মঙ্গলবার   ১৮ জুন ২০২৪

সর্বশেষ:
জাইকার উপদেষ্টা কমিটির সঙ্গে স্থানীয় সরকার মন্ত্রীর বৈঠক ‘অজান্তে মোবাইল ব্যালেন্স কেটে নিলে কঠোর ব্যবস্থা’ আওয়ামী লীগের যৌথ সভা শুক্রবার বিএনপির নির্বাচন বর্জনের রাজনীতি আত্মহননমূলক : পররাষ্ট্রমন্ত্রী ঢাকা পৌঁছেছেন ভারতের পররাষ্ট্র সচিব গণমাধ্যমের তথ্য প্রাপ্তির অধিকার নিশ্চিত করা হবে: প্রতিমন্ত্রী নির্বাচনে ভোটার উপস্থিতি ছিল সন্তোষজনক : ওবায়দুল কাদের রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে যুক্তরাজ্যের সহায়তা চেয়েছেন প্রধানমন্ত্রী
৩৮৭

বঙ্গবন্ধুর `জুলিও-কুরি` শান্তি পদক প্রাপ্তির তাৎপর্য

ডেস্ক রিপোর্ট

প্রকাশিত: ২২ মে ২০২৩  

নিউজ ডেস্ক : বাংলাদেশের সুবর্ণ জয়ন্তী এবং মুজিববর্ষ উদযাপন শেষে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ‘জুলিও-কুরি’ শান্তি পদক প্রাপ্তির ৫০ বছর পূর্তি উদযাপন করছি আমরা। ১৯৭৩ সালের ২৩ মে বিশ্ব শান্তি পরিষদ বিশ্বের নিপীড়িত, নির্যাতিত মানুষের নেতা জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে ‘জুলিও-কুরি’ শান্তি পদকে ভূষিত করে ‘বিশ্ববন্ধু’ হিসেবে আখ্যায়িত করে। বাংলাদেশ অভ্যুদয়ের পর বিশ্বশান্তি পরিষদের সর্বোচ্চ পুরস্কার এই জুলিও-কুরি শান্তিপদক। 

সাম্য-মৈত্রী, গণতন্ত্র রক্ষায় অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ জীবদ্দশাতেই বিশ্ব শান্তি পরিষদের পক্ষ থেকে পাওয়া এই পুরস্কার বঙ্গবন্ধু উৎসর্গ করেছিলেন বাংলাদেশ তথা তৃতীয় বিশ্বের অসহায় মানুষদের। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এই শান্তি পদক সম্পর্কে বলেছেন- বঙ্গবন্ধুর ‘জুলিও-কুরি’ শান্তি পদকে ভূষিত হওয়া ছিল বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠায় তাঁর অবদানের আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি। বাংলাদেশের জন্য প্রথম আন্তর্জাতিক সম্মান।

১০ অক্টোবর ১৯৭২ সালে বিশ্ব শান্তি পরিষদের প্রেসিডেন্সিয়াল কমিটির সভায় পৃথিবীর ১৪০টি দেশের এই পরিষদের ২০০ প্রতিনিধির উপস্থিতিতে বঙ্গবন্ধুকে জুলিও-কুরি শান্তি পদক প্রদানের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। শোষিত ও বঞ্চিত জনগণের অধিকার আদায়ের সংগ্রামে তথা বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠায় বঙ্গবন্ধুর অসাধারণ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে বিশ্বশান্তি পরিষদের সর্বোচ্চ সম্মান ‘জুলিও-কুরি’ পুরস্কারে ভূষিত করা ছিল তৎকালীন বিশ্ব পরিস্থিতিতে অসামান্য একটি ঘটনা। পরের বছর ১৯৭৩ সালের ২৩ মে বিশ্বশান্তি পরিষদের উদ্যোগে ঢাকায় অনুষ্ঠিত এশীয় শান্তি সম্মেলনে বঙ্গবন্ধুকে ‘জুলিও-কুরি’ পদক প্রদান করেন ওই পরিষদের সেক্রেটারি-জেনারেল রমেশ চন্দ্র। সে সময় এশিয়ান পিস এন্ড সিকিউরিটি কনফারেন্স অনুষ্ঠান উপলক্ষে বিশ্ব শান্তি পরিষদ ঢাকায় দুই দিনব্যাপী এক সম্মেলনের আয়োজন করে। পৃথিবীর বিভিন্ন দেশ থেকে বিশ্ব শান্তি পরিষদের শাখাগুলোর নেতৃবর্গ এই সভায় মিলিত হন। বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ ছাড়াও আপসো, পিএলও, এএমসি সোয়াপো ইত্যাদি সংস্থার অনেক প্রতিনিধি সে সময় উপস্থিত হয়েছিল। অনুষ্ঠানে ভারতের ৩৫ জন প্রতিনিধির নেতা কৃষ্ণমেনেন এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের শান্তি আন্দোলনের প্রখ্যাত নেতা জন রিড উপস্থিত ছিলেন। সেদিন ঢাকায় অনুষ্ঠিত ওই এশীয় শান্তি সম্মেলনের ঘোষণায় উপমহাদেশে শান্তি ও প্রগতির শক্তিগুলোর অগ্রগতি নিশ্চিত করে।

