সোমবার   ২৬ অক্টোবর ২০২০

সর্বশেষ:
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোর বার্ষিক ছুটি ৭৫ দিন আগামী মার্চে ঢাকা উত্তর সিটির ভোটের ইঙ্গিত সিইসির আস্থা ভোটে টিকে গেলেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী থেরেসা মে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় পরিদর্শনে প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রপতির সঙ্গে নেপালের বিদায়ী রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন করতে ইসি প্রতিজ্ঞাবদ্ধ: নূরুল হুদা বারবার আসতে পারব না, যত খুশি সাজা দিন: খালেদা জিয়া ‘আকাশবীণার’ উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী ত্রিভুবনে আবারও বিমান দুর্ঘটনা ট্রেন-বাসের সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ২৫ ভুয়া ছবি দিয়ে অপপ্রচার চালাচ্ছে মিয়ানমার: প্রধানমন্ত্রী
৩১৬

ইস্পাত শিল্পে কর্মসংস্থান হলো তিন লাখ মানুষের

নিউজ ডেস্ক:

প্রকাশিত: ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২০  

মেগাপ্রকল্প আর দেশজুড়ে অকাঠামো নির্মাণযজ্ঞে দৃশ্যমান হয়ে উঠেছে দেশের উন্নয়ন সাফল্য। অব্যাহত এ সাফল্যে সিমেন্টের পাশাপাশি গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে যাচ্ছে ইস্পাতশিল্প। উদ্যোক্তারা বলছেন, বড় বড় প্রকল্প, দ্রুত নগরায়ণ এবং মানুষের জীবনযাত্রার মান বৃদ্ধি এ খাতে বড় চাহিদা তৈরি করেছে। সেই চাহিদা পূরণে বিনিয়োগও বেড়েছে। দেশি বিনিয়োগের পাশাপাশি চীনসহ আরো কয়েকটি দেশ এই খাতে বিনিয়োগে আগ্রহ দেখিয়েছে। নীতি সহায়তা অব্যাহত থাকলে অর্থনীতিতে এই খাতের অবদান আরো বাড়বে বলে মনে করছেন খাতসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা। তাঁরা বলছেন, নিরবচ্ছিন্ন গ্যাস, বিদ্যুৎ এবং বাড়তি শুল্ককরের বোঝা না চাপানো হলে এই শিল্পকে আরো অনেক দূর এগিয়ে নেওয়া সম্ভব হবে।

ইবিএল সিকিউরিটিজের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০১৮ সালে দেশে ইস্পাতের মাথাপিছু ব্যবহার ছিল ৪৫ কেজি। ২০২২ সাল নাগাদ এ চাহিদা বেড়ে হবে ৭৩ কেজি। দেশের শীর্ষ উৎপাদকদের তথ্য অনুযায়ী, ২০১৬ সালে দেশে ৪০ লাখ মেট্রিক টন ইস্পাত উৎপাদিত হয়, যার বাজারমূল্য ছিল ৩৫৭ কোটি ডলার। ২০২২ সাল নাগাদ এ বাজার হবে দ্বিগুণ। আগামী দুই দশকে দেশের এ খাতে বার্ষিক দুই অঙ্কের প্রবৃদ্ধি হবে। বর্তমানে ফাস্ট ট্র্যাকভুক্ত দেশের সাতটি মেগাপ্রকল্পে বিপুল পরিমাণ ইস্পাতের প্রয়োজন হচ্ছে, কিন্তু করোনায় ইস্পাতের কাঁচামাল আমদানি ব্যাহত হয়েছে। বিশেষ করে, যুক্তরাষ্ট্র-চীন বাণিজ্যযুদ্ধে বিশ্ববাজারে স্ক্র্যাপের দুষ্প্রাপ্যতা তৈরি হওয়ায় রডের দাম বেড়ে যায়। বাংলাদেশে ইস্পাত উৎপাদনের প্রয়োজনীয় কাঁচামাল হচ্ছে স্ক্র্যাপ, স্পঞ্জ ও পিগ আয়রন। কাঁচামালের ৯০ শতাংশের বেশি আমদানি করতে হয়। ২০১৬ সালে এসব কাঁচামাল আমদানি হয় ২৫ লাখ মেট্রিক টন, ২০১৮ সালে তা বেড়ে হয় ৪০ থেকে ৪৫ লাখ মেট্রিক টন। যদিও ২০১৬ সালে দেশের জাহাজ ভাঙা শিল্প থেকে এক কোটি মেট্রিক টন ইস্পাত আসে, যা দেশের মোট চাহিদার ৬০ শতাংশ পূরণ করে।

