সোমবার   ২৬ অক্টোবর ২০২০

সর্বশেষ:
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোর বার্ষিক ছুটি ৭৫ দিন আগামী মার্চে ঢাকা উত্তর সিটির ভোটের ইঙ্গিত সিইসির আস্থা ভোটে টিকে গেলেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী থেরেসা মে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় পরিদর্শনে প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রপতির সঙ্গে নেপালের বিদায়ী রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন করতে ইসি প্রতিজ্ঞাবদ্ধ: নূরুল হুদা বারবার আসতে পারব না, যত খুশি সাজা দিন: খালেদা জিয়া ‘আকাশবীণার’ উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী ত্রিভুবনে আবারও বিমান দুর্ঘটনা ট্রেন-বাসের সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ২৫ ভুয়া ছবি দিয়ে অপপ্রচার চালাচ্ছে মিয়ানমার: প্রধানমন্ত্রী
২২৫

মাটি ছাড়া শাক-সবজির চাষ

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২০  

বিশ্বের অন্যান্য দেশের মত আমাদের দেশের শহরে বসবাসকারী মানুষের কাছে জনপ্রিয় হয়ে উঠছে মাটি ছাড়া সবজি চাষ। অল্প সময়ে ঝামলেহীন এ উপায়ে শাক-সবজি চাষ করা যায়। এখন মাটিবিহীন ছোট পাত্রে উৎপাদন হচ্ছে টমেটো, লাকশাক, লাউ, লেটুস, লাউ, কাঁচামরিচ, ফুলকপি, বাঁধাকপি, শসা, খিরা, ক্যাপসিকাম, স্ট্রবেরি, মটরশুঁটিসহ নানা ফসল।

মাটি ছাড়া চাষাবাদের এই বিশেষ পদ্ধতির নাম হাইড্রোপনিক। গবেষকরা বলছেন, এ পদ্ধতিতে বাড়ির বারান্দা, ছাদ, উঠানে প্লাস্টিকের পট বা পলি টানেলে অধিক শস্য চাষ করে পারিবারিক চাহিদার অনেকাংশই পূরণ করা সম্ভব হবে। সেই সাথে অবসর সময়ও ভালো কাটে।

যেখানে স্বাভাবিক চাষের জমি কম বা জমি একেবারেই নেই, সেখানে পানিতে এ হাইড্রোপনিক পদ্ধতিতে চাষাবাদ করে প্রথমে সাফল্য পান বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের উদ্যানতত্ত্ব গবেষণা কেন্দ্রের কৃষিবিজ্ঞানীরা। তাদের দেখানো পথে এখন এটি ছড়িয়ে পড়ছে সারাদেশে। পানিতে চাষাবাদের এ পদ্ধতির কেতাবি নাম ‘হাইড্রোপনিক পদ্ধতি। ইউরোপ, আমেরিকা, জাপান, তাইওয়ান, চীন, থাইল্যান্ড, সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়া এবং প্রাচ্যের দেশগুলোতে বাণিজ্যিকভাবে হাইড্রোপনিক পদ্ধতিতে সবজি ও ফল উৎপাদন বেশ জনপ্রিয়।

Vagalabels-(1)

শহরের বাসিন্দাদের যাদের কোনো জমি নেই, তারা পলি টানেল, টব, বালতি, জগ, বোতল, পাতিল, প্লাস্টিকের থালায় অনায়াসে হাইড্রোপনিক পদ্ধতিতে সবজি, ফল ও ফুল উৎপাদন করতে পারবেন। তিনি জানান, এই চাষাবাদে কোনো কীটনাশক বা আগাছানাশক প্রয়োজন পড়ে না। অনায়াসে গড়ে তোলা যায় অরগানিক ফসলের সম্ভার।

