মঙ্গলবার   ১৮ জুন ২০২৪

সর্বশেষ:
জাইকার উপদেষ্টা কমিটির সঙ্গে স্থানীয় সরকার মন্ত্রীর বৈঠক ‘অজান্তে মোবাইল ব্যালেন্স কেটে নিলে কঠোর ব্যবস্থা’ আওয়ামী লীগের যৌথ সভা শুক্রবার বিএনপির নির্বাচন বর্জনের রাজনীতি আত্মহননমূলক : পররাষ্ট্রমন্ত্রী ঢাকা পৌঁছেছেন ভারতের পররাষ্ট্র সচিব গণমাধ্যমের তথ্য প্রাপ্তির অধিকার নিশ্চিত করা হবে: প্রতিমন্ত্রী নির্বাচনে ভোটার উপস্থিতি ছিল সন্তোষজনক : ওবায়দুল কাদের রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে যুক্তরাজ্যের সহায়তা চেয়েছেন প্রধানমন্ত্রী
৯৪

বঙ্গবন্ধুর ছয় দফা, স্বাধিকার আন্দোলন ও স্বাধীনতা যুদ্ধের পটভূমি

ডেস্ক রিপোর্ট

প্রকাশিত: ৭ জুন ২০২৪  

ব্রিটিশ শাসনের অবসানে স্বাধীনতার স্বাদ পেল ভারত-পাকিস্তান। কিন্তু তখনও নিষ্পেষিত বাংলাদেশ। পাকিস্তানি শাসকদের শোষণে বাঙালিরা ছিল একেবারে কোণঠাসা। আর সে সময় মুক্তির দূত ছিলেন বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। যিনি রচিত করেছিলেন বাঙালির মুক্তির সনদ বা ম্যাগনাকার্টা। যার নাম ছিল ‘ছয় দফা’। এই ছয় দফার প্রেক্ষাপট ধরেই আসে স্বাধীনতার পথ।
 
বাংলাদেশের ইতিহাসে ছয় দফা একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক। বাঙালির ম্যাগনাকার্টা বলা হয় একে। বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান নিজে এই ছয় দফাকে উল্লেখ করেছেন 'আমাদের বাঁচার দাবি' বলে। হ্যাঁ, পাকিস্তানি জোঁকদের শোষণে রক্তশূন্য হয়ে পড়া সংখ্যাগরিষ্ঠ বাঙালি জাতির তখন মৃতপ্রায়, ঠিক এমন একটি সময় বাঁচার স্বপ্ন দেখালেন আওয়ামী লীগ নেতা শেখ মুজিবুর রহমান।

দলের গণ্ডি পেরিয়ে পূর্ব-বাংলার গণমানুষের কণ্ঠস্বরে পরিণত হয়ে গেছেন তিনি ততদিনে। তাই শেখ মুজিব যখন পরাহত বাঙালিকে প্রাণের বাণী শোনালেন, দেশজুড়ে সাড়া পড়ে গেলো, জেগে উঠতে শুরু করলো আশাহত জাতি। এক চিরন্তন মুক্তির আশায় বঙ্গবন্ধুর ছয় দফাকে লুফে নিলো আমাদের পূর্বপুরুষরা।

ছয় দফা ঘোষণার প্রেক্ষাপট: দেশ ভাগের পর থেকে অব্যাহত শোষণের কারণে বাংলার সমৃদ্ধ অর্থনীতিকে ধ্বংস করে দেওয়া হয়। এছাড়াও অব্যাহতভাবে চলছিল সাংস্কৃতিক নিপীড়ন। তার উপর, ১৯৬৫ সালে ভারত-পাকিস্তানের যুদ্ধের সময় পূর্ব-পাকিস্তানকে (বাংলাদেশকে) সম্পূর্ণ অরক্ষিত রাখা হয়। এখানে ছিল না কোনো সৈন্য, না ছিল সীমান্তে কোনো নিরাপত্তা প্রহরী। সেসময় ভারত চাইলে এক দিনেই পুরো পূর্ব-পাকিস্তান দখল করতে পারতো। ভারতের দয়ায় তখন এই ভূখণ্ডের মানুষের প্রাণ রক্ষা পায়, অথচ এই অঞ্চলটি পাকিস্তানের অংশ!

