শনিবার   ০৩ ডিসেম্বর ২০২২

সর্বশেষ:
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোর বার্ষিক ছুটি ৭৫ দিন আগামী মার্চে ঢাকা উত্তর সিটির ভোটের ইঙ্গিত সিইসির আস্থা ভোটে টিকে গেলেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী থেরেসা মে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় পরিদর্শনে প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রপতির সঙ্গে নেপালের বিদায়ী রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন করতে ইসি প্রতিজ্ঞাবদ্ধ: নূরুল হুদা বারবার আসতে পারব না, যত খুশি সাজা দিন: খালেদা জিয়া ‘আকাশবীণার’ উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী ত্রিভুবনে আবারও বিমান দুর্ঘটনা ট্রেন-বাসের সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ২৫ ভুয়া ছবি দিয়ে অপপ্রচার চালাচ্ছে মিয়ানমার: প্রধানমন্ত্রী
২৪

দেশের অর্থনীতি এখনো গতিশীল ও নিরাপদ: প্রধানমন্ত্রী

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: ২৪ নভেম্বর ২০২২  

করোনা মহামারি এবং পরবর্তী সময়ে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের পরিপ্রেক্ষিতে নিষেধাজ্ঞা-পাল্টা নিষেধাজ্ঞার কারণে বিশ্বব্যাপী যে মন্দা পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে তা থেকে উত্তরণে সরকার যথেষ্ট সজাগ রয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

তিনি বলেছেন, মন্দা থেকে যেন আমরা উত্তরণ ঘটাতে পারি সে বিষয়ে সজাগ আছি। আমাদের অর্থনীতি এখনো গতিশীল আছে, নিরাপদ আছে। সেটুকু অন্তত আমি বলতে পারি।

বৃহস্পতিবার (২৪ নভেম্বর) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে যশোরে বাংলাদেশ বিমান বাহিনী (বিএএফ) একাডেমিতে কুচকাওয়াজে যোগ দিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, স্বাধীনতার পর একটা যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশের দায়িত্ব নিয়েছিলেন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। যে দেশে কোনো রিজার্ভ মানি ছিল না, কারেন্সি নোট ছিল না, রাস্তাঘাট, ব্রিজ সব ছিল ধ্বংসপ্রাপ্ত। তাছাড়া একটি প্রদেশ, তাকে রাষ্ট্রে উন্নীত করা এবং তার উপযুক্ত প্রতিটি প্রতিষ্ঠান তিনি অতি দ্রুত করেছিলেন। যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশকে পুনর্বাসন করে পুনর্গঠন করে তিনি অর্থনৈতিক মুক্তির পথে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছিলেন। ঠিক তখনই ঘাতকের নির্মম বুলেটের আঘাতে বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করা হয়।

শেখ হাসিনা বলেন, একটা যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশ, আমাদের কিছুই ছিল না। তারপরও বন্ধুপ্রতীম দেশের সহযোগিতা নিয়ে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিমান বাহিনী গড়ে তোলেন। আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধে বিমান বাহিনীর বিশেষ অবদান রয়েছে। যারা জীবন দিয়েছেন তাদের আমি শ্রদ্ধা জানাই।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমাদের দুর্ভাগ্য যে, জাতির পিতাকে হত্যার পর দেশে বারবার ক্যু হয়, বিমান বাহিনীর প্রায় ৬০০ অফিসার ও সৈনিককে হত্যার করা হয়। ১৯৭৫ সালের পর থেকে ১৯৯৬ সাল পর্যন্ত নানা ঘটনা ঘটে। সরকারে আসার পর বিমান বাহিনীকে আবার নতুনভাবে গড়ে তোলার ব্যবস্থা নিই। মিগ-২৯ প্রথম কিনে দিই। তাছাড়া সর্বোচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন এয়ার রাডারসহ বিভিন্ন সরঞ্জামাদি দিয়ে বিমান বাহিনীকে নতুনভাবে আবার গড়ে তুলি। ২০০৯ সালে দ্বিতীয়বার সরকারে এসে বিমান বাহিনীর আধুনিকায়ন, অপরেশনাল সক্ষমতার বাড়ানোর লক্ষ্যে এফ-৭ বিজিআই যুদ্ধবিমান সংযোজনসহ নানা পদক্ষেপ আমরা নিই। বিমান বাহিনী বর্তমানে অত্যন্ত চৌকস ও দক্ষ। শান্তিরক্ষা মিশনে আমাদের বিমান বাহিনী অত্যন্ত চমৎকার ভূমিকা পালন করছে। আমরা সেজন্য গর্বিত।

