রোববার   ১১ এপ্রিল ২০২১

সর্বশেষ:
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোর বার্ষিক ছুটি ৭৫ দিন আগামী মার্চে ঢাকা উত্তর সিটির ভোটের ইঙ্গিত সিইসির আস্থা ভোটে টিকে গেলেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী থেরেসা মে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় পরিদর্শনে প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রপতির সঙ্গে নেপালের বিদায়ী রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন করতে ইসি প্রতিজ্ঞাবদ্ধ: নূরুল হুদা বারবার আসতে পারব না, যত খুশি সাজা দিন: খালেদা জিয়া ‘আকাশবীণার’ উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী ত্রিভুবনে আবারও বিমান দুর্ঘটনা ট্রেন-বাসের সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ২৫ ভুয়া ছবি দিয়ে অপপ্রচার চালাচ্ছে মিয়ানমার: প্রধানমন্ত্রী
৮০

ওষুধশিল্পের বিস্ময়কর বিকাশ

ডেস্ক রিপোর্ট:

প্রকাশিত: ৭ এপ্রিল ২০২১  

স্বাধীনতার ৫০ বছরে এসে বাংলাদেশে ওষুধশিল্পের বিস্ময়কর বিকাশ ঘটেছে। চিকিৎসা খাতে অব্যবস্থাপনা থাকলেও বেসরকারি খাতের উদ্যোগে ওষুধ উৎপাদন ও রপ্তানিতে বাংলাদেশ অভাবনীয় অগ্রগতি অর্জন করেছে। স্বাধীনতা-উত্তর সময়ে যেখানে বিদেশি ওষুধের ওপর নির্ভরতা ছিল প্রায় শতভাগ, সেখানে ৫০ বছর পর বিশ্বের ১৪৭টি দেশে রপ্তানি হচ্ছে বাংলাদেশের ওষুধ। জীবন রক্ষাকারী ওষুধ উৎপাদনে বিশ্ব মানচিত্রে বাংলাদেশ এখন এক নির্ভরতার নাম। শুধু সাধারণ নয়, বাংলাদেশের কোম্পানিগুলো এখন ভ্যাকসিন, হৃদরোগ ও ক্যান্সারের ওষুধ, ইনসুলিনসহ বিভিন্ন ধরনের জটিল ও আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন ওষুধ তৈরি করছে। ইতিমধ্যে দেশের অন্তত ১৪টি কোম্পানি বিভিন্ন দেশে নিবন্ধন পেয়েছে। এর মাধ্যমে সেসব দেশে আরও বিপুল পরিমাণ ওষুধ রপ্তানির পথ প্রশস্ত হয়েছে। দেশের প্রায় ২৫ হাজার কোটি টাকার ওষুধের বাজারের ৯৮ শতাংশই স্থানীয় ওষুধ কোম্পানিগুলোর দখলে। ১৭ কোটি মানুষের এই দেশের প্রায় পুরো চাহিদা মিটিয়ে দেড় হাজার কোটি টাকার ওষুধ রপ্তানি হচ্ছে প্রতি বছর। উদ্যোক্তারা বলছেন, অপেক্ষাকৃত সাশ্রয়ী মূল্য ও ওষুধের গুণগত মানের কারণে বিশ্ববাজারে বাংলাদেশি ওষুধের চাহিদা  বাড়ছে। বর্তমানে গড়ে ১৫ শতাংশ হারে বাড়ছে বাংলাদেশের ওষুধের বাজার। এ অবস্থায় প্রবৃদ্ধির ধারাবাহিকতা অব্যাহত থাকলে আগামী ১০ বছরের মধ্যে বিশ্বের ওষুধ-বাণিজ্যের অন্তত ৫ শতাংশ দখল করা সম্ভব বলে মনে করছেন এই খাতের উদ্যোক্তারা। গত মাসে বাংলাদেশকে স্বল্পোন্নত দেশের (এলডিসি) তালিকা থেকে উত্তরণের সুপারিশ করেছে জাতিসংঘের কমিটি ফর ডেভেলপমেন্ট পলিসি (সিডিপি)। এই সুপারিশ অনুযায়ী, ২০২৬ সালে বাংলাদেশ এলডিসি থেকে চূড়ান্ত উন্নীত হবে। এলডিসি হিসেবে বাংলাদেশের ওষুধ প্রস্তুতকারক কোম্পানিগুলোকে বর্তমানে আবিষ্কারক প্রতিষ্ঠানকে মেধাস্বত্বের জন্য অর্থ দিতে হয় না।