এরপরেই বাঙালি জাতি বুঝে যায় যে, এখানকার মানুষের জান-মালের কোনো দাম নাই পাকিস্তানিদের কাছে। দেড় যুগের জমে থাকা ক্ষোভ প্রকাশ হতে শুরু করে। নেতৃত্বে থাকেন দীর্ঘাকার বলিষ্ঠ পুরুষ শেখ মুজিব। ১৯৬৬ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান লাহোরে বিরোধী দলের একটা সম্মেলনে ছয় দফা কর্মসূচি উত্থাপন করেন। কিন্তু তা গৃহীত হয় না। ফলে ৬ ফেব্রুয়ারি সম্মেলন বর্জন করেন তিনি।

এরপর, ঢাকা ফিরে এসে, ২১ ফেব্রুয়ারি আওয়ামী লীগের ওয়ার্কিং কমিটির সভায় ছয় দফা পাস করান তৎকালীন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক শেখ মুজিবুর রহমান। ২৩ ফেব্রুয়ারি বিরোধী দলীয় সম্মেলনেও এই দাবি পেশ করা হয়। ২৩ মার্চ আনুষ্ঠানিকভাবে ছয় দফা উত্থাপন করা হয় লাহোর প্রস্তাবের সাথে মিল রেখে। একই সঙ্গে এসব দাবি আদায়ের লক্ষ্যে বহুমুখী কর্মসূচিও গৃহীত হয়।

এরপর 'আমাদের বাঁচার দাবি: ছয় দফা কর্মসূচি' শিরোনামে একটি পুস্তিকা বের করা হয়। অল্পদিনের মধ্যেই সারা বাংলার ঘরে ঘরে পৌঁছে যায় এই ছয় দফা সম্বলিত বই। মুক্তির দাবিতে গণজাগরণ শুরু হয় বাঙালি জাতির মধ্যে। কিন্তু পাকিস্তানি জান্তারা ছয় দফার জাগরণকে দমিয়ে দেওয়ার জন্য কঠোর অবস্থান নেয়। অস্ত্রের ভাষার একে দমন করার হুমকি দেন জেনারেল আইয়ুব খান।

ফলে ছয় দফার সমর্থনে, ১৯৬৬ সালের ১৩ মে, আওয়ামী লীগ আয়োজিত পল্টনের জনসভা থেকে ৭ জুন হরতাল কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়। কিন্তু সেদিন অস্ত্র নিয়ে রাস্তায় নেমে আসে পাকিস্তানি জান্তারা। ৭ জুন, জান্তাদের ১৪৪ ধারা ও গুলিবর্ষণ উপেক্ষা করে, ছয় দফা দাবিতে দেশব্যাপী ছাত্র, শ্রমিক, কৃষক, মজুরসহ আপামর জনগণের স্বতঃস্ফূর্ত আন্দোলনে গড়ে ওঠে। জান্তাদের গুলিতে রঞ্জিত হয় রাজপথ। শহীদ হন অনেকে।

ছয় দফার পক্ষে মাঠে নেমে রক্তদানের মাধ্যমে স্বাধীনতার ভিত্তি রচিত করেন বাংলার জনগণ। ৭ জুন, তাই ছয় দফা এবং বাংলার স্বাধীনতার ইতিহাসের একটি অনবদ্য অধ্যায়। চূড়ান্তভাবে স্বাধীনতার জন্য মানুষের জাগরণকে স্মরণ করে, এই দিনটিকে ছয় দফা দিবস হিসেবে পালন করা হয়। ছয় দফা মানেই বাঙালির মুক্তি, বাংলাদেশের স্বাধীনতার ভিত্তি।