সঞ্চালন পদ্ধতিতে গাছের অত্যাবশ্যকীয় খাদ্য উপাদানগুলো যথাযথ মাত্রায় মিশিয়ে একটি ট্যাঙ্কে নেওয়া হয় এবং পাম্পের সাহায্যে ট্রেতে পুষ্টি দ্রবণ সঞ্চালন করে ফসল উৎপাদন করা যায়। আর সঞ্চালনবিহীন পদ্ধতিতে ট্রেতে গাছের প্রয়োজনীয় খাদ্য উপাদান পরিমিত মাত্রায় সরবরাহ করে সরাসরি ফসল উৎপাদন করা হয়।

ছাদে লাল শাকের চাষ পদ্ধতি
মাটির চেয়ে হালকা জৈবপ্রযুক্তির এই মাধ্যমের জন্য প্রথমেই প্রয়োজন হবে কোকোমাস (নারিকেলের ছোবড়া) ও কোকোডাস্ট (নারিকেলের ছোবড়া থেকে পাওয়া গুঁড়া)। রাজধানীতে যারা বাস করছেন তারা কোকোডাস্ট পাবেন আগারগাঁওয়ের সব নার্সারিতে। পরিমাণে বেশি লাগে, তাই নিতে পারেন ৫০ কেজি ওজনের বস্তাভর্তি কোকোমাস। অন্যদিকে কোকোমাস পাওয়া যাবে লেপতোষক-জাজিম বানানোর দোকানে।

দোকান থেকে অল্প পরিমাণে কোকোডাস্ট নিলে তাতে খুদে জীবাণু বা ক্ষতিকর কোনো কিছুর উপস্থিতি থাকতে পারে। তাই তা শোধন করে নেওয়া ভালো। রাসায়নিকভাবে কৃষি পরীক্ষাগারে, গরম পানি ব্যবহার করে, সেদ্ধ করে কিংবা বালাই ও ছত্রাকনাশক ব্যবহার করে কোকোডাস্টের বিশুদ্ধতা আনা যায়।

Vagalabels

এবার বেড বা বিছানা তৈরির পালা। দৈর্ঘ্য হবে ১০ ফুট আর প্রস্থ ৩ ফুট। গভীরতা ৬ থেকে ৮ ইঞ্চি। চারপাশে পরপর ইট বিছিয়ে নিতে হবে। বেডের মাপ অনুযায়ী পলিথিন এমনভাবে বিছিয়ে নিতে হবে যাবে ইটও ঢাকা পড়ে। ইটের সঙ্গে সিমেন্টের প্রলেপ দিয়ে সংযোগের প্রয়োজন নেই। বৃষ্টির পানি জমে গেলে সহজেই ইট সরিয়ে পানি অপসারণ করা যাবে।

৬-৮ ইঞ্চি গভীরতার ক্ষেত্রে বেডের নিচের দেড় থেকে ২ ইঞ্চি অংশ কোকোমাস দিয়ে খুব আঁটসাঁটভাবে পূর্ণ করতে হবে। এবার ওপরের বাকি অংশ কোকোডাস্ট দিয়ে পূর্ণ করতে হবে।

বেড তৈরির সময়ই নাইট্রোজেন, পটাস, সালফারসহ প্রয়োজনীয় সব সার নির্দিষ্ট অনুপাতে মিশিয়ে দিতে হবে। সার মেশানোর ৪-৫ দিন পর শাকের বীজ বুনে দিন। সাধারণত পুঁইশাক, লালশাক, ডাটাশাক, পালংশাক, পাটশাক, লাউ, রাই বা সরিষা শাক থেকে শুরু করে ধনিয়া পর্যন্ত খুব ভালোভাবে চাষ করা যায়।

Vagalabels-(3)

একই বেডে একই বীজ একদিনে না বুনে পরপর তিন ধাপে তিন দিনে ফেললে শাক পর্যায়ক্রমে বেড়ে উঠবে। এতে অনেক দিন ধরে খাওয়া যাবে। পাখির হাত থেকে রক্ষা পেতে চারপাশে ও উপরে জাল টেনে দেওয়া যেতে পারে।