গরিব দেশে ওষুধের মূল্য বৃদ্ধি ঠেকাতে এ সুবিধা দিচ্ছে অ্যাকটিভ ফার্মাসিউটিক্যাল ইনগ্রেডিয়েন্ট (এপিআই) উৎপাদক দেশগুলো। আর এ সুবিধা পাওয়ার কারণে বাংলাদেশের ওষুধশিল্প একটি শক্ত ভিত্তির ওপর দাঁড়িয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ওষুধ খাতে বর্তমানের অর্জনের পেছনে সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগ কার্যকর ভূমিকা রেখেছে। সারা দুনিয়ায় বাংলাদেশের ওষুধের চাহিদা দিন দিন বাড়ার মূল কারণ বিশ্ব বাজারের তুলনায় দাম অনেক কম। ভারতীয় একটি দৈনিকের প্রতিবেদন বলছে, উন্নত বিশ্বে যে ওষুধের দাম গড়ে ৪২৫ ডলার, বাংলাদেশে এর দাম মাত্র ৩২ ডলার। মানও খারাপ নয়। তবে ওষুধের বাজার বিকাশের ক্ষেত্রে বাংলাদেশের ওষুধের আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি পাওয়াটা সহজ ছিল না। ইউরোপ-আমেরিকায় ওষুধের মতো স্পর্শকাতর পণ্য বাজারে যায় কঠিনভাবে মান যাচাইয়ের পর। তাদের মান যাচাইয়ের প্রক্রিয়ার ওপর সবাই আস্থাশীল। সেই মান যাচাইয়ের পরীক্ষায় পাস করেই বাংলাদেশের ওষুধ বিভিন্ন দেশে যাচ্ছে। আমেরিকায় ফুড অ্যান্ড ড্রাগ অ্যাডমিনিস্ট্রেশন বা এফডিএর ছাড়পত্র পাওয়া দুরূহ, সময়সাপেক্ষ। দেশের চিকিৎসা ব্যবস্থা নিয়ে অনেক বিতর্ক থাকলেও ওষুধশিল্পের সুনাম বিশ্বজুড়ে। গুণগত মান ও কার্যকারিতার কারণে বাংলাদেশের ওষুধ ছড়িয়ে পড়েছে বিশ্ববাজারে। অনুন্নত বিশ্বের ৪৮ দেশের মধ্যে সবচেয়ে এগিয়ে বাংলাদেশের ওষুধ। দেশের ২৫৭টি কোম্পানির কারখানায় বছরে ২৪ হাজার ব্র্যান্ডের ওষুধ উৎপাদিত হচ্ছে। এ শিল্পে প্রায় ২ লাখ মানুষের কর্মসংস্থান রয়েছে। এসব তথ্য দিয়ে ওষুধশিল্প সংশ্লিষ্টরা জানান, তারা এ অগ্রযাত্রা আরও বেগবান করতে চান। ক্যান্সারের ওষুধের সঙ্গে বাংলাদেশ  তৈরি করছে হেপাটাইটিস সির ওষুধ। ৮৪ ডোজের চিকিৎসায় ১ ডোজের খরচ ১ হাজার ডলার। পুরো কোর্সে খরচ ৮৪ হাজার ডলার। বাংলাদেশে  তৈরি এর ১ ডোজের দাম পড়ে মাত্র ৮০০ টাকা। দেশের ৪৬ কোম্পানির ৩০০ ধরনের ওষুধপণ্য বিশ্ববাজারে রপ্তানি হয়। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) তথ্যমতে, জাতীয় অর্থনীতিতে ওষুধশিল্পের অবদান বাড়ছে। জিডিপিতে ওষুধ খাতের অবদান ছিল প্রায় ৩ শতাংশ। বর্তমানে ২৫৭টি অনুমোদিত কোম্পানির মধ্যে উৎপাদনে রয়েছে ১৫০টি। ওষুধের বৈশ্বিক বাজারের হিসাবে দেখা যায়, ২০১৮ সালের শুরুতে বিশ্বব্যাপী ওষুধের বাজার ছিল ১ হাজার ২০৫ বিলিয়ন ডলারের, যেখানে প্রবৃদ্ধি ছিল ৪ দশমিক ০৮ শতাংশ। ২০২৩ সালে এটা ১ দশমিক ৫ ট্রিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে যাবে। ওষুধশিল্প সমিতির তথ্যানুযায়ী, গত দুই বছরে ১ হাজার ২০০ ধরনের ওষুধ রপ্তানির অনুমোদন পাওয়া গেছে।

