মঙ্গলবার   ১৮ মে ২০২১

সর্বশেষ:
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোর বার্ষিক ছুটি ৭৫ দিন আগামী মার্চে ঢাকা উত্তর সিটির ভোটের ইঙ্গিত সিইসির আস্থা ভোটে টিকে গেলেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী থেরেসা মে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় পরিদর্শনে প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রপতির সঙ্গে নেপালের বিদায়ী রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন করতে ইসি প্রতিজ্ঞাবদ্ধ: নূরুল হুদা বারবার আসতে পারব না, যত খুশি সাজা দিন: খালেদা জিয়া ‘আকাশবীণার’ উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী ত্রিভুবনে আবারও বিমান দুর্ঘটনা ট্রেন-বাসের সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ২৫ ভুয়া ছবি দিয়ে অপপ্রচার চালাচ্ছে মিয়ানমার: প্রধানমন্ত্রী
১০৪

বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুননেছা ছিলেন ‘আসল গেরিলা’

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: ২৭ এপ্রিল ২০২১  

বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুননেছা মুজিব তার পুরো জীবনে ছায়ার মতো বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডকে সমর্থন করে গেছেন। কারাগার থেকে কর্মীদের কাছে খবর পৌছানো, যেকোনও বড় সিদ্ধান্তের সময় বঙ্গবন্ধু কারাগারে থাকুন বা বাইরে বঙ্গমাতা তাকে সঠিক সময়ে সঠিক পরামর্শ দিয়ে গেছেন। অসম্ভব মনোবল নিয়ে একইসঙ্গে সন্তানদেরকে বড় করার প্রধান দায়িত্ব তিনি পালন করেছেন। বঙ্গমাতার রাজনৈতিক দূরদৃষ্টি এবং কঠিন সময়ে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে কারাগার থেকে বঙ্গবন্ধুর সিদ্ধান্ত কর্মীদের কাছে পৌছে দেওয়ার কাজটির জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মাকে বিভিন্ন সময়ে বক্তৃতায় আলোচনায় ‘আসল গেরিলা’ বলে অবহিত করেন।

২০১৮ সালে বঙ্গমাতার জন্মদিনে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে আয়োজিত আলোচনা সভায় স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, আমার মা বঙ্গমাতা বেগম শেখ ফজিলাতুননেছা মুজিব ছিলেন আসল গেরিলা। আন্দোলন কীভাবে করতে হবে সেটি তার মায়ের কাছ থেকেই শেখা বলেও উল্লেখ করেন তিনি। তিনি বলেন, আমার মা এমন গেরিলা ছিলেন, পাকিস্তানিরা কিন্তু তাকে ধরতে পারেনি। এমনকি কোনও রিপোর্ট লিখতে পারেনি তার নামে। তিনি ছিলেন আসল গেরিলা।


শনিবার বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুননেছা মুজিবের জন্মদিন। ১৯৩০ সালের এই দিনে গোপালগঞ্জের টুঙ্গীপাড়া গ্রামে তিনি জন্মগ্রহণ করেন। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টের কালরাতে জাতির পিতা হত্যাকারীদের নিষ্ঠুর, বর্বরোচিত হত্যাযজ্ঞের শিকার হয়ে তিনিও শাহাদাত বরণ করেন।

নেপথ্যের ভূমিকায় তিনি অনন্য

বিভিন্ন সময়ে শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিবের অবদানের কথা স্মরণ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তার বক্তৃতায় বলেছেন জাতির পিতার আদর্শ বাস্তবায়নে কীভাবে নেপথ্যে থেকে তার মা অগ্রণী ভূমিকা রেখেছেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, মুক্তিযুদ্ধের নয় মাস আম্মার যে মনোবল দেখেছি, তা ছিল কল্পনাতীত। স্বামীকে পাকিস্তানিরা ধরে নিয়ে গেছে। দুই ছেলে রণাঙ্গনে যুদ্ধ করছে। তিন সন্তানসহ তিনি গৃহবন্দি। যোগাযোগ একেবারে বিচ্ছিন্ন। কিন্তু আম্মা মনোবল হারাননি। জাতির পিতার জন্য প্রেরণা, শক্তি এবং সাহসের এক উৎস ছিলেন বঙ্গমাতা। স্বামীর সব সিদ্ধান্তে মানসিক সহযোগিতা ছাড়াও বঙ্গমাতার পরামর্শ অনেক সিদ্ধান্ত গ্রহণে সহায়ক হয়েছে।