যেভবে যত্ন নেবেন
প্রতিদিন পানি দিতে হবে। প্রয়োজনে প্রতি সপ্তাহে অল্প সার দেওয়া যায়। মনে রাখতে হবে, অতিরিক্ত সার শাকের পাতা ঝলসে দিতে পারে, এমনকি গাছ মারাও যেতে পারে। তাই সার দেওয়ার ব্যাপারে সাবধান থাকতে হবে।

Vagalabels

যেসব কিছু সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে
নগরকৃষিতে সবার আগে পানির প্রাপ্যতা নিশ্চিত করতে হয়। আর এই মাধ্যমে তা আরও জরুরি। মাটির টবে ভুল করে দু-একদিন পানি দেওয়া না হলেও হয়তো গাছ টিকে থাকে। কিন্তু কোকোডাস্টের মাধ্যমে তা সম্ভব নয়। এ ক্ষেত্রে প্রতিদিন সকাল-বিকেল পানি দেওয়ার ব্যবস্থা করতে হয়। তবে ছাদেই যেহেতু পানির ট্যাংক থাকে, তাই সহজেই পাইপ দিয়ে পানির প্রাপ্যতা নিশ্চিত করা যায়।

নিচে পলিথিন থাকে বলে ছাদ ঘামতে পারে। নতুন ছাদের ক্ষেত্রে তেমন সমস্যা না হলেও পুরোনো ছাদের ক্ষেত্রে কিছুটা সমস্যা দেখা দিতে পারে। তাই প্রতি তিন মাস পরপর বা এক ফসল পর পলিথিনসহ বিছানো বেডের স্থান বদলে দিতে হবে।

বাংলার উন্নয়ন বিভাগের সর্বাধিক পঠিত
  • সেনাপ্রধানের ফেসবুক অ্যাকাউন্ট নেই: আইএসপিআর

  • দুর্নীতির বিরুদ্ধে রিপোর্ট সরকারকে ব্যবস্থা নিতে সহায়তা করে

  • ‌‘দুর্নীতির বীজ বপন করে গেছে ৭৫ পরবর্তী অবৈধ সরকারগুলো’

  • দক্ষিণ এশিয়ার নতুন ধনী ‘বাংলাদেশ’

  • নারীর নিরাপত্তা নিশ্চিতে সচেষ্ট বাংলাদেশ

  • ব্যবসার প্রসারে বড় ভূমিকা রাখবে প্রযুক্তি

  • পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রথম চুল্লি দেশে

  • এগিয়ে চলছে মেট্রোরেল

  • সরকারি পরিষেবার অর্থ জমা উন্মুক্ত হচ্ছে সব ব্যাংকে

  • দু-তিন বছরে সড়কে বৈপ্লবিক পরিবর্তন আসবে

  • ৪০০ কুমির রপ্তানি করবে বাংলাদেশ

  • ঘুরে দাঁড়াচ্ছে পর্যটন খাত

  • ‘তলাবিহীন ঝুড়ি’ থেকে শক্তিশালী অর্থনীতির দেশ বাংলাদেশ

  • বদলে যাচ্ছে পিছিয়ে পড়া অঞ্চলের শিক্ষার চিত্র

  • নকিয়া বাংলাদেশে কারখানা স্থাপন করতে আগ্রহী

  • করোনাকালে ক্ষুদ্র শিল্পকে বাঁচাতে এগিয়ে এসেছে সরকার

  • পদ্মা সেতুর ৫ কিলোমিটারের বেশি দৃশ্যমান

  • দক্ষিণ এশিয়ার অর্থনীতিতে নতুন নেতা হতে যাচ্ছে বাংলাদেশ

  • জাতীয় গো-প্রজনন কেন্দ্রে চার দশকে উৎপাদন ১৪ লাখ গরু

  • তাঁতিদের দক্ষতা বৃদ্ধিতে হচ্ছে ফ্যাশন ডিজাইন ইনস্টিটিউট

  • অঞ্চলভিত্তিক পেঁয়াজ চাষ করবে সরকার

  • টিকা কিনতে বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ

  • এবার শীতের তীব্রতা কম হবে

  • ২০৩০ সালের মধ্যে সড়কে মৃত্যু ৫০ শতাংশ কমানো হবে

  • ‘দুই-তিন বছরে বাংলাদেশের সড়কে বৈপ্লবিক পরিবর্তন হবে’