অধিবেশনের দ্বিতীয় দিন ২৩ মে বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের উত্তর প্লাজায় উন্মুক্ত চত্বরে সুসজ্জিত প্যান্ডেলে বিশ্ব শান্তি পরিষদ আয়োজিত অনুষ্ঠানে আন্তর্জাতিক কূটনীতিকদের বিশাল সমাবেশে বিশ্ব শান্তি পরিষদের তৎকালীন মহাসচিব রমেশ চন্দ্র বঙ্গবন্ধুকে জুলিও- কুরি শান্তি পদক পরিয়ে দিয়ে বলেন, ‘শেখ মুজিব শুধু বঙ্গবন্ধু নন, আজ থেকে তিনি বিশ্ববন্ধুও বটে।’ এ সম্মান পাওয়ার পর বঙ্গবন্ধু বলেছিলেন, ‘এ সম্মান কোন ব্যক্তি বিশেষের জন্য নয়। এ সম্মান বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামে আত্মদানকারী শহিদদের, স্বাধীনতা সংগ্রামের বীর সেনানীদের। ‘জুলিও-কুরি’ শান্তিপদক সমগ্র বাঙালি জাতির।’

স্বাধীনতার আগে থেকেই আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বঙ্গবন্ধুর দীপ্ত পদচারণা শুরু হয়। স্বৈর শাসক পাকিস্তানি জান্তাদের বিরুদ্ধে সংঘটিত সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধ সারা বিশ্বকে বাংলাদেশের দিকে চোখ ফেরাতে বাধ্য করে। আর ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বরের পর এদেশকে বিভিন্ন রাষ্ট্রের স্বীকৃতি আমাদের স্বাধীনতাকে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে পরিচিত করে তোলে। একসময় ঢাকায় ছিলেন মার্কিন কনসাল জেনারেল আর্চার ব্লাড। বঙ্গবন্ধুর অনুরক্ত এই ব্যক্তির ‘দ্য ক্রুয়েল বার্থ অব বাংলাদেশ’ বইয়ে স্মৃতিচারণ রয়েছে। ১৯৭০ এর অক্টোবরে, আর্চার ব্লাডকে বঙ্গবন্ধু তাঁর বিদেশনীতি প্রশ্নে বলেছিলেন, ‘আমি ভারতপন্থী নই, আমেরিকাপন্থী বা চীনপন্থী নই; আমি আমার জনগণপন্থী।’ স্বাধীন বাংলাদেশের সরকারের দায়িত্ব গ্রহণ করে পররাষ্ট্রনীতির নতুন দিকনির্দেশনা দেন তিনি। ঘোষণা করেন- ‘বাংলাদেশ হবে প্রাচ্যের সুইজারল্যান্ড’। আর এজন্য জাতির পিতা ‘সকলের সাথে বন্ধুত্ব, কারও প্রতি বৈরিতা নয়, এবং সকল বিরোধের শান্তিপূর্ণ সমাধানকে পররাষ্ট্রনীতির মূলমন্ত্র হিসেবে গ্রহণ করেছিলেন। ১৯৭২ সালেই বঙ্গবন্ধু গণতন্ত্র, সমাজতন্ত্র, ধর্মনিরপেক্ষতা ও জাতীয়তাবাদকে রাষ্ট্রের মূলনীতি হিসেবে ঘোষণা করেন। দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার সংঘাতময় পরিস্থিতি উত্তরণে তিনি শান্তি প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেন। তিনি যুদ্ধবিধ্বস্ত বাংলাদেশ পুনর্গঠন করেই থেমে থাকেননি। ১৯৭২ থেকে ৭৫ সালের এই সাড়ে তিন বছর, স্বাধীন বাংলার স্বীকৃতি আদায় ও দেশের অর্থনীতি পুনর্গঠনে বিদেশি সহায়তা লাভে, প্রাচ্য থেকে পাশ্চাত্যে যেতে হয়েছে বঙ্গবন্ধুকে।

