সোমবার   ২৭ জানুয়ারি ২০২০

ব্রেকিং:
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোর বার্ষিক ছুটি ৭৫ দিন আগামী মার্চে ঢাকা উত্তর সিটির ভোটের ইঙ্গিত সিইসির জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় পরিদর্শনে প্রধানমন্ত্রী আস্থা ভোটে টিকে গেলেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী থেরেসা মে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে নেপালের বিদায়ী রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ খালেদার অনুপস্থিতিতেই কারাগারে বিচার চলবে রব ও মান্নার বিয়ে যুক্তফ্রন্টে, পরকীয়া ঐক্যফ্রন্টে: মাহী এটা জোট নয়, ঘোট : তথ্যমন্ত্রী যুক্তরাষ্ট্রে রাজনৈতিক আশ্রয় পেলেন সিনহা আবারও সরকার গঠনে নৌকায় ভোট দেয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর পদ্মা সেতু প্রকল্পের নামফলক উন্মোচন করলেন প্রধানমন্ত্রী
৪৪৮

ব্লক ছাড়াই হার্ট অ্যাটাক হতে পারে

ডেস্ক রিপোর্ট

প্রকাশিত: ১৩ এপ্রিল ২০১৯  

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার উদ্যোগ ও মনিটরিংয়ে বিশ্বের প্রতিটি দেশে পালিত হয় বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস। পৃথিবীর যে কোনো প্রান্তের মানুষ, জাতি, ধর্ম, বর্ণ, ধনী-গরিব নির্বিশেষে তাদের যে কোনো স্বাস্থ্য সমস্যায় যেন পর্যাপ্ত ও সঠিক স্বাস্থ্য সুবিধা পায় তাই নিশ্চিত করতে চাচ্ছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বা WHO। এ বছরের থিম বা প্রতিপাদ্য হচ্ছে Universal health coverage : everyone, everywhere. বাংলাদেশেও সহস্রাব্দের উন্নয়নের লক্ষ্যমাত্রা বা MGD বাস্তবায়নের জন্য সরকার ও জনগণ একত্রে কাজ করে যাচ্ছে।

খাদ্যের মান ও পুষ্টি, সুপেয় পানির পর্যাপ্ততা, স্যানিটেশন নিশ্চিত করা সরকারের অন্যতম লক্ষ্য। এর সঙ্গে অসংক্রামক ব্যাধি যেমন- ডায়াবেটিস, উচ্চরক্তচাপ ও হৃদরোগ, ক্যান্সার ও স্ট্রোকের হার কমিয়ে আনা ও প্রান্তিক পর্যায়ে চিকিৎসা নিশ্চিত করা আমাদের প্রধান কর্তব্য।

ডায়াবেটিস ও হৃদরোগের চিকিৎসা কীভাবে বিনামূল্যে করা যায় সে ব্যাপারে একটি প্রকল্পও গ্রহণ করেছে সরকার। হৃদরোগ যেহেতু মানুষের মৃত্যুর প্রধান কারণ তাই এ বিষয়ে লিখেছেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ডা. এসএম মোস্তফা জামান

বিশ্বজুড়ে মানুষের মৃত্যুর অন্যতম কারণ হৃদরোগ। প্রতিবছর বিশ্বে যে পরিমাণ লোক মারা যায়, তার ৩১ শতাংশ মারা যাচ্ছে হৃদরোগে। এখন যে হারে হৃদরোগ হচ্ছে, আগামী ২০৩০ সালে বিশ্বজুড়ে ২৩ মিলিয়ন লোক হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যাবে। হৃদরোগের বেশি ঝুঁকিতে রয়েছে নিু ও মধ্যম আয়ের দেশগুলো।

ভৌগোলিক কারণে অন্য দেশের তুলনায় বাংলাদেশ, ভারতসহ এ অঞ্চলে হৃদরোগের ঝুঁকি বেশি। কারণ আমাদের দেশের মানুষ অল্প বয়সে ধূমপান করা শুরু করে, চর্বিযুক্ত খাবার বেশি খায়। কোন খাবার স্বাস্থ্যকর আর কোনটা অস্বাস্থ্যকর, সে বিষয়ে আমাদের দেশের মানুষের ধারণা কম। আবার ভৌগোলিক কারণে এ দেশের মানুষের উচ্চতা কম। ফলে তাদের হার্টের করোনারি আর্টারি (ধমনি) সরু থাকে, যা সাধারণত অল্পতেই বন্ধ হয়ে যাওয়ার প্রবণতা দেখা দেয়।