ছয় দফার দাবিগুলো

মূলত দুই ধরনের দাবি ছিল বঙ্গবন্ধু ঘোষিত ছয় দফা কর্মসূচিতে। একটি হলো- রাষ্ট্রের প্রশাসনিক কাঠামো সম্পর্কিত, অন্যটি অর্থনৈতিক। ছয় দফার প্রথম দুই দফা হলো রাষ্ট্রীয় প্রশাসনিক কাঠামো বিষয়ক; বাকি চার দফা অর্থনৈতিক বিষয় সম্পর্কিত।

রাষ্ট্রের প্রশাসনিক কাঠামো সম্পর্কিত বিষয় দুটি হলো: (১). পাকিস্তানের এককেন্দ্রীক শাসনব্যবস্থা পরিবর্তন করে ফেডারেল রাষ্ট্রব্যবস্থা চালু করা। (২). কেন্দ্রীয় সরকারের এখতিয়ারে কেবল প্রতিরক্ষা ও পররাষ্ট্রীয় বিষয় থাকবে। অবশিষ্ট সব বিষয়ে শতভাগ নিয়ন্ত্রণ থাকবে প্রদেশগুলির হাতে।

অর্থনীতি সম্পর্কিত বিষয় চারটি হলো: (৩) প্রতিটি স্বতন্ত্র প্রদেশের জন্য পৃথক ও অবাধে রূপান্তরযোগ্য মুদ্রা চালু। কিংবা, যদি একক মুদ্রা ব্যবহার করা হয়, সেক্ষেত্রে এক প্রদেশ থেকে অন্য প্রদেশে মুদ্রা পাচার রোধ করার উপায় থাকতে হবে। (৪). রাজস্ব আদায় ও বণ্টনের মূল দায়িত্ব থাকবে প্রদেশের হাতে। (৫). প্রতিটি প্রদেশের বৈদেশিক মুদ্রা আয়-ব্যয়ের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে থাকবে। (৬). প্রতিটি প্রদেশকে নিজস্ব মিলিশিয়া বাহিনী থাকবে।

মূলত, ছয় দফা কর্মসূচির মাধ্যমে পশ্চিম পাকিস্তানের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক আধিপত্য চ্যালেঞ্জের মুখে পড়ে। এই কর্মসূচি বাস্তবায়নের মাধ্যমে ‘এক দেশ, এক অর্থনীতি-ভিত্তিক অর্থনৈতিক’ কাঠামোকে ‘দুই অর্থনীতি-ভিত্তিক অর্থনৈতিক’ কাঠামোতে রূপান্তরিত করার প্রস্তাব দেওয়া হয়। প্রকৃতপক্ষে পূর্ব বাংলার বাঙালিদের চূড়ান্ত রাজনৈতিক লক্ষ্য অর্জনের হাতিয়ার হয়ে দাঁড়ায় এই দাবিগুলো। এর প্রসারের মাধ্যমে এই উপমহাদেশর ‘দ্বি-জাতি তত্ত্বের’ মৃত্যু পর্যবেক্ষণ করে, এবং দ্বি-অর্থনীতি ভিত্তিক তত্ত্বের উন্মেষ দেখে।

বঙ্গবন্ধু জানতেন, স্বাধীনতা ছাড়া এসব লক্ষ্য অর্জন করা সম্ভব নয়। ষাটের দশকের গোড়ার দিকে তৎকালীন নিষিদ্ধ কমিউনিস্ট পার্টির নেতা মণি সিং এবং খোকা রায়ের সাথে এক বৈঠকে মিলিত হন বঙ্গবন্ধু, তখন তার ভাবনায় ছিল কেবল একটি ধারণা। আর তা হলো- পূর্ব বাংলার বাঙালির স্বাধীনতা। সেই বৈঠকে বঙ্গবন্ধু বলেন, 'গণতন্ত্র-স্বায়ত্তশাসন এসব কোনো কিছুই পাঞ্জাবিরা দেবে না। কাজেই স্বাধীনতা ছাড়া বাংলার মুক্তি নাই। স্বাধীনতাই আমার চূড়ান্ত লক্ষ্য।' এবং সেই হিসেবেই, তিনি ছয় দফা নিয়ে গ্রাম বাংলার প্রতিটি প্রান্তরে প্রান্তরে ছুটেছেন। চূড়ান্ত মুক্তির জন্য জাগ্রত করেছেন চেতনা, প্রস্তুত করে তুলেছেন জনগণকে।

