মঙ্গলবার   ১৮ জানুয়ারি ২০২২

সর্বশেষ:
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোর বার্ষিক ছুটি ৭৫ দিন আগামী মার্চে ঢাকা উত্তর সিটির ভোটের ইঙ্গিত সিইসির আস্থা ভোটে টিকে গেলেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী থেরেসা মে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় পরিদর্শনে প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রপতির সঙ্গে নেপালের বিদায়ী রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন করতে ইসি প্রতিজ্ঞাবদ্ধ: নূরুল হুদা বারবার আসতে পারব না, যত খুশি সাজা দিন: খালেদা জিয়া ‘আকাশবীণার’ উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী ত্রিভুবনে আবারও বিমান দুর্ঘটনা ট্রেন-বাসের সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ২৫ ভুয়া ছবি দিয়ে অপপ্রচার চালাচ্ছে মিয়ানমার: প্রধানমন্ত্রী
৩৭১

দুরূহ কাজে কঠিন পরিচয় দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

আলী হাবিব

প্রকাশিত: ২৫ আগস্ট ২০২১  

২০০৮ সালের নির্বাচনে বিপুল ভোটে নির্বাচিত করে তাঁর হাতে দেশ শাসনের ভার দিয়েছিল জনগণ। সেই থেকে টানা তিন মেয়াদে ১২ বছর ধরে দায়িত্বটি পালন করছেন তিনি।

গত ৭ জানুয়ারি বৃহস্পতিবার ছিল সরকারের বর্তমান মেয়াদের দুই বছর পূর্তি। ওই দিন সন্ধ্যায় জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বর্তমান সরকারের যেমন প্রধান, তেমনি দেশের নেতা হিসেবে সব সংকটে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার যে নিরন্তর চেষ্টা, সেই অভিযাত্রায়ও তিনি সামনে থেকে নেতৃত্ব দিচ্ছেন।

গত বৃহস্পতিবার বর্তমান সরকারের দুই বছর পূর্তিতে জাতির উদ্দেশে বক্তব্য দিতে এসে তিনি সরকারের বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের যে বিবরণ দিয়েছেন, তা অন্তত ঈর্ষাকাতরদের ভালো লাগবে না। কারণটি খুবই স্পষ্ট। ২০১৮ সালে একাদশ সংসদ নির্বাচনে ‘সমৃদ্ধির অগ্রযাত্রায় বাংলাদেশ’ শীর্ষক ইশতেহার দিয়েছিল আওয়ামী লীগ। সেই ইশতেহারের মূল প্রতিপাদ্য ছিল দক্ষ, সেবামুখী ও জবাবদিহিমূলক প্রশাসন গড়ে তুলে সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদ নির্মূল করে একটি ক্ষুধা-দারিদ্র্য-নিরক্ষরতা মুক্ত অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ বিনির্মাণ করা। লক্ষ্য ছিল, ২০৩১ সালের মধ্যে বাংলাদেশ হবে উচ্চ মধ্যম আয়ের দেশ এবং ২০৪১ সালের মধ্যে উচ্চ আয়ের সমৃদ্ধিশালী-মর্যাদাশীল দেশ। আমরা দেখতে পাচ্ছি ২০২১ সালের আগেই উন্নয়নশীল দেশে উন্নীত হওয়ার যোগ্যতা অর্জন করেছে বাংলাদেশ। প্রত্যাশিত লক্ষ্যে পৌঁছতে আমাদের পথনকশা তৈরি করা হয়েছে। রূপকল্প ২০৪১-এর কৌশলগত দলিল হিসেবে দ্বিতীয় প্রেক্ষিত পরিকল্পনা ২০২১-২০৪১ প্রণয়ন করা হয়েছে। ৬৪ লাখ ৯৫ হাজার ৯৮০ কোটি টাকার ২০২১-২০২৫ মেয়াদি অষ্টম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা অনুমোদন করা হয়েছে। এই পরিকল্পনা বাস্তবায়ন হলে এক কোটি ১৬ লাখ ৭০ হাজার কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে, দারিদ্র্যের হার ১৫.৬ শতাংশ এবং চরম দারিদ্র্যের হার ৭.৪ শতাংশে নেমে আসবে। ২০২৫ সালে জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার দাঁড়াবে ৮.৫১ শতাংশে। জলবায়ুর পরিবর্তনের ঘাত-প্রতিঘাত মোকাবেলা করে কাঙ্ক্ষিত উন্নয়ন নিশ্চিত করার জন্য সরকার বদ্বীপ পরিকল্পনা নিয়েছে। মহামারির মধ্যেও পদ্মা সেতুর মূল কাঠামোর কাজ শেষ করতে পেরেছে।