চলতো চোখ এড়িয়ে খবর আদান প্রদান

মা নিয়ে বলতে গেলে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কন্ঠ ভেঙে আসে, আবার কখনো গর্বে উজ্জ্বল হয়ে ওঠে দুই চোখ। তিনি তার বক্তৃতায় বলেন, আমার বাবা-মায়ের মধ্যে বোঝাপড়াটা খুব ভালো ছিল। বাবাকে কোনও পরামর্শ দিতে হলে আমিই চলে যেতাম মায়ের মিশন নিয়ে। বাবা ভিড়ের মধ্যেও আমাকে একবার দেখলেই বুঝতে পারতেন নিশ্চয় জরুরি কোনও ম্যাসেজ আছে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, আম্মার উৎসাহেই জাতির পিতা ‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী’ লিখেছিলেন এবং জাতির পিতার ডায়েরিগুলো বঙ্গমাতাই সংরক্ষণ করে রাখেন, যা পরবর্তীকালে পুস্তক আকারে প্রকাশ হয়।

কারাগারে আটক বঙ্গবন্ধুর কাছে খবর যেত

প্রধানমন্ত্রী ২০১৮ সালে মায়ের জন্মদিনের বক্তৃতায় বলেন, জেলখানায় দেখা করতে গেলে আব্বা তার মাধ্যমেই দলীয় নেতাকর্মীদের খোঁজখবর পেতেন। আব্বার দিক-নির্দেশনা আম্মা নেতাকর্মীদের পৌঁছে দিতেন। আব্বা কারাবন্দি থাকলে সংসারের পাশাপাশি সংগঠন চালানোর অর্থও আমার মা যোগাড় করতেন। বাবার কোনও কাজেই মা প্রতিবন্ধক নন বরং সহায়ক ছিলেন উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমার মা চাইলে স্বামীকে সংসারের চার দেয়ালে আবদ্ধ করতে পারতেন। কিন্তু তিনি কখনও ব্যক্তিগত-পারিবারিক সুখ-স্বাচ্ছন্দ্যের দিকে তাকাননি। বঙ্গবন্ধুর কারাজীবনের স্মৃতিচারণ করে এ সময় আক্ষেপের সুরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাবাকে কখনও টানা দুই বছরও আমাদের মাঝে পাইনি। তার মা এবং বঙ্গবন্ধু মানুষের অধিকার আদায়ের সংগ্রামে একে অপরের পরিপূরক ছিলেন উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, জীবনের একটি বড় সময়ই কারাগারে কাটিয়েছেন বঙ্গবন্ধু। তার অবর্তমানে একদিকে যেমন সংসারের দায়িত্ব পালন, অন্যদিকে মামলা পরিচালনার ব্যবস্থা করা, দলকে সংগঠিত করা, আন্দোলন পরিচালনাসহ প্রতিটি কাজে বঙ্গমাতা ফজিলাতুন্নেছা অত্যন্ত দক্ষতা ও সাহসিকতার পরিচয় দিয়েছেন।