হৃদরোগের মধ্যে ভয়ংকর কোনটি
হৃদরোগের মধ্যে সবচেয়ে ভয়ংকর হচ্ছে এনজাইনা বা হার্ট অ্যাটাক। এনজাইনা হচ্ছে, রোগীর সাধারণত বুকব্যথা, চাপ চাপ অনুভব করা, বুক ভার ভার হওয়া, দম বন্ধ হয়ে আসার উপক্রম হওয়া। কারও করোনারি ধমনির ৭০ শতাংশ ব্লক হয়ে গেলে তখনই এনজাইনা হয়ে থাকে। কখনও কখনও এনজাইনা থেকে হার্ট অ্যাটাক হয়। আবার করোনারি ধমনি যখন ১০০ ভাগ ব্লক হয়, তখনই হার্ট অ্যাটাক হয়।

এটি সাধারণ বয়স্কদের রোগ। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে দেখা গেছে, ৬০ থেকে ৭০ বছর বয়সী মানুষের এটি হয়ে থাকে। আমাদের দেশে ৫০ থেকে ৬০ বছর বয়সীদের এটি হয়ে থাকে। বিশ্বের অন্যান্য দেশের থেকে আমাদের দেশের লোকেরা ১০ বছর আগেই হার্ট অ্যাটাকে আক্রান্ত হন। এখন ৪০ থেকে ৫০ বছর বয়সী, এমনকি ২৫-৩০ বছর বয়সীরাও হার্ট অ্যাটাকে আক্রান্ত হচ্ছে। এছাড়া এ অঞ্চলে হার্ট বড় হওয়া ও হার্টের ভাল্বের কিছু রোগ পাওয়া যায়।

হার্টের ভাল্বের রোগ হয় মূলত বাতজ্বরের কারণে। শৈশবে যাদের বাতজ্বর ছিল, তাদের ১৫-১৬ বছর বয়সে হার্টের ভাল্ব আক্রমণ করে। এর মধ্যে কিছু রোগ চিকিৎসার মাধ্যমে ভালো করা সম্ভব। আর কিছু রোগ নিয়ন্ত্রণে রাখতে হয়।

ব্লক ছাড়াও কি হার্ট অ্যাটাক হয়
একটা গ্রুপের রোগী আমরা পাই, যারা অল্প বয়স থেকে মাদকদব্য গ্রহণ করছে- তাদের কোনো রিস্ক ফ্যাক্টর নেই। তারপরও দেখা গেছে, তাদের বুকে ব্যথা আছে। তাদের হার্ট অ্যাটাক হয়েছে। এনজিওগ্রাম করে তাদের হার্ট নরমাল পাওয়া যাচ্ছে। তাদের আসলে এক ধরনের করোনারি স্পাজম হয়ে হার্ট অ্যাটাক হচ্ছে। হার্ট অ্যাটাক হয়েছে অথচ এনজিওগ্রাম করে করোনারি ধমনিতে ব্লক পাওয়া যাচ্ছে না। কেন ব্লক ছাড়া হার্ট অ্যাটাক হচ্ছে, তা এখন চিন্তার বিষয়। এটি আমরা বলে থাকি, মায়োকার্ডিয়াল ইনফ্রাকশন নো অবস্ট্রাকটিভ করোনারি অ্যাথেরোসেক্লেরোসিস (মিনোকা)। এ বিষয়ে গবেষণা কার্যক্রম চালানোর জন্য আমরা সরকারের কাছে আবেদন রাখছি।

রিস্ক ফ্যাক্টর কি কমানো বা নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব
হৃদরোগের কিছু রিস্ক ফ্যাক্টর আছে। এসবের কিছু আমাদের ছন্দগত জীবনযাপনের মাধ্যমে কমানো যায়। কিন্তু যদি কারও পরিবারে হৃদরোগ, ডায়াবেটিস, উচ্চরক্তচাপ ও শিশুর জন্মগত হৃদরোগ থাকে, তবে সেক্ষেত্রে ঝুঁকি কমানোর জন্য আমাদের কিছুই করার থাকে না।

হৃদরোগ প্রতিরোধে করণীয়
হার্ট পাওয়ারফুল করতে হলে কিছু নিয়ম মেনে চলতে হয়। যেমন- স্বাস্থ্যকর খাদ্যগ্রহণের পাশাপাশি ডায়াবেটিস ও উচ্চরক্তচাপ যেন না হয়, সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। শিশুদের জাঙ্ক ফুড খাওয়ানো থেকে বিরত থাকতে হবে। হৃদরোগ প্রতিরোধে কায়িক পরিশ্রম করা, হাঁটাহাঁটি করা, সাঁতার কাটা, সাইকেল চালানো, ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখা, ধূমপান না করা ও খাদ্যাভ্যাসের মাধ্যমে হৃদরোগের ঝুঁকি কমানো সম্ভব।