২০০৯ থেকে ২০২০ পর্যন্ত সময়ে প্রায় ১৯ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হয়েছে। বর্তমানে দৈনিক বিদ্যুৎ উৎপাদনের সক্ষমতা দাঁড়িয়েছে ২৪ হাজার ৪২১ মেগাওয়াটে। অথচ ২০০৯ সালে বিদ্যুৎ উৎপাদন ছিল তিন হাজার ২০০ মেগাওয়াট। বিদ্যুৎ সুবিধাভোগী জনসংখ্যা বর্তমানে ৯৯ শতাংশে উন্নীত হয়েছে। দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার অংশ হিসেবে পায়রায় এক হাজার ৩২০ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপিত হয়েছে। রামপাল, পায়রা, বাঁশখালী, মহেশখালী ও মাতারবাড়ীতে আরো মোট সাত হাজার ৮০০ মেগাওয়াট ক্ষমতার বিদ্যুৎকেন্দ্রের নির্মাণকাজ চলছে।

অব্যাহত নীতি সহায়তা ও প্রণোদনার মাধ্যমে কৃষিক্ষেত্রে ‘বিপ্লব’ সাধিত হয়েছে। খাদ্য উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণ বাংলাদেশ বিশ্বে ধান উৎপাদনে চতুর্থ থেকে তৃতীয় স্থানে উন্নীত হয়েছে। মাছ-মাংস, ডিম, শাক-সবজি উৎপাদনেও বাংলাদেশ স্বয়ংসম্পূর্ণ হয়ে উঠেছে। অভ্যন্তরীণ মুক্ত জলাশয়ে মাছ উৎপাদন বৃদ্ধির হারে বাংলাদেশ এখন দ্বিতীয় এবং ইলিশ উৎপাদনকারী ১১ দেশের মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান প্রথম।

বাংলাদেশের যোগাযোগব্যবস্থায় অভূতপূর্ব উন্নতি হয়েছে। ২০০৯ থেকে ২০২০ সালের মধ্যে ৪৫৩ কিলোমিটার জাতীয় মহাসড়ক চার বা তার বেশি লেনে উন্নীত করা হয়েছে। আরো ৬৬১ কিলোমিটার মহাসড়ক তারও বেশি লেনে উন্নীত করার কাজ চলছে। ঢাকায় বিমানবন্দর থেকে কুতুবখালী পর্যন্ত ৪৬.৭৩ কিলোমিটার এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের নির্মাণকাজ ২০২৩ সাল নাগাদ শেষ হবে। ২০০৯ থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত ৪৫১ কিলোমিটার নতুন রেলপথ নির্মাণ এবং এক হাজার ১৮১ কিলোমিটার রেলপথ পুনর্বাসন করা হয়েছে। ৪২৮টি নতুন রেল সেতু নির্মাণ করা হয়েছে। যমুনা নদীর ওপর ৪.৮ কিলোমিটার দীর্ঘ বঙ্গবন্ধু রেলওয়ে সেতুর ভিত্তি স্থাপন করা হয়েছে। সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনী কর্মসূচির আওতায় ২০২০-২০২১ অর্থবছরে ছয় হাজার ৫২০ কোটি ৯০ লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।

