মঙ্গলবার   ১০ ডিসেম্বর ২০১৯

ব্রেকিং:
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোর বার্ষিক ছুটি ৭৫ দিন আগামী মার্চে ঢাকা উত্তর সিটির ভোটের ইঙ্গিত সিইসির জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় পরিদর্শনে প্রধানমন্ত্রী আস্থা ভোটে টিকে গেলেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী থেরেসা মে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে নেপালের বিদায়ী রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ খালেদার অনুপস্থিতিতেই কারাগারে বিচার চলবে রব ও মান্নার বিয়ে যুক্তফ্রন্টে, পরকীয়া ঐক্যফ্রন্টে: মাহী এটা জোট নয়, ঘোট : তথ্যমন্ত্রী যুক্তরাষ্ট্রে রাজনৈতিক আশ্রয় পেলেন সিনহা আবারও সরকার গঠনে নৌকায় ভোট দেয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর পদ্মা সেতু প্রকল্পের নামফলক উন্মোচন করলেন প্রধানমন্ত্রী
১৬

জানুয়ারির প্রথম সপ্তাহেই বিদ্যুতের মূল্য বাড়ার শঙ্কা

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: ১৭ নভেম্বর ২০১৯  

জানুয়ারির শুরুতেই বিদ্যুতের মূল্য বাড়ার শঙ্কা রয়েছে বলে জানা গেছে। এবার বিদ্যুতের মূল্য বাড়ানোর প্রস্তাবের ওপর ২৮ নভেম্বর থেকে গণশুনানি শুরু করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)। পাইকারি ও খুচরা পর্যায়ে বিদ্যুতের মূল্য বাড়ানোর প্রস্তাব দিয়েছে বিতরণ কোম্পানিগুলো। এর ফলে বর্ধিত মূল্য দিয়ে নববর্ষ শুরুর শঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা। এর আগে, চলতি বছরের শুরুর ‍দিকে গ্যাসের মূল্য বাড়িয়েছিল কমিশন।

বিদ্যুতের মূল্য বাড়ানোর প্রস্তাবে পিডিবি বলছে, ২০২০ সালে বিদ্যুৎ বিক্রি করে আয় হতে পারে ৩৬ হাজার ৬০০ কোটি টাকা। কিন্তু ওই সময় প্রয়োজন হবে ৪৫ হাজার ২০৮ কোটি টাকা। ফলে বাকি আট হাজার ৬০৮ কোটি টাকা পূরণের জন্য মূল্য সমন্বয় করতে কমিশনকে অনুরোধ করে পিডিবি।

অন্যদিকে, ক্যাপাসিটি পেমেন্টের যে হিসাব, তাতে বলা হচ্ছে, ২০২০ সালে ২০ হাজার ৩১ কোটি টাকা হবে সম্ভাব্য ক্যাপাসিটি পেমেন্ট। পিডিবি আগামী বছরজুড়ে বিদ্যুৎ উৎপাদনে সম্ভাব্য ঘাটতি দেখিয়েছে আট হাজার ৬০৮ কোটি টাকা। অর্থাৎ ক্যাপাসিটি পেমেন্ট কিছুটা কমানো গেলেই বিদ্যুতের মূল্য বাড়াতে হবে বলেও পিডিবি যুক্তি দেখিয়েছে।

