শনিবার   ৩০ মে ২০২০

ব্রেকিং:
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোর বার্ষিক ছুটি ৭৫ দিন আগামী মার্চে ঢাকা উত্তর সিটির ভোটের ইঙ্গিত সিইসির জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় পরিদর্শনে প্রধানমন্ত্রী আস্থা ভোটে টিকে গেলেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী থেরেসা মে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে নেপালের বিদায়ী রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ খালেদার অনুপস্থিতিতেই কারাগারে বিচার চলবে রব ও মান্নার বিয়ে যুক্তফ্রন্টে, পরকীয়া ঐক্যফ্রন্টে: মাহী এটা জোট নয়, ঘোট : তথ্যমন্ত্রী যুক্তরাষ্ট্রে রাজনৈতিক আশ্রয় পেলেন সিনহা আবারও সরকার গঠনে নৌকায় ভোট দেয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর পদ্মা সেতু প্রকল্পের নামফলক উন্মোচন করলেন প্রধানমন্ত্রী
১৩৩

আর ঋণ অবলোপন নয়: অর্থমন্ত্রীর নির্দেশ

ডেস্ক নিউজ

প্রকাশিত: ৭ অক্টোবর ২০১৯  

ভালো গ্রাহকদের পুরস্কার, ব্যাংকগুলোতে প্রণোদনা চালু এবং নতুন করে ঋণ অবলোপন করা বন্ধসহ বেশ কয়েকটি নির্দেশ দেয়া হয়েছে রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলোকে। সম্প্রতি সরকারি মালিকানাধীন বাণিজ্যিক ব্যাংকের চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালকদের (এমডি) সঙ্গে বৈঠকে এসব নির্দেশ দিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। 

ওই বৈঠকে নতুন করে খেলাপি ঋণ যাতে না বাড়ে সেজন্য ব্যাংকগুলোকে কার্যকরী পদক্ষেপ নেয়ার কথা বলা হয়েছে। পাশাপাশি নির্দেশ দেয়া হয় খেলাপি ঋণের পরিমাণও কমাতে। বৈঠকের কার্যবিবরণী সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।

এ প্রসঙ্গে অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল বলেন, ব্যাংকের ভালো ঋণগ্রহীতাদের আমরা আবার ঋণ দেব। আর যারা ভালো নয় তাদের সম্পর্কে বলা আছে তাদের ঋণ দেয়া হবে না। তিনি আরও বলেন, খেলাপি ঋণগুলো পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, কিছু আইনি প্রক্রিয়ার দুর্বলতা আছে। এসব দুর্বল দিক এখন দূর করা হবে। আর খেলাপি ঋণের সঙ্গে জড়িতদের শাস্তির আওতায় আনা হবে। 

জানা গেছে, সম্প্রতি রাষ্ট্রায়ত্ত চারটি ব্যাংকের চেয়ারম্যান ও এমডিদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন অর্থমন্ত্রী। ওই বৈঠকে নেয়া সিদ্ধান্তগুলো অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ থেকে বোরবার ব্যাংকগুলোর কাছে নির্দেশ আকারে পাঠানো হয়েছে। নির্দেশগুলোর মধ্যে রয়েছে- প্রত্যেক ব্যাংককে শ্রেণিকৃত ঋণের পরিমাণ হ্রাস করতে হবে। নতুন করে আর কোনো ঋণ যাতে শ্রেণিকৃত না হয় সে ব্যাপারে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে হবে। কারণ বর্তমানে ব্যাংকগুলোতে খেলাপি ঋণের পরিমাণ এক লাখ কোটি টাকা ছাড়িয়ে গেছে। 

এছাড়া প্রতিটি ব্যাংকের আর্থিক বিবরণী অভিন্ন আকারে প্রস্তুত করতে বলা হয়েছে। বিশেষ করে ব্যালান্সশিটে ফাইন্যান্সিং অ্যাসেট, নন-আরর্নিং অ্যাসেট, গভর্নমেন্ট লায়াবিলিটি, নন-গভর্নমেন্ট লায়াবিলিটি, বিষয়গুলো সুনির্দিষ্টভাবে উল্লেখ করতে নির্দেশ দেয়া হয়।