রপ্তানিতে শীর্ষ সাত দেশ হচ্ছে- মিয়ানমার, শ্রীলঙ্কা, ফিলিপাইন, ভিয়েতনাম, আফগানিস্তান, কেনিয়া ও স্লোভেনিয়া। মোট ওষুধ রপ্তানির ৬০ শতাংশ যাচ্ছে এসব দেশে। আর বাকি ৪০ শতাংশ অন্যান্য দেশে রপ্তানি হয়। রপ্তানির শীর্ষে রয়েছে বেক্সিমকো ফার্মা। দ্বিতীয় ও তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে ইনসেপ্টা ও স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেড। বাংলাদেশের  তৈরি ওষুধ এশিয়া মহাদেশের ৪১টি দেশে, দক্ষিণ আমেরিকার ২৩টি দেশে, আফ্রিকা মহাদেশের ৩৭টি, উত্তর আমেরিকার ৪টি দেশে, ইউরোপের ৩২টি ও অস্ট্রেলিয়ার ৫টি দেশে নিয়মিত রপ্তানি হচ্ছে। ওষুধ রপ্তানির তালিকায় রয়েছে বেক্সিমকো, স্কয়ার, ইনসেপ্টা, একমি ল্যাবরেটরিজ, এরিস্টোফার্মা, রেনেটা লিমিটেড, এসকেএফ ফার্মা, এসিআই লিমিটেড, পপুলার ফার্মা, পপুলার ইনফিউশন, বায়ো ফার্মা, অপসোনিন, গ্লোব ফার্মা, বিকন ফার্মা, ড্রাগস ইন্টারন্যাশনাল, হেলথকেয়ার ফার্মা, ওরিয়ন ফার্মা, জেসন, নাভানা, জেনারেল, ডেলটা, গ্লাস্কো, ইবনে সিনা, রেডিয়ান্ট, নভো হেলথকেয়ার ফার্মা, নিপ্রো জেএমআই, ইডিসিএল লিমিটেড, অ্যামিকো ল্যাবরেটরিজ, গ্লোব ফার্মাসিউটিক্যালস, টেকনো ড্রাগস, জিসকা ফার্মাসিউটিক্যালস, রেডিয়েন্ট ফার্মাসহ আরও কয়েকটি কোম্পানি। জানা গেছে, বাংলাদেশের তৈরি ট্যাবলেট, ক্যাপসুল, ইনজেকশন ও ইনহেলারসহ বিভিন্ন ধরনের ওষুধ রপ্তানি হচ্ছে।

