বুধবার   ১৩ নভেম্বর ২০১৯

ব্রেকিং:
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোর বার্ষিক ছুটি ৭৫ দিন আগামী মার্চে ঢাকা উত্তর সিটির ভোটের ইঙ্গিত সিইসির জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় পরিদর্শনে প্রধানমন্ত্রী আস্থা ভোটে টিকে গেলেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী থেরেসা মে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে নেপালের বিদায়ী রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ খালেদার অনুপস্থিতিতেই কারাগারে বিচার চলবে রব ও মান্নার বিয়ে যুক্তফ্রন্টে, পরকীয়া ঐক্যফ্রন্টে: মাহী এটা জোট নয়, ঘোট : তথ্যমন্ত্রী যুক্তরাষ্ট্রে রাজনৈতিক আশ্রয় পেলেন সিনহা আবারও সরকার গঠনে নৌকায় ভোট দেয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর পদ্মা সেতু প্রকল্পের নামফলক উন্মোচন করলেন প্রধানমন্ত্রী
১২৩৭

ভাঙছে পাকিস্তান, জন্ম নিচ্ছে আরেকটি বাংলাদেশ

ডেস্ক রিপোর্ট

প্রকাশিত: ২৭ জানুয়ারি ২০১৯  

এক বছর আগে পাকিস্তানের দক্ষিণাঞ্চলের বন্দর নগরী করাচিতে তথাকথিত বন্দুকযুদ্ধে নাকিবুল্লাহ মেহসুদ নামের এক তরুণ নিহত হন। এ ঘটনার পর প্রাথমিকভাবে পুলিশ দাবি করে, পাকিস্তানি তালেবানের কট্টর সদস্য ছিলেন মেহসুদ। সন্ত্রাসীদের গোপন একটি আস্তানায় অভিযানের সময় মারা যান তিনি।

কিন্তু তার পরিবার, বন্ধু ও বেশকিছু মানবাধিকার সংস্থা পুলিশের এ দাবি নিয়ে প্রশ্ন তোলে। তারা বলেছে, মেহসুদ ছিলেন নির্দোষ এক দোকানদার এবং উচ্চাভিলাষী মডেল। সরকার এ ঘটনায় তদন্ত শুরুর নির্দেশ দেয়। পুলিশের তদন্ত কমিটি এ ঘটনায় কোনো ধরনের বন্দুকযুদ্ধ অথবা সন্ত্রাসী কার্যক্রমের কোনো আলামত পায়নি।

ভুয়া বন্দুকযুদ্ধের গল্প সাজিয়ে মেহসুদকে হত্যা করা হয়েছে বলে জানায় তদন্ত কমিটি। এ ধরনের অভিযোগ পাকিস্তানের নিরাপত্তা বাহিনীর বিরুদ্ধে প্রায়ই উঠে। এ হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে অভিযুক্ত কর্মকর্তাদের বিচারের মুখোমুখি হতে হয়েছে এবং তাদের বিচার এখনো চলছে।

অতীতেও এ ধরনের বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের অভিযোগ উপেক্ষা করার নজির রয়েছে পাকিস্তানের। শাস্তির মুখোমুখি হওয়া ছাড়াই অভিযুক্তরা বহাল তবিয়তে চাকরি করছেন। কিন্তু মেহসুদের ঘটনাটি অন্যগুলোর চেয়ে ভিন্ন পরিস্থিতি তৈরি করেছে; ওয়াজিরিস্তানের মাকিন শহরের একেবারে অপরিচিত একটি সংগঠন পশতুন তাহাফ্ফুজ ম্যুভমেন্ট (পশতুন সুরক্ষা আন্দোলন-পিটিএম) এ হত্যাকাণ্ডের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ-প্রতিবাদ শুরু করে। ফলে দেশটির সরকার এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় দ্রুত ব্যবস্থা নিতে বাধ্য হয়।