নির্দেশনায় আরও বলা হয়, পরিচালনা মুনাফা বাড়াতে হবে ব্যাংকগুলোকে। এই মুনাফা বাড়ানোর মাধ্যমে ব্যাংকের সম্পদের পরিমাণ বাড়াতে হবে। এছাড়া অটোমেশনের প্রতি গুরুত্বারোপসহ কাগজবিহীন (পেপারলেস ট্রানজেকশন) চালু করতে হবে, যাতে সহজে ও দ্রুত গতিতে আর্থিক লেনদেন সম্পন্ন করা যায়। ব্যাংকের অসাধু কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিতে হবে। গ্রাহক বা ব্যাংক কর্মকর্তা যেই অপকর্ম করুক তাকে শাস্তির আওতায় আনতে হবে।

নির্দেশনায় বলা হয়, মামলার জট কমাতে ব্যাংকগুলোকে ভালো আইনজীবী এবং আর্থিক বিষয়গুলো সঠিক ও উপযুক্তভাবে তুলে ধরার জন্য পেশাদার হিসাবরক্ষণবিদ নিয়োগের ব্যবস্থা করতে হবে। কারণ খেলাপি ঋণের মামলায় আদালতে কয়েক লাখ কোটি টাকা আটকে রয়েছে। 

সেখানে আরও বলা হয়, রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলোর অভ্যন্তরীণ নিয়ন্ত্রণ ও পরিপালন ব্যবস্থা শক্তিশালী করতে হবে। একটি কাজ স্বয়ংক্রিয়ভাবে যাতে নিরীক্ষাসহ সম্পন্ন হয়ে যায় সেজন্য প্রত্যেককে আলাদা দায়িত্ব ও কর্তব্য সুনির্দিষ্ট করতে হবে। কারণ অভ্যন্তরীণ নিরীক্ষা ব্যবস্থা শক্তিশালী করা হলে অনিয়ম-দুর্নীতি প্রথমে শনাক্ত হয়ে তা কমে আসবে।

এদিকে বৈঠকে কার্যবিবরণীতে তুলে ধরা হয়েছে অর্থমন্ত্রীর বক্তব্য। মন্ত্রী সেখানে বলেছেন, খেলাপি ঋণ বৃদ্ধির জন্য দায়ী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে। এজন্য ভালো ল’ ফার্ম নিয়োগের পরামর্শ দিয়েছেন তিনি।

এছাড়া ঋণগুলো সঠিক পদ্ধতিতে অবলোপন করা হচ্ছে কিনা এ বিষয়ে ব্যাংকগুলোর কাছে জানতে চেয়েছেন মন্ত্রী। অর্থমন্ত্রী ওই বৈঠকে বলেন, খেলাপি ঋণের জন্য শুধু গ্রাহকরাই দায়ী নয়, ব্যাংকের অদক্ষ ব্যবস্থাপনাও অনেকাংশে দায়ী। তিনি আরও বলেন, ব্যাংকগুলোর সম্পদের পরিমাণ ও গুণগত মান বাড়াতে দক্ষ হিসাবরক্ষণকারী ও আইনজীবী আবশ্যক। ঋণ নেয়ার ক্ষেত্রে গ্রাহক উপযুক্ত জামানত বন্ধক দিচ্ছে কিনা তা বিবেচনা করা প্রয়োজন। কোনো ব্যাংকের উপযুক্ত জামানত ছাড়া ঋণ দেয়া উচিত নয়। কারণ শতকরা ৭০ থেকে ৮০ শতাংশ ঋণখেলাপি হয়েছে ভুয়া দলিল দাখিল করে ঋণ গ্রহণের সুযোগ পাওয়ায়। তিনি আরও বলেন, যে গ্রাহকের ঋণ একবার অবলোপন করা হবে সে গ্রাহকের সঙ্গে ব্যাংকের ব্যবসা করা সমীচীন নয়। ঋণ দেয়ার ক্ষেত্রে কোম্পানির কর্তৃপক্ষের ব্যক্তিগত জামানত ও গ্যারান্টি দেয়ার বাধ্যবাধকতা আরোপ করতে হবে।