তবে বিদেশে ওষুধগুলো জেনেরিক নামে ব্যবহার হচ্ছে। তবে জেনেরিক নামের পাশাপাশি ব্র্যান্ডেড নামও থাকছে। তবে ক্যান্সার, মস্তিষ্কজনিত সমস্যা, হƒদরোগ, ডায়াবেটিস ও ভ্যাকসিনসহ বিভিন্ন দুরারোগ্য ব্যাধির কিছু ওষুধ আমদানি করতে হচ্ছে। ইতিমধ্যে দেশের কয়েকটি কোম্পানি ভ্যাকসিন ও ক্যান্সারের ওষুধ তৈরিতে এগিয়ে এসেছে। সংশ্লিষ্টরা জানান, বাংলাদেশসহ স্বল্পোন্নত দেশগুলোর (এলডিসি) জন্য ২০৩৩ সাল পর্যন্ত ওষুধের মেধাস্বত্বে বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার (ডব্লিউটিও) ছাড়ের সুযোগ রয়েছে। তবে এলডিসি থেকে উত্তরণের কারণে সেই সময়সীমার সাত বছর আগেই ২০২৬ সালে মেধাস্বত্বের সুবিধা হারাবে বাংলাদেশ। তখন ওষুধের কাঁচামালের জন্য নির্দিষ্ট হারে অর্থ দিতে হবে। বর্তমানে ওষুধশিল্পের কাঁচামালের ৯৭ শতাংশই উন্মুক্ত প্যাটেন্ট সুবিধায় আমদানি করছে বাংলাদেশ। ২০২৬ সালে এই সুবিধা শেষ হলে বাংলাদেশের ওষুধশিল্প পিছিয়ে পড়বে বলে আশঙ্কা করছেন বিশেষজ্ঞরা। এলডিসি উত্তরণ-পরবর্তী ব্যবসায় প্রভাব নিয়ে সম্প্রতি সিপিডির আলোচনা সভায় অধ্যাপক রেহমান সোবহান বলেন, এলডিসি গ্র্যাজুয়েশন হওয়ার পর আমাদের ওষুধশিল্প বিপাকে পড়বে। বেশি দামে কাঁচামাল কিনে রপ্তানি বাজারে টিকতে পারবে না। কারণ হিসেবে এপিআই শিল্পপার্ক এখনো প্রস্তুত নয় বলে উল্লেখ করেন তিনি।

তবে একই অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি খাত বিষয়ক উপদেষ্টা সালমান এফ রহমানকে উদ্ধৃত করে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম বলেন, আমাদের এপিআই পার্ক প্রায় প্রস্তুত। এখন কোম্পানিগুলো চাইলেই কাজ শুরু করে উৎপাদনে যেতে পারবে। এদিকে ২০৩৩ সাল পর্যন্ত ওষুধের মেধাস্বত্বে ছাড়ের সুবিধা মাথায় রেখে এপিআই শিল্পপার্কের বিনিয়োগে আগামী ২০৩২ সাল পর্যন্ত আয়কর, ভ্যাটসহ সব ধরনের ট্যাক্স ছাড় দেওয়া হয়েছে। অর্থাৎ মুন্সীগঞ্জের ওষুধশিল্প পার্কের উদ্যোক্তাদের আগামী ১০ বছর পর্যন্ত কোনো ভ্যাট ও ট্যাক্স দিতে হবে না। এটি একটি বড় নীতি সহায়তা বলে মনে করছেন এই খাতের উদ্যোক্তারা। ইতিমধ্যে ২৭টি কোম্পানি সেখানে কারখানা স্থাপনের জন্য প্লট বরাদ্দ নিয়েছে। এর মধ্যে একমি, হেলথকেয়ারসহ কয়েকটি কোম্পানি কারখানা নির্মাণের কাজ অনেক দূর এগিয়েছে। ২০২২ সালের মধ্যে এসব কারখানায় উৎপাদন শুরু করা যাবে বলে জানিয়েছে কোম্পানিগুলো। যারা ২০২২ সালের মধ্যেই উৎপাদনে যেতে পারবেন তারা টানা ১০ বছরই ভ্যাট ও ট্যাক্স রেয়াতের সুবিধা পাবেন। 