ছয় দফা সম্পর্কে বলতে গিয়ে সব্যসাচী সাহিত্যিক সৈয়দ শামসুল হককে বঙ্গবন্ধু বলেছিলেন, 'আমার দফা আসলে তিনটা। কতো নেছো (নিয়েছ), কতো দেবা (দিবে), কবে যাবা?' বঙ্গবন্ধু এখানেও কিন্তু ওই এক দফার কথাই বলেছেন। পাকিস্তানিরা বাংলার কতো অর্থ শোষণ করেছে, সেখান থেকে কতো ফেরত দেবে, তারপর কবে বাংলা ছেড়ে চলে যাবে। তার মানে, বাঙালির স্বাধীনতা। 

এরপর এলো ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান, সত্তরের নির্বাচন, ৭ মার্চের বক্তব্য, স্বাধীনতার ঘোষণা ও উত্তাল ৯ মাসের সংগ্রাম। আর চূড়ান্ত বিজয়ে বিশ্বের বুকে ঠাঁই করে নেয় লাল-সবুজের গর্বিত পতাকা।

আরও পড়ুন
জাতীয় বিভাগের সর্বাধিক পঠিত
  • আসুন ত্যাগের মহিমায় দেশ ও মানুষের কল্যাণে কাজ করি: প্রধানমন্ত্রী

  • দুর্নীতি করে, কাউকে ঠকিয়ে সফল হওয়া যায় না

  • দুই সিটিতে কুরবানির বর্জ্য অপসারণে প্রস্তুত ১৯ হাজার কর্মী

  • চামড়া কেনায় মিলছে ২৭০ কোটি টাকা ঋণ

  • ঈদকে কেন্দ্র করে বাড়ল রিজার্ভ

  • দেশবাসীকে ঈদের শুভেচ্ছা জানালেন প্রধানমন্ত্রী

  • আসুন ত্যাগের মহিমায় দেশ ও মানুষের কল্যাণে কাজ করি : প্রধানমন্ত্রী

  • গাজায় যুদ্ধবিরতি হচ্ছে না, তবে আশা আছে: বাইডেন

  • অন্যদিকে তাকিয়ে অদ্ভুতভাবে হাসছেন বাইডেন

  • ৬ জানুয়ারি দাঙ্গার পর প্রথম বারের মত ক্যাপিটল হিলে ট্রাম্প

  • সুইজারল্যান্ডে সরাসরি যাবে বিমান

  • সুইজারল্যান্ডে সরাসরি যাবে বিমান

  • জনপ্রিয় হচ্ছে ঘরে বসে কোরবানি

  • জনপ্রিয় হচ্ছে ঘরে বসে কোরবানি

  • ডিসেম্বরেই ট্রেন চলবে বঙ্গবন্ধু রেলসেতুতে

  • ভূমি জটিলতা দূর করতে সরকার কাজ করে যাচ্ছে : ডেপুটি স্পিকার

  • গ্লোবাল কোয়ালিশন ফর সোশ্যাল জাস্টিসে বাংলাদেশের যোগদান

  • প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফরে সম্পর্ক নতুন গতি পাবে

  • প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফরে সম্পর্ক নতুন গতি পাবে

  • গ্লোবাল কোয়ালিশন ফর সোশ্যাল জাস্টিসে বাংলাদেশের যোগদান

  • ভূমি জটিলতা দূর করতে সরকার কাজ করে যাচ্ছে : ডেপুটি স্পিকার

  • ‘বাংলাদেশের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখত বেশি করে গাছ লাগাতে হবে’