তিনি বলেন, জাতির পিতা দেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষার জন্য প্রতিরক্ষা নীতিমালা, যেটা তিনি ১৯৭৪ সালে প্রণয়ন করে দিয়েছিলেন, সেই নীতিমালার ভিত্তিতে আওয়ামী লীগ সরকার ফোর্সেস গোল ২০৩০ প্রণয়ন করে তা বাস্তবায়ন শুরু করেছে। আজকের বিমান বাহিনী অবকাঠামো, রণকৌশল ও প্রযুক্তির দিক থেকে আগের চেয়ে অনেক বেশি শক্তিশালী, আধুনিক ও চৌকস। তাছাড়া ডিজিটাল বাংলাদেশ আমরা করেছি। কাজেই আমাদের প্রত্যেকটা প্রতিষ্ঠান এবং বাহিনী প্রযুক্তি জ্ঞানসম্পন্ন হবে আমরা সেভাবেই ব্যবস্থা নিয়েছি।

শেখ হাসিনা বলেন, আজকে আমরা দেখি, আমাদের দেশে অন্যান্য দেশ থেকে এসেও ট্রেনিং নিচ্ছে। যেমন নেপাল, ফিলিস্তিন, জাম্বিয়ার অফিসাররা এখানে এসেছেন। নবীন কর্মকর্তাদের বলবো, আমাদের সরকার সবসময় দক্ষতা এবং প্রশিক্ষণ সুবিধা দিয়ে বিমান বাহিনীর উন্নয়ন ও আধুনিকায়নে গুরুত্ব দিয়ে থাকে। সেভাবে কাজ করে যাচ্ছি।

ক্যাডেটদের উদ্দেশে সরকারপ্রধান বলেন, বাংলাদেশ যেন আমাদের ক্যাডেটদের নিয়ে গর্ব করতে পারে। তাছাড়া শান্তিরক্ষা মিশনে আমরা কাজ করি, বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সঙ্গে চলতে হয়, সেজন্য প্রশিক্ষকদের কথা সবসময় মনে রাখতে হবে। প্রশিক্ষকদের কথা সবচেয়ে গুরুত্ব দিতে হবে। প্রশিক্ষণ উৎকর্ষতা বৃদ্ধি করে, এ কথাটা মনে রাখতে হবে। আমাদের স্বাধীন দেশ, আমরা মুক্তিযুদ্ধে বিজয় অর্জন করেছি, আমরা বিজয়ী জাতি। আমরা বিশ্ব দরবারে সবসময় মাথা উঁচু করে চলবো। এটাই আমাদের লক্ষ্য।

এদিন দুপুর ২টায় যশোর জেলা স্টেডিয়ামে জেলা আওয়ামী লীগ আয়োজিত জনসভায় ভাষণ দেবেন আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

জেলা আওয়ামী লীগ নেতারা জানিয়েছেন, আজকের জনসভায় ১০ লাখ মানুষের সমাবেশ ঘটবে বলে আশা করা হচ্ছে। এ উপলক্ষে গত এক সপ্তাহেরও বেশি সময় ধরে চলেছে বিশাল কর্মযজ্ঞ। যশোর শহরজুড়ে উৎসবের আমেজ বিরাজ করছে। পথে পথে তোরণ, ব্যানার, পোস্টার দেওয়া হয়েছে।