মুন্সীগঞ্জ প্রতিনিধি জানান, মুন্সীগঞ্জের গজারিয়া ওষুধশিল্প পার্কের নির্মাণকাজ বর্তমানে শেষের পথে। ২০০ একর জমিতে নির্মিত শিল্পপার্কটিতে এরই মধ্যে মাটি ভরাট, অভ্যন্তরীণ রাস্তা নির্মাণ, ড্রেনের অবকাঠামো, বৈদ্যুতিক ট্রান্সমিশন লাইন, বিদ্যুৎ বিতরণ লাইন, বিদ্যুৎ সাব-স্টেশন, পানি সরবরাহের প্রধান ও সাব লাইন নির্মাণ, প্লট তৈরিসহ অবকাঠামো উন্নয়নের কাজ শেষ হয়েছে। কেন্দ্রীয় বর্জ্য শোধনাগার (সিইপিটি) নির্মাণের কাজও শুরু হয়েছে। শতভাগ কাঁচামাল দেশে উৎপাদিত হলে ওষুধের মূল্য যেমন কমে আসবে, পাশাপাশি ওষুধ ও কাঁচামাল রপ্তানির পরিমাণও বাড়বে। 

ওষুধশিল্প পার্কের প্রকল্প পরিচালক শহিদুল ইসলাম জানান, আগামী জুনের মধ্যে ওষুধশিল্প পার্কের সব অবকাঠামো নির্মাণকাজ শেষ হয়ে যাবে। উৎপাদনের জন্য প্রস্তুত হচ্ছে ওষুধশিল্প পার্কের পুরো অবকাঠামো। এখন কোম্পানিগুলো নিজেদের প্রস্তুতি যতটা দ্রুত করতে পারে তত দ্রুই শিল্পপার্ক উৎপাদনমুখর হয়ে উঠবে বলে আশা করছি। জানা গেছে, সম্ভাবনাময় ওষুধশিল্পের বিকাশে প্রধান প্রতিবন্ধক হিসেবে ধরা হচ্ছে- ‘কাঁচামাল উৎপাদন’। আর এ কারণে ওষুধশিল্পের অপার সম্ভাবনার সুযোগকে প্রত্যাশিতভাবে কাজে লাগাতে পারেনি বাংলাদেশ। তবে সে প্রতিবন্ধকতা কেটে যাবে এপিআই শিল্পপার্কের উৎপাদন শুরু হলে। এই শিল্পপার্কে কাঁচামাল উৎপাদনের সব ধরনের সুবিধা থাকবে। চলতি বছর থেকেই ওষুধ কোম্পানিগুলো সেখানে ওষুধের কাঁচামাল উৎপাদনের কারখানা স্থাপন শুরু করবে। ফলে ওষুধের কাঁচামাল আমদানি খরচ শতকরা ৭০ ভাগ কমে আসবে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ওষুধ প্রযুক্তি বিভাগের অধ্যাপক আ ব ম ফারুক বলেন, বাংলাদেশের ওষুধশিল্পের বিকাশ খুবই আশাব্যঞ্জক। বছর কয়েক আগেও জীবন রক্ষাকারী ৫০ শতাংশেরও বেশি ওষুধ আমদানি করতে হতো। এখন সেটা অনেক কমে এসেছে। দেশেই কাঁচামাল উৎপাদন শুরু হলে ওষুধ উৎপাদন খরচ অনেক কমে আসবে। ওষুধশিল্পের বিকাশে এটি অনেক সহায়ক হবে।  বাংলাদেশ ওষুধশিল্প সমিতির তথ্যানুযায়ী, দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ২৬৯টি ছোট-বড় ওষুধ কারখানা রয়েছে। এর মধ্যে ১৬৪টি ওষুধ কারখানা সক্রিয় রয়েছে। এসব কোম্পানি সম্মিলিতভাবে প্রায় ৫ হাজার ব্র্যান্ডের ৮ হাজারের বেশি ওষুধ উৎপাদন করছে। অন্যদিকে ৪০টি কোম্পানি ১৮২টি ব্র্যান্ডের সহস্রাধিক রকমের ওষুধ রপ্তানি করে। 