হার্ট অ্যাটাকের চিকিৎসা
হার্ট অ্যাটাক একটি মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থা, যেখানে জীবন ও মৃত্যু খুব কাছাকাছি চলে আসে। কোনো ব্যক্তির হার্ট অ্যাটাক হলে সে অল্পতেই ভালো হতে পারে। আবার হতে পারে প্রাণঘাতী। তাই হার্ট অ্যাটাকের চিকিৎসাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেয়া প্রয়োজন। চিকিৎসক ও রোগীর পরিবারকে অবশ্যই খেয়াল রাখতে হবে রোগী যাতে সঠিক সময়ে সঠিক চিকিৎসা পায়। সাধারণত ECHO, EGC করে নিশ্চিত হওয়া যায়, রোগীর হার্ট অ্যাটাক হয়েছে কিনা। হার্ট অ্যাটাকের চিকিৎসার প্রথম ধাপ হল- এসপিরিন গ্রুপের ওষুধ ও ইনজেকশন দিয়ে রক্ত পাতলা করা।

এরপর Primary Angioplasty করে জমাট বাঁধা রক্ত অপসারণ করা। Primary Angioplasty করার পরও অনেক সময় রোগী ঝুঁকিমুক্ত হয় না। যদি রোগীর Cardiac Arrthythmia বা অনিয়মিত হৃদস্পন্দন হয়। এ অনিয়মিত হৃদস্পন্দনের সমস্যা মোটেও অবহেলা করা যাবে না।

কেননা অনিয়মিত হৃদস্পন্দনের ফলে আবারও হার্ট অ্যাটাক হতে পারে। তাই হার্ট অ্যাটাকের প্রথম ৪৮-৭২ ঘণ্টা অবিরাম EGC মনিটরিং করে দেখতে হবে, অনিয়মিত হৃদস্পন্দনের সমস্যা আছে কিনা। একই সঙ্গে রোগীর রক্তচাপ ঠিক আছে কিনা, সেদিকে লক্ষ রাখতে হবে। বেড সাইড ইকো করে সর্বদা হৃদযন্ত্রের পর্দার অবস্থার ওপর নজর রাখতে হবে। Stethoscope দিয়ে দেখতে হবে হৃদযন্ত্র থেকে কোনো অস্বাভাবিক শব্দ হচ্ছে কিনা।

কারণ রোগীর হার্টের ভেতর বা বাইরের পর্দা ফেটে গেলে তা সবচেয়ে মারাত্মক অবস্থা বলে গণ্য করা হয়। এ অবস্থায় রোগীকে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে সার্জারি না করলে মৃত্যুর ঝুঁকি ৯৯ শতাংশ বেড়ে যায়। সর্বোপরি হার্ট অ্যাটাকের পর ২-৩ দিন রোগীকে নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখা প্রয়োজন। অবস্থা স্থিতিশীল হলে চিকিৎসকের দায়িত্ব, রোগীকে কাউন্সেলিং করে খাদ্যাভ্যাস, জীবনযাত্রা ও পরবর্তী চিকিৎসা, যেমন- Angiogram কখন করাবে ইত্যাদি সম্পর্কে অবহিত করা।

আরও পড়ুন
স্বাস্থ্য বিভাগের সর্বাধিক পঠিত
  • গ্রাহককে জিম্মি করে কোটিপতি ইভ্যালি

  • আতিকুলের ইশতেহার ঘোষণা

  • সুপ্রিম কোর্টে বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকীর ক্ষণগণনা শুরু

  • বাণিজ্য মেলায় জমে উঠেছে শেষ মুহূর্তের কেনাকাটা

  • ৪৮ নম্বর ওয়ার্ডে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী বহিষ্কার

  • পার্বত্য চট্টগ্রামে শান্তি চুক্তি বাস্তবায়নে সরকার আন্তরিক

  • ‘নির্বাচনী প্রচারণায় সংঘর্ষে তদন্ত করে ব্যবস্থা’

  • দুই সিটি নির্বাচনে ১২৯ ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ

  • জমাদিউস সানি শুরু আজ

  • ‘ভারতের এনআরসি ইস্যুতে বাংলাদেশে প্রভাব পড়বে না’

  • একগুচ্ছ উন্নয়ন প্রকল্প উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

  • তাপসের প্রচারণা ক্যাম্পে ইশরাক সমর্থকদের গুলি, আহত ১৭

  • ‘নির্বাচন বানচাল করতেই বিএনপির হামলা’

  • ডিজিটাল ও গ্রিন ভোটিং সফল হোক

  • ‌‘ইভিএমে অনৈতিক কাজ কোনোভাবে সম্ভব নয়’

