানিকগঞ্জে গৃহহীন ১১৫ পরিবার পাচ্ছে স্বপ্নের ঠিকানা

  • ‘ভারতীয় রেলের চেয়ে উন্নত হবে বাংলাদেশের রেলওয়ে’

  • তিনি তো ফিরে আসবেনই

  • বাংলাদেশকে এখন সারাবিশ্ব সম্মান করে: প্রধানমন্ত্রী

  • এখন থেকে মুঠোফোনে পৌছে যাবে সকল ভাতা-বৃত্তির টাকা

  • আওয়ামী লীগ সরকারে আছে বলেই দেশ স্বনির্ভর ও উন্নত হয়ে গড়ে উঠছে

  • অভিযোগ জানাতে নগরবাসী পেল ‘সবার ঢাকা’ অ্যাপ

  • লালমনিরহাটে বিমান তৈরি করা হবে : প্রধানমন্ত্রী

  • প্রধানমন্ত্রীর দোয়া নিলেন বঙ্গবন্ধু সিনেমার তারকারা

  • ঢাকা উত্তরে হচ্ছে ৩৬ ফুটওভার ব্রিজ, ৮টিতে সচল সিঁড়ি

  • মায়ের চরিত্রে দীঘিকে ভালোভাবে অভিনয় করতে বললেন প্রধানমন্ত্রী