ওষুধশিল্প পার্কের প্রকল্প পরিচালক সৈয়দ শহিদুল ইসলাম বলেন, চলতি বছরের জুনের মধ্যেই আমাদের সব অবকাঠামোর কাজ শেষ হবে। কেন্দ্রীয় বর্জ্য শোধনাগারের (সিইপিটি) একটি অংশের কাজও এই সময়ের মধ্যে শেষ হবে। বরাদ্দ নেওয়া কোনো প্রতিষ্ঠান চাইলে জুনের পরই শিল্পপার্কে কাঁচামাল উৎপাদন শুরু করতে পারবে। তিনি বলেন, হেলথকেয়ার এবং এসিআই লিমিটেডের কারখানার কাজ অনেক দূর এগিয়েছে। তবে কোম্পানিগুলোর নিজস্ব অবকাঠামো তৈরি, মেশিনারিজ আমদানিসহ আনুষঙ্গিক কাজ শেষ করতে আরও এক বছর লেগে যেতে পারে। এদিকে ওষুধ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানগুলো আগামী ২০২২ সালের জুনের মধ্যেই উৎপাদন শুরু করার আশাবাদ ব্যক্ত করেছে। একমি 

ল্যাবরেটরিজের কোম্পানি সেক্রেটারি মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, আমাদের ভবন নির্মাণের কাজ চলতি বছরের ডিসেম্বরের মধ্যে শেষ হবে। ক্যাপিটাল মেশিনারিজ আমদানিসহ অন্যান্য প্রস্তুতি সম্পন্ন করতে আরও কিছু দিন লাগবে। তবে ২০২২ সালের জুনে উৎপাদন শুরু করতে পারব।

আরও পড়ুন
জাতীয় বিভাগের সর্বাধিক পঠিত
  • ১৩ এপ্রিল পর্যন্ত চলবে চলমান লকডাউন : কাদের

  • করোনায় স্বাস্থ্যসেবা সমন্বয়ে ৬৪ জেলার দায়িত্বে ৬৪ সচিব

  • চাইলে বাংলাদেশকে টিকা দেবে যুক্তরাষ্ট্র

  • পদ্মা সেতুর অগ্রগতি ৯৩ শতাংশের বেশি

  • মুজিব নগর সরকারের দলিল পত্রসমূহ

  • ইসলামের জন্য বঙ্গবন্ধু ও শেখ হাসিনার ঐতিহাসিক অবদান

  • গণভবনে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে জন কেরির সৌজন্য সাক্ষাৎ

  • রাজধানীর দুই এলাকায় করোনার সর্বাধিক সংক্রমণ

  • চলতি বছরই ২০ লাখের বেশি কর্মসংস্থান: পলক

  • ‘বঙ্গবন্ধুর স্বাধীনতার ঘোষণাই বাংলাদেশের অভ্যুদয়ের ভিত্তি’

  • দেশে অরাজকতার চেষ্টা করলে ব্যবস্থা নেবে সরকার: আইনমন্ত্রী

  • স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশ সরকার গঠিত হয় একাত্তরের ১০ এপ্রিল

  • ‘নিরাপদ মহাসড়ক নেটওয়ার্ক গড়ে তুলতে কাজ করছে সরকার’

  • বইমেলা শেষ হচ্ছে ১২ এপ্রিল: সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী

  • বহুমুখী প্রকল্পে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে বিপ্লব

  • করোনার ইস্যুতে ৬৪ জেলার দায়িত্ব পেলেন ৬৪ সচিব

  • সাংবাদিক হাসান শাহরিয়ারের মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রীর শোক