আর তৃতীয় বিশ্বের অবিসংবাদিত এক কণ্ঠস্বর বঙ্গবন্ধুর ‘জুলিও-কুরি’ শান্তি পদকপ্রাপ্তির এই দিন স্মরণের মধ্য দিয়ে নতুন প্রজন্মকে অসাম্প্রদায়িক, গণতান্ত্রিক এবং প্রগতিশীল আদর্শের শক্ত ভিত্তির ওপর প্রতিষ্ঠিত করতে হবে। বিশ্ব শান্তি ও মানবাধিকার প্রতিষ্ঠায় জাতির পিতার অবদানকে সামনে আনলে যে কোনো সংকট মোকাবেলায় ভবিষ্যতেও আমরা সক্ষম হবো। শেখ হাসিনা সরকার বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠায় সবসময় জাতির পিতার নীতি ও আদর্শকে অনুসরণ করছে। শান্তির জন্য ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠাকে সর্বাধিক গুরুত্ব দিচ্ছে।

আরও পড়ুন
জাতীয় বিভাগের সর্বাধিক পঠিত
  • আসুন ত্যাগের মহিমায় দেশ ও মানুষের কল্যাণে কাজ করি: প্রধানমন্ত্রী

  • দুর্নীতি করে, কাউকে ঠকিয়ে সফল হওয়া যায় না

  • দুই সিটিতে কুরবানির বর্জ্য অপসারণে প্রস্তুত ১৯ হাজার কর্মী

  • চামড়া কেনায় মিলছে ২৭০ কোটি টাকা ঋণ

  • ঈদকে কেন্দ্র করে বাড়ল রিজার্ভ

  • দেশবাসীকে ঈদের শুভেচ্ছা জানালেন প্রধানমন্ত্রী

  • আসুন ত্যাগের মহিমায় দেশ ও মানুষের কল্যাণে কাজ করি : প্রধানমন্ত্রী

  • গাজায় যুদ্ধবিরতি হচ্ছে না, তবে আশা আছে: বাইডেন

  • অন্যদিকে তাকিয়ে অদ্ভুতভাবে হাসছেন বাইডেন

  • ৬ জানুয়ারি দাঙ্গার পর প্রথম বারের মত ক্যাপিটল হিলে ট্রাম্প

  • সুইজারল্যান্ডে সরাসরি যাবে বিমান

  • সুইজারল্যান্ডে সরাসরি যাবে বিমান

  • জনপ্রিয় হচ্ছে ঘরে বসে কোরবানি

  • জনপ্রিয় হচ্ছে ঘরে বসে কোরবানি

  • ডিসেম্বরেই ট্রেন চলবে বঙ্গবন্ধু রেলসেতুতে

  • ভূমি জটিলতা দূর করতে সরকার কাজ করে যাচ্ছে : ডেপুটি স্পিকার

  • গ্লোবাল কোয়ালিশন ফর সোশ্যাল জাস্টিসে বাংলাদেশের যোগদান

  • প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফরে সম্পর্ক নতুন গতি পাবে

  • প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফরে সম্পর্ক নতুন গতি পাবে

  • গ্লোবাল কোয়ালিশন ফর সোশ্যাল জাস্টিসে বাংলাদেশের যোগদান

  • ভূমি জটিলতা দূর করতে সরকার কাজ করে যাচ্ছে : ডেপুটি স্পিকার

  • ‘বাংলাদেশের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখত বেশি করে গাছ লাগাতে হবে’