  • ইভিএমসহ ভোটের পরিস্থিতি চার রাষ্ট্রদূতকে জানালো ইসি

  • সাময়িক স্থগিত হতে পারে বাংলাদেশ-চীন গমনাগমন

  • তৃণমূলের উন্নয়ন ছাড়া দেশের উন্নয়ন সম্ভব নয়: প্রধানমন্ত্রী

  • বিএনপি সাম্প্রদায়িক রাজনীতির পৃষ্ঠপোষক, বললেন কাদের

  • ভোটার তালিকা হালনাগাদে সময় বাড়িয়ে বিল পাস

  • পুকুর খনন করায় জরিমানা

  • ‘প্রবাসে কারিগরি শিক্ষার মূল্যায়ন বেশি’

  • কুমিল্লায় পুকুরে মিলল অবিস্ফোরিত মর্টার শেল

  • পুলিশ হয়রানি করলে ৯৯৯-এ কল দিন, বললেন আইজিপি

  • করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগীকে জরিমানা, হতে পারে জেল

  • ৫৫ লাখ টাকাসহ প্রতারক গ্রেফতার

  • রাজধানীতে ১৩ রোহিঙ্গা নারী উদ্ধার, গ্রেফতার ২

  • বৃহস্পতিবার ঢাকাবাসীকে ইভিএমের ব্যবহার শেখাবে ইসি

  • সরকারের ওপর দেশের জনগণের ৮৫ শতাংশই সন্তুষ্ট

  • শেখ হাসিনায় আস্থা ৮৬ শতাংশ জনতার, বিএনপিতে সন্তুষ্ট ৬ শতাংশ

  • ভারত শিক্ষা দিয়েছে, আর পেঁয়াজ আমদানি নয়: বাণিজ্যমন্ত্রী

  • ঈদের নাটকে নোবেল-শখের সাথে উদীয়মান আশিক

  • শেখ হাসিনা মেডিক‌্যাল কলেজ হাসপাতালসহ ৮ প্রকল্প অনুমোদন

  • মওলানা ভাসানীর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস আজ

  • অনুসৃত হোক বঙ্গবন্ধুর আদর্শ

  • ই-পাসপোর্টের জন্য ই-সিগনেচার দিলেন প্রধানমন্ত্রী

  • জেনে নিন ই-পাসপোর্ট সংগ্রহ করতে কত টাকা লাগবে

  • আইসিটি এডুকেশন অ্যাওয়ার্ড গ্রহণ করলেন প্রধানমন্ত্রী

  • বঙ্গবন্ধুর ভাষণের দিন এবারও নিউ ইয়র্কে ‘বাংলাদেশি ইমিগ্র্যান্ট ডে

  • পুরুষের চেয়ে বেশি আয়ে ৬৪ দেশের শীর্ষে বাংলাদেশের নারীরা

  • প্রধানমন্ত্রীর হাত ধরে ই-পাসপোর্ট যুগে বাংলাদেশ

  • সাকিব-শিশিরের জন্য রান্না করে পাঠালেন প্রধানমন্ত্রী

  • বঙ্গবন্ধুর সমবায় নির্দেশনায় লাভবান হবে কৃষক: প্রধানমন্ত্রী

  • ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব শিল্পনগর’: অপরিকল্পিত শিল্পায়ন নিষিদ্ধ

  • মুজিববর্ষে দরিদ্র পরিবার পাবে পাকা বাড়ি

  • একনেকে ৮টি প্রকল্পটি অনুমোদন

  • প্রার্থীর ওপর হামলা রোধে ইসির ব্যবস্থা নেয়া উচিত, বললেন কাদের

  • আজ গণঅভ্যুত্থান দিবস

  • পদ্মা সেতুর ছবি নিজের ক্যামেরায় ধারণ করলেন প্রধানমন্ত্রী

  • মুজিববর্ষে বাড়ি পাবে ৬৮ হাজার দরিদ্র পরিবার

  • প্রধানমন্ত্রীর উদ্যোগে ইতিবাচক শেয়ারবাজার, বিনিয়োগকারীদের ধন্যবাদ

  • ‘প্রয়োজন হলে শিক্ষকদের বিদেশে পাঠাও’

  • ‘আবদ্ধ ঘর নির্মাণ না করে খোলামেলা ঘর নির্মাণ করতে হবে’

  • ‘বঙ্গবন্ধু পরিষদ’ ওয়েবসাইটের শুভ উদ্বোধন

  • দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন হবে দুর্নীতি মুক্ত: তাপস

  • WZPDCL to ensure 100pc electricity in its area by June

  • চালু হতে যাচ্ছে ই-পাসপোর্ট, বুধবার উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী

  • রাবেয়া-রোকেয়া ভাল আছে: প্রধানমন্ত্রী

  • মুজিববর্ষের লোগো ব্যবহারের বিশেষ নির্দেশনা

  • পদ্মায় মূল সেতুর ৮৫.৫ ভাগ কাজ সম্পন্ন