পাকিস্তানের দ্বিতীয় বৃহত্তম সংখ্যালঘু গোষ্ঠী হচ্ছে পশতুন। এই গোষ্ঠীর অধিকাংশ সদস্য আফগান সীমান্তের কাছে পাকিস্তানের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে বসবাস করে। পশতুনদের নানাবিধ সমস্যার সমাধানে ও নাগরিক অধিকার আদায়ের লক্ষ্যে স্থানীয় মানবাধিকার কর্মী মনজুর পশতিন পিটিএম প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। পশতুনরা দুই দশক ধরে তথাকথিত ‘সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে যুদ্ধ’র ক্ষত বয়ে বেড়াচ্ছেন।

টুইন টাওয়ারে ৯/১১’র হামলার পর মিত্রদের নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র আফগানিস্তান আক্রমণ করে। পরে আফগান জঙ্গিগোষ্ঠীর সদস্যরা সীমান্ত পেরিয়ে পাকিস্তানে ঢুকে পড়ে এবং সীমান্তের কাছের পশতুন অধ্যুষিত এলাকায় আশ্রয় নেয়। ওই এলাকা থেকে সন্ত্রাসীদের উৎখাত করতে পাকিস্তান সেনাবাহিনী পুরো মাত্রার সামরিক অভিযান চালায়।

তবে সন্ত্রাসী কার্যক্রম বন্ধ করার পরিবর্তে পাক সামরিক বাহিনী অভিযানে ওই এলাকার নির্দোষ মানুষকে শিকারে পরিণত করে। সেই সময় পাকিস্তানজুড়ে পশতুনদের ‘সন্ত্রাসী’ হিসেবে তুলে ধরা হয়; যদিও পশতুনরাই সেখানে সন্ত্রাসবাদের শিকার।

ন্যায়বিচারের দাবি
করাচিতে মেহসুদ হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে ওয়াজিরিস্তান থেকে ইসলামাবাদ অভিমুখে পদযাত্রা কর্মসূচির ডাক দেন পিটিএম প্রতিষ্ঠাতা ও মানবাধিকার কর্মী মনজুর পশতিন। ন্যায়বিচারের দাবিতে হাজার হাজার পশতুন এই পদযাত্রায় অংশ নেয়। শুধুমাত্র হত্যাকাণ্ডের ন্যায়বিচারের দাবিতে নয় বরং পাকিস্তানে পশতুনরা যে বছরের পর বছর ধরে বৈষম্যের শিকার হয়ে আসছেন; সেই বৈষম্যের অবসানের দাবিও জানান তারা।

এই পদযাত্রা দেশটিতে দ্রুতই জাতীয় অধিকার আন্দোলনে পরিণত হয়; জন্ম হয় পিটিএমের। দেশজুড়ে অনুষ্ঠিত হয় সমাবেশ। পশতুন অধ্যুষিত অঞ্চল থেকে জঙ্গিদের উৎখাতে পাক সেনাবাহিনীর ব্যর্থতা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন মনজুর পশতিন এবং তার সমর্থকরা। জঙ্গিদের আসলেই পাকিস্তান কর্তৃপক্ষ উৎখাত করতে চায় কি-না সেই প্রশ্নও হাজির করেন পশতুনরা।

এ সময় একটি স্লোগানকে ব্যাপকমাত্রায় ব্যবহার করেন পশতুনরা। ‘ইয়েহ জো দেহশাতগার্দি হ্যায়, ইজ কি পিছাই উর্দি হ্যায় অর্থাৎ এই সন্ত্রাসবাদের পেছনে আছে ইউনিফর্ম (সেনাবাহিনী)।’ সন্ত্রাসী এবং সেনাবাহিনীর মধ্যে একধরনের সাংঘর্ষিক অবস্থান তৈরির অভিযোগ উঠে পশতুনদের বিরুদ্ধে।

বিচারবহির্ভূত সব হত্যাকাণ্ডের অভিযোগের তদন্তের দাবি জানায় পিটিএম। পাকিস্তান সেনাবাহিনী ভয়ভীতি প্রদর্শন করে স্থানীয়দের লোকচক্ষুর অন্তরালে যেতে বাধ্য করে; ভীতি প্রদর্শনপূর্বক এই অন্তর্ধান কৌশলের অবসান চায় তারা। এছাড়া পশতিন এবং তার সমর্থকরা পুরনো মান্ধাতা আমলের উপজাতীয় আইন সংস্কার করতে সরকারের ওপর চাপ প্রয়োগ শুরু করে।