  • ‘২০৩০ সালের মধ্যে ছয় লেনের মেট্রোরেল নির্মাণের পরিকল্পনা সরকারের’

  • ‘ফ্রান্স-বাংলাদেশে বিনিয়োগ বাড়াতে কাজ করা হচ্ছে’

  • ভাল ফলন ও দাম পাচ্ছেন লেবু চাষিরা

  • বাজার সিন্ডিকেট ভাঙতে সরকার কাজ করছে

  • করোনাকালেও থেমে নেই কৃষকের উৎপাদন

  • নিউইয়র্কের সর্বোচ্চ সম্মাননা পেলেন বিশ্বের সবচেয়ে খুদে বিজ্ঞানী

  • মুক্তিযোদ্ধা ভাতা বাড়িয়ে ২০ হাজার করার প্রস্তাব

  • জিডিপিতে ১.২ শতাংশ প্রবৃদ্ধি আনবে পদ্মা সেতু: চীন

  • মাটির নিচ দিয়ে তার নেওয়া শুরু হবে সোমবার: তাপস

  • পদ্মায় বসলো ৩৩তম স্প্যান, দৃশ্যমান ৫ কিলোমিটার 

  • দক্ষিণ এশিয়ার নতুন অর্থনৈতিক নেতা বাংলাদেশ: দ্য ডিপ্লোম্যাট

  • সামুদ্রিক মাছ ‘বাংলাদেশিয়াস’ বৈশ্বিক তালিকায় অন্তর্ভুক্ত

  • পার্বত্য চট্টগ্রামের ২৮টি পাড়াকেন্দ্র ডিজিটাল হচ্ছে

  • বদলে যাচ্ছে ঢাকাসহ সব বিমানবন্দরের চেহারা

  • টিসিবি ২৫ টাকায় আলু বিক্রি শুরু করবে বুধবার

  • ‘মাধ্যমিকে বার্ষিক পরীক্ষা ছাড়াই ওপরের ক্লাসে উন্নীত করা হবে’

  • রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের চুল্লি রাশিয়া থেকে দেশে পৌঁছেছে

  • ডিজিটাল মানচিত্রে পোশাক কারখানা

  • জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হচ্ছে ১০০ কোটি ঘনফুট গ্যাস

  • স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে বিদেশে আখাউড়ার মাছ

  • উত্তরে দৃশ্যমান মেট্রোরেল

  • দেশের সবচেয়ে বড় সৌর বিদ্যুৎ কেন্দ্রে উৎপাদন শিগগিরই

  • ‘দুই-তিন বছরে বাংলাদেশের সড়কে বৈপ্লবিক পরিবর্তন হবে’

  • নিরাপদ সড়ক নিশ্চিতে সবকিছু করে যাচ্ছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী

  • রাজশাহীতে চালু হচ্ছে নৌবন্দর

  • পরিচ্ছন্ন নারায়ণগঞ্জ গড়তে ৩০১ কোটি টাকা

  • এবার গারো পাহাড়ে চা চাষের উদ্যোগ

  • করোনার মধ্যেই ঘুরে দাঁড়িয়েছে বাংলাদেশের অধিকাংশ সূচক

  • নারীদের দক্ষতা বাড়ানোর পরামর্শ

  • সরকারি তৎপরতায় ঘুরে দাঁড়াচ্ছে পোলট্রি শিল্প

  • একনেকে ১৬৬৮ কোটি খরচে ৪ প্রকল্প অনুমোদন

  • ব্যারিস্টার রফিক-উল হকের মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রীর শোক

  • ওসমানী বিমানবন্দরের আয়তন বাড়ছে তিনগুণ

  • ‘আমরা ভাগ্যবান শেখ হাসিনার মতো একজন দক্ষ নেত্রী পেয়েছি’ 

  • রোহিঙ্গাদের জন্য আরো ৩৫ কোটি ডলার অনুদান ঘোষণা