প্যারোল না নিঃশর্ত মুক্তি চাইলেন বঙ্গমাতা

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রায়ই তার বক্তৃতায় মায়ের বিভিন্ন অবদান তুলে ধরার সময় ৬৯ এর গণ-অভ্যুত্থানের প্রেক্ষাপট স্মরণ করেন। তিনি তার বক্তৃতায় বলেন, আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলার সময় বঙ্গবন্ধুকে কারাগার থেকে ক্যান্টনমেন্টে ধরে নিয়ে যায় পাক সামরিক সরকার। ছয় মাস পর্যন্ত তার কোন হদিস ছিল না, আমরা জানতেও পারিনি তিনি বেঁচে আছেন কি না। এরপরে কোর্টেই বঙ্গবন্ধুকে প্রথম দেখার সুযোগ হয়। তখন পাকিস্তান সরকার আম্মাকে ভয় দেখায়, বঙ্গবন্ধু প্যারোলে মুক্তি না নিলে তিনি বিধবা হবেন। আম্মা সোজা বলে দিলেন, কোন প্যারোলে মুক্তি হবে না। নিঃশর্ত মুক্তি না দিলে কোনো মুক্তি হবে না। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আদালতে গিয়ে মায়ের এই সিদ্ধান্তের কথা বঙ্গবন্ধুকে জানিয়েছিলেন। প্রধানমন্ত্রী স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে বলছেন, সেসময় অনেক আওয়ামী লীগ নেতাকেও দেখেছি তারা বলেছেন, তুমি কেমন মেয়ে? বাবার মুক্তি চাও না? আম্মাকে বলেছে, ভাবী আপনি কিন্তু বিধবা হবেন। আমার মা তখন কঠিন স্বরেই বলেছেন, প্যারোলে মুক্তি নিলে মামলার আর ৩৩ জন আসামির কী হবে? সেসময় বঙ্গবন্ধু প্যারোলের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেন। গণ-অভ্যুত্থানে পাকিস্তান সরকার আব্বাকে নিঃশর্ত মুক্তি দিতে বাধ্য হয়।

প্র্রসঙ্গ ৭ মার্চের ভাষণ: তুমিই সবচেয়ে ভালো জানো, কী বলতে হবে

রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে ঐতিহাসিক ৭ মার্চ উপলক্ষে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ আয়োজিত এক আলোচনা সভায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বক্তৃতা দিতে গিয়ে ভাষণ তৈরি হওয়ার প্রেক্ষাপট নিয়ে কথা বলছিলেন। এ প্রসঙ্গে বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুননেছা মুজিবেরও বড় ভূমিকা রয়েছে উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, ৭ মার্চের ভাষণে বঙ্গবন্ধু কী বলবেন, তা নিয়ে যখন অনেক আলোচনা, সেই ক্রান্তিলগ্নে সবচেয়ে বড় ভূমিকা নিয়েছিলেন আমার মা। বিভিন্ন ক্রান্তিলগ্নে আমার মাকে দেখেছি, সঠিক সময়ে সঠিক সিদ্ধান্তটি তিনি নিতে পারতেন। ৭ মার্চের ভাষণের সময়ও মা বলেছিলেন— তুমি সারাটা জীবন মানুষের জন্য সংগ্রাম করেছে। তুমিই সবচেয়ে ভালো জানো, কী বলতে হবে। তোমার মনে যা আছে, তাই বলো। বঙ্গবন্ধু সেই কথাই বলে গেছেন।

ঘাত প্রতিঘাতে অবিচল

২০১৯ সালের ১ সেপ্টেম্বর গণভবন প্রাঙ্গণে ছাত্রলীগ আয়োজিত জাতীয় শোক দিবসের আলোচনা সভায় সংগঠনটির নেতা-কর্মীদের আদর্শ ও ত্যাগের রাজনীতি করার পরামর্শ দিতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ৩২ নম্বর বাড়িতে যখন আমার বাবাকে হত্যা করা হয়, আমার মাকে খুনিরা বলেছিল আপনি চলেন, আমার মা বললেন কোথাও তো যাবো না। ওনাকে খুন করেছো আমাকেও শেষ করে দাও। আমি এখান থেকে এক পা-ও নড়বো না।

শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমার মা কিন্তু ওদের কাছে জীবন ভিক্ষা চায়নি। তাদের কাছে কোনও আকুতি মিনতি করেননি। বীরের মত বুক পেতে দিয়েছিলেন বুলেটের সামনে। সেই কথা সকলকে মনে রাখতে হবে।’