বৈঠকে বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর আহমেদ জামাল তার বক্তব্যে বলেন, ঋণ খেলাপি না হওয়ার জন্য আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ ও বাংলাদেশ ব্যাংকের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় বিধান জারি করা হয়েছে। ওই বিধান সঠিকভাবে পরিপালন না করায় ঋণখেলাপি বাড়ছে। তিনি বড় ঋণগুলোর বর্তমান ব্যবসায়িক অবস্থান সরেজমিন যাচাই করতে বলেন। 

তিনি আরও বলেন, ঋণ বিতরণের সময় ঝুঁকি নির্ণয় পদ্ধতি ও নীতিমালা কার্যক্রম বিদ্যমান থাকলেও অধিকাংশ বাণিজ্যিক ব্যাংক সেগুলো পরিপালন করছে না। নন ফান্ডেড ঋণের ক্ষেত্রে ব্যাংকগুলোকে আরও সতর্ক হয়ে কাগজপত্র সঠিকভাবে যাচাই-বাছাই করে ঋণ দিতে বলেন তিনি। পাশাপাশি টাকা পাচার প্রতিরোধ করতে এলসি খোলার ক্ষেত্রে অতি মূল্যায়নের মাধ্যমে যাচাই-বাছাই করতে বলা হয়।

আরও পড়ুন
অর্থনীতি বিভাগের সর্বাধিক পঠিত
  • স্থায়ী হলেন হাইকোর্টের অতিরিক্ত ১৮ বিচারপতি

  • ত্রাণের তালিকায় যুক্ত হচ্ছে আম, লিচুসহ বিভিন্ন মৌসুমি ফল

  • করোনা প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণে বাসায় যেসব স্বাস্থ্যবিধি মানতে হবে

  • ফেসবুক লাইভে এসএসসির ফল জানাবেন শিক্ষামন্ত্রী

  • জয়পুরহাটে করোনা প্রতিরোধে ছাত্রলীগ নেতার জীবাণুনাশক টানেল

  • সংঘাতপূর্ণ দেশে শান্তি রক্ষায় ‘বাংলাদেশ পুলিশ’

  • ‘সোমবার থেকে চলবে বাস, চালক-যাত্রীদের মানতে হবে স্বাস্থ্যবিধি’ 

  • করোনা মোকাবিলায় বাংলাদেশের প্রচেষ্টায় ৬ দেশের একাত্মতা

  • ‘শেখ হাসিনা বাংলাদেশকে পুনরায় বিশ্ব আসনে সমাদৃত করেছেন’

  • ‘বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে আলোচনা করে ছুটি না বাড়ানোর সিদ্ধান্ত হয়েছে’

  • প্রধানমন্ত্রীকে ফোন করে জাতিসংঘ মহাসচিবের শুভেচ্ছা

  • দুর্যোগ মোকাবিলা সরকারের উদ্যোগ ইতিবাচক

  • ‘শান্তিরক্ষা মিশনে সাড়া দিতে সরকারের প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে’

  • করোনা জয়ে গ্রামীণ অর্থনীতি

  • কুড়িগ্রামের সীমান্তবর্তী এলাকায় বিজিবির ত্রাণ বিতরণ

  • জীবিকার প্রয়োজনে সীমিত পরিসরে সচল হচ্ছে সব

  • দুর্যোগ মোকাবিলা সরকারের উদ্যোগ ইতিবাচক

  • পাইকগাছায় ভুট্টার বাম্পার ফলন

  • প্রথমবারের মতো শান্তিরক্ষীদের বহন করল বাংলাদেশ বিমান

  • আম্ফানে ক্ষয়ক্ষতি: প্রধানমন্ত্রীকে প্রিন্স চার্লসের চিঠি

  • শান্তিরক্ষীদের অবদান দেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করেছে: প্রধানমন্ত্রী

  • ৫ লাখেরও বেশি পরিবারকে ডিএনসিসির ত্রাণ বিতরণ

  • ছয় দিনে ১০ হাজারের বেশি রোগী শনাক্ত, মৃত্যু শতাধিক

  • ৫ লাখেরও বেশি পরিবারকে ত্রাণ দিয়েছে ডিএনসিসি

  • রোববার থেকে শেয়ারবাজারে লেনদেন চালু 

  • গণপরিবহন চালু সরকারের ইতিবাচক সিদ্ধান্ত: সেতুমন্ত্রী

  • ‘প্রধানমন্ত্রী ইতিহাসের বৃহত্তম ত্রাণ কার্যক্রম পরিচালনা করছেন’