  • কাস্টমস ও ভ্যাট: করোনাকালেও চলছে ২৪ ঘণ্টা সেবা

  • ভোক্তাপর্যায়ে এলপিজির দাম ঘোষণা সোমবার

  • নদীর বুকে পুকুর-ফসলি জমি

  • যৌবন ফিরেছে তিস্তায়, কৃষক-জেলেদের স্বস্তি

  • মুড়ির গ্রাম তিমিরকাঠি, ঘরে ঘরে ব্যস্ততা

  • ১৭২ কোটি ব্যয়ে বিষমুক্ত সবজি উৎপাদনে বিপ্লব

  • আগাম পাহাড়ি কাঁঠালে বাড়ছে চাহিদা

  • আইসিটি খাতকে জরুরি সেবার আওতায় দেখতে চান উদ্যোক্তারা

  • বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বেড়েছে ৫৩২ শতাংশ

  • বোরো সংগ্রহে ব্যবহার হবে আধুনিক কৃষিযন্ত্র

  • উত্তরা থেকে আগারগাঁও পর্যন্ত মেট্রোরেলের অগ্রগতি ৮৪ শতাংশ

  • শিমের লবণসহিষ্ণু নতুন জাত উদ্ভাবন

  • এবার ভারত থেকে জি-টু-জিতে চাল আমদানির সিদ্ধান্ত

  • মধুমতিতে নির্মিত হচ্ছে  ৬ লেনের সেতু

  • ২৫ মিনিটে প্রদক্ষিণ করা যাবে ঢাকা

  • রাজধানীতে নামছে ৬০টি দ্বিতল বাস

  • লকডাউনে থেমে নেই মেগা প্রকল্পগুলো

  • মাঠজুড়ে বোরো ধানের সবুজ সমারোহ

  • গণপরিবহন চলাচলে নিষেধাজ্ঞা 

  • মসজিদে নামাজ আদায়ে নতুন নির্দেশনা

  • তারাগঞ্জে সূর্যমুখীর চাষ বেড়েছে 

  • করোনা সংক্রমণ রোধে ফুলহাতা শার্ট পরার নির্দেশ পুলিশের

  • দেশের বাইরেও খ্যাতি ছড়িয়েছে চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী ‘মেজবান’

  • যানজট নিরসনে ঢাকায় হবে ৬১ কিলোমিটার পাতাল রেল

  • ১১ নির্দেশনা দিয়ে লকডাউনের প্রজ্ঞাপন, না মানলে আইনি ব্যবস্থা

  • জোর করে ঘরে রাখার চেয়ে সচেতনতা বৃদ্ধির চেষ্টা করছি

  • লকডাউন শুরু

  • সোলার প্ল্যান্টে সেচ সুবিধা, কৃষিতে নতুন সম্ভাবনা

  • উৎসব-নববর্ষ-বিজয় দিবস ভাতা পাবেন সব বীর মুক্তিযোদ্ধা

  • লকডাউনে ব্যাংক লেনদেন আড়াই ঘণ্টা

  • শতবর্ষী ঐতিহ্য, আতাইকুলার লুঙ্গি-গামছার হাট

  • পদ্মা সেতুর অগ্রগতি ৯৩ শতাংশের বেশি

  • বুধবার থেকে চলবে গণপরিবহন

  • আন্তরিকভাবে কাজ করতে এনএসআই’র প্রতি আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

  • করোনা টেস্টের ফি দেওয়া যাচ্ছে ‘নগদ’-এ

  • বাম্পার ফলনের তরমুজ নিয়ে বিপাকে চাষি

  • মেগা প্রকল্পে বদলাচ্ছে দক্ষিণাঞ্চল

  • উন্নয়নের পূর্বশর্ত হলো শান্তি শৃঙ্খলা বজায় রাখা: প্রধানমন্ত্রী

  • রোহিঙ্গাদের প্রতি অসাধারণ মানবতায় কৃতজ্ঞ বাইডেন

  • রাঙামাটিতে তরমুজের ফলন ভালো, খুশি কৃষক-ব্যবসায়ী 

  • হাজারো মানুষের ভাগ্য বদলে দিয়েছে যে বন্দর

  • অবশেষে চালু হলো গঙ্গা-কপোতাক্ষ সেচ প্রকল্প

  • কাল থেকে গণপরিবহন বন্ধ : সেতুমন্ত্রী