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মিন্টো রোড থেকে উৎখাত হওয়ার বর্ণণা দিতে গিয়ে এক বক্তৃতায় বলেন কীভাবে মাত্র ১৪ দিনের নোটিসে তাদের বাড়ি থেকে বের করে দেওয়া হয়। আর সেই দুঃসময়ে মা কতো অবিচল ছিলেন। তিনি বলেন, আমার এখনও মনে আছে তখন আমরা খুব ছোট, কামাল-জামাল কেবল হামাগুড়ি দেয়। তখন মিন্টু রোডের তিন নম্বর বাসায় আমরা একদিন সকালবেলা উঠে দেখি মা খাটের ওপর বসে আছেন চুপচাপ, মুখটা গম্ভীর। আমি তো খুবই ছোট, কিছুই জানি না। রাতে বাসায় পুলিশ এসেছে, বাবাকে গ্রেফতার করে নিয়ে গেছে। মা বসা খাটের ওপরে, চোখে দুফোটা অশ্রু। আমি জিজ্ঞেস করলাম, “বাবা কই?” বললেন, “তোমার বাবাকে অ্যারেস্ট করে নিয়ে গেছে।”

চোখের সামনে থেকে এই প্রথম গ্রেফতার। ১৪ দিনের নোটিশ দিয়ে আমাদের বাড়ি থেকে বের করে দিল। মা কোথায় যাবেন? কেবল ঢাকায় এসেছেন, খুব কম মানুষকে চিনতেন। মন্ত্রী থাকা অবস্থায় ঐ বাসায় মানুষে গমগম করত। কিন্তু ঐদিন সব ফাঁকা! আমার আব্বার ফুপাতো ভাই, আমার এক নানা, তারা এলেন। বাড়ি খোঁজার চেষ্টা। নাজিরাবাজারে একটা বাড়ি পাওয়া গেল। সে বাসায় আমাদের নিয়ে উঠলেন মা। এভাবেই একটার পর একটা ঘাত-প্রতিঘাত এসেছে। কিন্তু একটা জিনিস আমি বলব যে, আমার মাকে আমি কখনও ভেঙে পড়তে দেখিনি।

আরও পড়ুন
জাতীয় বিভাগের সর্বাধিক পঠিত
  • ডিএসইর লেনদেন ১৫০০ কোটি টাকা ছাড়ালো

  • শেখ হাসিনা বাংলাদেশের জন্য অপরিহার্য: নাছিম

  • দূরপাল্লার যানবাহন চালুর বিষয়ে সিদ্ধান্ত সপ্তাহখানেক পর

  • দূরপাল্লার যানবাহন বন্ধ রাখতে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর প্রস্তাব

  • চারদিন পর আখাউড়া স্থলবন্দরে রপ্তানি শুরু

  • বঙ্গবন্ধুর নামে পিরোজপুরে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়

  • শিক্ষার্থীদের ভ্যাকসিন নিশ্চিতের পর খুলবে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান

  • চার দশক ধরে আ.লীগের সফল নেতৃত্বে শেখ হাসিনা

  • পারমাণবিক বোমা ছাড়া সব সূচকে পাকিস্তানের চেয়ে এগিয়ে বাংলাদেশ

  • সাগরে বসেই অনলাইনে মাছ বিক্রি করছেন জেলেরা

  • রাজনীতির সীমানা পেরিয়ে শেখ হাসিনা কালজয়ী রাষ্ট্রনায়ক

  • ফেরিতে গাদাগাদি, হিমশিমে বিআইডব্লিউটিসি

  • দেশে চীনের ‘সিনোফার্ম’ টিকা উৎপাদনে কাউকে অনুমতি দেয়া হয়নি

  • শেখ হাসিনা ফেরায় দেশের অগ্রযাত্রা হয়েছে

  • ইসরায়েলের নৃশংসতা অতীতের সকল বর্বরতাকে ছাড়িয়ে গেছে: তথ্যমন্ত্রী

  • শেখ হাসিনার প্রতি বাংলার জনগণের অসীম আস্থা

  • ফিলিস্তিন ইস্যু সমাধানে নিরাপত্তা পরিষদের প্রতি বাংলাদেশের আহ্বান

  • ঈদের পর প্রথম কার্যদিবসে ঊর্ধ্বমুখী শেয়ারবাজার

  • চট্টগ্রাম বিভাগে করোনায় ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে ত্রাণ বিতরণ অব্যাহত

