শুক্রবার   ২২ অক্টোবর ২০২১

সর্বশেষ:
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোর বার্ষিক ছুটি ৭৫ দিন আগামী মার্চে ঢাকা উত্তর সিটির ভোটের ইঙ্গিত সিইসির আস্থা ভোটে টিকে গেলেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী থেরেসা মে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় পরিদর্শনে প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রপতির সঙ্গে নেপালের বিদায়ী রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন করতে ইসি প্রতিজ্ঞাবদ্ধ: নূরুল হুদা বারবার আসতে পারব না, যত খুশি সাজা দিন: খালেদা জিয়া ‘আকাশবীণার’ উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী ত্রিভুবনে আবারও বিমান দুর্ঘটনা ট্রেন-বাসের সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ২৫ ভুয়া ছবি দিয়ে অপপ্রচার চালাচ্ছে মিয়ানমার: প্রধানমন্ত্রী
২০

বাচ্চা বিছানায় প্রস্রাব করলে করণীয়

লাইফস্টাইল ডেস্ক:

প্রকাশিত: ৯ অক্টোবর ২০২১  

ঘুমের মধ্যে বিছানায় বাচ্চার প্রস্রাব করা তথা বেডওয়েটিং নিরাময় যোগ্য একটি রোগ। সাত বছর বয়সের পর বাচ্চাদের এ ধরনের সমস্যা থাকে না; এমনিতেই ভালো হয়ে যায়। এরপরও সাত বছরের পর বেড ওয়েটিং সমস্যার সমাধান না হলে চিকিৎসা রয়েছে।


এ বিষয়ে বিস্তারিত জানিয়েছেন ঢাকা শিশু হাসপাতালের শিশু বিভাগের অধ্যাপক ডা. এএসএম নওশাদ উদ্দিন আহমেদ। 

কোনো বাচ্চা যদি সপ্তাহে অন্তত দুই দিন করে টানা তিন মাস তার অজান্তে রাতে বিছানায় প্রস্রাব করে, তাহলে এটাকে আমরা বেডওয়েটিং বলি। এটা একটা ইন ভলান্টারি মেথড। বাচ্চা তার নিজের অজান্তেই বিছানায় প্রস্রাব করে দেয়। এক্ষেত্রে বাচ্চার কোনো কন্ট্রোল থাকে না।

সাধারণত আমরা জানি, পাঁচ বছরের একটা বাচ্চা তার প্রস্রাব নিয়ন্ত্রণ করতে পারে রাতের বেলায়। পাঁচ থেকে সাত বছর বয়সের মধ্যে বাচ্চা যদি বিছানায় প্রস্রাব করে রাতের বেলায়, তখন সেটাকে আমরা বেডওয়েটিং বলি। সাত বছর বয়সের মধ্যে বেশিরভাগ বেডওয়েটিং বন্ধ হয়ে যায়।

কিন্তু কিছু বাচ্চার সাত বছরের পরেও এ ধরনের সমস্যা থেকে যায়। এক্ষেত্রে অব্যাহত বেডওয়েটিং হলে চিকিৎসকের শরণাপন্ন হতে হবে তার শারীরিক পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য। আমাদের কাছে যখন কোনো রোগী আসে, আমরা তার হিস্ট্রি নিয়ে তার শারীরিক-পরীক্ষা এবং ল্যাবরেটরি পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে থাকি।

পরীক্ষা-নিরীক্ষা করার পর যদি আমরা নিশ্চিত হই এটা প্রাইমারি লেভেল, তখন সেক্ষেত্রে আমরা অভিভাবক এবং বাচ্চাকে কাউন্সেলিং করতে পারি। আর যদি সাত বছর পার হয়ে যাওয়ার পরও বাচ্চার বেডওয়েটিং হচ্ছে এবং প্রস্রাবের সঙ্গে জ্বালাপোড়া রয়েছে, তাহলে সেক্ষেত্রে অবশ্যই শারীরিক পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য চিকিৎসকের শরণাপন্ন হতে হবে।

বাচ্চা যদি বারবার বেশি পরিমাণে প্রস্রাব করে এবং প্রস্রাবের রঙ যদি হলুদ বা লাল হয়ে যায়, সেক্ষেত্রে চিকিৎসকের কাছে আসতে হবে।

এক্ষেত্রে আমরা প্রথমে শিশুর ডিটেইলস হিস্ট্রি নিয়ে থাকি। তার ফ্যামিলিতে এ ধরনের হিস্ট্রি আছে কিনা সেটা জানার চেষ্টা করি। যদি বাচ্চার মা-বাবার বেডওয়েটিং হিস্ট্রি থাকে, তাহলে সে ক্ষেত্রে বাচ্চার ৪৪ থেকে ৭৭ শতাংশ পর্যন্ত বেডওয়েটিং হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।