  • বেড়িবাঁধ মেরামতে ১০০ কোটি টাকার প্রকল্প নেওয়া হচ্ছে: প্রতিমন্ত্রী

  • কোন কোন অবস্থায় ভুলেও হ্যান্ড স্যানিটাইজার ব্যবহার করা যাবে না?

  • বাড়িতে বসে কোভিড-১৯ চিকিৎসায় যে ছয়টি বিষয় মনে রাখবেন

  • প্রধানমন্ত্রী আমার জন্য হাসপাতালে কেবিন বুকড দিয়েছেন: জাফরুল্লাহ

  • বঙ্গবন্ধুর জুলিও কুরি শান্তি পুরস্কার প্রাপ্তির ৪৭তম বার্ষিকী আজ

  • রপ্তানি আয়ে চামড়াকে ছাড়িয়ে দ্বিতীয় স্থানে উঠে এসেছে পাট খাত

  • ঘরোয়া পদ্ধতিতে করোনা দমনে ড. বিজন শীলের ৬ পরামর্শ

  • যুক্তরাষ্ট্রে পিপিই রপ্তানি শুরু করলো বাংলাদেশ

  • নিজের করোনা পজিটিভ রিপোর্টে নিজেই স্বাক্ষর করেন ডা. শাকিল!

  • ২৫ মে, কাজী নজরুল ইসলামের ১২১ তম জন্মদিন

  • প্রধানমন্ত্রী কাল জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেবেন

  • সহজে ব্যবহারযোগ্য ভেন্টিলেটর উদ্ভাবন করল মেরিন একাডেমি

  • ২১ দিনে রেকর্ড ১১২ কোটি ১০ লাখ ডলার পাঠিয়েছে প্রবাসীরা

  • করোনাকালীন সংকটেও কৃষির সাফল্য

  • করোনা শনাক্তে দেশেই তৈরি হলো ‘ভিটিএম কিট’

  • অফিস-কারখানায় ১৩ দফা স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার নির্দেশ

  • বেকারদের আত্মকর্মসংস্থান সৃষ্টিতে ৭ হাজার কোটি টাকার প্রকল্প

  • ‘আমরা এক সঙ্গে করোনাকালীন খারাপ পরিস্থিতি পার করতে পারবো’

  • শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধের সময়সীমা বাড়ল

  • করোনার চিকিৎসায় এসকেএফের রেমডেসিভির সরবরাহ শুরু

  • আরো ১০৬ পুলিশ সদস্য সুস্থ

  • চলতি মাসেই দৃশ্যমান হবে পদ্মাসেতুর সাড়ে ৪ কিলোমিটার

  • সীমিত পরিসরে গণপরিবহন চলার ব্যাপারে প্রধানমন্ত্রীর সম্মতি

  • তিন বিষয়ে সর্বোচ্চ গুরুত্বের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

  • নগদ সহায়তা পাবে ৪৮ লাখ প্রান্তিক উদ্যোক্তা

  • জনগণ ঐক্যবদ্ধ থাকলে মহামারি উতরানো কোনো কঠিন কাজ নয়

  • রপ্তানি আয়ে দ্বিতীয় অবস্থানে পাট খাত

  • এসএসসির ফল প্রকাশ হবে ৩১ মে

  • কৃষক ও ক্রেতার প্ল্যাটফর্ম ‘ফুড ফর ন্যাশনের’ যাত্রা শুরু

  • বিশ্বমানের পিপিই উৎপাদনকারী দেশের তালিকায় বাংলাদেশ

  • করোনা সচেতনতায় ভুয়া স্বাস্থ্য পরামর্শ এড়িয়ে চলার টিপস

  • মালদ্বীপ থেকে ফিরলেন ১২০০ বাংলাদেশি 

  • First Copies of Gilead Virus Drug to Start Selling in Bangladesh