  • ঈদ শেষে রাজধানীতে ফিরছে কর্মমুখী মানুষ

  • লিফট সম্বলিত পাঁচটি ফুটওভার ব্রিজ নির্মিত হবে: মেয়র আতিক

  • খুলনা বিভাগে সরকারি ত্রাণ ও আর্থিক সহায়তা পেল ৯ লাখ পরিবার

  • খাদ্য উৎপাদন বৃদ্ধি করতে সংশ্লিষ্টদের আহ্বান কৃষিমন্ত্রীর

  • শেখ হাসিনার ৪০তম স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস আজ

  • ব্যান্ডউইথ রপ্তানিতে সৌদির সাথে সাবমেরিন ক্যাবল কোম্পানির চুক্তি

  • ‘শেখ হাসিনার হাত ধরেই বদলে যাওয়া বাংলাদেশের অগ্রযাত্রা’

  • শেখ হাসিনার আগমন সমৃদ্ধ বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠায় তাৎপর্যপূর্ণ

  • ফিলিস্তিনে বঙ্গবন্ধুর নামে রোড, শেখ হাসিনার নামে বাড়ি

  • স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস: শেখ হাসিনার সফল নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ

  • বিজ্ঞান চর্চার নিরন্তর সাধক

  • করোনা সংকট জয় করে দেশ উন্নয়নের পথে এগিয়ে যাবে

  • স্বাস্থ্যবিধি মেনে ঈদের পাঁচ জামাত বায়তুল মোকাররমে  

  • লকডাউন আরো সাতদিন বাড়ছে

  • ঈদ কবে, জানা যাবে বুধবার

  • হাওর অঞ্চলে বোরো উৎপাদনে ঝুঁকি কমাবে বিনাধান

  • বুধবারও খোলা থাকবে সরকারি অফিস

  • এসপির ঈদ উপহার-খাবার পেয়ে কাঁদলেন সেই বৃদ্ধা

  • রাশিয়া থেকে আসবে এক কোটি ডোজ ভ্যাকসিন

  • ঢাকায় পৌঁছাল চীনের উপহারের পাঁচ লাখ টিকা

  • চাঁদ দেখা যায়নি, সৌদি আরবে ঈদ বৃহস্পতিবার

  • ঈদে ছুটি নেননি পদ্মাসেতু প্রকল্পের প্রকৌশলী-শ্রমিকরা

  • চীন থেকে আরও ডোজ আনার চেষ্টা চলছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

  • হাওরের শতভাগ বোরো ধান কাটা শেষ: কৃষিমন্ত্রী

  • চীনা রাষ্ট্রদূত আগ বাড়িয়ে কথা বলেছেন: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

  • আল-আকসা মসজিদে হামলায় প্রধানমন্ত্রীর নিন্দা

  • দুধের ভালো দামে চওড়া হাসি খামারিদের মুখে

  • লকডাউন আরো সাতদিন বাড়তে পারে: জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী

  • দূরপাল্লার বাস চলাচল নিয়ে যা বললেন জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী

  • তিস্তায়ও আগ্রহী চীন

  • ব্রডব্যান্ড সংযোগের আওতায় আসছে সাড়ে ৪ হাজার ইউনিয়ন পরিষদ

  •  ‘যে কোনো দুর্যোগকে আ. লীগ সব সময় মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে’

  • করোনা সংকট মোকাবেলায় সরকারের অক্সিজেন প্রস্তুতি

  • জাতীয় সংসদের বাজেট অধিবেশন ২ জুন

  • কনস্টেবলকে সততার পুরস্কার দিলেন এসপি

  • মুঠোফোনে প্রধানমন্ত্রীর ঈদ শুভেচ্ছা

  • স্বপ্নের মেট্রো রেলের সফল পরীক্ষা যাত্রা

  • ঈদের আগে বিকাশ-নগদে ঘণ্টায় ২০০ কোটি টাকার লেনদেন

  • বৃহস্পতিবার থেকে ঈদের ছুটি শুরু, বুধবার শেষ কর্মদিবস

  • বিশ্বের যেকোনো প্রান্ত থেকে এখন বিটিভি দেখা যাবে অ্যাপে

  • লকডাউনে বিচারিক ক্ষমতা পাচ্ছে পুলিশ