উদ্যোক্তারা জানান, ভারী শিল্প ইস্পাত খাতে পণ্য উৎপাদনেই খরচ হয় আয়ের ৮০ থেকে ৯০ শতাংশ। করোনায় ইস্পাতশিল্পের ক্ষতি ডিসেম্বর নাগাদ ১৫ হাজার কোটি টাকা দাঁড়াবে।

ইস্পাত উৎপাদকদের সংগঠন বাংলাদেশ স্টিল মিল ওনার্স সমিতির সভাপতি শেখ ফজলুর রহমান বলেন, ‘করোনায় আমাদের অনেক বড় ধরনের ক্ষতি হয়েছে। আগামী দু-তিন বছরেও এ ক্ষতি থেকে ঘুরে দাঁড়াতে পারব কি না তা নিয়ে সন্দেহ আছে।’ ব্যবসায়ীদের জন্য যে প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণা করা হয়েছে, এ শিল্প যেন সেটা দ্রুত পায় সেই দাবিও জানান তিনি।

বাংলাদেশ স্টিল ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিএসএমএ) সভাপতি ও আনোয়ার গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মানোয়ার হোসেন বলেন, ‘বাংলাদেশের যেকোনো স্থাপনায় ব্যবহারের জন্য আমরা বিশ্বমানের স্টিল (ইস্পাত) উৎপাদন করছি। স্টিল ইন্ডাস্ট্রির ১৬ লাখ টন উৎপাদনক্ষমতা বেড়ে এখন হয়েছে বার্ষিক ৫৫ লাখ টন। চলতি বছরটি বাদ দিলে বছরে অন্তত ১৫ শতাংশ করে প্রবৃদ্ধি হচ্ছে। সরকারের অবকাঠামো মেগাপ্রকল্প বাস্তবায়নে গতি অব্যাহত থাকলে এই শিল্পের সক্ষমতা আরো বাড়বে।’ তিনি বলেন, ‘ইস্পাতশিল্প হলো একটা দেশের উন্নয়নের হাতিয়ার। এই শিল্পকে বাদ দিয়ে উন্নয়নের কথা চিন্তাই করা যায় না। আমরা আশাবাদী, করোনার ধাক্কা কাটিয়ে উঠতে পারলে আবার হয়তো ভালো প্রবৃদ্ধিতে ফিরে যেতে পারব।’   

সরকারকে নির্মাণ খাতে বেশি করে ব্যয় করার অনুরোধ জানিয়ে বিএসআরএম গ্রুপের উপব্যবস্থাপনা পরিচালক (ডিএমডি) তপন সেন গুপ্ত বলেন, এ খাত যদি প্রাণচঞ্চল হয়ে ওঠে তবে সংশ্লিষ্ট সব খাত চাঙ্গা হবে। নির্মাণ খাত চাঙ্গা করে তুলতে হবে সরকারকে, এ জন্য চাহিদা তৈরি করতে হবে। যদি চাহিদা তৈরি হয়, তবে পণ্য বিক্রি বাড়বে। বিপুল অর্থপ্রবাহে চাঙ্গা হয়ে উঠবে নির্মাণসংশ্লিষ্ট সব শিল্পই। তিনি বলেন, বর্তমানে প্রতি টন স্টিল উৎপাদনে সরকারকে কর দিতে হয় কমপক্ষে এক হাজার ১৫০ টাকা, কিন্তু এ পরিমাণে কর দেওয়ার জন্য যে পরিমাণ মুনাফা করা প্রয়োজন তা এ মুহূর্তে করা যাচ্ছে না।

জানা গেছে, বর্তমানে বাংলাদেশে ৪০০ ইস্পাত কারখানা রয়েছে। মোট উৎপাদনক্ষমতা ৯০ লাখ মেট্রিক টন, যদিও দেশের বার্ষিক চাহিদা ৮০ লাখ টন।

ইবিএলের প্রতিবেদন অনুযায়ী, আবুল খায়ের, বিএসআরএম ও কেএসআরএম বিলেট সক্ষমতার ৯০ শতাংশের বেশি উৎপাদন করে, যা দেশের বার্ষিক চাহিদার ৫০ শতাংশের বেশি পূরণ করে। এসব কম্পানির পাশাপাশি ইস্পাত উৎপাদনে ব্যবসা বাড়াচ্ছে আনোয়ার গ্রুপ, কেএসআরএম, জিপিএইচ, আনওয়ার, রানি, এসএসআরএমসহ আরো অনেকে।

বাংলাদেশের ইস্পাতের বাজারে জোরালো অবস্থান তৈরি করতে যাচ্ছে চীনারাও। কুনমিং আয়রন ও স্টিল হোল্ডিং কম্পানি (কেআইএসসি) ২৩০ কোটি ডলার বিনিয়োগ করতে যাচ্ছে। এ ছাড়া পাঁচ থেকে সাত বছরে বাজারের বর্তমান কম্পানিগুলো আরো ৪০০ কোটি ডলার বিনিয়োগ করবে এ খাতে।