পশতুনরা বলছেন, এই আইনের ফলে তাদের মৌলিক নাগরিক অধিকার লঙ্ঘন করছে সরকার। এর মধ্য অন্যতম সামষ্টিক দায়বদ্ধতা আইন। এ আইনের মাধ্যমে সমাজের, গোত্রের বা পরিবারের কোনো এক সদস্য অপরাধ করলে পুরো সম্প্রদায়, পরিবার এমনকি পুরো গ্রামকে শাস্তির মুখোমুখি করা হয়।

ক্রমবর্ধমান এই আন্দোলনের প্রকৃত অভিযোগগুলো মোকাবেলা করার পরিবর্তে পাকিস্তান সরকার পশতুনদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে শুরু করে। পিটিএম সমর্থকদের বিক্ষোভ-প্রতিবাদের খবর প্রকাশ করা বন্ধ করে দেয় পাকিস্তানি গণমাধ্যম। পুলিশ পিটিএমের অনেক নেতা এবং সদস্যকে গ্রেফতার করে। পাকিস্তানের কোনো প্রান্তেই সভা-সমাবেশ করতে দেয়া হয়নি পিটিএম নেতাদের। এমনকি সম্প্রতি পিটিএমের অনেক সদস্যকে দেশত্যাগে বাধা দেয়া হয়।

পাকিস্তান সেনাবাহিনীর এক মুখপাত্র পিটিএমের বিরুদ্ধে পাকিস্তানবিরোধী এজেন্ডা বাস্তবায়নের অভিযোগ করেন। সমালোচকদের মুখ বন্ধ করতে পাকিস্তান সেনাবাহিনীর পুরনো বুলি আওড়ান ওই সেনা কর্মকর্তা। তিনি বলেন, বিদেশি শত্রু রাষ্ট্রের সহায়তায় পশতুনরা এই আন্দোলন করছে।

কিন্তু এই আন্দোলন থামিয়ে দিতে পাক সরকারের নেয়া পদক্ষেপ হিতে বিপরীত হিসেবে দেখা দেয়। সরকারি এমন প্রচারণার কারণে পিটিএম আরো ব্যাপকসংখ্যক মানুষের মনোযোগ কাড়তে সক্ষম হয়। শুধু তাই নয়, আগের তুলনায় সর্বোচ্চ জনসমাগমের রেকর্ডও গড়ে পিটিএম।

এই আন্দোলনকে সব সময় অহিংস বলে দাবি করে আসছেন পশতুনরা। তবে এখন শঙ্কা তৈরি হয়েছে যে, এ ধরনের কঠোর হস্তে দমনের চলমান নীতির কারণে সহিংস রূপ ধারণ করতে পারে পিটিএমের আন্দোলন। এমনকি পাকিস্তানের নিয়ন্ত্রণের বাইরেও চলে যেতে পারে; যা অতীতে দেখা গেছে। 

অতীতের ভুল থেকে শিক্ষা
১৯৭১ সালে পূর্ব পাকিস্তানেও একই ধরনের অধিকার আদায়ের আন্দোলন শুরু হয়েছিল, যা শেষ পর্যন্ত পাকিস্তান থেকে স্বাধীন হয়ে যাওয়ার আন্দোলনে রূপ নেয় এবং রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের মাধ্যমে স্বাধীন বাংলাদেশের জন্ম হয়।

১৯৬০ সালে পূর্ব পাকিস্তানে বসবাসকারী সেই সময়ের সর্ববৃহৎ জাতিগত গোষ্ঠী বাঙালিরা জেনারেল আইয়ুব খান নেতৃত্বাধীন কেন্দ্রীয় সরকারের উপেক্ষা, বঞ্চনা, শোষণ ও নিপীড়নের শিকার হয়েছিলেন। বাঙালিদের বঞ্চনার অভিযোগ শোনা ও অবিচার মোকাবেলার পরিবর্তে ক্ষতিগ্রস্ত বাঙালিদের বিরুদ্ধে অভিযান শুরু করে সেনাবাহিনী। ফলে সশস্ত্র প্রতিরোধ ও স্বাধিকার আদায়ের আন্দোলনে স্বতঃস্ফূর্ত অংশ নেন বাঙালিরা; ভেঙে যায় পাকিস্তান, জন্ম নেয় স্বাধীন বাংলাদেশের।