কিন্তু এ অর্জন এত সহজ ছিল না। ২০১৯ সালে দায়িত্ব নেয় নতুন সরকার। ২০২০ সালের শুরুতেই করোনা মহামারির ছোবলে বড় ধাক্কা লাগে দেশের অর্থনীতিতে। শেখ হাসিনার নেতৃত্বে সরকার করোনা মোকাবেলায় যথোপযুক্ত ব্যবস্থা নেওয়ায় অর্থনীতি ঘুরে দাঁড়াতে শুরু করেছে। এখন পর্যন্ত এক লাখ ২১ হাজার কোটি টাকার বিভিন্ন প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণা করা হয়েছে, যা মোট জিডিপির ৪.৩ শতাংশ। গত অর্থবছরে বাংলাদেশের জিডিপি ৫.২৪ শতাংশ হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। সরকারের প্রাক্কলন অনুযায়ী এ বছর জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার দাঁড়াবে ৭.৪ শতাংশে। ২০০৯ সালের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ৫.০৫ শতাংশ থেকে বৃদ্ধি পেয়ে ২০১৮ সালে ৭.৮৬ শতাংশ হয়েছে। সমালোচকরাও এখন বলছেন, বাংলাদেশের অর্থনীতি গত এক যুগে ইতিবাচক অবস্থানে এসে দাঁড়িয়েছে। সাফল্যজনকভাবে এমডিজি অর্জনের পর দেশ এখন টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্য (এসডিজি) অর্জনের পথে এগিয়ে যাচ্ছে।

বাংলাদেশের অগ্রযাত্রায় আরেকটি বড় বাধা রোহিঙ্গা সংকট। ২০১৭ সালের ২৫ আগস্ট মিয়ানমারের রাখাইনে সেনা অভিযান শুরুর পর কয়েক মাসের মধ্যে সাত লাখের বেশি রোহিঙ্গা বাংলাদেশে এসে আশ্রয় নেয়। আগে থেকে বাংলাদেশে ছিল আরো চার লাখ রোহিঙ্গা। মিয়ানমার থেকে বিতাড়িত ১১ লাখ রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীকে শান্তিপূর্ণভাবে নিজেদের দেশে ফেরত পাঠানোর সব ধরনের চেষ্টা অব্যাহত রেখেছে সরকার। এরই মধ্যে হাতিয়ার কাছে মেঘনা মোহনার দ্বীপ ভাসানচরে স্থানান্তরের পরিকল্পনায় সরকারের নিজস্ব অর্থায়নে দুই হাজার ৩১২ কোটি টাকা ব্যয়ে প্রায় ১৩ হাজার একর আয়তনের ওই চরে ১২০টি গুচ্ছগ্রামের অবকাঠামো তৈরি করে এক লাখের বেশি মানুষের বসবাসের ব্যবস্থা করা হয়েছে। টেকনাফ ও উখিয়ায় থাকা রোহিঙ্গার মধ্যে তিন হাজার ৪৪৬ জন গত ডিসেম্বর দুই দফায় ভাসানচরে পৌঁছেছে। কক্সবাজারের অস্বাস্থ্যকর ক্যাম্পের চেয়ে ভাসানচরের আশ্রয়ণ প্রকল্পে অনেক বেশি ভালো থাকার সুযোগ পাবে রোহিঙ্গারা।

২০০৯ থেকে ২০২০—শেখ হাসিনার নেতৃত্বে অর্থনৈতিক অগ্রযাত্রায় বাংলাদেশ আজ বহির্বিশ্বে একটি সমীহের নাম। জাতিসংঘের বিভিন্ন অঙ্গসংগঠনসহ আন্তর্জাতিক ফোরামে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব আজ চোখে পড়ার মতো। অথচ রাজনৈতিকভাবে অন্ধ একটি গোষ্ঠী এই অর্জন চোখে দেখতে পায় না। ২০০৮ সালে জনগণ যে দলটিকে প্রত্যাখ্যান করেছে, সেই বিএনপি প্রধানমন্ত্রীর ভাষণকে বলছে ‘কথামালার ফুলঝুরি’। তাঁর ভাষণকে ‘বিভ্রান্তিকর’, ‘দুরভিসন্ধিমূলক’ ও ‘অন্তঃসারশূন্য’ বলে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে দলটি। অন্যদিকে সরকার পরিবর্তনে বৃহত্তর গণঐক্য তৈরির আহ্বান জানিয়েছেন এক বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদী মির্জা।