আজকের জনসভায় যশোরের উপজেলা ও আশপাশের জেলা-উপজেলাসহ খুলনা বিভাগের ১০টি জেলা থেকে আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা যোগ দেবেন। সমাবেশ ঘিরে সকাল থেকেই যশোর শহরে মানুষের ঢল নামতে দেখা গেছে।

এদিকে আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রীর এ সফর ও জনসভা ঘিরে স্থানীয় প্রশাসন শহরজুড়ে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করেছে।

আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীরা বলছেন, যশোরে আজ স্মরণকালে বৃহত্তম জনসমাবেশ ঘটবে। সরকারের উন্নয়ন তৃণমূলের মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়া ও আগামীর উন্নয়ন পরিকল্পনা ভাষণে তুলে ধরবেন শেখ হাসিনা।

আরও পড়ুন
জাতীয় বিভাগের সর্বাধিক পঠিত
  • প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যা বলেন তাই করেন: মির্জা আজম

  • নাটোরে ৭ দিনের বইমেলা শুরু

  • কুমিল্লায় ৮ দেশের গবেষকদের নিয়ে আন্তর্জাতিক কনফারেন্স

  • অসহায়দের নিরাপদ আশ্রয় শেখ হাসিনা: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

  • নাটোর চিনিকলে আখ মাড়াই শুরু

  • বগুড়ায় কমেছে সবজির দাম, খুশি ক্রেতারা

  • ঝালকাঠিতে সুবিধা পাচ্ছেন ১৯ হাজার প্রতিবন্ধী

  • নিরাপদ সামুদ্রিক শিল্প উদ্যোগে আইএমও-এর সহযোগিতা চায় বাংলাদেশ

  • নওগাঁর রঙিন মাছ চাষে সফল মৎস্যচাষী সাইদুর

  • খাদ্য সঙ্কট মেটাতে বাড়ছে হাইব্রিড জাতের আবাদ

  • তৈরি হচ্ছে কক্সবাজার রেল, ট্রেন চলবে আগামী বছর

  • আগামী অক্টোবরে পূর্ণতা পাচ্ছে কক্সবাজার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর

  • টাঙ্গাইলে সুগন্ধি জাতের ধান চাষে ভালো ফলন

  • জনপ্রিয় হচ্ছে টাঙ্গাইলের শাল চাদর

  • জনপ্রিয় হচ্ছে এটিএম বুথের পানি

  • নতুন জীবন পাচ্ছে মেরুদন্ড জোড়ালাগা দুই শিশু

  • কুমিল্লার দৃষ্টিনন্দন প্রাচীন স্থাপনা দারোগা বাড়ি মসজিদ

  • ঠাকুরগাঁওয়ে ধুম পড়েছে শীতের পিঠা বিক্রির 

  • পার্বত্য শান্তি চুক্তির ২৫ বছর পূর্তিতে আওয়ামী লীগের আলোচনা

  • অতিথি পাখির কলকাকলিতে মুখরিত অরুনিমা রিসোর্ট 

  • ভার্মি কম্পোস্ট সার উৎপাদনে নাঈমের সাফল্য

  • ‘বীর নিবাস’ পাচ্ছে সাতক্ষীরার ২৯২ বীর মুক্তিযোদ্ধা পরিবার

  • গোপালগঞ্জে শীতবস্ত্র পেলেন আনসার ভিডিপি সদস্যরা

  • নাটোরে সপ্তাহব্যাপী বইমেলা শুরু

  • বঙ্গবন্ধুর সমাধিতে শেখ সেলিমের শ্রদ্ধা নিবেদন

  • ‘চট্টগ্রামে আওয়ামী লীগের জনসভা পলোগ্রাউন্ড মাঠ ছাড়িয়ে যাবে’