  • ঢেলে সাজানো হচ্ছে রাজস্ব ব্যবস্থাপনা

  • সুইজারল্যান্ডে সরাসরি যাবে বিমান

  • জনপ্রিয় হচ্ছে ঘরে বসে কোরবানি

  • ডিসেম্বরেই ট্রেন চলবে বঙ্গবন্ধু রেলসেতুতে

  • ট্রেনের ৫০০ টিকিটসহ ১২ কালোবাজারি আটক

  • কলাপাড়ায় ডোবা থেকে জীবিত ডলফিন উদ্ধার

  • নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে মাছ শিকার, ৩ হাজার কেজি মাছ জব্দ

  • ২৪ ঘণ্টায় ৩ কো‌টি ছা‌ড়িয়েছে বঙ্গবন্ধু সেতুর টোল আদায়

  • শেখ হাসিনাসহ অতিথিদের মঞ্চে ডেকে নিলেন মোদি

  • দেশে ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী

  • নেত্রকোণায় ৩০ ঘণ্টার শ্বাসরুদ্ধকর অভিযান, ৬ বোমা নিষ্ক্রিয়

  • ১১ জুন: গণতন্ত্রের মুক্তি ও বাংলাদেশের নব দিগন্তের সূচনা

  • শ্রীলঙ্কার রাষ্ট্রপতির সঙ্গে শেখ হাসিনার সাক্ষাৎ

  • ঢাকা বোর্ডে ফেল থেকে পাস ১২৭

  • ভূমিহীন সাড়ে ১৮ হাজার পরিবারকে ঘর হস্তান্তর করলেন প্রধানমন্ত্রী

  • ডেডবল নাকি ৪, যা বলছে ক্রিকেট আইন

  • ‘‌তদন্ত শেষ হোক, অনেকেই গ্রেপ্তার হতে পারেন’

  • দেশবাসীকে ঈদের শুভেচ্ছা জানালেন প্রধানমন্ত্রী

  • রাস্তার উপরে থাকা ২৫টি দোকান ও ৬টি বহুতল ভবন ভেঙে দিয়েছে ডিএনসিসি

  • সৌদি পৌঁছেছেন ৭৬ হাজার ৩২৫ হজযাত্রী

  • যাদের ঘর করে দিয়েছি তাদের জীবন বদলে গেছে: প্রধানমন্ত্রী

  • সৌদি পৌঁছেছেন ৭৯ হাজার ৫৫৯ হজযাত্রী, মারা গেছেন ১৫ জন 

  • স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য সিঙ্গাপুর গেলেন ওবায়দুল কাদের

  • শিক্ষা প্রশাসনের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে কাজ করবে ইউএনডিপি

  • সেই আম্পায়ারকে ধুয়ে দিলেন ধারাভাষ্যকার সাইমন ডুল

  • টিকিট কালোবাজারি আর থাকবে না : র‌্যাব

  • কলাপাড়ায় ডোবা থেকে জীবিত ডলফিন উদ্ধার

  • মরিশাসে বাংলা‌দে‌শ হাইক‌মিশনা‌রের পরিচয়পত্র পেশ

  • ‘বাংলাদেশের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখত বেশি করে গাছ লাগাতে হবে’

  • যাত্রীবাহী ক্যারেজ সংগ্রহের পরিকল্পনা রয়েছে : রেলমন্ত্রী

  • বৃহস্পতিবার পর্যন্ত আবহাওয়া যেমন থাকবে

  • সেনাপ্রধানের সঙ্গে রুয়ান্ডার চিফ অব ডিফেন্স স্টাফের সাক্ষাৎ

  • ডিসেম্বরেই ট্রেন চলবে বঙ্গবন্ধু রেলসেতুতে

  • পাঁচ ধাপে উপজেলায় ভোট পড়েছে ৩৬.৫৬ শতাংশ : সিইসি

  • বীর মুক্তিযোদ্ধার স্বীকৃতি পেয়েছেন ৫০৪ জন বীরাঙ্গনা

  • জনগণকে এনআইডি সেবা দিতে যেন দেরি না হয় : সিইসি

  • ঢেলে সাজানো হচ্ছে রাজস্ব ব্যবস্থাপনা

  • বুধবার থেকে চলবে ঈদ স্পেশাল ট্রেন