গত বছর বিশ্বে অশোধিত ইস্পাত উৎপাদন হয় ১৮৬ কোটি ৯০ লাখ টন, যা ২০১৮ সালের চেয়ে ৩.৪ শতাংশ বেশি। এর মধ্যে এশিয়ায় উৎপাদিত হয় ১৩৪ কোটি ১০ লাখ টন, যা আগের বছরের চেয়ে ৫.৭ শতাংশ বেশি। পাশাপাশি নির্মাণ খাতের আরেকটি প্রয়োজনীয় পণ্য সিমেন্টশিল্পেও ভবিষ্যতে দুই অঙ্কের প্রবৃদ্ধি আশা করা হচ্ছে।

কিন্তু করোনা মহামারিতে কারখানাগুলো দীর্ঘদিন বন্ধ থাকায় বড় লোকসান গুনতে হয়েছে এ খাতে। ফলে ব্যবসা চালু রাখা এবং কর্মীদের বেতন পরিশোধ এখন তাদের জন্য কঠিন হয়ে পড়েছে। বর্তমানে এ শিল্পে প্রায় তিন লাখ মানুষ প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে জড়িত।

এ খাতের সংগঠন বিএসএমএ সরকারের কাছে নীতি সহায়তা চায়। উদ্যোক্তারা বলছেন, করোনায় সরবরাহব্যবস্থায় যে বিপর্যয় ঘটেছে তা কাটিয়ে ঘুরে দাঁড়াতে সরকারের নীতি সহায়তা প্রয়োজন। আন্তর্জাতিক বাজারে কাঁচামালের দাম ৫০-৫৫ ডলার বাড়লেও দেশে ইস্পাতের দাম গত ছয়-সাত মাসে কমেছে ১৫ শতাংশ।

সংগঠনটির সভাপতি মানোয়ার হোসেন বলেন, এ শিল্পটা শতভাগ আমদানিনির্ভর হওয়ায় অন্যান্য শিল্প থেকে বেশিই ক্ষতির সম্মুখীন। স্টিল উচ্চ বিনিয়োগ, উচ্চ চলতি মূলধন, উচ্চ ব্যয়বহুল একটি শিল্প। এ খাতে বিক্রি বেশি, কিন্তু মুনাফা কম। করোনায় এ শিল্প ভয়াবহ ক্ষতির মধ্যে পড়েছে। তাই এ মুহূর্তে ইস্পাতশিল্পে প্রণোদনার পাশাপাশি ভ্যাট, অগ্রিম কর, অগ্রিম আয়কর ও রেগুলেটরি কর ছাড় চান তাঁরা।

জাতীয় বিভাগের সর্বাধিক পঠিত
  • সেনাপ্রধানের ফেসবুক অ্যাকাউন্ট নেই: আইএসপিআর

  • দুর্নীতির বিরুদ্ধে রিপোর্ট সরকারকে ব্যবস্থা নিতে সহায়তা করে

  • ‌‘দুর্নীতির বীজ বপন করে গেছে ৭৫ পরবর্তী অবৈধ সরকারগুলো’

  • দক্ষিণ এশিয়ার নতুন ধনী ‘বাংলাদেশ’