  • ঢেলে সাজানো হচ্ছে রাজস্ব ব্যবস্থাপনা

  • সুইজারল্যান্ডে সরাসরি যাবে বিমান

  • জনপ্রিয় হচ্ছে ঘরে বসে কোরবানি

  • ডিসেম্বরেই ট্রেন চলবে বঙ্গবন্ধু রেলসেতুতে

  • ট্রেনের ৫০০ টিকিটসহ ১২ কালোবাজারি আটক

  • কলাপাড়ায় ডোবা থেকে জীবিত ডলফিন উদ্ধার

  • নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে মাছ শিকার, ৩ হাজার কেজি মাছ জব্দ

  • ২৪ ঘণ্টায় ৩ কো‌টি ছা‌ড়িয়েছে বঙ্গবন্ধু সেতুর টোল আদায়

  • শেখ হাসিনাসহ অতিথিদের মঞ্চে ডেকে নিলেন মোদি

  • দেশে ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী

  • নেত্রকোণায় ৩০ ঘণ্টার শ্বাসরুদ্ধকর অভিযান, ৬ বোমা নিষ্ক্রিয়

  • ১১ জুন: গণতন্ত্রের মুক্তি ও বাংলাদেশের নব দিগন্তের সূচনা

  • শ্রীলঙ্কার রাষ্ট্রপতির সঙ্গে শেখ হাসিনার সাক্ষাৎ

  • ঢাকা বোর্ডে ফেল থেকে পাস ১২৭

  • ভূমিহীন সাড়ে ১৮ হাজার পরিবারকে ঘর হস্তান্তর করলেন প্রধানমন্ত্রী

  • ডেডবল নাকি ৪, যা বলছে ক্রিকেট আইন

  • ‘‌তদন্ত শেষ হোক, অনেকেই গ্রেপ্তার হতে পারেন’

  • দেশবাসীকে ঈদের শুভেচ্ছা জানালেন প্রধানমন্ত্রী

  • রাস্তার উপরে থাকা ২৫টি দোকান ও ৬টি বহুতল ভবন ভেঙে দিয়েছে ডিএনসিসি

  • সৌদি পৌঁছেছেন ৭৬ হাজার ৩২৫ হজযাত্রী

  • যাদের ঘর করে দিয়েছি তাদের জীবন বদলে গেছে: প্রধানমন্ত্রী

  • সৌদি পৌঁছেছেন ৭৯ হাজার ৫৫৯ হজযাত্রী, মারা গেছেন ১৫ জন 

  • স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য সিঙ্গাপুর গেলেন ওবায়দুল কাদের

  • শিক্ষা প্রশাসনের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে কাজ করবে ইউএনডিপি

  • সেই আম্পায়ারকে ধুয়ে দিলেন ধারাভাষ্যকার সাইমন ডুল

  • টিকিট কালোবাজারি আর থাকবে না : র‌্যাব

  • কলাপাড়ায় ডোবা থেকে জীবিত ডলফিন উদ্ধার

  • মরিশাসে বাংলা‌দে‌শ হাইক‌মিশনা‌রের পরিচয়পত্র পেশ

  • ‘বাংলাদেশের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখত বেশি করে গাছ লাগাতে হবে’

  • যাত্রীবাহী ক্যারেজ সংগ্রহের পরিকল্পনা রয়েছে : রেলমন্ত্রী

  • বৃহস্পতিবার পর্যন্ত আবহাওয়া যেমন থাকবে

  • সেনাপ্রধানের সঙ্গে রুয়ান্ডার চিফ অব ডিফেন্স স্টাফের সাক্ষাৎ

  • ডিসেম্বরেই ট্রেন চলবে বঙ্গবন্ধু রেলসেতুতে

  • পাঁচ ধাপে উপজেলায় ভোট পড়েছে ৩৬.৫৬ শতাংশ : সিইসি

  • বীর মুক্তিযোদ্ধার স্বীকৃতি পেয়েছেন ৫০৪ জন বীরাঙ্গনা

  • জনগণকে এনআইডি সেবা দিতে যেন দেরি না হয় : সিইসি

  • ঢেলে সাজানো হচ্ছে রাজস্ব ব্যবস্থাপনা

  • বুধবার থেকে চলবে ঈদ স্পেশাল ট্রেন