পিডিবি সূত্র জানায়, যত দিন যাচ্ছে, ততই বাড়ছে ক্যাপাসিটি চার্জ। সরকার বারবার বড় ও সাশ্রয়ী বিদ্যুৎকেন্দ্রের কথা বললেও এখন পর্যন্ত সেগুলো উৎপাদনে আসেনি। ফলে এখনও ব্যয়বহুল তেলভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের ওপরই নির্ভরশীল দেশের বিদ্যুৎ খাত। এই কারণে প্রতিবছর বাড়ছে ক্যাপাসিটি চার্জ।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সরকারের সাশ্রয়ী ও বড় বিদ্যুৎকেন্দ্র আনতে যে পরিকল্পনা করা হয়েছিল, তা সুনির্দিষ্ট ও সঠিক ছিল না। তাই প্রতিবছর এই চার্জ বাড়ছে। নভেম্বরেই পায়রার কয়লাভিত্তিক ১৩০০ মেগাওয়াট ক্ষমতার বিদ্যুৎকেন্দ্রটি উৎপাদনে আসার কথা ছিল। কিন্তু সঞ্চালন লাইন একই সময়ে কাজ শেষ করতে না পারায় প্রথমে ডিসেম্বর মাসের কথা বলা হলেও এখন বলা হচ্ছে জানুয়ারিতে হতে পারে। একইভাবে পিছিয়ে পড়েছে অন্য বড় বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোর কাজও। অন্যদিকে, এই চার্জের দোহাই দিয়েই প্রতিবছর বাড়ানো হচ্ছে বিদ্যুতের মূল্য।

২০১৭ সালে সর্বশেষ বিদ্যুতের মূল্য বাড়ানো হয়। এরপর দুই বছরের মাথায় এসে আবারও মূল্য বাড়ানোর উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। তবে, এভাবে বিদ্যুতের মূল্য বাড়ানোর বিরোধিতা করছেন জ্বালানি বিশেষজ্ঞরা। তারা বলছেন, বিদ্যুতের এই ক্যাপাসিটি চার্জের দায় পুরোপুরি সরকারের। কিন্তু সরকার বিদ্যুতের মূল্য বাড়িয়ে পুরো দায় সাধারণ মানুষের ঘাড়ে চাপাচ্ছে, যা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয় বলেও মনে করছেন তারা।

বিদ্যুৎ বিভাগ জানায়, ২০১৪ সাল থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত পাঁচ বছরে সরকার বিদ্যুৎ খাতে ক্যাপাসিটি চার্জ বাবদ ৪৫ হাজার ৯৪৭ কোটি টাকা দিয়েছে। এরমধ্যে সবচেয়ে বেশি দিয়েছে ২০১৮ সালে। এছাড়া, চলতি বছর ও আগামী বছরের সম্ভাব্য হিসাব আরও বেশি বলে জানা গেছে।

সূত্র জানায়, ২০১৪ সালে বিদ্যুতের মূল্য বাবদ ৭ হাজার ৫৩৪ কোটি টাকা ক্যাপাসিটি চার্জ দিয়েছে সরকার। ২০১৫ সালে এসে সেই চার্জ ৭ হাজার ৫৬০ কোটি টাকা দিতে হয়। এরপর ২০১৬ সালে তা আরও বেড়ে দাঁড়ায় ৮ হাজার ৬৪৩ কোটি টাকায়। ২০১৭ সালে আরও বেড়ে হয় ১০ হাজার ১০ কোটি টাকা। ২০১৮ সালে বেড়ে হয় ১২ হাজার ২০০ কোটি টাকা। এরপর ২০১৯ সালে ক্যাপাসিটি চার্জ ধরা হয়েছে ১৫ হাজার ৫১৫ কোটি টাকা, যা ২০২০ সালে ২০ হাজার ৩১ কোটি টাকা হবে বলে সম্ভাব্য পরিকল্পনা করা হয়েছে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে বুয়েটের অধ্যাপক ড. ইজাজ হোসেন বলেন, ‘অপরিকল্পিতভাবে উৎপাদনের ফলে বাড়ছে বিদ্যুতের খরচ। বড় বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো ঠিক সময়ে না আসার কারণ খতিয়ে দেখা প্রয়োজন।’ তিনি বলেন, ‘সরকারের উচিত সঠিক পরিকল্পনার মাধ্যমে দরকার হলে বিদ্যুতের মহাপরিকল্পনা আবারও পর্যালোচনা করে বড় ও সাশ্রয়ী বিদ্যুৎকেন্দ্রের বিষয়ে মনোযোগী হওয়া। না হলে ভবিষ্যতেও ক্যাপাসিটি চার্জ বাড়তেই থাকবে। পাশাপাশি, বিদ্যুতের মূল্য বাড়ানোর প্রস্তাবও আসতে থাকবে।’