প্রায় ৫০ বছর পরে এখন মনে হচ্ছে, পাকিস্তানের শাসকগোষ্ঠী ইতিহাস থেকে অনেক কিছুই শিক্ষা নেয়নি এবং একই ধরনের ভুলের পুনরাবৃত্তি করতে যাচ্ছে তারা, যা ১৯৭০ সালের মতো পাকিস্তানের জন্য অনেক ব্যথা, রক্ত বন্যা ও অপূরণীয় ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে।

চলতি মাসেই পিটিএম তাদের প্রতিষ্ঠার এক বছর পালন করেছে। এখন পাকিস্তানের সামরিক এবং বেসামরিক নেতৃত্ব পশতুন জনগোষ্ঠীর বৈধ উদ্বেগ, তাদের দাবি-দাওয়া পাক সংবিধান অনুযায়ী ভালোভাবে মোকাবেলা করবে এবং এটাই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে। শিগগিরই নিপীড়ন বন্ধ করে তাদের মৌলিক মানবাধিকার নিশ্চিত করতে হবে। 

যদি তা না করা হয়, তাহলে ইতোমধ্যে বিভক্ত হয়ে পড়া একটি দেশের ভাঙনের জন্য অনুঘটক হতে পারে পিটিএম এবং পাকিস্তান আরো একটি জাতীয় বিপর্যয়ের দিকে এগিয়ে যেতে পারে।

সূত্র: কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরায় লেখা পুরস্কার জয়ী পাকিস্তানি সাংবাদিক তাহা সিদ্দিকীর কলাম। বর্তমানে তিনি ফ্রান্সে নির্বাসিত।

আরও পড়ুন
আন্তর্জাতিক বিভাগের সর্বাধিক পঠিত
  • দেড় কোটি মানুষকে আধুনিক সেবা দিতে চাই: পলক

  • আজ সাত বিদ্যুৎকেন্দ্র উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী

  • চিংড়ির কয়েক পদ

  • শরীরে ব্যাকটেরিয়া ঢুকিয়ে মারা যাচ্ছে কোলন ক্যানসারের কোষ

  • বাংলাদেশে এলো গবাদি পশুর সুরক্ষায় বীমা

  • রিংকুর ‘মানবসেবা’

  • ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় পুলিশের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ যুবক নিহত

  • সুন্দরবনে ২৫ থেকে ২৭ নভেম্বর তিন দিন পর্যটন বন্ধ থাকবে

  • খেলাপি ঋণ আদায়ে লক্ষ্যমাত্রা অর্জন হচ্ছে না

  • দারাজ ডটকমে বিক্রি হচ্ছে ‘যৌন উত্তেজক ওষুধ’!

  • সুন্দরবনে অনুপ্রবেশ, ইউপি সদস্যসহ আটক ১৯

  • নারী শ্রমিক পাঠানো বন্ধের দাবি সংসদে

  • ৫ কোটি টাকার সম্পদ: সম্রাট ও এনামুলের বিরুদ্ধে মামলা

  • অনুমোদন ছাড়াই ইন্টারনেটের দাম বাড়ালো গ্রামীণফোন

  • জাপা মহাস‌চিবের বক্তব্য দুঃখজনক, বললেন ড. হাছান মাহমুদ

  • পারটেক্সের চেয়ারম্যান হাসেমকে জিজ্ঞাসাবাদ

  • অপারেশন থিয়েটারে রোগী রেখে পালানোর চেষ্টা, আটক ২

  • বেনাপোল কাস্টমে ভোল্ট ভেঙে ২০ কেজি স্বর্ণ চুরি,আটক ৫ কর্মকর্তা

  • চার্জে থাকা মোবাইল বিস্ফোরণে ঘুমন্ত তরুণের মৃত্যু

  • সাংসদ বাদলের আসনে উপনির্বাচন, প্রার্থী হতে দৌড়ঝাঁপ শুরু অনেকের

  • ‘বাংলা বন্ড’ চালুর মাধ্যমে প্রবাসী বিনিয়োগ আরও সহজ হবে

  • মেলায় রাজস্ব আদায় ৩ হাজার কোটি টাকা ছাড়াবে

  • ‘বাবার কোলে ঘুমন্ত অবস্থায় মারা যায় ভাতিজা’