আর যদি মা-বাবার এ ধরনের হিস্ট্রি না থাকে তাহলে সে ক্ষেত্রে বাচ্চার ১৫ পার্সেন্ট হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। তারপরে দেখি বাচ্চা পানি কেমন পরিমাণে খায়। বাচ্চা দিনের বেলায় বেশি প্রস্রাব করে না কি রাতের বেলায় বেডওয়েটিং করে। বাচ্চার শরীর ভেঙে যাচ্ছে কিনা। কারণ, ডায়াবেটিস থাকলে শরীর ভেঙে যেতে পারে। বাচ্চার প্রস্রাবে জ্বালাপোড়া আছে কিনা- এ সকল বিষয় দেখার পরে আমরা বাচ্চার পরীক্ষা করি।

পরীক্ষায় আমরা দেখি তার কিডনি এবং মূত্রথলিতে কোনো সমস্যা আছে কিনা। অনেক সময় পিঠে মেরুদণ্ডের নিচে টিউমার জাতীয় কিছু থাকতে পারে, তো সেটা দেখে আমরা কিছুটা সন্দেহ করতে পারি। এছাড়া বাচ্চার কোষ্ঠকাঠিন্য আছে কিনা সেটাও জানার চেষ্টা করি। কারণ বাচ্চার কনস্টিপেশন বা পায়খানা কষা থাকার কারণেও বেডওয়েটিং হতে পারে।

এসব হিস্ট্রি নেওয়ার পর আমরা বাচ্চার কিছু ল্যাবরেটরি ইনভেস্টিগেশন করে দেখি যে, বাচ্চার কোনো প্রস্রাবে ইনফেকশন আছে কিনা। তার ব্লাড সুগার টেস্ট করে দেখি ডায়াবেটিস আছে কিনা। তার কিডনি, মূত্রথলির আলট্রাসনোগ্রাম বা ইমেজিং পরীক্ষা করে দেখি যে, প্রস্রাবের রাস্তায় কোনো সমস্যা আছে কিনা। এসব প্রক্রিয়ার মাধ্যমে আমরা তার চিকিৎসা শুরু করে থাকি।

এছাড়া বেডওয়েটিং রোগের ক্ষেত্রে আমাদের অভিভাবকদের অবশ্যই সচেতন হতে হবে। যখন বাচ্চার মা-বাবা অন্য রোগের কারণে তাদেরকে আমাদের কাছে নিয়ে আসেন, তখন প্রসঙ্গক্রমে এটাও বলে যে বাচ্চা বিছানায় প্রস্রাব করে। বাচ্চাটা তখন সাইকোলজিক্যাল প্রবলেম সাফার করে, যখন তার মা-বাবা, ভাই-বোন বলে, সে বিছানায় প্রস্রাব করে। তখন বাচ্চাটা নিজেকে গুটিয়ে রাখে, সে স্ট্রেস ফিল করে। এবং এই স্ট্রেস ফিল করার কারণে বেডওয়েটিং প্রবলেম আরও বেড়ে যায়।

এছাড়া বেডওয়েটিংয়ের কারণে মা-বাবা হয়তো মাঝে-মাঝে বাচ্চাদের মারধরও করে। সেক্ষেত্রে বাচ্চাদের এ সমস্যা আরও বেড়ে যায়‌। কারণ এই বেডওয়েটিং বাচ্চারা নিজে থেকে করে না।

সুতরাং এই বেডওয়েটিং বন্ধ করার জন্য মা-বাবাদের কিছু সঠিক ব্যবহার এবং ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন। এক্ষেত্রে বাচ্চাকে সঠিক পরিচালনার মাধ্যমে এই সমস্যা থেকে উত্তরণ করতে হবে।

কনটেন্ট ক্রেডিট: ডক্টর টিভি

লাইফস্টাইল বিভাগের সর্বাধিক পঠিত
  • পুলিশের সহায়তায় হারিয়ে যাওয়া শিশুটি ফিরলো পরিবারে

  • বীর মুক্তিযোদ্ধাদের চিকিৎসা: বারডেমের সঙ্গে এমওইউ নবায়ন

  • জয়পুরহাটকে বাল্যবিয়ে মুক্ত করতে চায় ‘এক ঘণ্টার এসপি’ মাহিরা

  • শাহজালাল বিমানবন্দরের রাডার ক্রয়ে চুক্তি স্বাক্ষর

  • ওয়াকওয়ে হবে ঢাকার সব খালের পাড়ে

  • প্রতিটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে হবে শেখ রাসেল বুক কর্নার

  • ৪২৮ কোটি টাকায় পুলিশের জন্য কেনা হচ্ছে ২টি অত্যাধুনিক হেলিকপ্টার

  • মাগুরায় রোপা আমনের ব্যাপক ফলন

  • বিনা-১৭ ধানে কৃষকের হাসি

  • স্বাস্থ্য খাতে শিগগিরই পৌনে ৫ লাখ নিয়োগ

  • বজ্রপাতে মৃত্যু ঠেকাতে ৪৭৬ কোটি টাকার প্রকল্প হচ্ছে

  • দেশে এলো সিনোফার্মের আরও ৫৫ লাখ ডোজ টিকা

  • ‘এশিয়ার উইমেন অ্যাওয়ার্ড’ পেলেন সামিটের শারমিন জামান

  • এক যুগে বদলে গেছে বাংলাদেশ

  • ‘কুমিল্লার ঘটনার মূলহোতাকে ইন্ধনদাতারা লুকিয়ে রাখতে পারে’