এক কঠিন সময়ে বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনার হাতে সরকার পরিচালনার দায়িত্ব দেয় এ দেশের মানুষ। শেখ হাসিনা গত ১২ বছর দেশ পরিচালনায় যে দক্ষতার পরিচয় দিয়েছেন, আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশ ও তাঁর নেতৃত্বকে যে পর্যায়ে উন্নীত করেছেন, তাতে ‘বাংলাদেশবিরোধী’ ‘জামায়াত-ঘনিষ্ঠ’ বিএনপি ঈর্ষান্বিত হবে, এতে কোনো সন্দেহ নেই। যুদ্ধাপরাধীদের বিচারসহ সব সংকট মোকাবেলায়—রবীন্দ্রনাথের ভাষায় ‘দুরূহ কাজে’ ‘কঠিন পরিচয়’ দিতে পেরেছেন শেখ হাসিনা। সেটাই বিরোধীদের চক্ষুপীড়ার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। জনগণের কাছে যাওয়ার মতো কোনো ইস্যু তাদের নেই। করোনার কারণে রাজনীতি ঘরে ঢুকে গেছে। করোনা চলে গেলেও এই গৃহবাসী জামায়াতি-জাতীয়তাবাদীরা মাঠে আসতে পারবে বলে মনে হয় না। ইতিবাচক রাজনীতি নিয়ে মানুষের কাছে যেতে হলে তাদের চশমার কাচ বদলাতে হবে। দৃষ্টি আর দৃষ্টিভঙ্গি—দুটি জিনিস বদলাতে পারলে তারাও দেখতে পাবে, আজকের বাংলাদেশ কতটা উজ্জ্বল ও ইতিবাচক। এই পরিবর্তনশীল বাংলাদেশের রূপকার এক স্বপ্নদর্শী নেতা, যাঁর নাম শেখ হাসিনা, যিনি বাংলাদেশকে নিয়ে যেতে চান এক সম্মানজনক উচ্চতায়।

লেখক : সাংবাদিক, ছড়াকার


 

মতামত বিভাগের সর্বাধিক পঠিত
  • শিল্পনীতির সুষ্ঠু বাস্তবায়নে আইনি ভিত্তি জরুরি

  • ৯০ বছর বয়সে বিয়ে করলেন কুমিল্লা আইনজীবী সমিতির সভাপতি

  • ডিএমপির ১১ কর্মকর্তাকে বদলি

  • সবাইকে নিয়ে কাজ করবো, নারায়ণগঞ্জের নতুন ডিসি

  • রেঞ্জের শ্রেষ্ঠ খুলনা জেলা পুলিশ

  • চলতি অধিবেশনেই ইসি আইন পাসের চেষ্টা: কাদের

  • জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিল আইনের খসড়া অনুমোদন

  • টিকার প্রথম ডোজ নিয়েছে ৭৭ লাখ শিক্ষার্থী

  • ‘মার্কিন নিষেধাজ্ঞায় পড়া কর্মকর্তারা দক্ষ ও দেশপ্রেমিক’

  • নির্বাচন কমিশন আইনের খসড়া অনুমোদন

  • নারায়ণগঞ্জে নেতিবাচক রাজনীতির ভরাডুবি: ওবায়দুল কাদের

  • ফায়ার সার্ভিসের ১৩ কর্মকর্তার পদোন্নতি

  • ডিসি সম্মেলন শুরু মঙ্গলবার

  • নারায়ণগঞ্জ ইসির সর্বোত্তম নির্বাচন : ইসি মাহবুব

  • ১৯৭৭ সালের সেনা হত্যাকাণ্ড গুরুত্ব দিয়ে দেখবে সরকার

  • ৫০ বছরের বেশি বয়সীরা বুস্টার ডোজ পাবেন: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

  • রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর সংসদে ধন্যবাদ প্রস্তাব

  • ইসি গঠনে রাষ্ট্রপতির কাছে চার প্রস্তাব আওয়ামী লীগের

  • চরাঞ্চলগুলোতে চলছে কৃষকের কর্মযজ্ঞ

  • ১ বছরে ৩৩ বাংলাদেশি নারীকে উদ্ধার করেছে বিএসএফ

  • পর্যটনের নতুন সম্ভাবনা বান্দরবানের তমা তুঙ্গী

  • সম্পদ পুনর্মূল্যায়নের নির্দেশ পেট্রোবাংলাকে

  • বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে গেমিং অ্যাপ ‘আমার বঙ্গবন্ধু’