  • আবাসন ভিসা দিচ্ছে সৌদি

  • আরও দুটি অত্যাধুনিক ড্রিমলাইনার যুক্ত হচ্ছে বিমান বহরে

  • আসামি ধরতে গিয়ে হামলার শিকার ৩ পুলিশ কর্মকর্তা

  • ভেজাল ঠেকাতে প্রতিটি জেলায় বিএসটিআইয়ের অফিস হবে

  • রাজধানীতে বাস চাপায় পা হারানো সেই নারী আর নেই

  • প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাতে হবে ইডেন ইনডোরের উদ্বোধন

  • ‘রেলের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সকলকে দুর্ঘটনা রোধে সতর্ক থাকতে হবে’

  • ভারতকে ফেনী নদীর পানি দিয়ে যেভাবে লাভবান হলো বাংলাদেশ

  • তেল-পানির বোতল উঁচিয়ে ধরল সবাই, মাইকে ফুঁ দিলেন কবিরাজ

  • ২০২২ সালের মধ্যে ফায়ার সার্ভিসের ৭শ’ স্টেশন হবে:স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

  • একই ঠিকাদার যেন বারবার কাজ না পায়: প্রধানমন্ত্রী

  • চালু হতে যাচ্ছে মালয়েশিয়ায় শ্রমবাজার

  • শহিদ নূর হোসেন দিবস আজ, রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর বাণী

  • ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাসের আগে-পরে কি করণীয় জেনে নিন

  • তিনটি আন্তর্জাতিক সম্মাননা গ্রহণ করলেন প্রধানমন্ত্রী

  • কোনো দেশ অল্প খরচে পড়াশোনোর এত সুযোগ দেয় না: প্রধানমন্ত্রী

  • বন্দর ব্যবহারের বিনিময়ে ভারতের কাছে যে সুযোগগুলো পাবে বাংলাদেশ

  • দেশের ইতিহাসে এক বছরে সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স

  • বাংলাদেশের সীমান্ত নিরাপত্তা দেবে রাডার সিস্টেম

  • বাবরি মসজিদের নিচে মন্দির ছিল, বলেলেন মুসলিম প্রত্নতাত্ত্বিক

  • সবচেয়ে দীর্ঘ সেতুর কাজ শিগগিরই শুরু হবে: সেতুমন্ত্রী

  • সুদহার এক অঙ্কে নামিয়ে না আনলে ব্যবসা বন্ধ: অর্থমন্ত্রী

  • গাঁজা দিয়ে তৈরি ওষুধ, সারবে মৃগী ও স্নায়ু সমস্যা

  • স্বাস্থ্য খাতে ভারত থেকে এগিয়ে বাংলাদেশ: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

  • ভারতের সঙ্গে ঋণ প্রকল্প বাস্তবায়নের চুক্তি: ৪৭টি বাংলাদেশের

  • নারীদের হাড়ক্ষয় হওয়ার কারণ ও প্রতিকার

  • সড়ক পরিবহন আইন নিয়ে ট্রাফিকের প্রচারণা

  • টাঙ্গাইলে ই-ট্রাফিক প্রসিকিউশন ব্যবস্থার উদ্বোধন

  • প্রথম প্রেম কখনোই ভোলা যায় না

  • সমকামিতার সুখ পেতে স্ত্রীকে অন্যের হাতে তুলে দিতেন স্বামী

  • বাবরি মসজিদ-রাম মন্দির বিতর্কের ইতিহাস

  • সম্প্রচারের অপেক্ষায় ১১ টিভি চ্যানেল: হাছান মাহমুদ

  • চুলের কাট ‘খারাপ হলে’ আটক করবে পুলিশ!

  • পিরোজপুরে পাঁচ প্রতিষ্ঠানকে অর্থদণ্ড

  • সারের দাম কমানোর কথা ভাবছে সরকার: কৃষিমন্ত্রী

  • প্রতারক আতিকুরের অফিসে র‌্যাবের অভিযান

  • বাংলাদেশকে না দিয়ে মালদ্বীপকে পেঁয়াজ দিচ্ছে ভারত