  • অন্য ধর্মকে হেয় করতে কোরআন অবমাননা করা হয়েছে

  • পদ্মা ও মেঘনা নামে দুটি বিভাগ হবে: প্রধানমন্ত্রী

  • কুমিল্লার ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্তদের ঘরবাড়ি করে দেবে সরকার

  • বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ উইকেটের বিশ্বরেকর্ড সাকিবের

  • রেকর্ডগড়া জয়ে সুপার টুয়েলভে বাংলাদেশ

  • মালয়েশিয়ায় ১৭২ বাংলাদেশি আটক

  • শিশুদের দাঁতে যেসব সমস্যা দেখা দেয়, কী করবেন?  

  • যে কারণে নাম পরিবর্তন চায় ফেসবুক

  • ইমিউনিটি বাড়াতে খান আমলা জুস

  • দেড় বছর পর
    বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে সশরীরে ক্লাস

  • `মাস্ট উইন` ম্যাচে ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশ

  • সৌরভের বায়োপিকে দাদার চরিত্রে অভিনয় করবেন কে?

  • ডিআইজি হয়ে পুলিশ কর্মকর্তাদের নিয়ে বৈঠক করলেন আফসানা

  • বিদায়বেলায় সুসজ্জিত গাড়িতে বাড়ি গেলেন কনস্টেবল দলিলুর

  • কনস্টেবল নিয়োগ: যোগ্য প্রার্থীদের ক্ষেত্রে সদরদপ্তরের নির্দেশনা

  • চলতি মাসেই পায়রা সেতু উদ্বোধন

  • ১০ মেগাপ্রকল্পে রূপ পাচ্ছে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা

  • দুষ্কৃতকারী যে ধর্মেরই হোক, কঠোর ব্যবস্থা: র‍্যাব প্রধান

  • ইসলামে সব ধর্মের স্বাধীনতার কথা বলা হয়েছে: প্রধানমন্ত্রী

  • ফাতেমা জাতের ধানে বিঘায় ফলন ৫০ মণ

  • প্রতি ইঞ্চি জমিতে আবাদ করুন, খাদ্য অপচয় কমান: প্রধানমন্ত্রী

  • ইউরোপের তিন দেশে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী

  • আত্মবিশ্বাস-আত্মমর্যাদা নিয়ে গড়ে উঠুক শিশুরা: প্রধানমন্ত্রী

  • ‌‘গ্যাস বেচতে রাজি না হওয়ায় ২০০১ সালে ক্ষমতায় আসতে পারিনি’

  • করোনাকালে ১৬০০ ভার্চুয়াল সভায় অংশ নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী

  • বৈশ্বিক আইনের শাসনে এগিয়েছে বাংলাদেশ

  • দিনে ৪০ হাজার শিক্ষার্থীকে টিকা দেয়া হবে

  • আগামী বুধবার বন্ধ থাকবে সব ব্যাংক

  • জনগণকে হাসিমুখে সেবা দিতে হবে: জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী

  • ১০০৭ ইউপিতে ২৮ নভেম্বর ভোট

  • কাঠমিস্ত্রি মোস্তাকিম রাবি ভর্তি পরীক্ষায় প্রথম

  • যাত্রাবাড়ী-ডেমরা মহাসড়ক
    ২০২২ সালে শেষ হবে চারলেনের কাজ

  • কুমিল্লার পূজামণ্ডপের ঘটনা নিয়ে অপপ্রচার, যুবক গ্রেফতার

  • ‘প্রথম পদ্মাসেতুর উদ্বোধনের পরই দ্বিতীয় পদ্মাসেতু নির্মাণ শুরু’

  • ২০৩০ সালের মধ্যে উন্নত নাগরিক সেবা নিশ্চিত করা যাবে: মেয়র তাপস

  • ৬০০ কোটিতে ৩২০ কোরিয়ান এসি বাস কিনবে সরকার

  • বঙ্গবন্ধু ও মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস প্রদর্শন হবে ট্রেনে

  • স্কুলশিক্ষার্থীদের গণটিকা শুরু ৩০ অক্টোবর

  • বদলে যাচ্ছে মোংলা বন্দর, গতি ফিরছে বাণিজ্যে

  • আজ থেকে স্কুলশিক্ষার্থীদের পরীক্ষামূলক টিকাদান

  • ব্রেন টিউমারের লক্ষণ ও চিকিৎসা

  • দুর্গম চরে বিদ্যুতের আলোতে ৪০ হাজার পরিবারের মুখে নির্মল হাসি

  • সরকারের উদ্যোগের ফলে ২০০ বছর পর নদীতে ভাসছে নৌকা, এসেছে মাছ

  • আমরা নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা দিয়ে যাচ্ছি: ডিএমপি কমিশনার

  • চায়ের রাজ্যে ট্যুরিস্ট বাস