এদিকে, সম্প্রতি এক অনুষ্ঠান শেষে বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদের কাছে বিদ্যুতের দামের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘পিডিবি সরকারের ভর্তুকি থেকে বের হয়ে আসতে চাইছে। এজন্য তারা বিইআরসির কাছে প্রস্তাব দিয়েছে।’ তিনি বলেন, ‘ভর্তুকি কমাতে হলে বিদ্যুতের দামের বিষয়টি সামনে চলেই আসবে। কোম্পানিগুলো কমিশনের কাছে প্রস্তাব দিয়েছে। এখন কমিশন সহনীয় পর্যায়ে রেখে মূল্য সমন্বয় করবে বলে সরকার আশা করছে।’

বিদ্যুতের মূল্য বাড়ানোর পক্ষে যুক্তি দিয়েছেন জ্বালানি বিশেষজ্ঞ ড. ম. তামিম। তিনি বলেন, ‘দুই বছর আগে বিদ্যুতের মূল্য বেড়েছে। এই দুই বছরে মূল্যস্ফীতি বিবেচনা করলেই বিদ্যুতের মূল্য বাড়াতে হয়।’ তিনি বলেন, ‘তেলভিত্তিক ছোট বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো যতদিন থাকবে, ততদিন ক্যাপাসিটি চার্জ বাড়তেই থাকবে। বড় ও সাশ্রয়ী বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো উৎপাদনে এলে মূল্য কমে আসবে।’ ভবিষ্যতের কথা বিবেচনা করে বিদ্যুতের মূল্য এখন মেনে নিতেই হবে বলেও মনে করেন তিনি।

আরও পড়ুন
অর্থনীতি বিভাগের সর্বাধিক পঠিত
  • নাটোর আ. লীগে সভাপতি আনু, জহুরুল সম্পাদক

  • বড়াইগ্রামে ঋণের কিস্তি পরিশোধের চাপে গৃহবধূর আত্মহত্যা

  • খুলনায় আ’লীগের সম্মেলন আজ

  • গাভি ও বাছুরের লোভে খামারিকে হত্যা

  • ফতুল্লায় তরুণীকে গণধর্ষণ, আটক ৫

  • জিয়ার জন্ম পাকিস্তানে, বেঁচে থাকলে ফাঁসি হতো: শেখ সেলিম

  • এবার দৃষ্টি বাঙালি চার কন্যার দিকে

  • বিভিন্ন পেশার মানুষ নেবে জাপান: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

  • ভারতে নাগরিকত্ব সংশোধনী বিল পাশ

  • কঙ্গোতে হাজারো মানুষ বেঁচে আছে শুধু বাংলাদেশি সেনাদের ভরসায়!

  • গুনাহমুক্ত জীবন লাভের বিশেষ আমল

  • যে কারণে হিন্দুরা দেখাশোনা করে এ মসজিদ

  • হিজরি সনের জানা অজানা ইতিহাস

  • অমুসলিম ভাইদের দাওয়াত দেয়ার গুরুত্ব

  • অবৈধ চাঁদা আদায়কারীদের পরিণতি

  • পুরুষের টাখনুর নিচে কাপড় পরার অপকারিতা

  • চোগলখুরি: শক্রতার আগুন জ্বালাতে সাহায্য করে

  • উপকারী ‘জ্বীন’