  • নারীর নিরাপত্তা নিশ্চিতে সচেষ্ট বাংলাদেশ

  • ব্যবসার প্রসারে বড় ভূমিকা রাখবে প্রযুক্তি

  • পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রথম চুল্লি দেশে

  • এগিয়ে চলছে মেট্রোরেল

  • সরকারি পরিষেবার অর্থ জমা উন্মুক্ত হচ্ছে সব ব্যাংকে

  • দু-তিন বছরে সড়কে বৈপ্লবিক পরিবর্তন আসবে

  • ৪০০ কুমির রপ্তানি করবে বাংলাদেশ

  • ঘুরে দাঁড়াচ্ছে পর্যটন খাত

  • ‘তলাবিহীন ঝুড়ি’ থেকে শক্তিশালী অর্থনীতির দেশ বাংলাদেশ

  • বদলে যাচ্ছে পিছিয়ে পড়া অঞ্চলের শিক্ষার চিত্র

  • নকিয়া বাংলাদেশে কারখানা স্থাপন করতে আগ্রহী

  • করোনাকালে ক্ষুদ্র শিল্পকে বাঁচাতে এগিয়ে এসেছে সরকার

  • পদ্মা সেতুর ৫ কিলোমিটারের বেশি দৃশ্যমান

  • দক্ষিণ এশিয়ার অর্থনীতিতে নতুন নেতা হতে যাচ্ছে বাংলাদেশ

  • জাতীয় গো-প্রজনন কেন্দ্রে চার দশকে উৎপাদন ১৪ লাখ গরু

  • তাঁতিদের দক্ষতা বৃদ্ধিতে হচ্ছে ফ্যাশন ডিজাইন ইনস্টিটিউট

  • অঞ্চলভিত্তিক পেঁয়াজ চাষ করবে সরকার

  • টিকা কিনতে বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ

  • এবার শীতের তীব্রতা কম হবে

  • ২০৩০ সালের মধ্যে সড়কে মৃত্যু ৫০ শতাংশ কমানো হবে

  • ‘দুই-তিন বছরে বাংলাদেশের সড়কে বৈপ্লবিক পরিবর্তন হবে’

  • ‘২০৩০ সালের মধ্যে ছয় লেনের মেট্রোরেল নির্মাণের পরিকল্পনা সরকারের’

  • ‘ফ্রান্স-বাংলাদেশে বিনিয়োগ বাড়াতে কাজ করা হচ্ছে’

  • ভাল ফলন ও দাম পাচ্ছেন লেবু চাষিরা

  • বাজার সিন্ডিকেট ভাঙতে সরকার কাজ করছে

  • করোনাকালেও থেমে নেই কৃষকের উৎপাদন

  • নিউইয়র্কের সর্বোচ্চ সম্মাননা পেলেন বিশ্বের সবচেয়ে খুদে বিজ্ঞানী

  • মুক্তিযোদ্ধা ভাতা বাড়িয়ে ২০ হাজার করার প্রস্তাব

  • জিডিপিতে ১.২ শতাংশ প্রবৃদ্ধি আনবে পদ্মা সেতু: চীন

  • মাটির নিচ দিয়ে তার নেওয়া শুরু হবে সোমবার: তাপস

  • পদ্মায় বসলো ৩৩তম স্প্যান, দৃশ্যমান ৫ কিলোমিটার 

  • দক্ষিণ এশিয়ার নতুন অর্থনৈতিক নেতা বাংলাদেশ: দ্য ডিপ্লোম্যাট

  • সামুদ্রিক মাছ ‘বাংলাদেশিয়াস’ বৈশ্বিক তালিকায় অন্তর্ভুক্ত

  • পার্বত্য চট্টগ্রামের ২৮টি পাড়াকেন্দ্র ডিজিটাল হচ্ছে

  • বদলে যাচ্ছে ঢাকাসহ সব বিমানবন্দরের চেহারা

  • টিসিবি ২৫ টাকায় আলু বিক্রি শুরু করবে বুধবার

  • ‘মাধ্যমিকে বার্ষিক পরীক্ষা ছাড়াই ওপরের ক্লাসে উন্নীত করা হবে’

  • রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের চুল্লি রাশিয়া থেকে দেশে পৌঁছেছে

  • ডিজিটাল মানচিত্রে পোশাক কারখানা

  • জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হচ্ছে ১০০ কোটি ঘনফুট গ্যাস

  • স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে বিদেশে আখাউড়ার মাছ

  • উত্তরে দৃশ্যমান মেট্রোরেল

  • দেশের সবচেয়ে বড় সৌর বিদ্যুৎ কেন্দ্রে উৎপাদন শিগগিরই

  • ‘দুই-তিন বছরে বাংলাদেশের সড়কে বৈপ্লবিক পরিবর্তন হবে’

  • নিরাপদ সড়ক নিশ্চিতে সবকিছু করে যাচ্ছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী

  • রাজশাহীতে চালু হচ্ছে নৌবন্দর

  • পরিচ্ছন্ন নারায়ণগঞ্জ গড়তে ৩০১ কোটি টাকা

  • এবার গারো পাহাড়ে চা চাষের উদ্যোগ

  • করোনার মধ্যেই ঘুরে দাঁড়িয়েছে বাংলাদেশের অধিকাংশ সূচক

  • নারীদের দক্ষতা বাড়ানোর পরামর্শ

  • সরকারি তৎপরতায় ঘুরে দাঁড়াচ্ছে পোলট্রি শিল্প

  • একনেকে ১৬৬৮ কোটি খরচে ৪ প্রকল্প অনুমোদন

  • ব্যারিস্টার রফিক-উল হকের মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রীর শোক

  • ওসমানী বিমানবন্দরের আয়তন বাড়ছে তিনগুণ

  • ‘আমরা ভাগ্যবান শেখ হাসিনার মতো একজন দক্ষ নেত্রী পেয়েছি’ 

  • রোহিঙ্গাদের জন্য আরো ৩৫ কোটি ডলার অনুদান ঘোষণা