  • বিলম্বিত বিচার ব্যবস্থা দেশ থেকে দুর করতে হবে : পরিকল্পনামন্ত্রী

  • নওগাঁয় সাড়ে ৫ হাজার হেক্টর জমিতে পেঁয়াজ-রসুন চাষের লক্ষ্য

  • জঙ্গিদের মাঠে নামিয়েছে বিএনপি : ওবায়দুল কাদের

  • সকল সম্প্রদায়কে ঐক্যবদ্ধভাবে দেশ গড়ার আহ্বান 

  • বাংলাদেশের রিকশা যাচ্ছে ইউরোপে: বিজিএমইএ

  • দেশের প্রথম পাতাল রেল নির্মাণ শুরু জানুয়ারিতে

  • চট্টগ্রাম-সেন্টমার্টিন রুটে চালু হচ্ছে বে ওয়ান ক্রুজ

  • মুরাদনগরের সিদল যাচ্ছে বিদেশে

  • ১ থেকে ৭ ডিসেম্বর বুস্টার ডোজ ক্যাম্পেইন

  • যুক্তরাষ্ট্রে ডেনিম রপ্তানিতে ৪২ শতাংশ প্রবৃদ্ধি

  • তারের জঞ্জাল মুক্ত হতে যাচ্ছে রাজধানী

  • ২০২২ সালের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় পাশের হার

  • বিদেশি কূটনৈতিকদের বিষয়ে কঠোর হচ্ছে সরকার

  • ওয়ান সিটি টু টাউনের পথে বন্দরনগরী

  • সুড়ঙ্গ পথে আড়াই মিনিটে আনোয়ারা থেকে পতেঙ্গা

  • মেট্রোরেলের ডিপো নির্মাণে ভূমি উন্নয়ন চুক্তি সই

  • সহজে ব্যাংক ঋণ পাবেন এসএমই উদ্যোক্তারা

  • ৩ কাস্টম হাউজের জন্য ৬টি কনটেইনার স্ক্যানার সিস্টেম কিনছে এনবিআর

  • ঢাকা থেকে কক্সবাজারের দূরত্ব কমবে ৪০ কিমি

  • পূর্বাচলে বাণিজ্য মেলা ১ জানুয়ারি থেকে

  • রেমিট্যান্স পাঠানো সহজ করল কেন্দ্রীয় ব্যাংক

  • আওয়ামী লীগের স্থানীয় সরকার মনোনয়ন বোর্ডের সভা রোববার

  • যুক্তরাজ্যের ভিসা আবেদন ফি দিতে হবে অনলাইনে

  • চার মাসে ৯০৯০১.৯৯ কোটি টাকা রাজস্ব আদায় এনবিআরের

  • শুরু হলো গৌরবময় বিজয়ের মাস

  • মাথাপিছু আয় বৃদ্ধিতে দক্ষিণ এশিয়ায় বাংলাদেশ অন্যতম

  • বীর মুক্তিযোদ্ধাদের চিকিৎসা ভাতা বেড়ে দ্বিগুণ

  • ঘরে বসেই পাওয়া যাবে ভূমি সেবা

  • ইউরোপে পোশাক রপ্তানি প্রবৃদ্ধির শীর্ষে বাংলাদেশ

  • বাস থেকে ৬৩৭ ভরি স্বর্ণ উদ্ধার, ভারতীয় নাগরিকসহ গ্রেপ্তার ১২

  • বঙ্গবন্ধুর ভাষণের পর স্বাধীনতা ঘোষণার প্রয়োজন ছিল না

  • ২০৪০ সালে ট্রিলিয়ন ডলার অর্থনীতির দেশ হবে বাংলাদেশ: সমীক্ষা

  • আশুগঞ্জে নতুন বিদ্যুৎকেন্দ্র চালু, গ্রিডে যোগ হলো ৪০০ মেগাওয়াট

  • ডিএমপির ৫ কর্মকর্তাকে বদলি