  • কাবার খতিব ফিলিস্তিন সংকট নিয়ে খুতবায় যা বললেন

  • স্বর্ণজয়ী ক্রিকেট দলকে প্রধানমন্ত্রীর অভিনন্দন

  • ফেসবুকের মাধ্যমে মায়ের কোল ফিরে পেল আরিশা

  • সন্তানের দ্বীনি জ্ঞান অর্জনে বাবা-মা’র দায়িত্ব

  • ১০ ডিসেম্বর ১৯৭১: মুক্তিবাহিনীর প্রবল প্রতিরোধ গড়ে তুলে

  • রাসূল (সা.) এর চিকিৎসা

  • বীরশ্রেষ্ঠ রুহুল আমিনের ৪৮তম শাহাদাতবার্ষিকী আজ

  • ‘গিবত’ একটি ব্যাধি

  • নামাজের মাধ্যমে যে দশ শিক্ষা দেয়া হয়েছে

  • যে ৩ আমলে মৃত্যুর সঙ্গে সঙ্গে জান্নাত

  • আবুল কাসেম সন্দ্বীপের মৃত্যুবার্ষিকী আজ

  • সূরা বাকারা: ১১৮-১৪৩ নম্বর আয়াত নাজিলের প্রেক্ষাপট ও ঘটনা

  • দাবা নিয়ে বেনজীর আহমেদের অনেক স্বপ্ন

  • ইতিহাসে ৬ ডিসেম্বর: বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দিয়েছিল ভারত

  • সালমান-ক্যাটরিনা এখন ঢাকায়

  • ফিফোটেকে স্টার্টআপ আইডিয়া উপস্থাপন করলেন তরুণ উদ্যোক্তারা

  • প্রতিবন্ধী ব্যক্তিরা পাচ্ছেন ১০০ কোটি টাকার ভবন

  • প্রেমিকাকেই বিয়ে করছেন দেব!

  • দেশ নারী শিক্ষায় এগিয়ে যাচ্ছে: স্পিকার

  • ভারতের স্বীকৃতি ত্বরান্বিত করে বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামকে

  • বাংলাদেশকে প্রথম স্বর্ণ এনে দিলেন দীপু চাকমা

  • ‘তথ্যপ্রযুক্তিতে প্রতিবন্ধীদেরও কর্মসংস্থান হবে’ 

  • সায়মা ওয়াজেদ পুতুলের আজ জন্মদিন

  • ১০ টাকায় স্যানিটারি ন্যাপকিন পাবেন ছাত্রীরা

  • বাংলাদেশী ছাড়া কাউকে ঢুকতে দেবো না : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

  • চালের দাম বাড়বে না: খাদ্যমন্ত্রী

  • প্রতিটি উপজেলায় মডেল মসজিদ নির্মাণ করছে সরকার: রেজাউল করিম

  • বাংলাদেশ এখন চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের পথে: শ্রম প্রতিমন্ত্রী

  • ‘ফরিদপুর-৪ আসনের ৯২ ভাগ মানুষ বিদ্যুত সুবিধা পাচ্ছে’

  • ভিপি নুরের ফোনালাপ ফাঁস: বহিষ্কারের দাবি ঢাবি অধ্যাপকের

  • নড়াইল হবে দেশের মধ্যে প্রথম মাদকমুক্ত জেলা: মাশরাফি

  • রাজধানীতে ‘কৃষকের বাজার’ উদ্বোধন

  • অটিস্টিক শিশুরা সমাজের বোঝা নয়: শিক্ষামন্ত্রী

  • তথ্যপ্রযুক্তি খাতে ৩০ লাখ ডলার বিনিয়োগ

  • ১০ বছরে মানুষের ক্রয়ক্ষমতা বেড়েছে আড়াই গুণেরও বেশি: তথ্যমন্ত্রী

  • ডিএসসিসির ১৯ সড়ক উদ্বোধন 

  • খুন করে মৃতদেহের সঙ্গে যৌনাচারই নেশা!

  • এ মাসেই চালু হচ্ছে ই-পাসপোর্ট, উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী

  • দুর্নীতিবাজদের ছাড় দেওয়া হবে না: পরিকল্পনামন্ত্রী

  • রাজধানীতে মাদকবিরোধী অভিযানে গ্রেফতার ৪৮

  • কৃষকদের দোরগোড়ায় বিনামূল্যে সার-বীজ পৌঁছে দিচ্ছে সরকার 

  • ইংল্যান্ডের মুদ্রায় বাংলাদেশি বিজ্ঞানীর ছবি, নতুন বছরেই বাজারে