  • ৫০ বছর বয়সীরাও পাবেন বুস্টার ডোজ

  • বাঙালির অস্তিত্বে বারবার ফিরে আসবে শেখ মুজিব

  • বাঙালির অস্তিত্বে বারবার ফিরে আসবে শেখ মুজিব

  • নিজস্ব ভবনে যাত্রা শুরু আরএমপির সাইবার ক্রাইম ইউনিট

  • নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের নতুন কাউন্সিলর যারা

  • চাঁদপুরে শতাধিক শীতার্তদের পাশে পুনাক

  • খেলাধুলাই পারে যুবসমাজকে মাদক থেকে দূরে রাখতে : মেয়র আতিকুল

  • নগরীতে অত্যাধুনিক দৃষ্টিনন্দন আন্ডারপাস

  • নতুন ১৫৫টি আইএসপি লাইসেন্স দিচ্ছে সরকার

  • রাঙামাটির স্বপ্নের নানিয়ারচর সেতুর যাত্রা শুরু

  • যাত্রীদের নিরাপত্তা ও সড়কে অপরাধ প্রতিরোধে বসছে সিসি ক্যামেরা

  • আপাতত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সীমিত পরিসরে ক্লাস চলবে: শিক্ষামন্ত্রী

  • আইডি বা রেজিস্ট্রেশন কার্ড দেখালেই টিকা পাবে শিক্ষার্থীরা

  • ১৫ জানুয়ারির পর টিকা ছাড়া ক্লাসে যেতে পারবে না শিক্ষার্থীরা

  • ৫৬ কোটি টাকার ‘বঙ্গা’ তৈরি হচ্ছে নওগাঁয়

  • পাসপোর্ট-ভিসার পরিবর্তে স্বল্পমেয়াদি অনুমতিপত্র ‘চালুর পরিকল্পনা’

  • ৬ মাসে হিলি বন্দরে ১৮৯ কোটি টাকার রাজস্ব আদায়

  • এক টানেই জালে ৩০০ মণ মাছ

  • বাস, ট্রেন ও লঞ্চে অর্ধেক যাত্রী নিতে হবে

  • মা হচ্ছেন পরীমণি, বাবা চিত্রনায়ক রাজ

  • ভিক্ষুক পুনর্বাসনে বরাদ্দ পাঁচ গুণ করা হচ্ছে

  • বড়শিতে ধরা পড়ল বিশাল ব্ল্যাক কার্প

  • এক যুগে কৃষি উদ্ভাবনে ঈর্ষণীয় সাফল্য

  • বাংলাদেশ থেকে দ্বিগুণ ইন্টারনেট ব্যান্ডউইডথ নেবে ভারত

  • সরিষায় সফলতা, চাষাবাদ বাড়ায় কমবে আমদানিনির্ভরতা

  • পাবনায় সরিষা ফুলের মধু থেকে আয় হবে ১০ কোটি

  • ঢাকায় হবে আন্তর্জাতিক মানের হেলিপোর্ট

  • এই বিমানেই দেশে ফিরেছিলেন বঙ্গবন্ধু

  • পাহাড়ে নবদিগন্তের সূচনা, স্বপ্ন বুনছেন রাঙামাটিবাসী

  • নারায়ণগঞ্জ আইভীরই

  • সংবিধান অনুযায়ী আইন প্রণয়ন ও ইসি গঠনের প্রস্তাব জেপির

  • পার্বত্য শান্তিচুক্তি বাস্তবায়নের কাজ চলছে: প্রধানমন্ত্রী

  • বিচ্ছেদ আবেদনের মধুর সমাপ্তি, রায়ে কাঁদলেন হাজারো মানুষ

  • কাঠের জিপ তৈরি করে ২ ভাইয়ের চমক, চলবে সৌরবিদ্যুতে

  • মেট্রোরেলের নিরাপত্তায় হচ্ছে এমআরটি পুলিশ ইউনিট

  • পাল্টে যাচ্ছে দক্ষিণাঞ্চলের স্বাস্থ্যসেবার চিত্র

  • মাঘের শীতেই লালচে-কমলা আভা ছড়াচ্ছে বসন্তের পলাশ